Jump to ratings and reviews
Rate this book

হিউম্যান বিয়িংঃশতাব্দীর বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ত্ব

Rate this book
পুরাে পাশ্চাত্য সভ্যতা যেই দার্শনিক সত্তার উপর দাঁড়িয়ে আছে তাকে বলা হয় হিউম্যান বিয়িং। পশ্চিমা সামাজিক বিজ্ঞান এই নির্দিষ্ট সত্তাকে নিয়েই কাজ করে। সামাজিক বিজ্ঞানের মতাে ব্যক্তির এই নির্দিষ্ট ধারণা। এবং সংজ্ঞাও এনলাইটেনমেন্টের ফসল। হিউম্যান বিয়িং নিছক কোন মানুষ না। সে এক নির্দিষ্ট চিন্তার, বিশেষ ধরনের মানুষ। হিউম্যান বিয়িং এমন কেউ, যে ব্যক্তিস্বাধীনতাকে স্বতঃসিদ্ধ সত্য হিসেবে মেনে নেয়। যে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অমুখাপেক্ষী মনে করে। বিভিন্ন জীবনব্যবস্থা ও দর্শনকে সে মূল্যায়ন করে কেবল একটি মাপকাঠি দিয়ে। সেটা হলাে মানবিক চাহিদা। মানবিক চাহিদা ও কামনা-বাসনার সীমাহীন পূর্ণতাই এই হিউম্যান বিয়িং-এর জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য। হিউম্যান বিয়িং হলাে পাশ্চাত্যের ক্রীতদাস। সে পাশ্চাত্যের দাসত্বকেই জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য বানিয়ে নিয়েছে। সে নিজেকে সব জায়গায় একজন পশ্চিমা দাস হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করে। চেতনে কিংবা অবচেতনে সে পুঁজিবাদের গােলামি করে।

157 pages, Hardcover

Published August 15, 2020

14 people are currently reading
174 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
87 (66%)
4 stars
34 (26%)
3 stars
7 (5%)
2 stars
1 (<1%)
1 star
1 (<1%)
Displaying 1 - 29 of 29 reviews
Profile Image for Ahsan Mahim.
69 reviews9 followers
March 3, 2021
মাস্টারপিস!

'হিউম্যান' এমন পরিভাষা যার অর্থ স্রেফ 'সাধারণ' মানুষ নয়; পাশ্চাত্যের ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করা মানুষ। যে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও অমুখাপেক্ষী মনে করে। নানান দর্শনকে যে মূল্যায়ন করে কেবল একটি মাপকাঠি দিয়ে: মানবিক চাহিদা।

সমকালীন ইজমগুলোর এলিমিনেশন যে আসলে এহেম বিষয় অনেকে মানতে নারাজ। যেহেতু আমরা পাশ্চাত্য-প্রভাবিত মুয়াশরার বাসিন্দা, পাশ্চাত্যে থেকে ধেয়ে আসা সমসাময়িক ফিতনা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। এ মূলনীতিকে পুঁজি করেই মুহতারাম ইফতেখার সিফাত লিখেছেন 'হিউম্যান বিয়িং' বইটি।

এখানে উঠে এসেছে ঐতিহাসিক বাস্তবতা ও তার ক্রমরূপান্তর। দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলতে স্পষ্ট করা হয়েছে ইসলামের সাথে জাহেলী সমাজের তফাতের জায়গাটি। মূল্যায়ন করা হয়েছে সাম্প্রতিক প্রচলিত স্বাধীনতা, সমতা ও উন্নতির দর্শনের।
Profile Image for Zubair Alif.
17 reviews4 followers
December 17, 2020
দেশীয় সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থায় বড় হয়ে দীর্ঘদিন বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্বে আটকে আছে মানুষ। কালের আবর্তে মানুষ পাশ্চাত্যের শেখানো ধর্ম শিখছে ইসলাম থেকে পৃথক হয়ে। পরিভাষার চোরাবালি আর পশ্চিমার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন ও তার মোকাবেলা সম্পর্কে জানতে বইটি অবশ্যই পাঠ্য।
Profile Image for তাশদীদ তন্ময়.
19 reviews1 follower
August 2, 2022
বইটা ভাল। পাশ্চাত্যের ধার করা আইডিওলজির সুন্দর ব্যবচ্ছেদ আছে বইটিতে। তবে বিস্তারিত আলোচনা খুব একটা নাই। আসিফ আদনানের চিন্তাপরাধ আর হাকিকাতযুর লেখা আসিফ আদনানের অনুবাদ সংশয়বাদী পড়লে এই বই এর চেয়ে ভাল আইডিয়া পেয়ে যাবেন পাশ্চাত্যের আগ্রাসন নিয়ে। হ্যাপি রিডিং
Profile Image for Sk Sahil Hasan.
12 reviews4 followers
October 5, 2022
⭕ পাশ্চাত্য সভ্যতার গোড়া থেকে এখন পর্যন্ত প্রত্যেক টার্মকে (ফিৎনা) একবারে মূল থেকে বোঝানো হয়েছে, মাঝে মাঝে সরল উদাহরণ দিয়েও তাদের ডবল স্ট্যান্ডার্ড দেখানো হয়েছে।

