📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖📖 লেখক বইটিকে একটি পারিবারিক প্রেসক্রিকপশন দাবি করলেও শেষের অধ্যায় ও মাঝের একটি অধ্যায় বাদে বাকি গুলো রোমান্স। বইয়ের সবগল্প ভালো লাগলেও একটি গল্প “মিঁয়াভাই” এই গল্পটি পড়ে আমি চিন্তা পড়ে গেলাম। বাড়ির বড় ছেলে যদি বিয়ে করতে গিয়ে মারা যায় এবং ঐ দিনেই বড় ছেলের হবু বউয়ের সাথে ছোট ছেলে বিয়ে ঠিক করলো । মানে বাড়ির বড় ছেলে মারা গেলেও বিয়ে তো কোনো ভাবে শেষ করে ছাড়বেই! তাও আবার ঐ দিন যে দিন মারা গেল। যেন বিয়ে না হলে আরো বড় কিছু হয়ে যাবে। এই গল্পটা বাদে বাকি সকল গল্পেই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শেষের অধ্যায়। অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় উল্ল্যেখ করা আছে। এই বইয়ে আমার ভালোলাগা ২টি উক্তি :
🔖🔖🔖🔖🔖 “বাবু একটি কিউট ড্রামের নাম। যার মধ্যে তেল, পানি বা চাউল না থাকলেও গোলগোলা চোখের ড্যাবড্যাব চাহুনি আর ফোকলা দাঁতের বোকলা হাসি দিয়ে মুহূর্তেই পাথুরে মনকে মোমের মত গলিয়ে দেওয়ার মতো ম্যাজিক্যাল পাওয়ার ঠিকেই আছে।” ( রচনাসমগ্র, বাবু রচনা, ভূমিকা )
🔖🔖🔖🔖🔖 “সুখ হলো বিচ্ছিন্ন কিছু অনুভূতির নাম। ছড়িয়ে থাকা বকুল কুড়িয়ে মালা গাঁথার নাম। সেই মালা প্রিয়জনকে নিজ হাতে পরিয়ে দেওয়ার নাম।” ( বকুলমালা, শেষ দিকে )
বিয়ে নিয়ে অতিরিক্ত ফ্যান্টাসি বা মাতামাতি বেশ বিপজ্জনক। স্বপ্নের ক্যানভাসে ইচ্ছেমতো রঙ তোলা যায়, কিন্তু বাস্তবতা এত সরল নয়। জীবন কোনো নিখুঁত শিল্প নয়—এখানে স্বপ্নভঙ্গও হতে পারে।
অনেকে গল্পের চরিত্রে নিজেকে খুঁজে পান, কল্পনার মানুষকে বাস্তবে চান। কিন্তু গল্পের মতো জীবনসঙ্গী না পেলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বরং বাস্তবতা বুঝে, সীমিত চাহিদা ও প্রস্তুতি নিয়েই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। নইলে আলাদিনের চেরাগ হাতে পেলেও সুখী হওয়া কঠিন।
বইটির শুরুর গল্পগুলো মানুষকে কিছুটা কল্পনার জগৎ তৈরি করে দেয়। তবে পরবর্তী গল্পগুলো মোটামুটি সুন্দর ছিল। বিশেষ করে 'মিয়া ভাই' গল্পটি (যা জীবনে একবার হলেও পড়া দরকার)।
বইটার কিছু কিছু জায়গা আমার কাছে একটু অসংলগ্ন মনে হলেও গল্পগুলো মোটামুটি ভালোই লেগেছে। তবে আপাতত এই বইয়ের পর্যালোচনা লেখার মত উপযুক্ত আমি না। কারণ লাভ ক্যান্ডির স্বাদ গ্রহণের সৌভাগ্য আমার এখনও হয়নি। 🙄
অতি নিম্নমানের বই। গল্পের কিছু আগামাথা নেই। বিভিন্ন জায়গা থেকে টুকে কিছু লেখা। দাম্পত্য রসায়নের নামে কিছু বিশ্রী পয়েন্ট তুলে লিখেছে। এটার নাম দিয়েছে বই।