বই পড়ার নেশা এতটা প্রবল হতে পারে জানতাম না। তবে শুরু করা যাক। ভ্রম এম. জে. বাবু প্রথম প্রকাশ, ২০২০ প্রকাশক: গ্রন্থরাজ্য ১০৭ পৃষ্ঠা রাত ১:৩০ মিনিটের দিকে শুরু করে সকাল ৬:৩০ মিনিটের দিকে শেষ করে এই মাত্র লিখতে বসলাম। ২২ শে শ্রাবণ, এমন একটা দিন, যা একইসাথে আনন্দ এবং দুঃখ নিয়ে আসার ক্ষমতা রাখে। আবার দিনটি রহস্যের কেন্দ্রবিন্দু হতেও দ্বিধাবোধ করবেনা। গল্প পড়লে তা বুঝতে পারবেন আশা করি। চরিত্র বিশ্লেষণের দিকে যাচ্ছি না। আমি নিতান্তই নতুন পাঠক, ভুল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি দেখছি। তবে শুরু দিকে তরুণ কে হালকা লাগলেও সবকিছুর আগাগোড়া পরিবর্তন আমাকে ভাবতে বাধ্য করবে বেশ কিছুদিন। তরুণের চাঞ্চল্য পুরো বইয়ের চালিকাশক্তি হয়ে ছিল। গল্পের মজা পেতে হলে অবশ্যই শেষ পর্যন্ত পড়ে যেতে হবে। সারদা তার সৌন্দর্য দিয়ে পৃথিবীর সকল সৌন্দর্যকে হার মানানোর ক্ষমতা রাখে।মানুষ এতটা সুন্দর করে "তুই" বলে কিভাবে! বেশি কিছু বলছি না, শুধু এইটুকু: "নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে। হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে।" এশা চরিত্রটিকে খুব মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম। তবে ধরতে পারিনি হয়তো, হসপিটাল থেকে পরের মূহুর্তে সেই জায়গায় উপস্তিতি। ("খেলাটা শুরু করা যাক" হাকিম আকাশের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বললো। মজিদের মুখে ফুটে উঠল এক কপটহাসি।) - এই রহস্যের উত্তর হয়তো ঠিক আগের পৃষ্ঠার একটা লাইনে লোকানো আছে। খুঁজে বের করে নিবেন পড়তে বসলে। শেষ কথা, তরুণের সাথে হিমুর মিল পেয়ে গেলে পড়া বন্ধ করে দিয়েন না। উৎসর্গ পেইজ খুঁজে পেলে ভালোই লাগবে। এম. জে. বাবু ভাইয়ের পড়া প্রথম বই হিসেবে মুগ্ধ হয়েছি। রেটিং দেওয়ার মতো যোগ্যতা আছে বলে মনে করিনা। একাডেমি লাইফে অনেক ইংরেজি সাহিত্যের বই পড়তে হচ্ছে। কিন্তু পাঠক হিসেবে খুব কম বই থেকেই এতটা আকর্ষণ অনুভব করেছি। কিছু পার্সোনাল সাজেশন: ১. বইয়ের কিছু জায়গায় বানান ভুল আছে, প্রকাশকের অবশ্যই এগুলো দেখা উচিত। ২. বাইন্ডিং আরেকটু ভালো করা যেতে পারে, যত্নশীল না হলে বর্তমান বাইন্ডিং ছিড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য ধন্যবাদ। আর বড় লেখা সহ্য করার জন্য ডাবল ধন্যবাদ।