এক কথায় মাস্টারপিস বই।
প্রত্যেক মানুষের একবার হলেও অবশ্যই পড়া উচিত বইটি, চিন্তা শক্তি পাল্টে যাবে শিওর।
Profile Image for Sanowar Hossain.
281 reviews25 followers
November 25, 2024
স্যামুয়েল পি হান্টিংটন তাঁর ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন গ্রন্থে বলেছিলেন যে, পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে ইসলামি সভ্যতার সংঘাত অনিবার্য। আমরা আমাদের চারপাশে তাকালে সেই বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণ পাই। পশ্চিমারা ইসলামকে যেকোনো প্রকারে মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। ইসলামকে মডারেট করে নতুন সংজ্ঞা দিচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে মুসলিমদের পশ্চিমাদের দাস বানানোর প্রক্রিয়া চলমান।

ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব বুঝতে গেলে প্রাসঙ্গিক ঘটনাগুলোতে পরিভাষা জানা জরুরি। পশ্চিমারা ইসলামের বিভিন্ন বক্তব্য ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে মূল যে বয়ান সেটা জানতে অবশ্যই ইসলামি ব্যক্তিবর্গের সাহায্য নিতে হবে। অন্যথায় মুসলিম হয়েও ইসলামের প্রতি ভুল ধারণা চলে আসতে পারে। পাশ্চাত্য সভ্যতার ভিত যদিও গ্রিক ও রোমান দার্শনিকরা স্থাপন করে দিয়েছিল কিন্তু সেখানে ধর্মীয় আলোচনা থেকে তারা অনেক দূরে সরে গিয়েছে। তাদের সভ্যতা হয়ে দাঁড়িয়েছে ধর্মহীনতার সংস্কৃতি। গণতন্ত্রকে আদর্শ শাসনব্যবস্থা হিসেবে উপস্থাপন করলেও কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় এটা মূর্খের শাসনে পরিণত হয়েছে। ইউরোপীয় রেনেসাঁ, এনলাইটমেন্ট, ফরাসি বিপ্লব, শিল্প বিপ্লব ধীরে ধীরে পশ্চিমা সভ্যতাকে রসদ জুগিয়েছে।

তাহলে পশ্চিমা সভ্যতা কবে থেকে ইসলামের প্রতিপক্ষ হিসেবে মূর্তমান হলো? যখন থেকে তারা মানুষের স্বাধীনতা, সমতা ও উন্নতির নিজস্ব সংজ্ঞায়ন করেছে। পাশ্চাত্য সভ্যতায় স্বাধীনতা বলতে ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারিতাকেই বোঝানো হয়। এখানে ব্যক্তিই সব। কিন্তু ইসলামে স্বাধীনতার মাপকাঠি হিসেবে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই আইন তৈরি করে দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ। ইসলাম যেখানে ন্যায্যতার কথা বলেছে সেখানে পশ্চিমারা সমতার বিধান এনেছে। যা কার্যক্ষেত্রে দেখা যায় অসম বন্টনকেই সূচিত করে। ব্যক্তি স্বাধীনতার নাম করে পশ্চিমাদের কার্যক্রম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এই পশ্চিমা সংস্কৃতিগুলোই মুসলিমদের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে। যা মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্বে পরিণত করেছে।

একটা সময় ব্যাংক সুদ দিতো বা নিতো। তবে সেটা এখন নাম পালটে মুনাফা হয়ে গিয়েছে। এতে করে কিন্তু সুদ তার আসল চেহারা হারায়নি। সুদ হোক বা মুনাফা দুইই ইসলামে হারাম করা হয়েছে। এমন বহু বিষয় আছে যাদের ইসলামিকরণ করা হয়েছে বা হচ্ছে। এক্ষেত্রে দেখা যায় মডারেট মুসলিম নামের একটা শ্রেণি ইসলামকে ভিন্নভাবে মানুষের মাঝে উপস্থাপন করছে এবং বিভিন্ন বিষয়ের গুরুত্ব কমিয়ে দিচ্ছে। সেক্যুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মূলত ধর্মহীনতাকেই প্রচার করছে তারা। পশ্চিমাদের আরেকটি সমাজ বিধ্বংসী মতবাত হচ্ছে নারীবাদ। নারীদেরকে পুরুষের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তৈরি করে সমাজে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে পশ্চিমারা। তবে এই সুযোগটা ওরা পেয়েছে আমাদের কারণেই। আমাদের দেশে দেখা যায় পুরুষেরা নারীদের তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সম্পদ দিতে চান না। পুরুষদের হাতে নিগৃহীত হন নারীরা। ফলে তারা যখন পশ্চিমা নারীবাদের আশার বাণী শুনতে পান, তখন সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড়িয়ে পড়ে।

