Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
বেশ শক্ত বাতাস দিচ্ছে। ঠাণ্ডা কনকনে হাওয়া। হয়ত বৃষ্টি হচ্ছে কোথাও। খবির হোসেন তাকিয়ে আছেন অন্তুর দিকে। অন্তু ছোট ছোট পা ফেলে এগুচ্ছে। যেন কেউ তাকে থামাতে পারবে না।

ভূমিকা
‘অপরাহ্ন’ ঈদ সংখ্যা বিচিত্রায়(১৯৮৭) প্রথমা প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় গল্পে কিছু আদল-বদল করছি। দুটি নতুন অধ্যায় যোগ করেছি। কারণ মূল গল্প আমার কাছে অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছিল। অবশ্যি এখন যে খুব সম্পূর্ণ মনে হচ্ছে তা না। সম্পূর্ণতার তৃপ্তি এখনো পাচ্ছি না। কিছু কিছু লেখায় আমার এ রকম হয়। অতৃপ্তি ব্যাপারটি কাঁটার মতো বিঁধে থাকে। মনে হয় এ লেখাটা না লিখলেও তো পারতাম। তবু বিচিত্র কারণে প্রচুর প্রশংসা এই লেখাটির জন্যে ছুটে গেছে। ‍প্রচুর মমতা ও প্রচুর ভালবাসায় যে সব লেখা লিখেছি বেশির ভাগ সময়ই দেখেছি কেই সে সব নিয়ে কথা বলেন না। আবার নিতান্ত হেলাফেলার লেখাগুলির কথা আগ্রহ নিয়ে বলেন। কে জানে রহস্যটা কি!

71 pages, Kindle Edition

First published February 1, 2008

7 people are currently reading
247 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,948 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
96 (14%)
4 stars
237 (35%)
3 stars
257 (38%)
2 stars
60 (8%)
1 star
18 (2%)
Displaying 1 - 30 of 37 reviews
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
263 reviews76 followers
August 30, 2022
( প্রায় পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত স্মৃতির রোমন্থন বলা যায়, You may ignore )

বইটা ভাটি অঞ্চল, সেখানকার মানুষের কুসংস্কার, মানুষের জীবনের সরলতা এবং অসহায়তা নিয়ে লিখা।

আমার নানা বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভাটি অঞ্চলে। আমার জীবনের সবচেয়ে স্বর্ণালী সময়টা হয়তো আমার শৈশব আর কৈশরের নানা বাড়ির স্মৃতি। নানা বাড়িতে তখন ইলেক্ট্রিসিটি ছিলো না, রাত হলেই আকাশ বোঝাই হয়ে যেতো নক্ষত্র দিয়ে, উঠানে বসে নানুর কোলে মাথা রেখে মুড়ি খেতাম আর আকাশের দিকে তাকিয়ে খালাম্মা, নানু, মামাদের কথা শুনতাম, কতো সময় সেখানেই ঘুমিয়ে গিয়েছি সেখানে, পরের দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি বিছানায়।
ভাটি অঞ্চল যারা দেখেন নি, তাদেরকে এর সৌন্দর্য বলে বোঝানো সম্ভব না। বর্ষাকালে একেকটা গ্রাম একেকটা দ্বীপের মতো হয়ে যায়, গ্রামের চারদিকে পানি, অথৈ পানি, পানির সাথে ভেসে আসে ভেজা বাতাস, খালি গায়ে দাঁড়িয়ে থাকলে মনে হয় শরীর ভিজে যাচ্ছে, সেই পানির বাতাসে থাকে নানা রকম গন্ধ, সেই গন্ধ আমি এখনো খুজি, পাই না, হয়ত পাবো না কখনো আর।

