Bankim Chandra Chattopadhyay (Bengali: বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) ('Chattopadhyay' in the original Bengali; 'Chatterjee' as spelt by the British) was a Bengali poet, novelist, essayist and journalist, most famous as the author of Vande Mataram or Bande Mataram, that inspired the freedom fighters of India, and was later declared the National Song of India.
Complete works of Bankim Chandra Chattopadhyay (বঙ্কিম রচনাবলী) is now available in this third party website (in Bengali): https://bankim-rachanabali.nltr.org/
Chatterjee is considered as a key figure in literary renaissance of Bengal as well as India. Some of his writings, including novels, essays and commentaries, were a breakaway from traditional verse-oriented Indian writings, and provided an inspiration for authors across India.
কিছু কিছু বই থাকে যেসব বুঝতে সেসময়ের রাজনীতি, অর্থনীতি, পৌরনীতি, দর্শন সবকিছু সমন্ধে জানতে হয়। এটাও ঠিক তেমোনি একটা বই। তৎকালীন বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি, মানুষনীতি, সমাজনীতি সবকিছুর বিদ্রুপাত্মক ক্রিটিসিজম এই বই। তৎকালীন বললে বড় ভুল হবে কারন বর্তমানও তৎকালীন সমাজের থেকে খুব বেশি বাড়তে পারেনি বরং আরও নিচুতে নেমেছে।
কমলাকান্ত মুলত বেশ কিছু প্রবন্ধের সমষ্টি। প্রত্যেক প্রবন্ধ আলাদা আলাদা বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে রচনা করা। জন্ম থেকে শুরু করে বৃদ্ধ হওয়া পর্যন্ত মানুষ যা যা করে সবকিছুর মুল মুল বিষয় নিয়ে গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ সব। যেমনটা ছিলো গালিভার্স ট্রাভেল্স।
সাধারণ গোয়ালিনী থেকে শুরু উকিল মোক্তার অবদি বাদ যায়নি। বাদ যায়নি মানুষের হিপোক্রেসি। বিজ্ঞান, কলা, ধর্ম, অধর্ম, নারী-পুরুষ, সৌন্দর্য, যৌবন, বৃদ্ধ সবকিছুরই সমালোচনা করেছেন খুব সুন্দর ভাবে। না, সেসময়েও খোলাখুলি লিখতে পারেননি লেখক। তাই আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন অলঙ্কার আর উদাহরণের।
খারাপ লাগার জায়গা হলো সতীদাহ প্রথার সামর্থন। লেখক দুই জায়গাতে এইটার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর দুই জায়গাতেই বুঝাতে চেয়েছেন সতীদাহ প্রথা থাকার সময় সত্যকারের ভালোবাসা চেনা যেত, আর সেটাতেই ছিলো নারীর মহীমা, তাছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে নারীরা তুচ্ছ।
সে যাইহোক, নিখাঁদ একটা দর্শনশাস্ত্রের বই বলেও চালিয়ে দেওয়া যায় এই বই-কে। জীবনে চলার পথে বার বার পড়ার মতো, বার বার নতুন করে অনুধাবন কারার মতো বই।
প্রথমেই আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি কেননা এই বইয়ের রেটিং দেবার মত যোগ্যতা আসলে আমার নেই। কেন বলছি নেই? এই বইয়ের এক্সপ্রেশন বোঝা আমার সাধ্যাতীত কাজ তবু বেশকিছু জায়গা মারাত্মকভাবে নাড়া দিয়েছে আমায়- লেখকের প্রত্যেকটা এক্সপ্রেশনকে খোলসমুক্ত করলে দারুন কিছু চিত্র পাওয়া যায় যেটা খালি চোখে দেখা প্রায় অসম্ভব।
এই বইটা সম্পর্কে বেশিকিছু আমি বলতে পারছি না, বইটা বোঝা আমার জন্য খুবই কষ্টকর তবু বলতে বাধ্য হচ্ছি, না বুঝেও যতটুকু বুঝেছি তাতে বইটা অসাধারণ, আপনি যদি বুঝতে পারেন তাহলে তো........