হিউম্যান বিয়িং বলতে শুধু মানুষ বোঝায় না। হিউম্যান বিয়িং হলো পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ। যার রক্তে পশ্চিমা সভ্যতার আনুগত্য প্রবাহিত। এই হিউম্যান বিয়িং অবশ্যই ইসলামের আনুগত্যকে ভালো চোখে দেখবেনা। অথচ সে নিজেও একটি সভ্যতার অনুগত হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হিউম্যান বিয়িং থেকেই পশ্চিমাদের হিউম্যান রাইটস এসেছে। কিন্তু দেখা যায় এই হিউম্যান রাইটস একচোখা নীতি পালন করে। পশ্চিমা স্বেচ্ছাচারিতাকে বৈধতা দিতেই হিউম্যান রাইটসের প্রয়োগ করে তারা। অথচ ন্যায্যতার কথা, ন্যায়ের কথা উচ্চারণ করে বলেই ইসলামকে তারা তাদের প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে।

আলোচ্য বইটিতে মূলত পাশ্চাত্য সভ্যতার সাথে ইসলামের সংঘাত ও অবস্থানের তাত্ত্বিক আলোচনা উঠে এসেছে। তবে এই বিষয়গুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে। একইসাথে শুধু সমস্যার বয়ান না তুলে বাস্তব ক্ষেত্রে সমাধানের পথও খুঁজতে হবে। আমাদের নিজেদের মধ্যেই যে বিভক্তি এই পাথেয়কে পুঁজি করেই পশ্চিমারা তাদের ফায়দা লুটে নিচ্ছে। পশ্চিমাদের সুপরিকল্পিত কার্যক্রম বন্ধ করতে মুসলিমদেরও একাত্মতা ঘোষণা করতে হবে। না হলে ধীরে ধীরে মুসলিমদের মধ্যে আরো বেশিমাত্রায় পশ্চিমা ধারণা ঢুকে পড়বে, যা মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নিবে।

ইসলামি প্রকাশনাগুলো কবে থেকে সুযোগ-সন্ধানী ব্যবসায়ীতে রূপান্তির হলো? বইগুলো পড়লে মনে হয় কবিতার বই পড়ছি; এতখানি করে জায়গা ফাঁকা রাখে প্রতি পৃষ্ঠায়। আবার বইয়ের শুরুতে এতজনের বক্তব্য দিয়ে পৃষ্ঠা বাড়িয়েছে শুধু। একটা বইতে একটা ভূমিকাই যথেষ্ট বলে মনে করি। এতজন ব্যক্তির কথাবার্তা অহেতুক মনে হয়। পাশ্চাত্য সভ্যতা ও মুসলিমদের অবস্থানের আদ্যোপান্ত জানার আগে প্রাথমিক ধারণা লাভে এই বইটি হতে পারে দারুণ এক সংযোজন। হ্যাপি রিডিং।
Profile Image for Ayesha Mashiat.
190 reviews23 followers
February 10, 2025
পশ্চিমা কিছু দাঈদের দাওয়ার ভিডিও দেখে কিছুদিন ধরে মনে ইসলাম নিয়ে কিছু প্রশ্ন আসছিলো। এমন প্রশ্ন আসছিলো যেগুলোর আমি কোনো উত্তর পাচ্ছিলাম না আশেপাশে। এই অবস্থায় ভয়ও হচ্ছিল যে আমার ঈমানটা না নষ্ট হয়ে যায়....... তাই আল্লাহ্ এর কাছে দু’আ করেছিলাম যেন তিনি আমাকে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সাহায্য় করেন। আলহামদুলিল্লাহ্, আমার দু’আ কবুল হয়েছে।

