দুর্গাপুজো সবে শেষ হয়েছে। জলপাইগুড়ি শহরে শীত আসবে আসবে করছে। তিস্তা নদীর ধারে রিসর্টে সেদিন ছিল ডাক্তারদের পার্টি। পার্টিতে উপস্থিত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ এক সুন্দরী মেয়ের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ পাওয়া গেল পরের দিন ভােরে তিস্তা সংলগ্ন এক হাইড্রেনে। তাঁর মৃতদেহ প্রশ্ন তৈরি করল অনেক। তাঁর শরীর থেকে গায়েব ছিল বেশ কিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। কেন এমন হল? কারা জড়িয়ে আছে এর পেছনে? এই নিয়ে রহস্য উপন্যাস ‘আরক্ত ভৈরব'।
Arokto Voirab (Terrible Blood?) is the first book by the author Ms. Roy. I think before publishing her book she did not read it twice, or there is nothing called 'publisher' for it! The lines in this book were haphazardly placed, especially the dialogues. After reading a dialogue sometime you need to rework your steps in the previous line to find who have said that and why. Moreover, the sentences did not create the vibe and feeling which is a must for thrillers. Otherwise it would be abandoned by people.
However, except these things, if she can reformat the book and make her sentences to be more alluring, then it would have been a great book. I want to mention particularly the twist. Till now as a fan of thriller genre, I have confronted many books and many twists in Detectives series. This was one of the best of them. Came from nowhere and you can not even sense this. But without this you would not find anything that is worth remembering.
What the writer said in her premise was commendable -- she wants her book to be criticized so that she could improve herself. Now I have done it, and let us see how she repairs her future write-ups.
লেখিকার প্রথম প্রয়াস হিসাবে উপন্যাসটি যথেষ্ট ভাল। ভাষাগত সমস্যাটা হয়তো একটু বেশি, মনে হচ্ছিল যেন ওঁর লেখা ফার্স্ট ড্রাফট, কোনওরকম এডিট না করেই, ছেপে ফেলা হয়েছে।
গল্পের রহস্য ভালোই এগোচ্ছিল, কিন্তু উপন্যাসে "গোয়েন্দাগিরি" তেমন কিছুই নেই। রেশমি বসু ঠিক কী ভাবে ক্লু খুঁজলেন, কী কী নতুন তথ্য পেয়ে রহস্যের জট তুললেন, সেইসব কিছুই গল্পের ক্লাইম্যাক্সের আগে জানানো হয় নি। এটা একটা বড় গলদ।
একগাদা সাবপ্লট রয়েছে গল্পে, কোনওটাই তেমন প্রয়োজনীয় ছিল না, খালি গল্পের ওজন বাড়িয়েছে।
তিনটে স্টার দিয়েছি শুধুমাত্র রেশমি বসুর চরিত্রাঙ্কনের জন্য। এই চকোলেট খাওয়া, কথায় কথায় খোঁচা দিতে পারা পুলিশ অফিসারকে আমার দারুণ লেগেছে। অনেকদিন পর এক কাল্পনিক চরিত্রের প্রতি ভয়ানক ক্রাশ খেলাম।
