সূচি: ১। দ্য মার্ডার অন দ্য লিঙ্কস ২। থ্রি অ্যাক্ট ট্র্যাজেডি ৩। দ্য হলো
—কাহিনি-সংক্ষেপ: দ্য মার্ডার অন দ্য লিঙ্কস/অনু.- মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ: সাহায্যের আবেদন শুনে ফ্রান্সে ছুট লাগালেন পােয়ারাে। কিন্তু তিনি পৌঁছতে পৌঁছতে দেরি হয়ে গেছে অনেক, খুন হয়ে গেছেন তার মক্কেল; তার লাশ পড়ে আছে গলফ কোর্সের অগভীর এক কবরে। কিন্তু মানুষটার পরনে কেন তার ছেলের ওভারকোট? সেই কোটের পকেটে থাকা চিঠিটা কার? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার আগেই, আরেকটা সমস্যা পড়লেন পােয়ারাে... ...হুবহু একই রকম আরেকটা লাশ আবিষ্কৃত হয়েছে যে!
থ্রি অ্যাক্ট ট্র্যাজেডি/অনু.- মারুফ হোসেন আনন্দঘন এক ডিনার পার্টিতে এসে মারা গেলেন একজন যাজক! তেরােজন অভ্যাগত এসেছেন বিশিষ্ট অভিনেতার বাড়িতে। বিশেষ এই সন্ধ্যা অশুভ হয়ে দেখা দিল শান্ত স্বভাবের যাজক, স্টিফেন ব্যাবিংটনের জীবনে। ককটেল পান করতে করতে মারা গেলেন তিনি...খিঁচুনি দিয়ে! কিন্তু মার্টিনির গ্লাসটা পরীক্ষায় পাঠিয়ে জানা গেল বিষের ছিটেফোঁটাও নেই ওতে... ...ঠিক যেমনটা আন্দাজ করেছিলেন পােয়ারাে। তারচেয়ে বড় ব্যাপার, খুনের পেছনে আপাতদৃষ্টিতে নেই কোনাে মােটিভ। তাহলে কার হাতে...এবং কেন খুন হতে হলাে যাজককে?
দ্য হলো/অনু.- মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ: লুসি অ্যাঙ্গকাটেলের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে লাঞ্চে এলেন এরকুল পােয়ারাে। বিখ্যাত গােয়েন্দাকে খোঁচাবার জন্য সুইমিং পুলের পাশে নকল হত্যাকাণ্ড ঘটালা তার অতিথিরা। কিন্তু আফসােস, একদম বাস্তবে পরিণত হলাে সেই নাটক। রক্ত মিশে যাচ্ছে পানিতে, এমন সময় শেষ শব্দটি উচ্চারণ করল জন ক্রিস্টো: হেনরিয়েটা। প্রেমের জালের এক জটিল জটলায় ফেঁসে গেলেন পােয়ারাে। মনে হচ্ছে, এই নাটকের সব কুশীলবই সন্দেহভাজন, এবং প্রত্যেকে শিকার প্রেমের যাতনার!
Dame Agatha Mary Clarissa Christie, Lady Mallowan, DBE (née Miller) was an English writer known for her 66 detective novels and 14 short story collections, particularly those revolving around fictional detectives Hercule Poirot and Miss Marple. She also wrote the world's longest-running play, the murder mystery The Mousetrap, which has been performed in the West End of London since 1952. A writer during the "Golden Age of Detective Fiction", Christie has been called the "Queen of Crime". She also wrote six novels under the pseudonym Mary Westmacott. In 1971, she was made a Dame (DBE) by Queen Elizabeth II for her contributions to literature. Guinness World Records lists Christie as the best-selling fiction writer of all time, her novels having sold more than two billion copies.
This best-selling author of all time wrote 66 crime novels and story collections, fourteen plays, and six novels under a pseudonym in romance. Her books sold more than a billion copies in the English language and a billion in translation. According to Index Translationum, people translated her works into 103 languages at least, the most for an individual author. Of the most enduring figures in crime literature, she created Hercule Poirot and Miss Jane Marple. She atuhored The Mousetrap, the longest-running play in the history of modern theater.