ভাটি অঞ্চলে প্রায় প্রতিটা বাড়িতে একটা করে নৌকা থাকে, যেসব নৌকা নিয়ে গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই ভোরে বের হয়ে যান, মাছ ধরে নিয়ে আসেন, সেই মাছ কুটে রান্না করে হয় সকালের নাস্তা, তারপর খেতে খেতে হয় প্রায় দুপুর, আমার বড় মামার সাথে আমার ইচা (ছোট চিংড়ি) মাছ মারার স্মৃতি এখনো মনে আছে, আমার বড়ো মামা ভালো ইচা মাছ মারতে পারতো, সে মাছ মারতো ৫ মিনিট, কিন্তু নৌকা নিয়ে ঘুরতো ৩০ মিনিট, পানির দিকে তাকিয়ে থেকে কী যেনো খুজতেন, যখনই খুঁজে পেতেন, তখনই নৌকা থেকে গলা সমান পানিতে নেমে ঠেলা জাল দিয়ে ২ মিনিটের মাঝে অনেক মাছ ধরে ফেলতেন, দুই ঘন্টায় অনেক মাছ ধরে অর্ধেক বিক্রি করে বাকি অর্ধেক মামা নিয়ে আসতো বাসায়, সেই মাছ এক ঘন্টার ব্যবধানে চলে যেতো আমার পেটে, মামির হাতের রান্না করা সে মাছের স্বাদ আমার মুখে এখনো লেগে আছে, হয়তো আজীবন লেগে থাকবে। তারপর গ্রামের মানুষ যায় বাজারে/গঞ্জে। নৌকা দিয়ে, আহা! সেই নৌকা ভ্রমনের মতো সুন্দর কিছু আমার জীবনে খুব বেশি আসেনি। কিছুক্ষন পর পর শাপলা ফুল, কচুরিপনার মাঝ দিয়ে নৌকা চলে যাচ্ছে, মাঝে মাঝে দাঁড়িয়ে যেতাম, বাতাসে ভরে যেতো পুরো বুক, মাথার উপরের ঝলসানো রোদকে মলিন করে দিতো সে বাতাস, তখন নৌকার অন্য সবাই বলে উঠতো, বাবু বস বস পরে যাবা, আমি শুনেও না শোনার ভান করতাম। মাঝে মাঝে জেলেরা তাদের নৌকায় ভাড়ায় যাত্রী নিতো, এগুলোতে টাকা কম লাগতো কারণ এগুলোতে ইঞ্জিন ছিলো না, সময় বেশি লাগতো, মাঝে মাঝে মামা বাজার করে এইসব নৌকায় উঠতেন, এই নৌকা দিয়ে বাসায় ফেরাটা ছিলো আরো মধুর, ছোট নৌকা, দুলে দুলে যায়, হাত বাড়ালেই পানি ছোঁয়া যায়, পানিতে আঙ্গুল ডুবিয়ে নানা রকম খেলা করা যায়, চাইলে দুই একটা শাপলাও তুলে ফেলা যায়, সবচেয়ে বড়ো শান্তি-ইঞ্জিনের জন্ত্রনাদায়ক শব্দটা থাকে না, হাওরের মাঝখানে ভেজা বাতাসের ঝাপটায় দাঁড় বাওয়া বা পালতোলা নৌকায় বসে বসে শুধু দাঁড় বাওয়ার শব্দ আর পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দের যে ছন্দ বাজতে থাকে, সেই শব্দের মাঝে মোহগ্রস্থ হয়ে থাকার অনুভূতি খুব কম শহুরে মানুষ পেয়েছে বা পাবে। বাজার থেকে সবজি কিনে নিয়ে ফিরে আসতাম দুপুরের শেষে, রান্না করে খেতে খেতে প্রায় বিকেল, সন্ধার পর নামতো গাঢ় অন্ধকার, সাথে ঝিঝি পোকা, পানি আর বাতাসের শব্দের সাথে আকাশ ভরা নক্ষত্র নেমে আসতো পৃথিবীর বুকে। সন্ধ্যা নামার একটু পরেই পুরো গ্রাম ডুবে যেতো ঘুমে।

এই ছিলো আমার দেখা ভাটি অঞ্চল। হুমায়ূন আহমেদ ভাটি অঞ্চলের আরেকটি দিক দেখিয়েছেন, সেখানকার মানুষের কুসংস্কার, বিশ্বাস, সরলতা ফুটিয়ে তুলেছেন তার এই গল্পে। ভাটি অঞ্চলের মানুষরা আসলেই অনেক দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে। আমার নানা বাড়ির সেই গ্রামে এখনো ৫ টি ছেলে/মেয়ে পাওয়া যাবে না, যারা স্নাতক পাশ।

