যুগে যুগে এক শ্রেনীর অসাধুরা হাদিস নিয়ে কম টানাহেঁচড়া করেনি। উদ্দেশ্য জনমনে সংশয় তৈরি অথবা মূল ধারার ইসলাম থেকে দুরুত্ব তৈরি। এদের মধ্যে কেউ হাদিস অস্বীকারকারী, কেউ আবার হাদিসের বিভ্রান্তিমূলক ব্যাখ্যা করেছে সারি সারি। শুধু ইসলাম বিদ্বেষী নয়, এখানে আরো রয়েছে মুসলিম দাবীদার বিশেষ শ্রেনী। এ সকল শ্রেনীরা কি ভাবে নিজেরা হাদিসের বিশুদ্ধতা বা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশয়ে পরে এবং কি ভাবে সে সংশয়ে অন্যকে টেনে আনে তার কারন আমরা খুঁজে পাই উল্লেখিত বইতে। কেন আমরা একটি হাদিস বিশুদ্ধ প্রমাণিত হয়ে যাওয়ার পর মানতে বাধ্য তার বলিষ্ঠ প্রমান হাজির থেকে শুরু করে হাদিস রক্ষার্থে যুগে যুগে জগত বিখ্যাত মুহাদ্দিসগণ যে ভুমিকা পালন করেছে এবং যে নীতিমালার উপর তারা দাঁড়িয়ে তাকে এক দৃঢ় অবস্থানে দাড় করিয়েছে তার চিত্রও ফুটে উঠেছে এ বইতে। যে কোন গুরুত্বপূর্ণ বইই বুঝার জন্য শিক্ষকের যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন সে বইয়ের নীতিমালার জ্ঞান। এর অভাব যেমন একজনকে পাঠক হলেও ভিন্ন পথে নিয়ে যাবে তেমনি হাদিসের ক্ষেত্রেও তার নীতিমালার অভাব এবং অনীহা অনেককেই ইসলামের প্রকৃত স্থান থেকে দূরত্বে নিয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা সমাধানে “আমরা হাদিস মানতে বাধ্য” বইটি সহায়ক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করি।