What do you think?


পিকাসোর গের্নিকা
Non-fiction about Guernica by Picasso
- GenresArt
63 pages, Hardcover
First published September 1, 2020
About the author
Purnendu Pattrea
76 books26 followersPurnendu Patri (sometimes Anglicised as Purnendu Pattrea) was an Indian poet, writer, editor, artist, illustrator, and film director. He was best known for his poems and stories, particularly for his poetry collection Kathopokathan in Bengali, and for his experimentation with book cover design. He also was a researcher of the history of Kolkata.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
March 31, 2021
যেই বইগুলো দেখলে আমি খুবই বিরক্ত হইঃ চারকোণায় এক বিঘত মার্জিন দিয়ে মাঝখানে স্মার্টফোনের স্ক্রিনের মত চিড়েচ্যাপ্টা রেক্টেংগুলার শেপে ছাপানো লেখা 😑😕 এরা একটু চালাক, লেফট এলাইনমেন্টে ছাপিয়েছে তাই ঐ রেক্টেংগুলার শেপটা আসছে না। আমি তো বুঝি না বাপু বাংলা বই মাত্রই হার্ডকভার কেন হতে হবে!!? কম পৃষ্ঠার বই মাস মার্কেট পেপারব্যাক ফরম্যাটে ছাপালে জাত যায় নাকি! 😕 প্রতিবছর বইমেলায় এরকম কতগুলো ছিঁচকাঁদুনে বাংলা হার্ডকভার বই চোখে পড়ে!
ছোটবেলায় সেবা প্রকাশনীর ৩০-৪০ টাকার পেপারব্যাকঃ কিশোর থ্রিলার-হরর আর গোয়েন্দা সিরিজ এইসব জনরার বাইরে আমি বোধহয় আর হাতেগোণা দুয়েকটা বাংলা পেপারব্যাক দেখেছি। কয়েকদিন আগে ফেবার এন্ড ফেবারের কুন্দেরার একটা উপন্যাসের পেপারব্যাক পড়তে গিয়ে দেখি স্ট্যান্ডার্ড সাইজের থেকে তুলনামূলক ছোট ফন্টে বইটা ছাপানো এবং প্রায় ২৫০ পৃষ্ঠার মধ্যে বইটা শেষ। আমার মনে হচ্ছিল একটু বড় ফন্টে ছাপালে পড়তে আরেকটু কমফোর্টেবল হত! কুন্দেরার ঐ বইটাই অন্য প্রকাশনী থেকে ৪০০+ পৃষ্ঠার একটা ভার্সন আছে!
যাই হোক, এই বইটা পেপারব্যাকও না - এটা আসলে কাগজে মোড়া একটা বুকলেট হওয়ার কথা ছিল। ঠিকঠাক মার্জিন দিয়ে ছাপালে ২২-২৫ পৃষ্ঠার মধ্যেই শেষ হত 😑 এখন পিকাসোর ব্র্যান্ড ভ্যালুর জন্য আর পূর্ণেন্দুর নামের জন্য প্রকাশকের যদি দু-পয়সা বেশি রাখতে হয়, তা রাখ না বাপু তোমার ইচ্ছা। যার কেনার সে এমনিই কিনে পড়বে। এইসব ১০০ ইঞ্চি মার্জিন দিয়ে পৃষ্ঠা বাড়িয়ে হার্ডকভার করার ওঁচা আদিখ্যেতা আমি বুঝি না বাপু। 😕 আর পেপারব্যাক যদি করো - আমার তো মনে হয় আরও দুটো লোক বেশি কিনে বইটা পড়তে পারে!!