বই: আগাথা ক্রিস্টি সমগ্র ২ লেখক: আগাথা ক্রিস্টি অনুবাদক: মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ, মারুফ হোসেন জনরা: ডিটেকটিভ মিস্ট্রি থ্রিলার প্রচ্ছদ: মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ প্রকাশনী: বিবলিওফাইল প্রথম প্রকাশ: সেপ্টেম্বর, ২০২০ পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৮০ মুদ্রিত মূল্য: ৫৪০/-
ডিটেকটিভ বইয়ের ভক্ত কিন্তু আগাথা ক্রিস্টির নাম শুনেনি এমন পাঠক খুঁজে পাওয়া দুষ্করই বটে। ❝রহস্যের রাণী❞ বা ❝Queen of Crime❞ নামে খ্যাতিও অর্জন করেছেন ব্যাপক। পাঠকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য মিস্ট্রি, ডিটেকটিভ, ক্রাইম, থ্রিলার ফিকশন। বহুল আলোচিত দুটি চরিত্র ❝এরকুল পোয়ারো❞ ও ❝মিস মার্পল❞- এর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন দুই ক্ষুরধার মস্তিষ্কের গোয়েন্দা। সমগ্র ২- এ এরকুল পোয়ারো সিরিজের তিনটি উপন্যাস রয়েছে। বই নিয়ে কথা বলার আগে এরকুল পোয়ারোর পরিচয় দেওয়া যাক। নম্র-ভদ্র, ছোটখাটো আকারের বেলজিয়ান গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারো। অবসরপ্রাপ্ত হওয়ার পর এখন প্রাইভেট ডিটেকটিভ হিসেবে কাজ করছেন। মানবচরিত্র বিশ্লেষণ করে অদ্ভুতভাবে সমাধান করেন রহস্য। বিশ্বাস করেন পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর বিষয় হলো ❝সত্য❞। তাইতো সত্যের সন্ধানে একের পর এক রহস্যের গিট খুলে চলেছেন। তবে ক্ষুরধার মস্তিষ্কের গোয়েন্দার মস্তিষ্কের ধুসর কোষের প্রতি রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। তাইতো কিছু রহস্য পাঠকের আড়ালেই সমাধান করে থাকেন। অর্থাৎ, পাঠককে সুযোগ দেন নিজের মতো করে ভাবার। পাঠকদের বা বলা যায় সবাইকেই আলোছায়ার মধ্যে রাখতে পছন্দ করেন।
দ্য মার্ডার অন দ্য লিঙ্কস:
কেউ অনুরোধ করবে আর এরকুল পোয়ারো কেস হাতে নিয়ে নিবেন এতো সহজ? এক বান্ডিল চিঠির মধ্যে একটি চিঠি কেমন জানি অন্যরকম মনে হয়। মক্কলের জীবন বাঁচানোর অনুরোধ রক্ষা করতে ফ্রান্সে ছুটে যান কিন্তু ততখনে খুন হয়ে গেছেন পি. টি. রেনল্ড! প্রথমে সহজ মনে হলেও অবচেতন মন বলে ওঠে গভীরে রয়েছে আরও গোপন রহস্য। পোয়ারোর মনে হতে থাকে এমন খুন আগেও দেখেছেন! কিন্তু কোথায় ও কখন মনে করতে পারেন না। বন্ধুকে নিয়ে রহস্যের কিনারা করতে নেমে ধন্দে পড়ে যান! ষড়যন্ত্রকারী কি একজন নাকি একের অধিক? গোপন রহস্যই বা কী?
