...জীবনের আরো অনেক অসমাপ্ত চিত্রকর্মের মতাে এই ছবিটাও শেষ করে যেতে পারেন নি লিওনার্দো। কার জন্য এঁকেছিলেন তিনি ছবিটি? হয়তো কোন ধনাঢ্য বণিক বা সামন্তপতির জন্য। আফসার তবু লিওনার্দো নয়। সেই যুগ অন্তর্হিত। যা উদ্দাম প্রণয়, শিভালরি, যুদ্ধ ও বাণিজ্যযাত্রার।...
আমি না হইলাম বণিক, না সন্ত, না কবিতার ফেরিওয়ালা কি তিগ্রানিসের ক্ষুরধার তরবারি সম্পন্ন কালান তার! আমরা আর্ম্মানী সন্তানরা কি অভিশপ্ত য়িহুদী দিগের ন্যায় এক ভূমি হইতে আর এক ভূমিতে ক্রমাগত তাড়া খাইয়া ফিরিব? কোনদিন আমাদের নিজেদের স্বদেশ ভূমি ফিরিয়া পাইব না? আমাদের দয়িতাগণ নিত্যই লুণ্ঠিত হইবে? আমাদের দয়িতা সকল, আমাদের দ্রাক্ষা কুঞ্জ? একাকী শীতল শরতে, উত্তর বাহিনী শিয়াঙ নদীর সঙ্গে, কমলালেবুর দ্বীপে, আমি দেখেছি লক্ষ পাহাড়, সর্বত্র লাল রঙের পাতায় ধনী... সুষমা ঘোষ (২২), পিতা-সুবোধ ঘোষ, মৃত্যুশয্যায়। শরীরের দুটো কিডনিই বিনষ্ট।... আইজ তামাম শহর আমরা একাই এই গুয়ের দলা দিয়া তগাে যত কাচের দোকান আর কাঁচের দোকান ভরা শার্ট-প্যান্ট-স্যুট-শাড়ি-বিলাউজ-সালোয়ার-কামিজ-স্নো- পাউডার-সাবান-লিপস্টিক-জুতা নোংরা বানায় দিমু!... 'When the sky turned suddenly light, my body began to melt. Friends around the world, join in the cry from Hiroshima!' তখন তিতা মিঞা... তিনি তাঁর বাঁশের কেল্লায় ধ্যানস্থ... তিনি কহিলেন, 'তা' চাষারা জমি চাষপা না ক্যানাে? কিন্তু ফসল কি গােলায় নিতি পারাে মিঞারা? নেয় তো জমিদার আর ইণ্ডিয়া কোম্পানী!'তিতা মিঞার চোখে ইছামতির জল ছলছল করে।তিতা মিঞার চোখে খরার সূর্যেও আগুন ধবধব করে।
অদিতি ফান্ধুনীর জন্ম ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪। শৈশব কেটেছে যশাের, বরিশাল, রাঙামাটি, পাবনায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর। একাধিক সংবাদপত্রে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কিছু উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছেন। প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন।