Plutarch (later named, upon becoming a Roman citizen, Lucius Mestrius Plutarchus; AD 46–AD 120) was a Greek historian, biographer, and essayist, known primarily for his Parallel Lives and Moralia. He is classified as a Middle Platonist. Plutarch's surviving works were written in Greek, but intended for both Greek and Roman readers.
জীবনীমালা পড়ে জীবনীর ব্যাপারে মত হচ্ছে এই ব্যক্তিদের পূজনীয় বলে রাখতে পারছি না। তারা তাদের সমকালে জনপ্রিয় ছিলেন বটে, যেমনটি আমাদের রাজনীতির মাঠে হয়ে থাকে। সোলনের জীবনী তুলনামূলক কিছুটা পাঠ্য। আর দুজনের মোরাল আগ্রহোদ্দীপক লাগল না। সততার গল্প আড়াই হাজার কেন, দশ হাজার বছর আগের হলেও পড়া যায়- ৫০টা হলেও পড়া যায়। ভেজালের সম্পাদ্য একবার করলেই আগ্রহ দমে আসে। তিনজনের সাধারণ গুণ বাগ্মীতা। অর্থাৎ, চাপার জোর রাজনৈতিক অঙ্গণের কলকাঠি নাড়ার মোক্ষম হাতিয়ার সে প্রাচীনকাল থেকেই।
সোলন থেকে সিসেরো কালের অনুক্রমে তিনটি পৃথক সময়ের বর্ণনা এসেছে। অগ্রজ সোলন থেকে অনুজ সিসেরো খ্রিস্টপূর্ব ৬৩৮ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৪৩ পর্যন্ত, আর মূল লেখক প্লুটার্ক ৪৬-১১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। প্রত্যেকের কারো সাথে কারো জীবনের ছোঁয়াচ ঘটে নাই। এমতাবস্থায় ইতিহাস তুলে আনার জন্য প্লুটার্কের প্রয়াস প্রশংসনীয়। জৈবনিক এ রচনায় প্লুটার্কের ভূমিকা লেখা থাকলে তার দৃষ্টিভঙ্গির সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যেত।
এধরনের ব্যক্তিদের নিয়ে বই যেহেতু দু চার জোড়া অহরহ নেই সেই তুলনায় বইটি সংগ্রহ/নথি বিবেচনায় মৌলিক বলা চলে। সাহিত্য উপাদানের কথা মাথায় আনলে জোর সমর্থন করতে পারি না। অনূদিত সংস্করণ দলিলের ভাষা থেকে বৈচারিত্রিক স্বাদ দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
ঐতিহাসিক উপাদান বলতে যা অনুমান এসে ঠেকে, জ্ঞানের স্বীকৃতি হিসেবে ক্ষমতার সাথে এর যোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ। যতটা না জ্ঞানই শক্তি, তার চেয়ে বরং শাসনের সাথে জড়িত ব্যক্তিই এই ব্যক্তিদের বক্তব্যের শক্তি বলে প্রতীয়মান হয়। সে আমলে যেকোনো ঘটনা লিখে রাখার চল ছিল না বলে এ ঘটনাটা স্বাভাবিক হতে পারে, অথবা অপরাপর বর্ণনা করে, বক্তাকে (যে তর্কে ভাল, অন্যকে বাকচাতুর্যে অদৃশ্য করে দিতে পারে) ব্যক্তির তুলনায় অগ্রসর চাক্ষুষ দেখায় সামগ্রিকতা, সম্মিলিত জ্ঞান, বিশ্লেষণ ইত্যাদির ভিন্ন সুযোগ বা বিকল্প ছিল না। আবার শাসক বা শাসনের সাথে জড়িত থাকার সুবাদে ব্যক্তি যে বহুমাত্রিক চিন্তার সুযোগ পান, সেই পরিবেশ অন্য কারো কাছে অন্যান্য বিষয়াদীর তুলনায় নগন্য।
ডেমসথেনিস ও সিসেরোর অসততা, স্বার্থের সাথে সোজাসাপ্টা আপসের কারণে যতটা প্রয়োজনীয় ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হতে পারেন তাদের পুরোটা ভূমিকা দেয়া যেতে পারে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে, জ্ঞানী হিসেবে বলার প্রয়োজন নিছক প্রাচীনের প্রতি সম্মান।