এখন বইয়ের কন্টেন্টে যদি আসি এটা আসলে পূর্ণেন্দু পত্রী পিকাসোর গের্নিকা চিত্রকর্মের উপর আর্নহাইম আর ওপলারের লেখা দুটো বই পড়ে কোথাও কখনও সংক্ষিপ্ত একটা প্রবন্ধ ছেপেছিলেন (পূর্ণেন্দুর গুডরিডস একাউন্ট থাকলে ঐ বই দুটোর রিভিউতে পূর্ণেন্দু যতটুকু লিখতেন সেরকমই)। আর এখানে আমি পূর্ণেন্দুর নিজের কোন স্কলারলি কন্ট্রিবিউশন দেখি না। ঐ বইদুটোর বিভিন্ন অংশ অনুবাদ করে জোড়া দিয়ে আদতে এই ছোট্ট প্রবন্ধ বা রিভিউ খানা লেখা।
বেশ শখ করে অনলাইনে অর্ডার দিয়ে হাতে পাওয়ার পর থেকে আমার একটুও বইটা পড়তে ইচ্ছা করছিল না। একটু অল্প সময়ের জন্য কাজে বের হয়েছিলাম। অন্য একটা হার্ডকভার বই পড়ছি, ওটা নিয়ে তো আর বাইরে বের হওয়া যায় না। তাই আসা যাওয়ার সময়ের মধ্যেই হালকা কিছু একটা পড়তে হাতে নিয়ে বের হয়েছিলাম। পড়ার পরে বাইরের ভ্যাপানো গরমের মতই বিরক্ত লাগছে এখনও 😕
ছোটবেলায় সেবা প্রকাশনীর ৩০-৪০ টাকার পেপারব্যাকঃ কিশোর থ্রিলার-হরর আর গোয়েন্দা সিরিজ এইসব জনরার বাইরে আমি বোধহয় আর হাতেগোণা দুয়েকটা বাংলা পেপারব্যাক দেখেছি। কয়েকদিন আগে ফেবার এন্ড ফেবারের কুন্দেরার একটা উপন্যাসের পেপারব্যাক পড়তে গিয়ে দেখি স্ট্যান্ডার্ড সাইজের থেকে তুলনামূলক ছোট ফন্টে বইটা ছাপানো এবং প্রায় ২৫০ পৃষ্ঠার মধ্যে বইটা শেষ। আমার মনে হচ্ছিল একটু বড় ফন্টে ছাপালে পড়তে আরেকটু কমফোর্টেবল হত! কুন্দেরার ঐ বইটাই অন্য প্রকাশনী থেকে ৪০০+ পৃষ্ঠার একটা ভার্সন আছে!
যাই হোক, এই বইটা পেপারব্যাকও না - এটা আসলে কাগজে মোড়া একটা বুকলেট হওয়ার কথা ছিল। ঠিকঠাক মার্জিন দিয়ে ছাপালে ২২-২৫ পৃষ্ঠার মধ্যেই শেষ হত 😑 এখন পিকাসোর ব্র্যান্ড ভ্যালুর জন্য আর পূর্ণেন্দুর নামের জন্য প্রকাশকের যদি দু-পয়সা বেশি রাখতে হয়, তা রাখ না বাপু তোমার ইচ্ছা। যার কেনার সে এমনিই কিনে পড়বে। এইসব ১০০ ইঞ্চি মার্জিন দিয়ে পৃষ্ঠা বাড়িয়ে হার্ডকভার করার ওঁচা আদিখ্যেতা আমি বুঝি না বাপু। 😕 আর পেপারব্যাক যদি করো - আমার তো মনে হয় আরও দুটো লোক বেশি কিনে বইটা পড়তে পারে!!