আমার (এবং আমার মনে হয় আমাদের অধিকাংশের) সমস্যা হলো সমাধান সমস্যার সূচনাতে খুঁজি। এতে বিভ্রান্তি শুধু বাড়েই, কমে না। ভালো-খারাপের standard এখন west এর হাতে। যাচ্ছেতাই ভাবে তারা তাদের নীতিগুলো বানাচ্ছে এবং আমাদের সেগুলো মানতে বাধ্য করছে। আর আমরা মুসলিমরা ‘কী আর করার’ বলে তাদের জীবনাদর্শে comfortable হয়ে যাচ্ছি। আশপাশে শুধু liberalism এর ছড়াছড়ি, liberal না হলে তো তুমি ভালো মানুষই না! আমার বাসার একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই, যখন মুজা পড়ে নামাজ পড়া শুরু করলাম তখন আমার এক family member আমাকে ‘তালিবান’ বলেন। এখন তালিবান বলাটা আমার কাছে মুখ্য না, মুখ্য হচ্ছে যখন কেউ সত্যিকার অর্থে ইসলাম পালন শুরু করে তখন আশপাশের মুসলিমরাও তাকে জঙ্গি হিসেবে দেখে। এদের চোখে তো হয়তো নবীরাও জঙ্গি হবেন (নাউজুবিল্লাহ্)। ঠিক এভাবেই পশ্চিমারা ধীরে ধীরে slow poisoning করেছে আমাদের। আমরা ইসলামকে বিচার করছি পশ্চিমা standard এর ভিত্তিতে! যেখানে পশ্চিমা সভ্যতাকে আমাদের ইসলামের আলোকে criticize করার কথা ছিলো! আলহামদুলিল্লাহ্ এই ভ্রান্তিগুলো দূর করেছে এই বইটা। বইটা আমাদের চিন্তা ভাবনার মূল পশ্চিমা topic গুলোকে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করেছে, যেটা as a beginner in this field বোঝা অনেক সহজ ছিলো।

বইটা পড়লে ইসলাম নিয়ে আপনার আর কোনো প্রশ্নই বাকি থাকবে না। সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে with the flick of a switch, switch from west to Islam। আর আরেকটা যেই জিনিস আমার খুবই ভালো লেগেছে তা হলো বইটা একটা আদর্শ জীবনের আভাস দেয় ইসলামের মাধ্যমে। এসব ইজম না থাকলে জীবনটা কতো সুন্দর হতো সেটার একটা আন্দাজ পাওয়া যায় যা খুবই inspiring।

বইটা beginner level critical thinking (from a Muslim perspective) এর জন্য খুবই উপোযোগী। আল্লাহ্ লেখককে নেক হায়াত দান করুন।
Profile Image for Mehraj Hussain kawsar.
94 reviews33 followers
November 16, 2021
মাস্টারপিস একটি বই!!

পাশ্চাত্য সভ্যতা ও তার ফিতনাকে এক্কেবারে গোড়া ও গভীর থেকে বুঝতে এটি নিসন্দেহে একটি সফল বই। পাশ্চাত্য সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন,মুসলমানদের হীনমন্যতা,পরাজিত মানসিকতা এসব বিষয় নিয়ে যারা একটি শক্ত অবস্থান থেকে লিখা কোনো বই পড়তে চান যা তাদের এসব দুশ্চিন্তার একদম গোড়া থেকে সমাধান দিবে তারা এই বইটি বিনা দ্বিধায় নিতে পারেন ইন শা আল্লাহ।


যেকোনো দল,মত,সমাজ ও সভ্যতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বুঝতে হলো তার বিশ্বাস ও আদর্শের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কেবল তখনই এর আসল চেহারা আপনার সামনে উন্মোচিত হবে। পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রধান তিনটি খুটি স্বাধীনতা,সমতা ও উন্নয়নের আসল মতলব ও সংজ্ঞা বুঝতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে এখানে নিজের বোঝ অনুযায়ী সংজ্ঞা বসিয়ে দিলে চলবে না। আর এই বইটিতে এসব বিষয়ই অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।


বইটি মূলত দুটি সভ্যতার সংঘাত। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতা। একটিতে আছে আল্লাহর আনুগত্য ও সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পুরো জীবনব্যবস্থা কায়েম করার পয়গাম। আর অন্যটিতে আছে নিজের প্রবৃত্তি ও খেয়ালখুশির চূড়ান্ত অনুসরণ নিশ্চিত করা। হোক তাতে আল্লাহর সাথে সরাসরি বিদ্রোহ, এই সভ্যতা তার কোনো পরোয়া করে না। আর এটাই তাদের হিউম্যান বিয়িং-এর সংজ্ঞা।


আগাগোড়া কুফর ও নাফরমানীর উপর প্রতিষ্ঠিত সভ্যতার স্বাধীনতা,সভ্যতা ও উন্নয়নের সংজ্ঞার সাথে ইসলামের আক্বিদা ও বিশ্বাসের যে কতো বিরাট পার্থক্য রয়েছে তা পরিষ্কার করা হয়েছে। সেক্যুলারিজম নিয়েও হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। স্পষ্ট করা হয়েছে সেক্যুলারিজমের কুফরি। কোনো মুসলমান যে সেক্যুলার রাজনীতির সাথে কোনোভাবে সম্পৃক্ত থাকতে পারে না সে বিষয়টি দলিল প্রমানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।


