Ahsan Habib (2 January 1917 – 10 July 1985) was a Bangladeshi poet and literary figure in Bengali culture. He was born in the village of Shankarpasha, in Pirojpur. Before the India-Pakistan partition, he worked on several literary magazines: Takbir, Bulbul (1937–38) and The Saogat (1939-43) and he was a staff artiste at the Kolkata Centre of All India Radio. After partition he came to Dhaka and worked on Daily Azad, Monthly Mohammadi, Daily Krishak, Daily Ittehad, Weekly Prabaha, etc. Poems
His first book of poetry was Ratri Shesh. Others include: Chhaya Horin (1962), Shara Dupur (1964), Ashay Boshoty (1974), Megh Bole Choitrey Jabo (1976), Duhate Dui Adim Pathar (1980). His children books were: Josna Rater Golpo, Bristi Pare Tapur Tupur (1977), Chutir Din Dupure (1978). Ranee Khaler Shako (রানিখালের সাঁকো), Aronno Neelima and Zafrani Rong Payra were his notable novels.
Ahsan Habib received several awards for his literary achievements, including: UNESCO Literary Prize (1960–61), Bangla Academy Award (1961), Adamjee Literary Prize (1964), Nasiruddin Gold Medal (1977), Ekushey Padak (1978), Jatiya (National) Padak, Abul Mansur Ahmed Memorial Prize (1980), Abul Kalam Memorial Prize (1984)
রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক কবিতা রচনায় যখন বাঙালি হিন্দু কবিরা দোর্দণ্ড প্রতাপে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে,, তখনো বাঙালি মুসলমান কবিরা অনেকটাই পেছনে রয়ে গেছিলেন.। সেই সময় যে মুসলমান কবিরা রাত্রি শেষ করে ভোরের স্নিগ্ধ আলো নিয়ে কবিতায় প্রবেশ করেছিলেন,, তাদের মধ্যে আহসান হাবীব অগ্রগণ্য। ১৯৪৭ "রাত্রি শেষ" কাব্যগ্রন্থ দিয়ে তার যুগ-প্রবেশ। সেই উত্তাল সময়ের ঘটনাপ্রবাহ কবির মনকে যে বেশ ছুঁয়েছিল,তা রাত্রি শেষের কবিতাগুলোতে খানিকটা হলেও প্রকাশ পেয়েছে। সেই সময়টা যেন তখন তার কাছে হয়ে উঠেছিলো এক বিকলপক্ষ পাখির মতো।কবি 'দিনগুলি' কবিতায় বলেছেন -- "দিনগুলি মোর বিকলপক্ষ পাখির মতো বন্ধ্যা মাটির ক্ষীণ বিন্দুতে ঘূর্ণ্যমান।"
"রাত্রি শেষ"..এ কবি আত্মানুসন্ধানই করেছেন। অস্তিত্ব , সংগ্রাম, আত্ম-দর্শন সন্ধানে কবি তখন বারংবার নিজের কাছে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ! সেই সন্ধান কেবল তার নিজের নয়, সমাজ সন্ধানও বটে। "রাত্রি শেষ" এ নগর-গ্রাম মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। "রাত্রি শেষ" এর কবিতা গুলোকে কবি চারটি ভাগে ভাগ করেছেন --- প্রহর, প্রান্তিক, প্রতিভাস,পদক্ষেপ। ব্যক্তিগত ভাবে বলতে গেলে পদক্ষেপের কবিতা গুলো আমার বেশ ভালো লেগেছে।
"হে আকাশ হে অরণ্য, রেড্ রোডে রাত্রিশেষ, অস্তপারের আকাশকে, ঝরা পলাশ।" এই কবিতা গুলো অসম্ভব মুগ্ধ করার মতো।
কবি আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ "রাত্রিশেষ" (১৯৪৭)। "রাত্রিশেষ"-এর প্রায় সব কবিতাই ১৯৩৮ থেকে ১৯৪৬-এর মধ্যে লেখা। কবিতাগুলো ভালোভাবে অনুধাবন করতে হলে তৎকালীন সমকাল এবং লেখকের ব্যক্তিজীবনকে জানতে হবে।
ধনবাদী সভ্যতার অবিশ্বাস অবক্ষয়চেতনা আহসান হাবীবকে জীবন ও শিল্পমীমাংসার এক সদর্থক প্রান্তে পৌঁছে দেয়। ত্রিশের কবিরা সংহত ও ইতিবাচক হতে সময় নিয়েছেন অনেক বেশি। অন্তত প্রথম কাব্যগ্রন্থে কেউই পারেননি। আহসান হাবীব এক্ষেত্রে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। প্রথম কাব্যগ্রন্থেই তিনি নৈরাশ্য অতিক্রমী আশার সুর আমাদের শুনিয়েছেন। এই সদর্থক চেতনাই আহসান হাবীবের মধ্যে আত্মঅতিক্রমণের বীজশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। সমাজ ও জীবনের দ্বন্দ্ব জটিল বিবর্তন পরম্পরায় তিনি কবিতার রূপ ও স্বরূপের রূপান্তরসাধনে সমর্থ হয়েছেন।