মার্চের ১৯২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এরকুল পোয়ারো সিরিজের দ্বিতীয় বই ❝দ্য মার্ডার অন দ্য লিঙ্কস❞। পড়ার সময় বারবার মনে হচ্ছিল চরিত্রগুলো একটু বেশিই বিনয়ী ও ফর্মাল ব্যাবহার করছে। কেমন জানি মেকি। তারপর মনে হলো সময়টা যেহেতু অনেক আগের, সম্ভবত তখনকার কালচার এমনিই ছিল। অতিপরিচিত একটা লাইন, ❝The patient had died before the doctor came.❞ এর মতো গোয়েন্দা আসার আগেই অপরাধ হয়ে গেছে বা মক্কেল মারা গেছে দিয়ে কাহিনী শুরু। সিরিজের প্রায় ৪/৫ টা বই পড়ার পর মনে হয়েছে আগাথা ক্রিস্টি বইয়ের চরিত্র নিয়ে রহস্যের গোলকধাঁধা রচনা করতে পছন্দ করেন। বেশ কিছু চরিত্র রয়েছে যাদের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ঘটনাগুলো দেখবে পাঠক। চরিত্রের সাইকোলজিক্যাল মারপ্যাঁচের জন্য মনে হবে একবার এটা খুনি তো আবার মনে হবে না অন্যজন। খুনের মোটিভ তো সবারই আছে কিন্তু খুনি কে? মূলত পোয়ারোর বন্ধুর মাধ্যমে কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে সুতরাং বুঝতেই পারছেন ধোঁয়াশা কাটতে আপনাকে শেষ পর্যন্ত যেতেই হবে।
প্লট এককথায় দারুণ কিন্তু কাহিনী যথেষ্ট স্লো। তাই পড়ার সময় মাঝেমধ্যে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছিলাম। চরিত্র, পরিস্থিতি নিয়ে এতো বেশি আলোচনা যে কেসের কাহিনী মাঝেমধ্যেই আড়ালে চলে যাচ্ছে বলে মনে হয়েছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে থ্রিলার বইয়ে আমার রোমান্টিক বিষয়বস্তু খুব একটা ভালো লাগে না। কিন্তু বইয়ে ভালোবাসার জন্যই আসলে অপরাধ হচ্ছে এবং চরিত্রগুলো রোমান্টিক জালে জড়িয়ে যাচ্ছে। শেষে যেয়ে টুইস্ট বাড়ানোর জন্য পোয়ারোর বন্ধুর ভালোবাসার যে নিদর্শন দেখানো হয়েছে সেটা কেমন জানি বেখাপ্পা মনে হয়েছে। দু'বার সাক্ষাৎ কিন্তু প্রেমে অন্ধ! সমাপ্তি মোটামুটি ভালোই লেগেছে। মাঝে এবং শেষের দিকে কিছু জায়গায় অনুবাদ কিছুটা খাপছাড়া ও জটিল লেগেছে, এছাড়া অনুবাদ সাবলীল বলা যায়।
রেটিং: ৩/৫
দ্য থ্রি অ্যাক্ট ট্রাজেডি:
❝এরকুল পোয়ারোর মতো মানুষকে অপরাধ খুঁজে বার করতে হয় না- বরং অপরাধই পায়ে হেঁটে চলে আসে তার কাছে।❞
অভিনেতা স্যার চার্লসের নিমন্ত্রণে এসেছেন অতিথিরা। পার্টি জমে উঠেছে কিন্তু হঠাৎ একজনের খিঁচুনি শুরু হয়। মিনিটের ব্যাবধানে মৃত! বৃদ্ধ পাদরি মি. ব্যাবিংটনের আকষ্মিক মৃত্যু স্বাভাবিক মনে হলেও স্যার চার্লসের মনে সন্দেহ জাগে। নিশ্চিত হতে অতিথিদের মধ্যে বিখ্যাত গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর মতামত চাওয়া হয়। গোয়েন্দার মতে সাধারণ মৃত্যু এতে কোনো রহস্য নেই। বিচক্ষণ গোয়েন্দার কথা শুনে অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়ে যান গৃহকর্তা ও অতিথিরা। কিন্তু কিছুদিন পরেই একইভাবে মৃত্যু হয় স্যার বার্থোলোমিউয়ের! যিনি ওইদিন স্যার চার্লসের দাওয়াতে ছিলেন এবং ভালো বন্ধুও। স্যার চার্লস বুঝে যান ঘাপলা তো আছে তাই মি. স্যাটার্থওয়েটকে নিয়ে রহস্যের কিনারা করতে নেমে পড়েন। সাথে যুক্ত হন এগ লিটন গোর। নিজের ভুল বুঝতে পেরে পোয়ারোও ফিরে আসেন সাহায্য করতে। চারজনের ছোট্ট দলটা কি খুনের রহস্য ভেদ করতে পারবে?