শুধু তাই নয়, কিভাবে আমরা এই সভ্যতার সার্বিক প্রভাব ও আগ্রাসন থেকে মুক্তির পথ বের করে আনতে পারি আর মুসলিম উম্মাহর হারানো নেতৃত্ব ফিরে পেতে পারি সে বিষয়েও এসেছি খুব সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা। পেশ করা হয়েছে নববী দিক নির্দেশনা ও সুসংবাদ। অবশেষে কৃতজ্ঞতা ও মোবারক বাদ জানাই বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে এমন অসাধারণ ও অমূল্য একটি বই আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য। আল্লাহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমীন। সমস্ত প্রশংসা এই বিশ্বজাহানের একক স্রষ্টা ও প্রতিপালক আল্লাহর।


বিঃদ্রঃ- বইয়ের এক স্থানে উল্লেখিত হয়েছে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা মানবজাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত স্বীকৃতি দিয়েছেন। যার সপক্ষে কোনো দলিল আমি পাই নি।
Profile Image for Muhammad Rafi.
16 reviews
April 25, 2022
প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই এ বই সম্পর্কে গুণীজনরা এত উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন যে , নতুন করে আসলে কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না । মাস্ট রিড একটি বই । চিন্তাপরাধ , সংশয়বাদীর পর আরো একটি বই পেলাম , যা কিনা চিন্তাভাবনার মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম । আল্লাহ তাআ'লা লেখককে উত্তম প্রতিদান দিন ।

বইটি অবশ্যই নিজে পড়ুন এবং আপনার মডারেট বা সেকুলারমনা বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়দের পড়ান । আল্লাহ তাআ'লা সবাইকে দ্বীনের সহীহ্ বুঝ দান করুন ।
Profile Image for Jim.
2 reviews
August 11, 2023
উপনিবেশ কালে আমাদের যে পরিবর্তনটা হইছে মোটাদাগে সেটা নেতিবাচক। এই সময়কালে আমরা আমাদের স্বকীয়তা বজায় রাখতে পারিনি। আমরা ওদের চাওয়া মতই "হিউম্যান বিয়িং" এ রূপান্তর করেছি নিজেদের। "হিউম্যান বিয়িং" নিছক কোনো সাধারণ মানুষ না। "হিউম্যান বিয়িং" হলো মহান সত্তাকে অবজ্ঞা করে নিজের নফসকে পূজা করে। যে তার জীবনের উদ্দেশ্যই বানিয়ে নিয়েছে পাশ্চাত্যের ক্রীতদাস হওয়া। পাশ্চাত্যের ফাঁকা বুলি আর ক্ষতিগুলো বইটিতে খুব সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে।
Profile Image for Bibha.
6 reviews
January 11, 2025
ইসলাম কারো মুখাপেক্ষী না,আমরা ইসলামের মুখাপেক্ষী। সহজ অথচ গুরুত্বপূর্ণ কিছু রিমাইন্ডার দেওয়ার প্রচেষ্টা যা আমরা বুঝেও বুঝিনা,মনে করতে চাই না।
beginner হিসেবে কিছু ভাষা- পরিভাষা বুঝতে কঠিন লাগলো। সাথেই টীকা দেওয়া থাকলে সুবিধা হতো।
Profile Image for Anwarul Alam Abeer.
21 reviews12 followers
October 13, 2020
যারা পাশ্চাত্যের অসারতা এবং তার পরিভাষা সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করতে চায় তাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য
1 review1 follower
January 15, 2021
বাংলা ভাষায় পাশ্চাত্য সভ্যতার গোড়ায় আঘাত করা অন্যতম সেরা বই এটি। পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে লেখা বই বহু আছে। কিন্তু মূল ধরে আলোচনা করা হয়েছে এটিতে। এই ঘরানার অন্য বইগুলো হল যথাক্রমে চিন্তাপরাধ, ডাবল স্টান্ডার্ড ২। মুসলমানের জন্য আবশ্যক এই বইগুলো পড়া। চিন্তার জট খুলবে। চিন্তা শুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ।
28 reviews
July 27, 2021
অসাধারণ।আমাদের চিন্তা-চেতনার মধ্যে যে পশ্চিমা ভূত চেপে আছে তা দূর করার জন্য এই কিতাবটি সহায়ক হবে বলে মনে হয়।
Profile Image for Shaer Hassan.
12 reviews1 follower
November 25, 2021
এখনকার সময়ে অবশ্য পাঠ্য একটি বই। পুরোটা না হলেও এর সংক্ষিপ্ত অংশ টেক্সট বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যতদিন সেটা না করা হবে আমরা ও আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম বিপদে আছি। আল্লাহু মুসতা'ইন।
Profile Image for Md Siamul Islam Soaib.
13 reviews
April 24, 2024
#বুকরিভিউ
বই: হিউম্যান বিয়িং শতাব্দীর বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব।
লেখক: ইফতেখার সিফাত।