শ্রীকমলাকান্ত চক্রবর্তী, কারো কারো মতে পাগল। কারণ সে যা বলত, যা ভাবত, যা করত তা স্বাভাবিক(!) মানুষদের বোধের মধ্যে ছিল না। লেখাপড়া জানত বটে। তবে কমলাকান্তের আশ্রয়দাতা শ্রীভীষ্মদেব খোশনবীস এর মতে "... যে বিদ্যায় অর্থোপার্জ্জন হইল না, সে বিদ্যা কি বিদ্যা?.... আর কমলাকান্তের মত বিদ্বান্ যাহারা কেবল কতকগুলা বহি পড়িয়াছে, তাহারা আমার মতে গণ্ডমূর্খ।" তাই ভীষ্মদেব তার পুত্র খোশনবীস জুনিয়রকে গড়ে তুলতে চান একজন যথার্থ বিদ্বান হিসেবে। এরকম বিদ্বানরা আবার কমলাকান্তের চক্ষুশূল। হবে নাই বা কেন! কমলাকান্তের এক প্রবন্ধ, "ইউটিলিটি বা উদার-দর্শন" এর ইউটিলিটি এর অর্থ শিক্ষিত খোশনবীস জুনিয়র ডিকশনারী ঘেঁটে বের করে "ইউ-টিল-ইট-ই" অর্থাৎ "তোমরা চাষ করিয়াই খাও।" শেষকালে দেখা যায় এই পুত্রই এমএ পাশ করে "বিদ্যার ফাঁস গলায়" দিয়েছে। তার উপর কালের নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে বি.এ. না হলে বিয়ে হয় না। তাই কমলাকান্ত সমাজব্যবস্থার নিকুচি করে আপন করে নেয় আফিমকে। আর সেই আফিম এর নেশায় বুদ হয়ে যেসকল প্রবন্ধ সে রচনা করত তাতে বেরিয়ে আসত নিগূঢ় কিছু সত্য।
আফিম খোর কমলাকান্ত চাকরি হারিয়ে তীর্থ দর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। যাওয়ার সময় "কমলাকান্তের দপ্তর" বলে পরিচিত তার থাকার স্থানটুকু ভীষ্মদেবকে আবার বখশিশ হিসেবে দিয়ে যায়। তারপর সেই দপ্তর থেকে ভীষ্মদেব খুঁজে পায় ছেড়া কাগজে কিছু রচনা। অগ্নিতে নিক্ষেপ না বরং তা ঘুমের ওষুধ বিবেচনা করে লোকহিতৈষিকতার জন্য ভীষ্মদেব প্রচার করতে প্রবৃত্ত হয়। এখানে পাওয়া চৌদ্দটি রচনা(কমলাকান্তের ভাষায় প্রবন্ধ) নিয়েই রচিত "কমলাকান্তের দপ্তর" নামক "কমলাকান্ত" সিরিজের প্রথম খণ্ড। এখানে কমলাকান্তের বিভিন্ন রকম সামাজিক, দার্শনিক, নৈতিক, রাজনৈতিক বিভিন্ন চিন্তা ধারা উঠে আসে আফিমের নেশার আড়ালে। কমলাকান্তের অমর উক্তি বের হয়ে আসে, "পুষ্প আপনার জন্য ফুটে না। পরের জন্য তোমার হৃদয়-কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিও।"
যাইহোক কমলাকান্ত তবে একেবারেই নিরুদ্দেশ হল? না। দেখা গেল কমলাকান্ত ফিরে এল বটে, তবে তার থাকার স্থান সম্পূর্ণই খোশনবীস এর দখলে। কমলাকান্ত টেরও পেয়ে যায় তার রচনাগুলো খোশনবীস বঙ্গদর্শন মারফত মুদ্রাকারে প্রচারও করে দিয়েছে। এবার কমলাকান্ত হয় ক্রুদ্ধ। ক্রুদ্ধ একারণে নয় যে সে উদ্বাস্তু। সে বরং ক্রুদ্ধ হয় তার আফিমের জোগান কিভাবে হবে তাই ভেবে। তাই সে বঙ্গদর্শন এর সম্পাদকের নিকট পত্র পাঠানো শুরু করে রচনার বিনিময়ে কিছু আফিম পাওয়ার আশায়। কমলাকান্তের পাঁচটি চিঠি নিয়েই "কমলাকান্তের পত্র" নামক দ্বিতীয় খণ্ড।
এরপর কমলাকান্তের কোন খোঁজ নেই। অনেকদিন পর খোশনবীস জুনিয়র কমলাকান্তকে খুঁজে পায় আদালতের দোঁড়গড়ায়। সেখানে কি ঘটে তা পর্যবেক্ষণ করেই খোশনবীস জুনিয়র রচনা করেন "কমলাকান্তের জোবানবন্দী", যার সংক্ষেপিত রূপ আমরা পাঠ করেছি বাংলা পাঠ্য বইয়ে। সংক্ষেপিত ছিল বিধায় মামলার সম্পূর্ণ পরিণতি সম্পর্কে একটা ধোঁয়াশা ছিল, সেটা কেটে গেল এটি পড়ে। আর শেষমেশ কমলাকান্তের প্রণীত পরিশিষ্ট। এই দুটো মিলে সিরিজের তৃতীয় খণ্ড।