এখন বইয়ের কন্টেন্টে যদি আসি এটা আসলে পূর্ণেন্দু পত্রী পিকাসোর গের্নিকা চিত্রকর্মের উপর আর্নহাইম আর ওপলারের লেখা দুটো বই পড়ে কোথাও কখনও সংক্ষিপ্ত একটা প্রবন্ধ ছেপেছিলেন (পূর্ণেন্দুর গুডরিডস একাউন্ট থাকলে ঐ বই দুটোর রিভিউতে পূর্ণেন্দু যতটুকু লিখতেন সেরকমই)। আর এখানে আমি পূর্ণেন্দুর নিজের কোন স্কলারলি কন্ট্রিবিউশন দেখি না। ঐ বইদুটোর বিভিন্ন অংশ অনুবাদ করে জোড়া দিয়ে আদতে এই ছোট্ট প্রবন্ধ বা রিভিউ খানা লেখা।
বেশ শখ করে অনলাইনে অর্ডার দিয়ে হাতে পাওয়ার পর থেকে আমার একটুও বইটা পড়তে ইচ্ছা করছিল না। একটু অল্প সময়ের জন্য কাজে বের হয়েছিলাম। অন্য একটা হার্ডকভার বই পড়ছি, ওটা নিয়ে তো আর বাইরে বের হওয়া যায় না। তাই আসা যাওয়ার সময়ের মধ্যেই হালকা কিছু একটা পড়তে হাতে নিয়ে বের হয়েছিলাম। পড়ার পরে বাইরের ভ্যাপানো গরমের মতই বিরক্ত লাগছে এখনও 😕
November 16, 2020
দুনিয়ায় এমন বহু ছবি আছে যা যুগে-যুগে মানুষকে প্রভাবিত করেছে। মোনালিসা থেকে দ্য লাস্ট সাপার, দ্য স্ক্রিম থেকে দ্য নাইটমেয়ার— এই ছবিগুলো ক্যানভাসের বাঁধন ছিঁড়ে আমাদের মন ও মননের অঙ্গ হয়ে উঠেছে নিজের অজান্তেই।
মানুষের অধিকার ও শিল্পীর স্বাধীনতায় আস্থা রাখেন এমন মানুষদের কাছেও পিকাসো'র গের্নিকা কিছুটা তেমনই। তাঁরা ওই ছবিটি দেখে মুগ্ধ হন, ছবির ইতিহাস ও অনুষঙ্গ থেকে প্রাণিত হন, পরবর্তী প্রজন্মের আকাশে দীপ জ্বেলে দেওয়ার মতো করে বোঝানোর চেষ্টা করেন ছবিটির তাৎপর্য।
গের্নিকা-র সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল সেভাবেই। পাঠচক্রে নানা কথার ফাঁকে সামনে দেখা দিয়েছিল সেই আইকনিক ছবির একটি প্রতিরূপ। তারও অনেক পরে অধুনালুপ্ত আকাদেমি পত্রিকায় পূর্ণেন্দু পত্রী'র লেখায় ছবিটির সম্পূর্ণ ইতিহাস জেনেছিলাম। তারপর পত্রিকার সেই কপিটা গেছিল 'শিশি-বোতল-কাগজ বিক্রি'-র চক্করে। আমার মন থেকেও আবছা হয়ে এসেছিল লেখাটা।
সপ্তর্ষি প্রকাশনের সৌজন্যে সেই লেখা ফিরে এল আমাদের কাছে— আর্টল্পেটে ছবির একগুচ্ছ স্কেচ-সহযোগে, সুশোভন পরিবেশনে।
বইয়ের হৃৎপিণ্ড যে লেখাটি, সেটি নাতিদীর্ঘ অথচ পূর্ণেন্দু'র যেকোনো লেখার মতোই সুস্বাদু ও মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি। লেখাটি না পড়লে ইতিহাস ও শিল্পবোধের এক অমূল্য অধ্যায় আপনার অধরা থেকে যাবে— এটুকুই বলি।
আর এই বিশেষ সংস্করণটিকে আরও বেশি মূল্যবান করে তুলেছে এর প্রচ্ছদ। এটি র্যাপ-অ্যারাউন্ড, অর্থাৎ বই থেকে প্রচ্ছদটিকে খুলে আপনি গের্নিকা পেইন্টিঙের একটি প্রতিরূপ এবং পূর্ণেন্দু পত্রী'র সই-সহ সেটিকে ফ্রেম করতে পারবেন! এমন অভিনব প্রচ্ছদ তথা নান্দনিক ভাবনা আমরা বইপাড়ায় খুব কমই দেখি। সপ্তর্ষি প্রকাশন বিশেষভাবে ধন্যবাদার্হ হলেন এই বইটির জন্য।
অবশ্যই পড়ুন ও কাছে রাখুন— বইটি নিয়ে এ-কথাই বলব।