বিষয়বস্তু: পশ্চিমাদের ফাঁকা বুলি ও তার বাস্তবতার মুখোশ উন্মোচন।

কখনোই কী ভেবেছেন ত্রিশ বছর পড়াশোনা করেও কেনই বা আমরা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব খুঁজে পাই না..? ইসলাম ধর্মের সাথে কেন এতো সাংঘর্ষিক অন্য মতাবাদ বিশ্বাসের..?
কেনই বা প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা অনুদান দেয় আমাদের শিক্ষাখাতে..? কীভাবে ইউরোপ আজ এতো উন্নত..?
কেনই বা মুসলিম ঘরে জন্ম নিয়েও ইসলাম বিদ্বেষী হচ্ছে..?

যে কুরআন পুরো আরব সমাজকে অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে একটা অসভ্য, বর্বর, ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে সময়ের মানুষকে ইতিহাসের সবচেয়ে খাঁটি, সভ্য, করে তুলছে। সেই কুরআনই আজ আমাদের হাতে থাকার পরেও কেন আজ আমরা পথ হারা পথিকের মতো ঘুরে বেড়ায়..?
কারণ তৎকালীন সময় আরব ছিলো স্বাধীন ভূখণ্ড, তারা সবসময়ই স্বাধীনচেতা ছিলো, কারো অধীনস্থটা তারা মেনে নেয় নাই। তাই কারো মতবাদকে তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে নাই।
অপরদিকে আমাদের অবস্থা একদম ভিন্ন। আমাদের উপর চেপে আছে ব্রিটিশ-প্রণীত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষা কাঠামো। ইংরেজ রা এই উপমহাদেশে এসে তাদের শাসন পাকাপোক্ত করার জন্যে এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয় যাতে করে মানুষ রক্ত মাংসে এদেশীয় হলেও চিন্তা চেতনায় ইংরেজ হয়ে উঠে। আর এই শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা তাদের সমাজবিজ্ঞানীদের সেকুলার দর্শন, মতাদর্শ আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়।
ইংরেজ ও ইউরোপীয়ান চিন্তাচেতনার উৎস হলো গ্রিকদের বিশ্বদর্শন। ১৪ শ শতকে রেনেসাঁর সময় থেকে শুরু হয় বিকৃত খ্রিষ্ট ধর্মের খোলস থেকে বেরিয়ে আসার এই প্রক্রিয়া , শেষ হয় ১৮ শতকে এনলাইটেনমেন্টে এসে। স্বাধীনতা-সমতা-নৈতিকটা-ধর্মনিরেপক্ষতা-প্রকৃতিবাদ এসব চিন্তা দর্শন তারা ছড়িয়ে দিয়েছে তারা উপনিবেশে।
কালের পরিক্রমায় ইংরেজরা চলে গেলেও তারা রেখে গেছে তাদের চিন্তা চেতনায় বেড়ে উঠা একদল মানুষকে। তারাই ইংরেজ কাঠামোয় পড়াশোনা চালায়।
পশ্চিমাদের এই চিন্তা চেতনায় বেড়ে উঠে কেউ যখন কুরআন পড়ে তখন তাদের মনে একের পর এক প্রশ্ন জাগতে থাকে। কেন মেয়েরা অর্ধেক সম্পত্তি পেল..? কেন মেয়েদের সাক্ষোর দাম ছেলেদের অর্ধেক.? কেন চার বিয়ের অনুমতি..? কেন দাস দাসীর বিধান? কেন এই কেন সেই.?
স্বাভাবিক প্রশ্ন আসেই আসবেই। কারণ ইউরোপীয় মানবসৃষ্ট মানদণ্ড প্রতি গিঁটে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক।
কুরআন থেকে হেদায়েত পেতে হলে সবার আগে এই ব্রিটিশ-ওয়াশ মগজখানি কাউন্টার ওয়াস দিয়ে নিউট্রোলে আনতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে পশ্চিমা ভৌতবিজ্ঞান যেমন প্রমাণনির্ভর তাদের সমাজবিজ্ঞান তেমন নয় বরং তা মতাদর্শ নির্ভর। নিউটনের বলবিদ্যার সূত্র যেমন, পশ্চিমা অর্থনীতি সমাজবিজ্ঞানের ধারণা গুলো তেমন নয়।
তাদের পুরো সমাজবিজ্ঞান দাঁড়িয়ে আছে একটা সংজ্ঞার উপর - ব্যক্তি,হিউম্যান। Human, person, invidual - এগুলো দার্শনিক যে সংজ্ঞা তার উপরেই পরিবারের সংজ্ঞা, সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনীতি, আইন, অধিকার-স্বাধীনতা-সমতা-নৈতিকতা-সমতা-নৈতিকতা-নৈতিকতা সবকিছুর ধারণা। পশ্চিমা চিন্তা-মনন বুঝতে হলে এই human এর সংজ্ঞা বুঝতে হবে। humanity আর humanism এর পার্থক্য জানতে হবে। এই ধারণাটা বুঝে নিলেই বুঝে ফেলতে পারবেন ইসলাম নিয়ে এতো প্রশ্ন কেন আসে। কেনই বা নারীরা আজ সমানাধিকার চায়..? কেনই বা বলে আমার দেহ আমার স্বাধীনতা আমি যেভাবে ইচ্ছে ব্যবহার করবো..? কেনই বা বাক স্বাধীনতার নামে কটুক্তি করে নবী (সাঃ) এর সুন্নত নিয়ে। কেনই বা মুসলিম জেনারেল শিক্ষত ছেলে মেয়ে আজ সংশয় ভোগে, হীনমন্যতায় ভোগে।

