Jump to ratings and reviews
Rate this book

ইস্কাপনের টেক্কা

Rate this book

126 pages, Hardcover

Published September 1, 2020

Loading...
Loading...

About the author

Harun-or-Rashid

8 books3 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (16%)
4 stars
1 (16%)
3 stars
1 (16%)
2 stars
2 (33%)
1 star
1 (16%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Mohammad Kamrul Hasan.
393 reviews15 followers
January 27, 2021
📚 বই নিয়ে আলোচনা

“ইস্কাপনের টেক্কা” তাস খেলার এই গুরুত্বপূর্ণ কার্ডটির ব্যবহার বা খেলা কোনাটা না জানলেও বুঝতে পারছি খেলাতে তার ভুমিকা অনেক।
আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কার্ডটিকে জীবন খেলায় প্রবাহিত কিছু ঘটনার সাথে মিশিয়ে গল্প তৈরি করেছে লেখক “হারন-অর-রশিদ” সাহেব।

ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের, নারায়ণপুর গ্রামে দুই প্রতিবেশীদের মধ্যকার কোন্দল মেটাতে পরিবারের কর্তারা সমাধানের জন্য আসেন হরিপদ রায়ে কাছে। হরিপদ রায় গ্রামের মধ্যে শীর্ষ ব্যক্তিদের একজন। তবে তিনি কৃপণ বলে দুর্নাম আছে গ্রামে। এছাড়াও তার একমাত্র ছেলে শ্যামাপদ রায ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম এক মেয়েকে বিয়ে করে। তিনি গ্রাম প্রধান হওয়াতে কেউ কিছু বলেনি ঠিকই তাই বলে তিনিও ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। তিনি তার ছেলেকে কিছুতেই ঘরে আর স্থান দেননি। এনিয়ে বাবা ছেলেতেও সম্পর্ক অস্থির। সেই হরিপদ রায় ঝামেলা মেটাতে গিয়ে ঘটনাস্থলে খুন হন একজনের লাঠির আঘাতে।

এই কেসের দায়িত্ব পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে দেয়া হয় পুলিশের স্পেশাল বার্ঞ্চ “হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টকে”। কারন হরিপদ রায় লাঠির বাড়ি খেলেও খুন হন বিষক্রিয়াতে!
হোমিসাইডের প্রধান আজম আলী তার ডিপার্টমেন্টের তুখর গোয়েন্দা শিহাব সালেহীনকে এই কেসের দায়িত্ব দেন। তুখর এই গোয়েন্দা তার সহকারী শামিমকে নিয়ে দৌড়াতে থাকে ঘটনার এপার থেকে ওপার। আর উদ্ধার করতে থাকে অবিশ্বাস্য ও অরুচিকর সব ঘটনা।

★★★

‘বর্ষাদুপুর’ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে লেখক হারুন-অর-রশিদের দ্বিতীয় মৌলিক থ্রিলার বই।
প্রথম বই হচ্ছে ‘২৯’। প্রথমটা থেকে এই বইয়ের কাহিনিটা আমার কাছে কিছুটা হালকা লেগেছে। প্রথম বইটার মতো এই বইতেও লেখকের কিছু দোষ রয়ে গেছে বলে আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি। তবে হ্যাঁ আগের থেকে লেখক বেশ উন্নতি করেছেন। দোষ বলতে ঐ অহেতুক গল্প টেনে নেয়া আরকি। তবে এই বইতে সেটা কম ছিলো।

গল্পের প্লট ছিলো সাধারণ। তবে শেষ দিকের টুইস্ট ছিলো অসাধারণ। এবং খুন করার কৌশলটাও আমার কাছে অভিনব লেগেছে। গল্পের স্পিড ভালো কিন্তু তবে আকর্ষণ কিছুটা কম লেগেছে আমার কাছে, বোধহয় গল্পের প্লটটার জন্যই।

তুখর গোয়েন্দাখ্যাত শিহাব সালেহীনের তেমন কোনো চমক দেখিনি। তার ঘটনা উদ্ধার করার কিছু বর্ণনা এবং কৌশল আরো পরিস্কার করার প্রয়োজন ছিলো বলে আমি মনে করি।

সবশেষে বলবো, লেখকের একটা বিষয় আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। তা হলো পরিশীলতা। ফেসবুকে তিনি যেমন ভদ্রলোক, তেমনই ছাপ পড়েছে তাঁর লেখাতে। আমি মনে করি তিনি আরো চমৎকার কিছু আমাদের উপহার দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন। আমরাও প্রস্তুত।

ধন্যবাদ।
©️ মোঃ কামরুল হাসান
সময় - ১৯/১০/২০২০ ইং
📚 বই হোক আপনার, আপনি বইয়ের 📚
Displaying 1 of 1 review