এই গল্পে মনিরুজ্জামান কে সাপে কাটে এবং একদিনের ব্যবধানে লেখক মনিরুজ্জামানের ব্যক্তিগত জীবনের অনেক অনুভূতি, ভালোবাসা ফুটিয়ে তুলেছেন। অতি সাধারণ গ্রাম্য একজন মানুষের জীবনের চাওয়া-পাওয়া, আকাঙ্খা, প্রাপ্তি এবং জীবন মৃত্যুর সংযোগকে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন তার গল্পে।
Profile Image for Aishu Rehman.
1,122 reviews1,106 followers
April 29, 2019
বাহ! বেশ লাগলো তো বইটা। প্রায় প্রতিটা বইয়ের শেষে এসে সচরাচর হুমায়ূন আহমেদ যা করেন, একটা মায়া লাগিয়ে দেন। এই বইটাও সেরকম। 😍😍
Profile Image for Rifat.
502 reviews331 followers
July 29, 2021
ভাটি অঞ্চলের কাহিনী। গ্রামের নাম বানিয়াবাড়ি। বছর বছর ফসল বেশ হয় কিন্তু এবার আবহাওয়া যেন কেমন কেমন! ধান ঘরে তোলার আগেই ফসল ভেসে যাওয়ার আশংকা। এমন সময়ে ভোর বেলায় সাপে কাটলো গ্রামের শক্তপোক্ত মনিরউদ্দিনকে, তার কম বয়সী স্ত্রী শরিফা দৌড়ে গেল মনিরের বন্ধু জলিলকে খবর দিতে। জলিল খবর দিয়ে নিয়ে এল সত্তর বছরের বুড়ো নিবারণ ওঝাকে। মসজিদের ইমাম খবির হোসেন অবশ্য এসব দেখে আশা পেলেন না কোনো। ওঝা মনিরের বিষ নামাবে কি নিজেই চলতে পারে না :/

ওদিকে মনিরউদ্দিনের অবস্থা আশংকাজনক; সে বারবার তার মামি চাঁনসোনার কথা শরিফাকে বলতে লাগলো। মনিরের বয়স সাত বছর মাত্র, সে বার গ্রামে খুব অভাব দেখা দিল। মনির খুব ভয়ে ভয়ে থাকতো যে মামি তাকে তাড়িয়ে দেয় কিনা! কিন্তু না মামি ছিলেন মমতাময়ী। এই অভাবের দিনে মামা মারা গেল, গ্রামের লোকেরা বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে চাঁনসোনাকে গ্রাম ছাড়া করলো। তারপর আর তার দেখা পায় নি মনির। এখন মৃত্যুর কথা ভেবে মমতাময়ী মামিকে মনে পড়ছে তার। ওদিকে মাঠে ফসল কাটতে ব্যস্ত হয়ে যায় গ্রামের অন্যান্য মানুষরা, সারাদিন মনিরের পাশে থাকার সময় এখন নেই! বৃষ্টি এলো বলে, তার আগেই ধানগুলো যদি ঘরে তোলা যায়!


ইমাম সাহেব মসজিদে নামাজের জন্য তৈরি হচ্ছেন এসময় হঠাৎ কান্নার আওয়াজ শোনা যায়। দেখা গেল মনিরউদ্দিনের ১১ বছর বয়সী শালা অন্তু মিয়া কাঁদছে। খবর পেয়ে সে এত দূরে চলে এসেছে। অন্তু মিয়াদের বাড়িতে বড্ড অভাব, তাই সে ভাতের লোভে বারবার বোনের বাড়ী চলে আসতো। মনিরউদ্দিন কিছু বলতো না, তারও মায়া লাগতো অন্তু মিয়ার জন্য। সে অন্তু মিয়াকে ঈদে পাঞ্জাবি কিনে দিতে চেয়েছিল কিন্তু সে আর হয়ে ওঠে নি। কি জানি আর হবে কিনা! তাই সে শরিফাকে বলে-
সিন্দুকের মইধ্যে দুই শ টাকা আছে। তুই জানস?
জানি।
যদি আমার কিছু হয়, ঐ টেকাডি দিয়া পইলা একটা কাম করিস।
শরিফা ঠাণ্ডা গলায় বলল, কি কাম?
অন্তু মিয়ারে একটা পাঞ্জাবি, পায়জামা আর টুপি কিইন্যা দিবি।