এই সমস্ত কিছু জানতে হলে একজন ব্রিটিশ ওয়াশকৃত শিক্ষত মানুষের জন্য এই বইটি সাজানো হয়েছে।
এই বই আপনাকে ভাবতে শিখাবে আমি কী "হিউম্যান" নাকি আল্লাহর "আবাদ"।
শতাব্দীর বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব কীভাবে লালন করতেছি তার মুখোশ উন্মোচন হবে আমাদের সামনে।
বিনা প্রশ্নেই তাদের সেকুলার মতাদর্শ গ্রহণ করতে বিবেক বাধাগ্রস্ত করবে।
Profile Image for Nahid Hasan.
132 reviews20 followers
August 28, 2022
এখন বই আগের মতো পড়া হয় না৷ তবুও কাজের বাইরে সবসময় চেষ্টা করি বই পড়ার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমই আসলে আমাকে অসামাজিকীকরণ হয়ে উঠতে বাধ্য করছে। তবুও যা পড়ি ভালো লাগে।

 

ইফতেখার সিফাত ভাইয়ের ভক্ত আমি আরও ৩ বছর আগে থেকে। আমার পাঠ করা এটা ভাইয়ের ২য় বই। সব বইয়েরই কিছু বিশেষত্ব থাকে, এ গ্রন্থখানিও তার ব্যতিক্রম নয়৷ এই বইয়েও চিন্তার খোরাক আছে প্রতিটা পৃষ্ঠায়।

পাশ্চাত্যের সামরিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের শিকার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মুসলিম বিশ্ব এবং মুসলিমরাই বেশি হয়েছ্র, আবার এর বিপরীতে মুসলিমরা যেভাবে প্রতিরোধ গড়েছে এরকম বিশ্বের আর কোনো সভ্যতাই করতে পারেনি। সামরিক ক্ষেত্রে এখন মুসলিমরা পিছিয়ে পরলেও মুসলিম মস্তিষ্কগুলো এখনো সজীব আছে যার প্রমাণ এই বই।

দীন নিয়ে হীনবল না হয়ে বরং গর্বের সাথে দীন ইসলামই যে সর্বদা সত্য মতবাদ এবং দর্শন, একে না মর্ডানাইজ করার প্রয়োজন রয়েছে আর না পশ্চিমা মতবাদগুলিকে ইসলামিজ করার দরকার আছে এই বার্তাটা খুব সুন্দরভাবে দেওয়া হয়েছে এই বইতে৷

 

নিজস্ব চিন্তা, চেতনা, আদর্শ বর্গা দিয়ে শত্রুর কাছ থেকে তাদের মতবাদ, দর্শন ধার করে এনে সর্বোচ্চ বুদ্ধিবৃত্তিক গোলাম হওয়া ব্যতীত আর কিছুই অর্জিত হয় না৷

 

বইখানি নিয়ে আরও বেশি আলোচনা এবং বইয়ের আলোকে আরও পর্যালোচনার দরকার ছিলো যার কিছুই হয়নি।

তবুও আল্লাহর কাছে দু'আ করি যেন সবাই বাস্তবতা বুঝতে পারেন।
Profile Image for Shamsuddin  Ahmmad Shimul.
58 reviews7 followers
January 25, 2025
পুরো বইটির সারমর্ম অনেকটা এরকম,