পুজোর শেষে ,শীত আসবে আসবে করছে জলপাইগুড়ি শহরে। সে সময় তিস্তা নদীর ধারে এক রিসোর্টে ডাক্তারও মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ কে নিয়ে এক পার্টি চলছিল। পরের দিন তিস্তা নদীর বাঁকে ,সেই রিসোর্ট এর মালিক এক মহিলার ছিন্ন বিছিন্ন দেহ উদ্ধার করেন। দেহটির পরিচয় স্বরূপ জানা যায় মেয়েটি সেই ডাক্তারের পার্টিতে ছিলেন এবং মেয়েটি একজন কর্মঠ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ। সবথেকে অবাক করা ব্যাপার হলো মৃতদেহটির মধ্যে থেকে অনেকগুলি অর্গান মিসিং ছিল। কেসটির দায়িত্ব গিয়ে পড়ে সদ্য জলপাইগুড়ি আসা ডিএসপি রেশমি বসুর উপর। তদন্ত চলতে থাকে এবং বেরিয়ে আসে মেয়েটির উশৃংখল জীবনযাপন এবং প্রাক্তন প্রেমিকের মেয়েটির পিছু নেওয়া এবং কিছু চিকিৎসকের কিছু ঘৃণ দিক। প্রথমে এটিকে হিউম্যান ট্র্যাকিং মনে হলেও খুনের আসল কারণ হিসাবে বেরিয়ে আসে এক নির্মম ও ভয়ংকর এক ঘটনা, খুনটা হয়েছিল কিভাবে?কেই বা খুনটা করে?মেয়েটির দেহের অর্গানগুলি তার শরীর থেকে কেটে বাদ দেওয়া হয়েছিল কেন? এক যুবতী মেয়ে ঊশৃংখল জীবনযাপন এগুলো কি তার জীবনের শেষের জন্য দায়ী ?এগুলি জানতে হলে উপন্যাসটি পড়তে হবে। এই উপন্যাসের কথা এবার আসা যাক উপন্যাসটি পড়ে আমার কেমন লাগলো, প্রথমে বলি যে সব বইয়ের প্রধান চরিত্র মেয়েরা হয় সেইসব বইগুলির প্রতি এক আলাদাই পক্ষপাতিত্ব কাজ করে আমার, তারপরে মেয়েটি যদি চকলেট খাওয়া তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন এক মহিলা পুলিশ হয়ত তার কথাই আলাদা, রেশমি বসুকে বেশ পছন্দ হয়েছে আমার লেখিকা চেষ্টা করেছেন চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তোলার, তবে এই বইটি সম্পর্কে আমি মিশ্র রিভিউ দেখেছি তবে লেখিকার প্রথম বই হিসেবে লেখিকা কিন্তু এক অনবদ্য কাজ করেছেন। আজকাল থ্রিলার পড়তে গেলে বেশিরভাগ সময় বোঝা যায় শেষ পর্যন্ত কাহিনী কোন দিকে মোর নেবে, তবে এদিকে লেখিকা বেশ ভালো কাজ করেছেন কাহিনীর পরিণতি কি সেটা আমি কোনভাবে ধরতে পারিনি। তার সাথে জলপাইগুড়ি শহরের অসাধারণ বর্ণনা। তবে কিছু জিনিস খামতি আছে, প্রথমে আমার যেটা মনে হয়েছে তদন্ত করার সময় রেশমি বসুর চোখে যেসব অসঙ্গতি গুলো চোখে পড়ছিল সেগুলি প্রায় শেষের দিকে পাঠক হিসাবে জানতে পেরেছি। সে ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে সেগুলি উপন্যাসটিতে থাকলে হয়তো উপন্যাসটি আরো টানটান হত। আরেকটা ব্যাপার যেটা একটু চোখে লেগেছে আমার সেটি হচ্ছে বিভিন্ন বাক্যের অসঙ্গতি তবে এগুলি ছাড়া লেখিকার প্রথম বই হিসেবে এটি সুপারহিট।
ভাষার উন্নতি প্রয়োজন। খুব খারাপ মানের প্রুফ রিডিং। বাক্য গঠন অনেক সময়েই শ্রুতি মধুর নয়, বিশেষ করে অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত ইংরাজি শব্দের ব্যবহার গদ্যের মাধুর্য নষ্ট করেছে। গল্পের বিভিন্ন জায়গায় অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা ও বার্তালাপ গল্পে বিরক্তি এনে দেয়। কাহিনীতে এমন কিছু নতুনত্ব নেই । খুব ছোট গল্পকে টেনে হিঁচড়ে বড় করার প্রবণতা পরবর্তীকালে না থাকলে ভালো হয়। আকর্ষণহীন প্রচ্ছদের সাথে কাহিনীর কোনও মিল নেই। নামকরণের সার্থকতাও খুঁজে পেলাম না। কেন্দ্রীয় চরিত্ররা প্রত্যেকেই অপূর্ব রূপের আধার - এই বিষয়টি বড্ড বেশি ক্লিশে হয়ে যাওয়ায় পড়ার ইচ্ছা শুরুতেই নষ্ট হয়ে যায়।
লেখিকার কথায় এটি ওনার প্রথম গল্প। যদি তাই হয় তাহলে বলবো ওনার প্রথম প্রয়াস প্রশংসনীয়।
গল্পের লেখনী খুবই সহজ সরল। থ্রিল টা শেষ পাতা অব্দি বজায় ছিল। টুইস্ট টা সত্যি unexpected। আমার বেশ ভালই লেগেছে। বাকিরা পরে দেখতে পারেন। খারাপ লাগবে না।