বাঙালি তার শ্রেষ্ঠ সন্তান চৈতন্যের অন্তর্ধান রহস্য বিস্মৃত হয়নি কখনও। কালে কালে তাঁর মৃত্যুরহস্য আরও গভীর হয়েছে। জুড়ে গেছে বিভিন্ন অতিকথন ও মিথ। বাংলা সাহিত্যে এই প্রথম চৈতন্য মৃত্যুরহস্যের সমাধান নিয়ে আসছে 'চৈতন্য শেষ কোথায়?'
ঠিক কী হয়েছিল শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু'র সঙ্গে? অলৌকিক অন্তর্ধান, স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি হত্যাকাণ্ড? তৃতীয় সম্ভাবনাটি নিয়ে অজস্র বই আছে— নিচু স্তরের কন্সপিরেসি থ্রিলার থেকে শুরু করে তুহিন মুখোপাধ্যায়ের গবেষণাগ্রন্থ "চৈতন্যের শেষ প্রহর।" সেগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু এর বাইরেও কি থেকে যায় কোনো সম্ভাবনা— যা হয়তো যুক্তির নিরিখে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য? এই অনুসন্ধান, তথা পাঁচশো বছর পুরোনো এক কোল্ড কেসের সবচেয়ে যৌক্তিক তদন্তই লিপিবদ্ধ হয়েছে এই বইয়ের দু'মলাটের মাঝে। তার শেষে লেখক কী পেয়েছেন? সেও এক সম্ভাবনাই— যাকে হয়তো আজ আর খতিয়ে দেখার উপায়ও নেই। অথচ... এই বইয়ের যুক্তিক্রম অনুসরণ করলে তাকে আপনি স্রেফ গঞ্জিকাধূম্রসঞ্জাত বলে কিছুতেই উড়িয়ে দিতে পারবেন না। বরং বইটা পড়ে দেখুন। আমার বিশ্বাস, খোলা মনে পড়লে এটির শেষে নথিবদ্ধ ধারণাটিকেও আপনি উপেক্ষা করবেন না। হয়তো তখন থেকেই শুরু হবে, সত্যের সন্ধানে আপনারও এগিয়ে চলা। চলুন, এগিয়ে যাই।