এই সময়ের মধ্যে দেখা যায় দোস্ত জলিল গরুর গাড়ির ব্যবস্থা করেছে যাতে মনিরউদ্দিনকে ডাক্তারের কাছে নেয়া যায়। গরুর গাড়িতে তার সাথে যাচ্ছে ইমাম সাহেব আর জলিল, পেছন পেছন চোখ মুছতে মুছতে দৌড়ে আসছে অন্তু।


একটা দারুণ উপন্যাস হতে পারতো কিন্তু কি আর করার লেখকের ইচ্ছা তাই এখানেই শেষ। এইভাবে হুটহাট লিখে, হুটহাট শেষ করে লেখক সম্ভবত পাঠকের ধৈর্যের পরীক্ষা নিতেন! খেলা খেলতেন আরকি🐸

~২৯ জুলাই, ২০২১
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Harun Ahmed.
1,683 reviews454 followers
July 1, 2021
৩.৫/৫
আহামরি ভালো কাহিনি নয় কিন্তু বইটা শেষ করার পর অদ্ভুত বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হয়েছি।মনে হচ্ছে,অন্তু আর ওর বোনের মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দিয়ে বলি,"সব ঠিক হয়ে যাবে!দেখে নিও।"
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews17 followers
June 4, 2023
কিছু বই আছে পড়া শেষ হলে কোনোকিছুই ভালো লাগেনা। মন বিষন্নতায় পূর্ণ হয়ে থাকে। বইয়ের কাহিনীর ঘোর, আচ্ছনতা থেকে বের হওয়া যায়না। ক্ষণে ক্ষণে রাগও হয়, কেন শেষ হয়ে গেলো? সবটা কেন জানলাম না?
তবে, দিনশেষে আমরা কি সবটা জানতে পারি? জীবনের সবটা হয়তো কখনোই জানা যায়না, যাবেনা। জীবন রহস্য হিসেবেই সবার কাছে ধরা দেয়।
এই বইটাও রহস্য হয়ে রয়ে গেলো। সবটা গল্পই আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো পুরোটা সময় জুড়ে।

হুমায়ূন আহমেদের বই প্রায় সব পড়া শেষের দিকে। আফসোস থেকে যাচ্ছে, আর কখনোই এই শরিফা আর অন্তুদের খুঁজে পাব না নতুন কোনো বইয়ে। এই আফসোস কতদিন বয়ে বেড়াতে হয় কে জানে।
Profile Image for Nadia Jasmine.
212 reviews18 followers
November 6, 2021
রিভিউ না...

কিছু কিছু লেখায় ফিরে গেলে বুঝতে পারি যে কেন তাঁর লেখনী এতো মুগ্ধ করতো। নাহ, হুমায়ূন একজনই ছিলেন। নিজের মতো কে কি বলছে না বলছে তা তোয়াক্কা না করে লিখে গেছেন দেখেই, এখনো তাঁর কিছু বই পড়লে মন খুব খারাপ হয়ে যায়। তাঁকে অনুকরণ করা গেলেও স্পর্শ করা সম্ভব না। পৃথিবীর তাবৎ সৃষ্টিশীল মানুষের মতোই তাঁর সৃষ্টি শুধু তাঁর সাক্ষরই বহন করে। তাঁর যেকোন লেখা পড়লেই মনে হয়, আরো কিছুদিন থাকতেন, আরো লিখতেন, কারন, খুব বেঁচে থাকতে চাইতেন। যার লেখা পড়ে বড় হয়েছি, তাঁর লেখায় ফিরে এলাম অনেক দিন পর। না এলেই ভালো হতো, এখন সারাটা দিন 'অপরাহ্ন' তাড়া করবে।
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
356 reviews45 followers
October 25, 2024
ওইযে কিছু বই হয় না, যেগুলা পড়া শেষে মুগ্ধতা থেকে যায় দীর্ঘ সময়! এই বইটা অনেকটা তেমন।
আমার আসলে প্রেম পিরিতি পড়তে ভাল লাগে না, আর হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের অন্যতম বিশেষত্ব এই তেলে ভাজা প্রেম। হুমায়ূন আহমেদ আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক ( এখন অব্দি শুধু ওনার টাই বেশি পড়া হয়েছে ) বিধায় আর আমি একটা মিশনে আছি (২০২৪ এর মধ্যে ওনার সব বই শেষ করব - মিশন ইম্পসিবল ) তাই সবই পড়া লাগতেছে। কিন্তু... ওনার লেখা এই সামাজিক উপন্যাস গুলা, উফফ! সল্ট বে এর মতন মুখ করে বলতে মন চাচ্ছে, perffffffectttt!
সমাজের একদম হত দরিদ্র শ্রেণিদের গল্প, আহা! পড়তে গেলে এগুলা যেন কল্পনার চোখে দেখতে পাই। গ্রামের মানুষের জীবন যাএা, তাদের সরলতা কুটিলতা সবকিছুই দারুণ ভাবে লিখেছেন লেখক।
বইটার কাহিনি খুব সহজ এবং সাধারণ, এখানে অতিরঞ্জিত কিছুই নাই। সহজ একটা গল্প যা পড়ার সময় মনটা শীতল হয়ে থাকে ( যদিও পরীক্ষার প্রেসার ঘাড়ে নিয়ে পড়ছি, শীতলতা-ফতা কিছুই ছিল না )।
Profile Image for Ësrât .
517 reviews86 followers
November 8, 2021
উজান ভাটির মাটির টানে হুমায়ূনী স্বাদে সুবাসে সময় কাটানোর সুবিধাই মনে করিয়ে দেয় ;