"সেক্যুলারিজম নিজেই একটি ধর্ম। এই ধর্মের শরীয়ত কিংবা সাংবিধানিক মাপকাঠি হলো হিউম্যানিজম। এই ধর্মের প্রভু হলো মানুষ এবং জ্ঞানের উৎস হলো আকল। সেক্যুলারিজম নিজেই একটি ধর্মীয় অথরিটি সংরক্ষণ করে। সে অন্যান্য ধর্মের উপর তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। সকল ধর্মীয় অনুশাসনকে সে নিজস্ব মাপকাঠিতে মূল্যায��ন করে। সে যদিও মুখে বলে যে সব ধর্ম তার স্বাধীনতা পাবে কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সেক্যুলারিজম একজন ধার্মিক ব্যক্তিকে তার ধর্মে ঘোষিত হালাল গ্রহণ করতে এবং হারাম বর্জন করার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তার নিজস্ব হালাল-হারাম তথা বৈধতা-অবৈধতার ধারণা রয়েছে। এই ধারণার ভিত্তিতেই সে প্রতিটি বিষয়ের অনুমোদন দিয়ে থাকে। তারা নিজস্ব বৈধতার ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক যেকোনো বিষয় সে বেআইনি এবং বাতিল করে দিতে পারে। মোটকথা, একটি ধর্মের ফুল কনসেপ্ট সেক্যুলারিজমে বিদ্যমান রয়েছে। সুতরাং, বলতে হবে, সেক্যুলারিজম কখনই ধর্মনিরপেক্ষতা নয়; বরং সে নিজেই একটি ধর্ম।"
Profile Image for Ibnul Fiaaz Dhrubo.
124 reviews3 followers
September 22, 2025
বইয়ে ব্যাখ্যাকৃত কন্সেপ্টগুলো খুবই স্পষ্ট ছিল। আর এতেই বুঝা যায়, পাশ্চাত্যবাদ একটা স্পষ্ট ফিতনা। স্রষ্টার দেয়া বিধানের বাহিরে যাই আছে সবই ফিতনা।

আপনাকে হয় মুসলিম হতে হবে, আর নয়ত মুরতাদ। কিন্তু একইসাথে মুসলিম আবার লিবারেল হওয়া সম্ভব না। পুরাই বাইনারি চয়েস। কীভাবে? এখানে বিস্তারিত পাবেন।

সবচেয়ে বড় কথা, ইসলাম কেবলমাত্র আচার সর্বস্ব কোনো ধর্ম নয়। এটা স্রষ্টার মনোনীত দ্বীন, এক পরিপূর্ণ জীবনবিধান যা পাশ্চাত্যের অসার মতবাদগুলোকে শুরু থেকেই বাতিল ঘোষণা করে এসেছে। সুতরাং, যার মধ্যে এগুলোর ব্যাপারে কোনো ধারণা নেই সে ফিতনায় পড়তে বাধ্য। সেদিক দিয়ে সংক্ষিপ্ত হলেও বেশ কার্যকর গাইডলাইন রয়েছে বইটিতে।

لا حكم إلا لله
Profile Image for Marjeya Nur.
7 reviews1 follower
Read
March 4, 2024
পশ্চিমাদের লেন্সে দুনিয়া দেখে যারা স্বাধীনতা, সমতা ও মুক্তচিন্তার বাণী আওড়ায় তাদেরকে এই বই স্বাধীনতা, সমতা নিয়ে নতুন করে ভাবনা দিবে। পশ্চিমাদের লেন্সে দুনিয়া দেখা বন্ধ না করলে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্বের মুক্তি মিলবে না।
2 reviews
August 13, 2021
অসভ্যদের দাসত্ব করতে করতে অসভ্যতামিকেই সভ্য বানিয়ে বুক ফুলিয়ে হাটছি। অথচ এর শেষ হচ্ছে জলন্ত আগুনের গর্ত ছাড়া আর কিছুই না। তাদের পড়া উচিত এই ধরণের বই যারা বাঁচতে চায় এই আগুন থেকে।
Profile Image for Sabit Ullah.
1 review8 followers
March 8, 2022
বাঙালি মুসলমান বিশেষ করে উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের জন্য অবশ্য পাঠ্য একটি বই। চিন্তার জট খুলবেই ইন শা আল্লাহ।
Profile Image for Arafat Shaheen.
76 reviews3 followers
May 8, 2022
তরুণ প্রজন্মের চিন্তাকে নাড়া দেওয়ার মতো বই।
Profile Image for Xanthophyll .
62 reviews5 followers
August 20, 2023
পশ্চিমা মগজধোলাই এর শিকার ,চিন্তার পরিশুদ্ধতার জন্য , বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মনস্তাত্তিক লড়াই এর জন্য এই ব‌ই
Profile Image for Abu Saleh Musa.
3 reviews
December 7, 2020
কোথায় বাস করছেন? কোন যুগে? একটু জানা দরকার।
Profile Image for Faisal Ahmed Shadhin.
7 reviews1 follower
December 29, 2025
লেখক পাশ্চাত্যের যে ধারণাগুলোকে খন্ডন করতে চেয়েছেন, তার জন্য আরও বিস্তার পরিসরে আলোচনা করার প্রয়োজন ছিল মনে হয়।
Displaying 1 - 29 of 29 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.