‘স্কেচ’র গল্পের সূত্রপাত ‘মুখোশে’র কাহিনির আঠারো বছর পর। আফজাল চৌধুরী নয়, উপন্যাসের নায়ক এখন আবরার চৌধুরী। যে চলনে-বলনে, স্বভাব-চরিত্রে বাবা আফজাল চৌধুরীর কার্বন কপি। বাবার মতোই ছেলের বিশ্বাস, সে আফজাল চৌধুরীর ভাই আশফাক চৌধুরীর সন্তান নয়। আবরার লেগে যায় নিজের জন্মের উৎস জানতে। আর এই জানার পথে আবারও সামনে এসে দাঁড়ায় অনেক মুখোশধারী মানুষেরা। স্বাতী, সত্য, তিতির, তানভীর ছাড়াও রয়েছে রায়ান নামের একজন মানুষ, যে ছিল বাবা আফজাল চৌধুরীর বিশ্বস্ত সহচর। ঘটতে থাকে একটার পর একটা ঘটনা। থাকবে খুন, থাকবে প্রেম। থাকবে জিঘাংসা, থাকবে অবিশ্বস্ততা। মুখোশের মতো আপনাকেও শেষপাতা পর্যন্ত যেতে হবে কাহিনির শেষ অংশটুকু খুঁজতে। আপনারা তৈরি তো?
Farzana Mitu (Bengali: ফারজানা মিতু) was born in 11th December at Dhaka, Bangladesh. She finished her Diploma in Office Administration from New Zealand. She started to write since 2011, mostly writes poetry as well as Novel.
বইয়ের নাম :- স্কেচ লেখক :- Farzana Mitu জনরা :- থ্রিলার প্রকাশনী :- নালন্দা প্রথম প্রকাশ :- ফেব্রুয়ারি ২০২০ মুদ্রিত মূল্য :- ৩০০ টাকা
ফ্ল্যাপ থেকে :-
‘স্কেচ’র গল্পের সূত্রপাত ‘মুখোশে’র কাহিনির আঠারো বছর পর। আফজাল চৌধুরী নয়, উপন্যাসের নায়ক এখন আবরার চৌধুরী। যে চলনে-বলনে, স্বভাব-চরিত্রে বাবা আফজাল চৌধুরীর কার্বন কপি। বাবার মতোই ছেলের বিশ্বাস, সে আফজাল চৌধুরীর ভাই আশফাক চৌধুরীর সন্তান নয়। আবরার লেগে যায় নিজের জন্মের উৎস জানতে। আর এই জানার পথে আবারও সামনে এসে দাঁড়ায় অনেক মুখোশধারী মানুষেরা। স্বাতী, সত্য, তিতির, তানভীর ছাড়াও রয়েছে রায়ান নামের একজন মানুষ, যে ছিল বাবা আফজাল চৌধুরীর বিশ্বস্ত সহচর। ঘটতে থাকে একটার পর একটা ঘটনা। থাকবে খুন, থাকবে প্রেম। থাকবে জিঘাংসা, থাকবে অবিশ্বস্ততা। মুখোশের মতো আপনাকেও শেষপাতা পর্যন্ত যেতে হবে কাহিনির শেষ অংশটুকু খুঁজতে। আপনারা তৈরি তো?
অনুভূতিকথন :-
মুখোশ বইয়ের থেকে এই বইটা আরো বেশি ভালো লেগেছে। এইবইটা কখনো ভাবিয়েছে। কখনো কাদিয়েছে। ১৬০ পৃষ্ঠার বইয়ে জীবনের সমীকরণ সহজভাবেই ফুটে উঠেছে। লোভ, লালসা, প্রেম-ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, ষড়যন্ত্র মোটামুটি সব বিষয় ঘিরে উপন্যাস ফুটে উঠেছে। মুখোশ বইটির মত এই বইটিও খুব তাড়াতাড়ি পড়তে পেরেছি। কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা, তাই সাইলেন্স বইটি পড়ার অপেক্ষা। বইটা খুব শিঘ্রই পড়া শুরু করবো।
চরিত্রকথন :-
তিতির চরিত্র মুখোশ বইয়ে একরকম লেগেছে এই বইয়ে অন্যরকম। স্কেচ বইয়ে তিতির চরিত্র এমন হবে আমি আশাকরি নাই। রায়ান চরিত্রটা মনে ধরার মত, যে আবরার চৌধুরীর ছায়া হয়ে থাকে। পুরো বইটাতে আবরার চৌধুরীর আভিজত্যের ছাপ। বাবার মত সেও নিখুঁত বুদ্ধিমত্তার লোক। তবে তার বাবা আফজাল চৌধুরী ঠান্ডা মস্তিষ্কের লোক ছিলো। সেই তুলনায় আবরার চৌধুরী কিছুটা রাগি মনে হয়েছে। আশফাক চরিত্র ও এই বইটাতে বিদ্যমান। মালেক যে চৌধুরী বাড়র সবচেয়ে পুরানো লোক যে বাড়িতে আবরার চৌধুরীকে যথেষ্ট আগলে রাখার চেষ্টা করে, যেন আবরার এর কোন বিপদ না হয়। রাতে ১ ঘন্টা ঘুমান আর পরের একঘন্টা পর আবরারের রুমে এসে ঘুরে যান। সত্য, স্বাতী, তানভীর, স্বপন, দীপা,তন্বি, সজল,বদরুল,নিপু সহ বেশ কিছু চরিত্র ফুটে উঠেছে। প্রত্যেকটা চরিত্র বইয়ের কাহিনীর সাথে বেশ মিল রয়েছে।
প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন, বানান ও সম্পাদনা :-
প্রচ্ছদ টা অনেক আকর্ষণীয়, বইটার কাহিনীর সাথে সামজস্যপূর্ণ। বানান দুএকটা ভুল ছিল, পড়তে তেমন সমস্যা হয় নি। প্রডোকশন মলাট, বাঁধাইকরণ,পৃষ্ঠা সবই চমৎকার।
লেখক নিয়ে কিছু কথা :-
ফারজানা মিতু আপুর লেখা কোন বই ২য় বারের মত পড়ছি। তার লেখার ধরণ বেশ ভাল লেগেছে। হাল্কা কিছু জিনিস খারাপ লাগলে আশা করছি সময়ের সাথে কিছু উন্নতি হবে। সর্বশেষ লেখিকার জন্য শুভকামনা রইলো।