গোয়েন্দা বইয়ে গোয়েন্দার দাপট থাকবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমনই ভাবেন? তাহলে প্রথমেই বলে নিচ্ছি বইয়ে শুরুর ৫০% অংশে এরকুল পোয়ারোর তেমন উল্লেখযোগ্য দেখা পাঠক পাবেন না। স্যার চার্লস, এগ ও মি. স্যাটার্থওয়েট তদন্ত বেশ খানিকটা এগিয়ে নেওয়ার পর পর্দায় আবির্ভাব ঘটবে পোয়ারোর। বাকিদের কেমন লাগবে জানি না তবে আমার এটাই বরং বেশি ভালো লেগেছে। সাধারণ তিনজন মানুষ রহস্যের পিছে ছুটছে কিন্তু অসাধারণ কাজও দেখাচ্ছেন! মজা পেয়েছি অনেক। বলতে গেলে এই বইয়ে মি. স্যাটার্থওয়েট আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র। এগ চরিত্রটা কিছুটা বিরক্তিকর লেগেছে।
চরিত্র, পরিস্থিতি, দৃষ্টিকোণ, ঘটনার বর্ণনা দারুণভাবে করা হয়েছে। কিছুটা স্লো বলা যায় গতি কিন্তু বিরক্ত লাগে নাই কারণ রহস্যের গাঁথুনি জুতসই। ঘটনাস্থলে দৌড়াদৌড়ির বদলে পোয়ারোকে দেখা যাবে চিন্তা করে এগিয়ে যেতে। কিন্তু পাঠকদের এবার গোয়েন্দা সাহেব খুব একটা আঁধারে রাখেন নায়। অপরদিকে স্যার চার্লস, এগ ও মি. স্যাটার্থওয়েট ক্লু খুঁজতে ও সন্দেহভাজনদের জেরা করতে দেখা যাবে। খুনির পরিচয় চমকে দিয়েছে! তবে মোটিভের খোঁজার কিছু জায়গা আমার কাছে কিছুটা দুর্বল মনে হয়েছে। সমাপ্তি ভালো লেগেছে। সিরিজের বইগুলোর মধ্যে এই বইটাই আমার সবচেয়ে প্রিয় এখন পর্যন্ত। অনুবাদও সিরিজের বাকি বইগুলোর তুলনায় বেটার মনে হয়েছে যতগুলো পড়েছি তারমধ্যে।
রেটিং: ৪/৫
দ্য হলো:
❝দ্য হলো❞ অ্যাঙ্গকাটেল দম্পতির বিলাসবহুল ম্যানশন। সপ্তাহান্তের জন্য কিছু আত্নীয়দের দাওয়াত করেছেন। ছুটি কাটানো নিয়ে সবার মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া কাজ করছে। হঠাৎ রাতে হলোতে উপস্থিত হয় ভেরোনিকা। অনিমন্ত্রিত আত্মীয়কে দেখে সবাই দ্বিধায় পড়ে গেলেও চমকে ওঠে জন। প্রায় পনেরো বছর পর সাবেক প্রেমিকাকে দেখছে! পরেরদিন রহস্যজনকভাবে খুন হয় জন। সামনে রিভলভার হাতে তার স্ত্রী গ্রেডাকে দেখা যায়। তবে দাওয়াতে তখনও একজনের আসা বাকি ছিল। কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান জন তখন শেষ নিঃস্বাস নিচ্ছে। ❝হেনরিয়েটা❞ বলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে জন। কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির কেন জানি মনে হয় সবকিছুর মধ্যে কেমন যেন সাজানো একটা ভাব রয়েছে। যা কারো নজরে আসে না তা কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির নজর থেকে সহজে ��ুকিয়ে থাকতে পারে না কেননা তিনি যে এরকুল পোয়ারো! সোজাসাপ্টা স্বামী-স্ত্রীর হত্যা রহস্য মনে হলেও হঠাৎ সব কেমন জানি গুলিয়ে যায়!