"নানান দেশের নানান ভাষা
বিনা স্বদেশে কি মিটে কি আশা"

রেটিং:⭐🌟🌠
৮/১১/২১
Profile Image for Abid.
137 reviews23 followers
October 5, 2025
3.5
স্রেফ এক দিনের গল্প। এক ভোরে মনিরউদ্দীন সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়। তার স্ত্রী ছুটে যায় স্বামীর বন্ধুর কাছে, সাহায্যের জন্য। সেই বন্ধু যায় ওঝাকে নিয়ে আসতে- আর এসবের মাঝেই হুমায়ূন ফুটিয়ে তোলেন আশির দশকের এক ভাটি গাঁওয়ের ছবি। হুমায়ূন আহমেদের প্রথম দিককার লেখাগুলোর সেই ক্লাসিক ভাইবটা এখানেও উপস্থিত। সমস্যা হলো এখানে গল্পের উপাদানের অভাব ছিলো। তবু একটা বইয়ে রূপান্তরের চেষ্টায় কিছুটা টানাটানি করে বড় করা হয়েছে বইয়ের দৈর্ঘ্য। এছাড়া অল পারফেক্ট। এক বসায় যথেষ্ট উপভোগ করে পড়েছি বইটা।
Profile Image for পটের দুধের কমরেড.
212 reviews25 followers
June 2, 2019
নষ্ট করার মত সময় থাকলেও এই বই পড়ে নষ্ট না করলেও হবে! ভাল্লাগেনাই একদম৷ সাধারণত হুমায়ূন আহমেদের ছোট উপন্যাসগুলা এক বসাতেই শেষ করে দেই৷ কিন্তু এই বইটা ৫/৭ বার ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আবার তুলে পড়া হইসে৷ :/
Profile Image for Nujhat Tabassum Tonny .
30 reviews39 followers
January 16, 2025
খুবই সাদামাটা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারের গল্প।গল্পের কাহিনি শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেল।আর একটু দীর্ঘ হলেও পারত অন্তত গল্পটার পূর্নতা পেত।।
This entire review has been hidden because of spoilers.
92 reviews6 followers
May 25, 2025
মন খারাপ করা একটা বই। কাহিনিটা এখানে শেষ না হলেও পারত!!!!
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
373 reviews79 followers
January 4, 2021
মনিরউদ্দিন রাত্রে বেলা সুন্দর স্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে জেগে উঠেই খেয়ে ফেলে সাপের কামড়। পায়ে শক্ত করে গিট্টু লাগায় বসে যায় উঠানে। এরই মধ্যে তার বউ শরীফা খবর পেয়ে ছুটে খবর দেয় গ্রামে। এই নিয়েই এগিয়ে যায় গল্প।
হুমায়ুন আহমেদ কোন মেসেজ দিয়ে বই লিখেন না। উনি বই লেখার একটা সহজাত প্রবৃত্তি নিয়েই জন্মেছেন, এবং লেখেন নিজের গতিতেই। এ বইটাও অমন টাইপেরই। ভাটি অঞ্চলের সুখ আর দুঃখকেও একদাগে টেনে এনেছেন লেখক। ভালই লাগে পড়তে। কিন্তু কেন জানি মনে হয় এটা একটা অসাধারণ উপন্যাস হয়ে উঠতে পারত। আর সেটা হয় নাই লেখকের আলস্যদোষে।
Profile Image for Sagor Reza.
157 reviews
September 22, 2025
ভাটি অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে লেখা একটা গল্প। পড়তে বেশ লাগছিল। হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল। পড়ার সময় বারবার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'এ লালসালুর কথা মনে হচ্ছিল, যদিও গল্পের প্রেক্ষাপট আলাদা। একটা মাস্টারপিস হতে পারত, লেখকের অবহেলায় সে সম্ভাবনার অপমৃত্যু হয়েছে। হুমায়ুন আহমেদ এই বই সম্পর্কে বলেছিলেন কিছু কিছু লেখায় অতৃপ্তির ব্যাপারটা কাঁটার মতো বিধে থাকে, এটা সেরকমই একটা বই।
Profile Image for Jenia Juthi .
258 reviews68 followers
August 8, 2021
প্রচুর অস্থিরতা বিপদের সময়ের সময় নিজেকে যেভাবে স্বান্তনা দিই, 'সব ঠিক হয়ে যাবে, শুধু একটু ধৈর্য লাগবে!' এভাবে শরীফাকে স্বান্তনা দিতে ইচ্ছে করছিলো। শেষটা অসমাপ্ত রেখে ভালোই করেছে...
Profile Image for Ishtiyak Fahmi.
142 reviews24 followers
March 15, 2025
হুমায়ূন আহমেদের বই মানেই এক ধরনের মায়ার বাঁধন, যা পাঠকের মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়। গল্পের শুরুটা হয় খুব সাধারণভাবে, কিন্তু যত এগোতে থাকে, ততই চরিত্রগুলো আমাদের কাছে বাস্তব হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শরীফা আর অন্তুর চরিত্রগুলো এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যে, বই শেষ হওয়ার পরেও তারা মনের মধ্যে রয়ে যায়।

