Jump to ratings and reviews
Rate this book

জন্মেছি এই দেশে

Rate this book
বিমল একটি ছোট খাটো চাকুরি করে । ঘরে দুজন বোন আছে , ভাই আছে ,মা - বাবা আছে । একেবারে বড় সংসার নয় কিন্তু সে তুলনায় খরচ অনেক বেশি । শুধু চাকুরিতেই হয় না কয়েকটা টিউশানিও করাতে হয়। অফিসে বিমল এর পাশে পূর্ণিমা নামের একটি মেয়ে বসে । মেয়েটি নতুন নতুন কাজে ঢুকেছে । কারণে অকারণে অনেক ভুল করে ম্যানেজারের কাছে বকাঝকা খায় । একদিন এরকম বকা খেয়ে মেয়েটি ডেস্কে মন খারাপ করে বসে ছিলো । বিমলের দিকে তাকিয়ে একটু সহানুভূতি পাওয়ার আশায় মেয়েটি বলে - দেখলেন ভুল কি আমি একাই করি ! এমন তো না যে চেষ্টা করছি না । তাও ছোটখাটো ভুল তো মানুষের হয় ই তাই বলে এভাবে অপমান করার কোন……………
বিমল পূর্ণিমাকে শেষ করতে দেয় না তার আগেই বলে ‘’ ঠিকই তো করে । মনযোগ দিয়ে কাজ করলেই তো পারেন । অফিসে এরকম হাস্যকর ভুল বারবার করা কি ঠিক ? ''

214 pages, Unknown Binding

First published November 11, 1953

8 people want to read

About the author

Gajendrakumar Mitra

77 books42 followers
Gajendra Kumar Mitra was born on 11 November 1908. He was a versatile writer. He wrote many novels, short stories, plays, essays and poems. Mitra also translated a few English novels into Bengali, such as Dickens's A Tale of Two Cities . He used to write with his left hand. His genuine love and concern for Bengali literature inspired him to co-found the famous Mitra and Ghosh Publishers. Mitra was childless. He died on 16 October 1994 in Calcutta (now Kolkata).

Mr Mitra along with his friend Sumathanath Ghosh established Mitra & Ghosh Publishers on 9 March 1934.
Novels:
Kanta Prem
Pānchajanya
Rai Jāgo Rai Jāgo
Kolkatar Kāchei (Translated as A Stone's Throw from Kolkata)
Paush Phāguner Pālā
Upakanthe
Bahnibanyā
Rātrir Tapashyā
Pashaner Khuda

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (100%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for DEHAN.
278 reviews80 followers
February 23, 2021
দাসপাড়া এম.ই ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক পূর্ণ বাবু বিয়াল্লিশ বছর শিক্ষকতার পর অবসর নিয়েছেন। সে আর তার গৃহিণী সংসারে মাত্র দুটি জীব। আগে তাও কয়েকটা টিউশানি করে কোনমতে চলে যেত। এখন বয়স হয়েছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে আর পড়াতে পারেন না। কিন্তু জীবনের প্রয়োজন কি এসব মানে? মানে না। দিন দিন অবস্থা আরো খারাপ হতে শুরু করলো। স্কুল কমিটির সভাপতি বলাইবাবু যদিও একটা মাসিক সাত টাকার পেনশনের ব্যবস্থা করেছিলেন কিন্তু সাত টাকায় আর কিই বা হয়! যাই হোক পরে অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করা হলো পূর্ণ মাস্টারের সত্তর বছর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইস্কুলে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেখান থেকেই পূর্ণবাবুর জন্য সাহায্য চাওয়া হবে। পূর্ণবাবু এটা জানার পর স্বাভাবিকভাবেই বেশ উত্তেজিত হয়ে যান । সারা জীবন শিক্ষার পেছনে ব্যয় করা মানুষটি এখন অপরের কৃপা নিয়ে বেঁচে থাকবে ! অর্থের প্রয়োজনীয়তা কি এভাবেই আত্মগৌরব নষ্ট করে দিবে ! না তা হয় না । পূর্ণবাবু অনুষ্ঠানের দিন মঞ্চে উঠে বলেন তার সাহায্যের দরকার নেই । খুব গর্ব নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে এসেছিলেন ।
একজন শিক্ষক হিসেবে পূর্ণবাবু নিজেকে সার্থক মনে করতেন কিন্তু ঐদিন বাড়ি ফেরার পর প্রাক্তন ছাত্র বিমলের তার সম্পর্কে অভিযোগের কথা শুনে বুঝতে পারলেন আসলে তার জীবনটাকে তিনি ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারে নি । পেছনে তাকালে তিনি শুধুই একজন সৎ , একরোখা ও ক্লান্ত একজন মানুষ কে দেখতে পান ।
গল্পটা আসলে দুইজন দরিদ্র শিক্ষক কে নিয়ে । দুইজনের জীবনবোধ ই আলাদা আলাদা । কিন্তু তাদের একে অপরের জন্যই তাদের জীবন আস্তে আস্তে অন্যরকম হয়ে যায় ।
আসলে কি হয় ? কি হয় যখন আপনার জীবনের শেষ সময়ে এসে জানতে পারেন আপনি এতদিন ভুলের উপর বেঁচে ছিলেন ?
কি হয় যখন জানতে পারেন অতীতে যে জিনিসটার জন্য অর্থের লোভ , ভালেবেসে সুখী হওয়া এবং করার লোভ ইত্যাদি সিত্যাদি ত্যাগ করেছেন ; তা সব বৃথা হয়ে গেছে ?
কি হয় যখন হারাইতে হারাইতে শেষ পর্যন্ত হারানোর মতো কিছুই আর অবশিষ্ট থাকে না কিন্তু একটা কিছু হারানো আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় ?

সেবার অষ্টম শ্রেণীতে উঠে প্রথম সাময়িকীর অংক পরীক্ষা দিতে গিয়েছি । পরীক্ষার শেষ পর্যায় । হলে শুধু সিলিং ফ্যানের ঘড়ঘড় আওয়াজ আর ফিসিফিস আওয়াজ - ঐ উপপাদ্যের লুজটা দে , মুনাফার অংকের এন্সার কত আসছে , এ ভাই আমারে সম্পাদ্যের চিত্র টা আঁইকা দে তোরে বাইরে গিয়া চটপটি খাওয়াবো , কিরে তুই দেখাবিনা! ঠিক আছে পরীক্ষা দিয়া বাইর হ ………… এই জাতীয় মিনতি , আহাজারি , হুমকি ধামকি আর পিঠে কলমের খোঁচাখুঁচি আমলে না দিলে বলা যায় এক প্রকার সুঁই পতন নীরবতাই চলতেছে ।
এরই মধ্যে এক ছেলে দাঁড়িয়ে একরাশ হতাশা আর বিরক্তি মেশানো কণ্ঠে বলে উঠলো ‘’ হায় রে সবার অংক মিলে আমার অংক আর মিলে না ! ’’
তার দুঃখের গভীরতা সেদিন বুঝি নাই । এখন বুঝতে পারি ।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.