মানুষের অধিকার ও শিল্পীর স্বাধীনতায় আস্থা রাখেন এমন মানুষদের কাছেও পিকাসো'র গের্নিকা কিছুটা তেমনই। তাঁরা ওই ছবিটি দেখে মুগ্ধ হন, ছবির ইতিহাস ও অনুষঙ্গ থেকে প্রাণিত হন, পরবর্তী প্রজন্মের আকাশে দীপ জ্বেলে দেওয়ার মতো করে বোঝানোর চেষ্টা করেন ছবিটির তাৎপর্য।
গের্নিকা-র সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল সেভাবেই। পাঠচক্রে নানা কথার ফাঁকে সামনে দেখা দিয়েছিল সেই আইকনিক ছবির একটি প্রতিরূপ। তারও অনেক পরে অধুনালুপ্ত আকাদেমি পত্রিকায় পূর্ণেন্দু পত্রী'র লেখায় ছবিটির সম্পূর্ণ ইতিহাস জেনেছিলাম। তারপর পত্রিকার সেই কপিটা গেছিল 'শিশি-বোতল-কাগজ বিক্রি'-র চক্করে। আমার মন থেকেও আবছা হয়ে এসেছিল লেখাটা।
সপ্তর্ষি প্রকাশনের সৌজন্যে সেই লেখা ফিরে এল আমাদের কাছে— আর্টল্পেটে ছবির একগুচ্ছ স্কেচ-সহযোগে, সুশোভন পরিবেশনে।
বইয়ের হৃৎপিণ্ড যে লেখাটি, সেটি নাতিদীর্ঘ অথচ পূর্ণেন্দু'র যেকোনো লেখার মতোই সুস্বাদু ও মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি। লেখাটি না পড়লে ইতিহাস ও শিল্পবোধের এক অমূল্য অধ্যায় আপনার অধরা থেকে যাবে— এটুকুই বলি।
আর এই বিশেষ সংস্করণটিকে আরও বেশি মূল্যবান করে তুলেছে এর প্রচ্ছদ। এটি র্যাপ-অ্যারাউন্ড, অর্থাৎ বই থেকে প্রচ্ছদটিকে খুলে আপনি গের্নিকা পেইন্টিঙের একটি প্রতিরূপ এবং পূর্ণেন্দু পত্রী'র সই-সহ সেটিকে ফ্রেম করতে পারবেন! এমন অভিনব প্রচ্ছদ তথা নান্দনিক ভাবনা আমরা বইপাড়ায় খুব কমই দেখি। সপ্তর্ষি প্রকাশন বিশেষভাবে ধন্যবাদার্হ হলেন এই বইটির জন্য।
অবশ্যই পড়ুন ও কাছে রাখুন— বইটি নিয়ে এ-কথাই বলব।
June 21, 2026
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্যারিসে পিকাসোর স্টুডিওতে একজন জার্মান নাৎসি কর্মকর্তা ‘গের্নিকা’র একটি পোস্টার দেখে পিকাসোকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "এটি কি আপনার কাজ?" পিকাসো শান্তভাবে উত্তর দিয়েছিলেন, "না, এটি আপনাদের কাজ।"
পিকাসোর গের্ণিকা মানব ইতিহাসের শক্তিশালী ও প্রভাবশালী চিত্রকর্ম যা যুদ্ধবিরোধী ও রাজনৈতিক প্রতীকও বটে।
১৯৩৭ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ জেনারেল ফ্রাঙ্কোর নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী জাতীয়তাবাদী দল ও গণতান্ত্রিক স্প্যানিশ রিপাবলিক সরকারের মধ্যে হয়। ফ্রাঙ্কোর সমর্থনে হিটলার ও মুসোলিনির বিমানবাহিনী স্পেনের শান্তিপূর্ণ শহর গের্ণিকা শহরে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। মুহূর্তেই প্রাণ হারায় শত শত নিরীহ মানুষ। এই খবর বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্যারিসে নির্বাসিত শিল্পী পিকাসো এ ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত হন।
