What do you think?


মানহাজ - কর্মপদ্ধতি
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। যিনি প্রত্যেক রসূলের মৃত্যুর পর এমন কিছু আলিম তৈরি করেছেন; যারা মানুষদেরকে পথভ্রষ্টতা বর্জন করে হিদায়াতের পথে আহবান করেন। যারা তাদের (স্ব স্ব উম্মাতের পক্ষ থেকে) প্রদত্ত কষ্টে ধৈর্য ধারণ করেন, যারা কুরআন দ্বারা মৃতকে তথা ইসলাম থেকে বিমুখ ব্যক্তিদেরকে পুনরুজ্জীবিত করেন, যারা অন্ধদেরকে আল্লাহর আলো দ্বারা দৃষ্টিবান করেন। তারা কতই না শয়তান কর্তৃক আক্রান্ত ব্যক্তিকে পুনরুজ্জীবিত করলেন, কতই না বিপথগামী বিভ্রান্তকে সুপথের দিশা দিলেন!
জনসাধারণের সাথে তাদের আচরণ কতই না সুন্দর ছিল! কিন্তু তাদের সাথে জনসাধারণের আচরণ ছিল কতই না খারাপ! তারা আল্লাহর কিতাব কুরআনুল কারীমকে বাড়াবাড়িকারীদের বাড়াবাড়ি, পরিবর্তনকারীদের পরিবর্তন ও অপব্যাখ্যা কারীদের অপব্যাখ্যা থেকে মুক্ত করেন।
আমরা আশা করি যে, আমাদের সম্মানিত শায়েখ সলিহ ইবনে ফাওযান ইবনে আব্দুল্লাহ আল ফাওযান হাফিযাহুল্লাহও (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
বর্তমান যুগে বিভিন্ন ঈমান বিধ্বংসী মতবাদ ঢেউয়ের মতো পরস্পর আছড়ে পড়ছে। বিদআত, ফিতনা ও গোমরাহির প্রতি আহবানকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে সন্দেহ-সংশয়বাদীদের সংখ্যা, প্রকাশ পাচ্ছে এমন কিছু বই ও পত্রিকা-যেগুলো সুন্নাহর আবরণে শিক্ষার্থীদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে। আর সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে তাদের ধোঁকার ব্যাপকতা সম্পর্কে কিই বা বলব!
এমতাবস্থায় সম্মানিত শায়েখ ছাত্রদেরকে সুন্নাহর আলোকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা পেশ করেছেন। সুন্নাহর বিভিন্ন ব্যাখ্যাকে সুস্পষ্ট করেছেন। সংশয় নিরসন করেছেন। আর সালাফে সালেহীনের কর্মপদ্ধতির সাথে দ্বিমত পোষণকারী বিভিন্ন বিধ্বংসী পথের আহবায়ক ও কুরআন-সুন্নাহ বিদ্বেষীদের মতামতকে ১৪১৩ হিজরীতে তায়েফ শহরের গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন শিক্ষা কেন্দ্রে দরস, বক্তৃতা ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বিশুদ্ধ দলীল প্রমাণ ও সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খণ্ডন করেছেন।
আমি প্রথমে সেগুলোর রেকর্ড ধারণ করেছি। অতঃপর কিছু ভাইয়ের সাহায্যে সেগুলোকে বিন্যস্ত করেছি। আল্লাহ তা‘আলা তাদের সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। এরপর আয়াত-হাদীছ সমূহের তথ্যসূত্র ও প্রয়োজনীয় স্থানে টীকা-টিপ্পনি সংযোজন করেছি।
আল্লাহর কিতাব ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর দলীল ভিত্তিক ও সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী শারঈ জ্ঞান প্রচার-প্রসার করে সুন্নাহর খিদমত করার জন্যই এ কিতাব প্রকাশে আগ্রহী হয়েছি।
সংকলন শেষ করার পর সম্মানিত শায়েখ সলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান (আল্লাহ তাকে হিফাযতে রাখুন এবং আমাদেরকে তার ইলম দ্বারা উপকৃত করুন) এ সমীপে পেশ করেছি। তিনি দেখেছেন ও কিছু সংযোজন-বিয়োজন করেছেন। এরপর এর উপকারিতা যেন ব্যাপকতা লাভ করে সেজন্য তিনি আমাকে লিখিত অনুমতি প্রদান করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য, যিনি তাওফীক দান করেছেন।
আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থী বান্দা
আবূ ফুরাইহান জামাল ইবনে ফুরাইহান আল হুমায়লী আল হারিসী
সোমবার, ৬ই রবিউল আওয়াল ১৪১৪ হি.।
তায়েফ।
জনসাধারণের সাথে তাদের আচরণ কতই না সুন্দর ছিল! কিন্তু তাদের সাথে জনসাধারণের আচরণ ছিল কতই না খারাপ! তারা আল্লাহর কিতাব কুরআনুল কারীমকে বাড়াবাড়িকারীদের বাড়াবাড়ি, পরিবর্তনকারীদের পরিবর্তন ও অপব্যাখ্যা কারীদের অপব্যাখ্যা থেকে মুক্ত করেন।
আমরা আশা করি যে, আমাদের সম্মানিত শায়েখ সলিহ ইবনে ফাওযান ইবনে আব্দুল্লাহ আল ফাওযান হাফিযাহুল্লাহও (আল্লাহ তাকে হিফাযত করুন) তাদের অন্তর্ভুক্ত হবেন।
বর্তমান যুগে বিভিন্ন ঈমান বিধ্বংসী মতবাদ ঢেউয়ের মতো পরস্পর আছড়ে পড়ছে। বিদআত, ফিতনা ও গোমরাহির প্রতি আহবানকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে সন্দেহ-সংশয়বাদীদের সংখ্যা, প্রকাশ পাচ্ছে এমন কিছু বই ও পত্রিকা-যেগুলো সুন্নাহর আবরণে শিক্ষার্থীদেরকে ধোঁকা দিচ্ছে। আর সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে তাদের ধোঁকার ব্যাপকতা সম্পর্কে কিই বা বলব!
এমতাবস্থায় সম্মানিত শায়েখ ছাত্রদেরকে সুন্নাহর আলোকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা পেশ করেছেন। সুন্নাহর বিভিন্ন ব্যাখ্যাকে সুস্পষ্ট করেছেন। সংশয় নিরসন করেছেন। আর সালাফে সালেহীনের কর্মপদ্ধতির সাথে দ্বিমত পোষণকারী বিভিন্ন বিধ্বংসী পথের আহবায়ক ও কুরআন-সুন্নাহ বিদ্বেষীদের মতামতকে ১৪১৩ হিজরীতে তায়েফ শহরের গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন শিক্ষা কেন্দ্রে দরস, বক্তৃতা ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বিশুদ্ধ দলীল প্রমাণ ও সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খণ্ডন করেছেন।
আমি প্রথমে সেগুলোর রেকর্ড ধারণ করেছি। অতঃপর কিছু ভাইয়ের সাহায্যে সেগুলোকে বিন্যস্ত করেছি। আল্লাহ তা‘আলা তাদের সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। এরপর আয়াত-হাদীছ সমূহের তথ্যসূত্র ও প্রয়োজনীয় স্থানে টীকা-টিপ্পনি সংযোজন করেছি।
আল্লাহর কিতাব ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর দলীল ভিত্তিক ও সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী শারঈ জ্ঞান প্রচার-প্রসার করে সুন্নাহর খিদমত করার জন্যই এ কিতাব প্রকাশে আগ্রহী হয়েছি।
সংকলন শেষ করার পর সম্মানিত শায়েখ সলিহ ইবনে ফাওযান আল ফাওযান (আল্লাহ তাকে হিফাযতে রাখুন এবং আমাদেরকে তার ইলম দ্বারা উপকৃত করুন) এ সমীপে পেশ করেছি। তিনি দেখেছেন ও কিছু সংযোজন-বিয়োজন করেছেন। এরপর এর উপকারিতা যেন ব্যাপকতা লাভ করে সেজন্য তিনি আমাকে লিখিত অনুমতি প্রদান করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য, যিনি তাওফীক দান করেছেন।
আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থী বান্দা
আবূ ফুরাইহান জামাল ইবনে ফুরাইহান আল হুমায়লী আল হারিসী
সোমবার, ৬ই রবিউল আওয়াল ১৪১৪ হি.।
তায়েফ।
240 pages, Paperback
Published January 1, 2020
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
No one has reviewed this book yet.

