Jump to ratings and reviews
Rate this book

কোণারকে কুয়াশা

Rate this book
এককালের জাঁদরেল পুলিশ অফিসার অতিবিক্রম মজুমদার, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত, মেয়েকে নিয়ে বেড়াতে এসেছেন কোণারকে। সেখানে তাদের সাথে যোগ দেব মেয়ের জামাই শঙ্কর। গোল বাঁধলো তখনই, যখন মেয়ের পুরনো প্রেমিক প্রশান্ত দেখা দিল, আর তার পরেই খুন হয়ে গেল শঙ্কর। ওদিকে সুন্দর সিং চেহারা দেখিয়েছে, যাকে হীরা চুরির অপবাদে জেলে ঢুকিয়েছিলেন মজুমদার মশাই। নিজেও যে তিনি খুব সুবিধের লোক ছিলেন তা না, পুলিশি বিক্রমে সত্য-অসত্য সবই চালিয়ে এসেছে এ্যাদ্দিন। খুনী কে তাহলে? সিআইডি ইন্সপেক্টর রাজীব সান্যাল একে একে খুলতে থাকে রহস্যের জাল।

98 pages, Paperback

Published January 1, 1962

1 person want to read

About the author

Debal Debbarma

51 books1 follower

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
1 (50%)
2 stars
1 (50%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Farhan.
740 reviews12 followers
August 30, 2020
সাহিত্যের জগতে গোয়েন্দা সাহিত্য তার জন্মলগ্ন থেকেই একটা দুষ্টচক্রে পড়ে গেছে। বাজারে গোয়েন্দা সাহিত্যের নামে যা চলে তার সিংহভাগই পাল্প ফিকশন, বাকিগুলোর মাঝেও বেশিরভাগেই সাময়িক উত্তেজনা ছাড়া মনে রাখার মত খুব বেশি কিছু থাকে না। পাঠকও ভারি ভারি পড়াশোনা থেকে মনটাকে সরানোর দরকার হলেই গোয়েন্দা-মিস্ট্রি-থ্রিলার পড়ে, গভীর কোন তত্ত্বজ্ঞান লাভের জন্য নয়। ওদিকে লেখকরাও বাজার ধরতে গিয়ে প্রচলিত লাইনেই হাঁটেন; তাছাড়া গোয়েন্দা সাহিত্যকে লেখক সমাজে খানিকটা অচ্ছ্যুৎ ধরা হয় বলে (বিশেষত বাংলা সাহিত্যে) বড় লেখকরা নেহাৎ টাকাপয়সার দরকার না হলে বা সম্পাদক নাছোড়বান্দার মত পেছনে না লাগলে গোয়েন্দা গল্প লিখতে চান না জাত যাওয়ার ভয়ে। কাজেই মানবমনের বিচিত্র গলিঘুঁজি আবিষ্কার করার যে সুযোগটা গোয়েন্দা বা রহস্য সাহিত্যে থাকে সেটা প্রায়ই অন্ধকারেই থেকে যায়।

এসব কারণে গোয়েন্দা সাহিত্য প্রায়ই হয় সমসাময়িক। বাজারে তার নিজস্ব সময়ে খুব চলে, মাসে মাসে বের হয়, কিন্তু বেশিরভাগ চরিত্রই এক দশকও টেকে না। এসব ছাপিয়ে কালজয়ী চরিত্র হাতে গোণা, আর অল্প কিছু আছে যেগুলো ২-১ দশক টিকে থাকে উৎসাহী পাঠকের কল্যাণে। বাকি সবগুলোকে খুঁজতে হয় মাইক্রোস্কোপ দিয়ে। ইদানীং সেরকম মাইক্রোস্কোপ নিয়ে বাংলা সাহিত্যের গোয়েন্দাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি, আর সেভাবেই পেলাম দেবল বর্মার সৃষ্ট সিআইডি ইন্সপেক্টর রাজীব সান্যালকে। দুঃখের বিষয়, একটা বই পড়েই মনে হচ্ছে এনার হারিয়ে যাওয়াটা যথার্থ। না, লেখার মান খারাপ নয়, কিন্তু গোয়েন্দা চরিত্র টিকিয়ে রাখতে হলে তাকে চরিত্রটাকে ট্রেন্ডসেটার হতে হয়, অথবা খুব দারুণ কোন গল্প লাগে, নয়তো অসংখ্য গোয়েন্দার ভীড়ে ফেলুদা-ও তাকে খুঁজে পাবেন না। রাজীব সান্যাল সেরকমই। তার কেসগুলো বা তার সমাধান, কোনটাই আহামরি নয়, চরিত্রেও চোখে পড়ার বা আলাদা করার মত কোন বৈশিষ্ট্য নেই। এমনকি টিপিক্যাল পুলিশকে ফুটিয়ে তোলা, যেটা শীর্ষেন্দুর শবর পেরেছেন, সেরকমও কিছু পাইনি। তারপরেও হয়তো আরো দু'একটা পড়বো, তবে তেমন আশাবাদী নই।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.