স্প্যানিশ রিপাবলিকান সরকারের অনুরোধে প্যারিস প্রদর্শনীর জন্য তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞকে তুলে ধরতে একটি ম্যুরাল আঁকেন যা গের্ণিকা নামে পরিচিত।
১১ ফুট ৫ ইঞ্চি - ২৫ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা এই ম্যুরাল দর্শনার্থীকে যুদ্ধের বিশালতা ও ভয়াবহতার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। সাদা কালো এই ছবি আঁকতে তিনি প্রথমে অনেকগুলো খসড়া তৈরি করেন। রঙের অনুপস্থিতি যুদ্ধের বিষাদ, অন্ধকার মৃত্যুকেই প্রকাশ করে। কিউবিজম ও পরাবাস্তববাদী শৈলীর মিশ্রণে তৈরি এই শিল্পকর্ম বাস্তব যুদ্ধের জীবন্ত দলিল। ছবিতে আর্তনাদরত মা ও শিশু, ষাঁড়, আহত ঘোড়া, আলো হাতে নারী , মৃত সৈনিক - মানুষের যন্ত্রণাকে তুলে ধরে। পরবর্তীতে এই ছবি বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়। ফ্যাসিবাদের নিষ্ঠুরতা বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে উন্মোচিত করে শেষে গণতান্ত্রিক স্পেনে ফেরত যায় পিকাসোর গের্নিকা।
পিকাসোর গের্ণিকা মানব ইতিহাসের শক্তিশালী ও প্রভাবশালী চিত্রকর্ম যা যুদ্ধবিরোধী ও রাজনৈতিক প্রতীকও বটে।
১৯৩৭ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ জেনারেল ফ্রাঙ্কোর নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী জাতীয়তাবাদী দল ও গণতান্ত্রিক স্প্যানিশ রিপাবলিক সরকারের মধ্যে হয়। ফ্রাঙ্কোর সমর্থনে হিটলার ও মুসোলিনির বিমানবাহিনী স্পেনের শান্তিপূর্ণ শহর গের্ণিকা শহরে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। মুহূর্তেই প্রাণ হারায় শত শত নিরীহ মানুষ। এই খবর বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্যারিসে নির্বাসিত শিল্পী পিকাসো এ ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত হন।
স্প্যানিশ রিপাবলিকান সরকারের অনুরোধে প্যারিস প্রদর্শনীর জন্য তিনি এই ধ্বংসযজ্ঞকে তুলে ধরতে একটি ম্যুরাল আঁকেন যা গের্ণিকা নামে পরিচিত।
১১ ফুট ৫ ইঞ্চি - ২৫ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা এই ম্যুরাল দর্শনার্থীকে যুদ্ধের বিশালতা ও ভয়াবহতার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। সাদা কালো এই ছবি আঁকতে তিনি প্রথমে অনেকগুলো খসড়া তৈরি করেন। রঙের অনুপস্থিতি যুদ্ধের বিষাদ, অন্ধকার মৃত্যুকেই প্রকাশ করে। কিউবিজম ও পরাবাস্তববাদী শৈলীর মিশ্রণে তৈরি এই শিল্পকর্ম বাস্তব যুদ্ধের জীবন্ত দলিল। ছবিতে আর্তনাদরত মা ও শিশু, ষাঁড়, আহত ঘোড়া, আলো হাতে নারী , মৃত সৈনিক - মানুষের যন্ত্রণাকে তুলে ধরে। পরবর্তীতে এই ছবি বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়। ফ্যাসিবাদের নিষ্ঠুরতা বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে উন্মোচিত করে শেষে গণতান্ত্রিক স্পেনে ফেরত যায় পিকাসোর গের্নিকা।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