গল্পটি ভাটি অঞ্চলের বাস্তবতা, মানুষের সুখ-দুঃখ, ছোট ছোট আনন্দ-বেদনার নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। লেখকের ভাষা যেমন সাবলীল, তেমনই জীবনের টুকরো টুকরো অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে পারদর্শী। পড়তে পড়তে কখনো মনে হয়, এ গল্পটা যেন খুব চেনা, আবার কখনো মনে হয়, জীবন আসলে এর চেয়েও বেশি রহস্যময়।

তবে বইটির শেষ অংশ যেন কিছুটা অসম্পূর্ণ রয়ে যায়। মনে হয়, লেখক চাইলে এটিকে আরও গভীর করতে পারতেন। কিন্তু হয়তো সেটাই হুমায়ূনের বিশেষত্ব—তিনি পাঠককে ভাবতে বাধ্য করেন, গল্পের চরিত্রগুলো নিয়ে নিজস্ব ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে সুযোগ দেন।

সব মিলিয়ে, যারা হুমায়ূন আহমেদের সহজ অথচ আবেগে ভরা লেখা ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি অবশ্যই পড়ার মতো একটি বই। শেষ পর্যন্ত এক ধরনের বিষণ্নতা তৈরি হয়, কারণ বই শেষ হলেও চরিত্রগুলো মনের মধ্যে রয়ে যায়, আর নতুন করে তাদের গল্প জানার আর কোনো সুযোগ থাকে না।

