নিউ অরলিন্স এয়ারপোর্টে পৌঁছে রানা জানল, কাছেই ছোট্ট এক শহরে বাঁশি বাজাবেন দুনিয়া-সেরা বংশীবাদক পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়া। তখনই স্থির করে ফেলল ও, থেকে যাবে আর দুটো দিন, কিংবদন্তি মানুষটির বাঁশি শুনে তারপর ফিরবে দেশে। জানত না, সিদ্ধান্তটা ছিল কতবড় ভুল।
জড়িয়ে পড়ল ও ভয়ঙ্কর এক বিপদে! গেস্টহাউসে উঠে যে হাসিখুশি কৃষ্ণাঙ্গিনী মহিলাকে বড়বোনের মত লেগেছিল, তারই খুনের দায়ে ফেঁসে গিয়ে পালাচ্ছে এখন রানা। কিন্তু পালিয়ে যাবে কোথায়? শুরু হয়েছে লুইযিয়ানার সবচেয়ে বড় ম্যান-হাণ্ট! একদিকে রক্তলিপ্সু তিন নরপশু ও শত শত পুলিশ- অন্যদিকে রানা একা!
যারা চরম অন্যায় করল লিযের ওপর, তাদেরকে ছেড়ে দেবে রানা? শুরু হয়েছে ওর প্রাণান্ত সংগ্রাম! শপথ নিয়েছে: প্রাণ থাকতে ছাড়বে না ওই বর্ণবাদী খুনি জানোয়ারগুলোকে!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
রানা মানেই সম্পূর্ন আলাদা কিছু বই পড়ুয়াদের কাছে। যদিও মূল বই যেখান থেকে এডপ্টেড হয়েছে দূর্ভাগ্য ক্রমে সেটা নিয়ে এখানে কিছু বলতে চাই না। কারন থ্রিল বিন্দু পরিমান কমেনি স্টোরি জানার পরও।
এর আগে খুব অল্প পরিমান রানা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। অল্প পড়া আবার সৌভাগ্য হয় কিভাবে? আসলে আমার কাছে এটা অনেক এক্সাইটিং একটা ব্যাপার এখনো রানার বই গুলোর আনকোরা অনুভূতি পাব! সেবা ফ্যান দের জন্য এটা ব্লেসিং ছাড়া কি?
আর স্ট্রেঞ্জার নিয়ে কিছু বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যেতে পারে তাই ডিটেলস এ যাবনা। কিন্তু একটা থ্রিলার/একশান প্রেমির জন্য ফুল প্যাকড সারপ্রাইজ এটা! কি নেই এতে! মিস্ট্রি, ইতিহাস, দারুন ব্যাক স্টোরি, আর একশানের কথা বাদই দিলাম। এর সাথে রয়েছে টান টান নেইল বাইটিং রিভেঞ্জ & ম্যান হান্ট!
কয়েকদিন আগে পড়া হলো মাসুদ রানা সিরিজের সর্বশেষ বই 'স্ট্রেঞ্জার'। আমার কাছে বেশ ভালোই লেগেছে এবারের বইটি। রানার পালিয়ে বেড়ানোর পার্টটুকু বেশ ভালো লেগেছে। অল্প যে কয়েকটা অ্যাকশন দৃশ্য ছিল, বেশ উপভোগ্য ছিল। সব মিলিয়ে মাসুদ রানার ফ্যানদের ভালো লাগার কথা বইটা, অবশ্যই পড়তে পারেন।❤️ যারা মাসুদ রানার ফ্যান না আপনারাও পড়তে পারেন।❤️😁
'নিউ অরলিন্স এয়ারপোর্টে পৌঁছে রানা জানল, কাছেই ছোট্ট এক শহরে বাঁশি বাজাবেন দুনিয়া-সেরা বংশীবাদক পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাশিয়া। তখনই স্থির করে ফেলল ও,থেকে যাবে আর দুটো দিন, কিংবদন্তি মানুষটির বাঁশি শুনে তারপর ফিরবে দেশে। . জানত না, সিদ্ধান্তটা ছিল কতবড় ভুল। . জড়িয়ে পড়ল ও ভয়ঙ্কর এক বিপদে! গেস্টহাউসে উঠে যে হাসিখুশি কৃষ্ণাঙ্গিনী মহিলাকে বড়বোনের মত লেগেছিল, তারই খুনের দায়ে ফেঁসে গিয়ে পালাচ্ছে এখন রানা। কিন্তু পালিয়ে যাবে কোথায়? শুরু হয়েছে লুইযিয়ানার সবচেয়ে বড় ম্যান-হাণ্ট! একদিকে রক্তলিপ্সু কিছু লোক ও শত শত পুলিশ, অন্যদিকে রানা একা! . যারা চরম অন্যায় করল লিযের ওপর, তাদেরকে ছেড়ে দেবে রানা? শুরু হয়েছে ওর প্রাণান্ত সংগ্রাম! শপথ নিয়েছে: প্রাণ থাকতে ছাড়বে না ওই বর্ণবাদী খুনি জানোয়ারগুলোকে!'