মোট তিনটি খণ্ডে কমলাকান্তকে নিয়ে সমস্ত রচনার সংকলন বঙ্কিমচন্দ্রের "কমলাকান্ত" । মূলত রম্যরচনা ধরনের হলেও তাতে উঠে এসেছে সেসময়কার নানা অনিয়ম, অসঙ্গতির কথা। মাঝে মাঝে বঙ্কিমচন্দ্রের গোড়া মনোভাবও প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগই ছিল শুভবুদ্ধি প্রসূত। রচনার ভাষা অনেকের কাছে কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্রকে কেন সাহিত্যসম্রাট বলা হয় তা এই রচনাগুলো পড়লেই টের পাওয়া যাবে। বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম সেরা রচনা হিসেবে বিবেচনা করা এই সিরিজটিকে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সেই ব্যক্তি, যিনি একটি অসভ্য বর্বর অশিক্ষিত জাতিকে রাতারাতি সভ্যতার সুউচ্চে পৌছার অবারিত সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আফসোস, সেই সুযোগকে বাঙ্গালি হেলায় নষ্ট করে দিলো।
কমলাকান্ত সেই বই, যার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে শিষ্ট সুরুচিপূর্ণ বিদগ্ধ রসরচনার সূত্রপাত। বঙ্কিমের প্রায় অমানুষিক প্রজ্ঞা এই বইয়ের পাতার পর পাতায় স্ফূরিত; এই প্রজ্ঞা এসেছে দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক ও প্রাচীন, পাশ্চাত্য ও ভারতীয়, ইতিহাস, দর্শন, সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান পড়ার মাধ্যমে। কিন্তু শুধু প্রজ্ঞাতেই বঙ্কিম-প্রতিভার সীমা নির্দিষ্ট নয়, প্রজ্ঞার সাথে তার অসাধারণ সৃজনশীল প্রতিভা মিশে তার সাহিত্যকে, তা উপন্যাস রসরচনা ইতিহাস ধর্ম দর্শন যা-ই হোক না কেন, এক অনতিক্রম্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যে উচ্চতা তার পরে একমাত্র রবীন্দ্রনাথই স্পর্শ করতে পেরেছিলেন বোধ হয়।
কমলাকা���্তের মতো আফিং খেয়ে জীবন-জগত-সংসার সম্পর্কে আপাত খেয়ালী অথচ আদতে গভীর অর্ন্তদৃষ্টিসম্পন্ন মন্তব্য করার মতো একজনের প্রয়োজন এখন্ও শেষ হয়ে যায়নি; প্রকৃতপক্ষে একজন কমলাকান্ত বা তার পশ্চাদপটে থাকা একজন বঙ্কিমচন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা মানুষের ইতিহাসে কখনোই ফুরায় না।
যদি পাঁচটার বেশি স্টার দেওয়া যেত তবে আমি এই বইকে তাইই দিতাম! বই পড়ে আমি অবাক হয়ে গেছি! সেই সময়ে এমন চিন্তাধারা, এমন সব তুলনা আর সুক্ষ্ম সব পচানি আমার চিন্তার বাইরে ছিল!! আর নিজের কথাগুলো এইভাবে কমলাকান্ত আর আফিমের উপর চাপিয়ে দিতে পারাটাও একটা বিরাট ব্যাপার! সব থেকে ভালো লেগেছে কমলাকান্তের জোবানবন্দি থেকে এই লাইনগুলো- "ইহাই ইউরোপের International Law। যদি সভ্য এবং উন্নত হইতে চাও, তবে কাড়িয়া খাইবে। গো শব্দে ধেনুই বুঝ, আর পৃথিবীই বুঝ, ইনি তস্করভোগ্যা। সেকন্দর হইতে রণজিৎ সিংহ পর্য্যন্ত সকল তস্করই ইহার প্রমাণ। Right of Conquest যদি একটা right হয়, তবে Right of theft, কি একটা right নয়? অতএব, হে প্রসন্ন নামে গোপকন্যে! তুমি আইনমতে কার্য্য কর। ঐতিহাসিক রাজনীতির অনুবর্ত্তী হও। চোরকে গোরু ছাড়িয়া দাও |”!!! এইখানে কত সুন্দরভাবে কৌতুকের মাইর-প্যাচে ইউরোপকে চোর বলা হল তা দেখে লেখকের প্রতি সম্মান বেড়ে গেল!! আফসোস লাগে এখনো আমাদের অনেকে এই কথাগুলো বুঝতে পারে না! এখনো আমরা ইউরোপের পূজা করি আর দোষ দিতে থাকি আমাদের পূর্ব-পুরুষদের তারা অলস ছিল এই বলে! আচ্ছা কারো বাড়িতে যদি ডাকাতি হয় তাহলে দোষ কি ডাকাতের হয় নাকি বাড়ির মালিকের?! একটু ভেবে দেখবেন!!