(24 june,2024 )
Profile Image for Mrinmoy Akash.
78 reviews
November 3, 2025
ভালো লাগতাছিলো, কিন্তু বড় তাড়াতাড়ি শেষ হইয়া গেলো।
Profile Image for Kazi Md. Al-Wakil.
297 reviews6 followers
March 5, 2021
মনিরুদ্দিনকে সাপ কামড় দিয়েছে। তার বউ শরীফা ভোররাতে দৌড়াতে দৌড়াতে যাচ্ছে মনির এর বন্ধু জলিল এর বাসায়। জলিল খবর পেয়েই নিবারণ ওঝাকে নিয়ে আসতে গিয়েছে। মসজিদের ইমাম খবির হোসেন দেখেছে শরীফা দৌড়াতে দৌড়াতে যাচ্ছে। তাই তিনি মনে কষ্ট পেয়েছেন। তার কাছে বিপদের সময় কেনো এলো না শরীফা? এদিকে আকাশে মেঘ দেখা যাচ্ছে। ভাটি অঞ্চলের মানুষ এরা। ধান জলদি ঘরে তুলা না গেলে সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। জলিল বুঝতে পারছে না তার কি করা উচিৎ। ক্ষেতে অনেক কাজ রয়ে গেছে। মনিরুদ্দিন সাপের বিষ নিয়ে নানান কথা ভাবছে। তার মামীর কথা ভাবছে। ছোট বেলায় অভাবে পড়েও তাকে দেখে শুনে রেখেছিলো তার মামী। ভাবছে শরীফার ভাই অন্তুর কথা। তাকে ঈদে একটা পাঞ্জাবী দেয়ার কথা ছিলো। বেচারা প্রতি সপ্তাহে ১০ মেইল হেঁটে বোনের কাছ থেকে খবর নেয়, পাঞ্জাবী কিনেছে কিনা। মনিরুদ্দিন এর ব্যাথা যখন বেড়ে যায় তখন সে শরীফাকে বলে সিন্দুক থেকে টাকা নিয়ে অন্তুকে যেনো একটা পাঞ্জাবী কিনে দেয়। মৃত্যু মুখে সবাই প্রিয় মানুষের ইচ্ছা পূরণ করতে চায়।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Imtiaz Muhammad.
93 reviews
February 29, 2024
বইটা পড়ে মায়া লেগেছে। ভাটি অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের সরলতা, অসহায়ত্ব, মায়া মমতার গল্প। সামান্য কুটিল ও নিষ্ঠুরতার কথাও আছে। তবে এই বইটির সবগুলো চরিত্রের সারল্য বাকি সব কিছুইকে ছাড়িয়ে গেছে। মনিরউদ্দীন, শরিফা, খবির হোসেন, জলিল, নিবারণ ওঝা, অন্তু, মতির মা সব গুলো চরিত্রই অতি সরল। বজলু সরকার ও তার স্ত্রীর সামান্য অংশটুকুও সরলতার পরিচয় দেয়। সামান্য কামলা মনিরউদ্দীনকে নিজের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করে বরং সাহায্যও করে। মনিরউদ্দীনের মামির চরিত্রটি সবচেয়ে আকর্ষক৷ কিছুটা ধোয়াশা৷
সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে ভাটি অঞ্চলের মানুষের ভাষা। মায়ায় জড়ানো সংলাপে সুন্দরভাবে তুলে এনেছেন হুমায়ূন আহমেদ। মৌলানা খবির উদ্দীনের চরিত্রটি আরো বেশি সুন্দর৷ পুরো বইতে খবির উদ্দীনের অনুভূতির তুলনা হয় না। গ্রামের মানুষকে নিয়ে তার ভাবনাগুলো অতি সুন্দর৷ কিন্তু কেউ তাকে খুব একটা পাত্তা দেয় না৷ তবে খবির উদ্দীনের অনুভূতিগুলো ছিলো হৃদয়গ্রাহী।
Profile Image for Juthi.
36 reviews
May 3, 2025
হুমায়ূন আহমেদের লেখা ‘অপরাহ্ণ’ উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ভাটি অঞ্চলে বড় হয়ে ওঠা একজন স্বপ্নবাজ যুবক মনিরউদ্দিন কে নিয়ে।

ছোটবেলায় বাবা-মা হারানো মনির মানুষ হতে থাকে বানীয়াবাড়ী গ্রামে মামা-মামীর সাথে। দুর্ভিক্ষে অসুস্থ হয়ে মামা মারা যাওয়ার পর, মামী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করলে তাকে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এরপর থেকে মনির বড় হতে থাকে বজলু সরকার নামক গ্রামের এক মাতুব্বরের বাড়িতে কাজ করে। কিন্তু মনির স্বপ্ন দেখতে থাকে একদিন সে প্রতিষ্ঠিত হবে। নিজের জমিতে বাড়ি থাকবে, নিজের জমি থাকবে, গ্রাম থেকে শহরে নিজের নৌকায় করে ফসল নিয়ে যাবে ইত্যাদি।