আগাথা ক্রিস্টি যে বইয়ের চরিত্রগুলোকে জীবন্ত করে তুলতে চান এই বইটা পড়লে তা সহজেই বুঝা যাবে। খুনের তদন্ত থেকেও বেশি চরিত্রগুলোর সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড, ব্যক্তিগতজীবন, নিজস্ব কাহিনী, একে অপরের সাথে সম্পর্ক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। প্রায় সব চরিত্রই মানসিক টানাপোড়েনের শিকার। কে কী চায়, কী করবে, কোনটা ঠিক-বেঠিক নিয়ে প্রায় পুরোটা সময়ই দ্বিধাদ্বন্দে ছিল। মিয চরিত্রটা ভালো লেগেছে। বাকিদের তুলনায় শক্তিশালী চরিত্র মনে হয়েছে। কাহিনী তেমন ভালো লাগে নাই দুটো কারণে; ১) অনেক বেশি স্লো ঘটনাপ্রবাহ ও ২) থ্রিলার কম সাইকোলজিক্যাল দিক বেশি ফোকাস পেয়েছে।
খুনি কে হতে পারে ভাবনায় ফেলে দিলেও মোটিভ অংশ বেশি জমেছে তবে খুনির মুখ থেকে আরও বিশ্লেষণ আশা করেছিলাম। বইটা নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিলো এভারেজ। অনুবাদ মোটামুটি ভালোই তবে কিছু শব্দচয়ণ কঠিন লেগেছে।
রেটিং: ২/৫
বইয়ের বাঁধাই বেশ শক্ত। কারণ হতে পারে যেহেতু মোটা বই কিন্তু তাও বলবো পেইজ ওল্টানোর পর ধরে রাখতে মোটামুটি যুদ্ধ করা লাগছে। পেইজ কিছুটা পাতলা। ওপর পাশের লেখা অন্যপাশে অনেকটাই ফুটে উঠেছে। তবে পড়তে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। বেশ কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে। যেমন: ❝হলে❞ এর বদলে ❝হতে❞। প্রচ্ছদ সাদামাটা কিন্তু সেট হিসেবে দেখতে ভালো লাগে।
মার্ডার অন দ্যা লিংক্স - ৩ থ্রি এক্ট ট্রাজেডি - ২.৫ দ্যা হলো - ২.৫ I am done with Christie. আরো দুইটা বই আছে কেনা, ওই দুইটা পড়লে আর কিনব না। সেম টাইপ সব গুলো। প্লট তো সেম টাইপের আছেই, আর মেইন খুনিও সেম টাইপের হয় প্রতিটা বইতে। প্রথমে যার উপড় সব থেকে বেশি সন্দেহ থাকবে, বইয়ের মাঝে গিয়ে লেখিকা প্রমান করবে যে সেই লোক খুনি না.. আর শেষে আবার প্রমান করবে যে জী না ভাই ওই লোকই খুনি। অন্তত ৭/৮ টা বইয়ে এই টাইপের ব্যাপার স্যাপারই ছিল।
৪.৫/৫...আগাথা ক্রিস্টির বই তারওপর প্রিয় দুইজন অনুবাদকের অনুবাদ। জমে ক্ষীর একদম। তবে শেষের উপন্যাসটার কাহিনীতে বেশ কিছু জায়গা মনে হয়েছে অহেতুক। বইয়ের সাইজ বাড়ানোর জন্যই মনে হয়েছে লেখা হয়েছে কিছু অংশ। ওভার অল ভালো লেগেছে।