বইটি বঙ্কিমচন্দ্রের কমলাকান্ত চরিত্রটি নিয়ে সব লেখার সংকলন। মূলত রম্যরচনা, তবে তার বাইরেও অনেককিছু আছে। পরিহাসের ধরণ সুক্ষ্ম, নীচশ্রেণীর রগড় না। এর ভিতরে আছে কমলাকান্তের জোবানবন্দি, যা আমাদের উচ্চমাধ্যমিক বাঙলা বইয়ে সংক্ষিপ্তভাবে থাকলেও পাঠ্যক্রমে ছিল না। তাছাড়া আছে ৫টি পত্র এবং ১৪টি প্রবন্ধ নিয়ে কমলাকান্তের দপ্তর।
বঙ্কিম সেকুলার মানুষ ছিলেন না, গোঁড়া হিন্দুই বলা যায় তাঁকে। কমলাকান্তের যুক্তি ও বিবেচনায় তার ছাপ আছে কোনো কোনো ক্ষেত্রে। তবে অধিকাংশই সাদামাটা শুভবুদ্ধিপ্রসূত বলে সমস্যা হয়নি তেমন।
চরিত্রটি অনবদ্য, আফিমখোর ব্রাহ্মণ বৃদ্ধ কমলাকান্ত তার তীক্ষ্ণ রসিকতায় অনেক সামাজিক অসঙ্গতিকে বিদ্ধ যেমন করেছেন, বলেছেন মানবিক দুঃখের কথাই। আসলে, চোখে জল না এলে রম্যরচনাও তার সর্বোচ্চ অবস্থানে সহসা যেতে পারেনা।
কলেজে(সম্ভবত) কমলাকান্তের জবানবন্দি পড়া পর থেকে এই চরিত্রটির ব্যাপারে তুমুল আগ্রহ থাকার ফলে বইটি কিনেছিলাম। কিন্তু আফসোস, বইটি আমার জন্য খুবই দুর্বোধ্য। অনেক চেষ্টা করেও ৩১ পেজের পর্যন্ত মাত্র ৬০% বুঝতে পেরেছি আর বাকি ৪০% ই বুঝিনি। তাও ভেবেছিলাম বইটি শেষ করবো কিন্তু আমার দ্বারা আর সম্ভব হচ্ছেনা। কিছু চাওয়া অপুর্ন থেকে গেলো। এই বইটি যদি কেউ আরেকটু সহজ ভাষায় লিখে প্রকাশ করতো তাহলে আমার মত সাধারন মানুষের জন্য ভালো হতো কেননা বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা আমার বোঝা সম্ভব না।
স্যাটায়ার এর স্টাইল, হিউমার এবং লুকিয়ে থাকা গভীরতার জন্য ৫ স্টার দেয়াই যেত কিন্তু এক অংশ উনবিংশ শতাব্দীর লেখকের জন্যও বেশি সেক্সিট ছিল (সতীদাহ এবং তার আগের লাইন গুলো) , তাছাড়া একটা ভুয়া জাতীয়তাবাদের গন্ধ যেন পেলাম (অবশ্য স্যাটায়ার এ যার যা ইচ্ছা মিনিং নেয়ার একটা সুযোগ থাকে)। বিয়ে, শিক্ষা , সমাজের ত্রুটির নিয়ে চিন্তায় দেখা গেছে দূরদর্শিতা। কিন্তু তেমনই নারীর সমালোচনায় দেখা গেছে এক অন্ধলোক কে, কমলাকান্ত এর কাছে নারীর গুন হবে ত্যাগ ও ভক্তি ।
যৌবন কর্ম্মের সময় বটে, কিন্তু তখন কাজ ভাল হয় না। একে বুদ্ধি অপরিপক্ক, তাহাতে আবার রাগ দ্বেষ ভোগাসক্তি, এবং স্ত্রীগণের অনুসন্ধানে তাহা সতত হীনপ্রভ; এজন্য মনুষ্য যৌবন সচরাচর সেই কার্য্যক্ষম হয় না। যৌবন অতীত মনুষ্য বহুদর্শী, স্থিরবুদ্ধি, লব্ধপ্রতিষ্ঠ এবং ভোগাসক্তির অনধীন, এজন্য সেই কার্য্যকারিতার সময়।
তোমরা উপাস্য দেবতার প্রকৃত মূর্তি পরিত্যাগ পুর্ব্বক বিকৃত প্রতিমুর্তির পূজা করিতেছ।
যদি আমাকে কোন পড়া বই রিপিট করতে বলা হয় আমি এক বাক্যে বলব কমলাকান্তের দপ্তর বইটি। এত সুন্দর একটা বই। দুর্দান্ত হাস্যরসের উপাদান রয়েছে এই বইতে। সাধু ভাষায় লেখা এই বইটা না পড়া থাকলে আজকেই পড়ে ফেলুন।
This Fictional character of Bankim Chandra was solely created to establish awareness about inconsistency of society that was going on at his time. Humor is the key of his storytelling. ok for me.