বজলু সরকারের দেওয়া জমিতে সে বাড়ি বানায় এবং শরিফা নামের একজনকে বিয়ে করে নিজের স্বপ্ন অনুযায়ী সংসার সাজায়।
একদিন ভোরে মনিরকে সাপে কাঁটে। ওঝা নিয়ে আসা হয়। ওঝা আগেই বলে দেয় এই রোগী বাঁচানো প্রায় অসম্ভব। তার পরও ওঝা নিজের কাজ করতে থাকে। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত যখন মনির সুস্থ থাকে। তথন তাকে চিকিৎসার জন্য গরুর গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় শহরের উদ্দশ্যে।

বই : অপরাহ্ন
লেখক : হুমায়ুন আহমেদ
পৃষ্টা : ৭০
মুদ্রিত মূল্য : ২০০
Profile Image for Abdul Ahad.
60 reviews
August 23, 2025
খুব যে আহামরি তা বলব না, তবে বেশ ভালোই। গ্রামীণ প্রেক্ষাপটকে নিয়ে এই গল্প। এখানে গ্রামীণ কুসংস্কারকেই বেশি ফোকাস করা হয়েছে। মনিরুদ্দীন নামের একজন কৃষককে সাপ কাটে, তার বিষ নামানোর জন্য ওঝাকে ডাকা হয়—এই হলো মেইন প্লট। এর সঙ্গে কিছু ডালপালা জুড়ে দিয়ে তৈরি হয়েছে এই 'অপরাহ্ন'

এই গল্পটার বিশেষত্ব হচ্ছে পরিচিত হুমায়ূনীয় ঢং থেকে কিছুটা আলাদা; অন্তত আমার কাছে এমনটাই মনে হয়েছে। কেমন ধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলাম—হুমায়ূনই পড়ছি তো!

এ বছর আর হুমায়ূন পড়ার ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু ফ্রেন্ডলিস্টের একজনকে দেখলাম রিভিউ দিতে। তাই পড়ে ফেলার লোভ সামলাতে পারলাম না।
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews9 followers
August 1, 2023
চিরাচরিত হুমায়ুন আহমেদের লেখনীর মতন লাগেনি।

উনার লেখার মধ্যে একধরনের মাদকতা থাকে যা এই বই এর একদম শেষ কয়েক পৃষ্ঠায় শুধু বিদ্যমান!!

যাইহোক , গল্প শেষ হয়েও বোধয় হল না!!


উনার অনেক গল্পেই সমাপ্তি মন মতন হয়না কিন্তু সমাপ্তি থাকে।কিন্তু এই বই এর কোনো সমাপ্তি আমি খুজে পেলাম না!!

রেটিং : ৫/১০
Profile Image for Maraz Hossain.
35 reviews14 followers
June 28, 2018
The story is about the tough life of people living in the upriver regions of Bangladesh. People whose life are dependent on the weather.
Profile Image for Yasin Akib .
60 reviews4 followers
September 6, 2020
অসাধারণ। অসাধারণ। অসাধারণ।
Profile Image for Md. Ridwanul Islam Muntakim.
53 reviews6 followers
September 8, 2023
হুমায়ূণ আহমেদের বই পড়ে কখনো আশাহত হয়েছিলাম না কিন্তু আজ সেটাই হতে হলো। বইটা খুবই বিরক্তিকর ছিলো, বহু কষ্টে পড়তে হলো। সময় খুবই মূল্যবান, আর সেই মূল্যবান জিনিসটা নষ্ট হলো।
Profile Image for Ahmed Reejvi.
78 reviews5 followers
October 21, 2023
গ্রামীণ সৌন্দর্যের সাথে মমতার সমন্বয়ের এক চমৎকার শ্রী আছে বইটিতে। পড়ে ভালো লেগেছে।
Profile Image for Mueed Mahtab.
357 reviews
December 25, 2023
আহামরি কিছুনা, এই গল্পের সবাই ভালো, কোনো ভিলেন নেই।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Abu Hanif.
45 reviews
June 26, 2024
70 পৃষ্ঠার ছোট্ট একটা বই! বইটাকে আরও ছোট করেছে এর সহজ লেখনী।

শুরুর পাতাতেই সাপে কেটেছে মনিরউদ্দীনকে। ভাটীর দেশে বাড়ি তার। এরপর? এরপর! এরপর জানতে জানতে বই কখন শেষ হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না...
Displaying 1 - 30 of 37 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.