Jump to ratings and reviews
Rate this book

আমার স্বদেশ ভাবনা

Rate this book

174 pages, Hardcover

Published January 1, 2020

2 people are currently reading
9 people want to read

About the author

Abney Golam Samad

21 books5 followers
Abney Golam Samad (Bengali: এবনে গোলাম সামাদ) is a Bangladeshi famous sociologist, writer and columnist. He was a professor of Rajshahi University.

He is well known for Columnist in Bangladesh. He is very fond of writing in politics and society. He acted as a columnist for many years in The Daily Inkilab, The Daily Noya Digonta and The Daily Amar Desh newspaper. Besides he has many curriculum based books as well as many extra-curriculum publications.

In 1948, Samad passed B. Course from Shiksa Sango Bishnupur that was equivalent to Secondary at that time. Then he passed higher secondary in 1949 from Rajshahi College. Taking an honors degree in Agriculture from Tejgaon, he went to England for his research work on plant disease. He had been doing research on plant virus in France for four years.

Samad came back to Bangladesh in 1963. He was a professor of Rajshahi University on 11th November, 1965.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
1 (25%)
4 stars
1 (25%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
2 (50%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
Profile Image for Shadin Pranto.
1,482 reviews563 followers
December 15, 2020
অধ্যাপক এবনে গোলাম সামাদের 'আমার স্বদেশ ভাবনা' মূলত কতিপয় প্রবন্ধেরসংকলন। এই বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি লিখেছেন,

" এই ছোট বইটিতে আমরা আলোচনা করব বর্তমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম-কথা। এর লক্ষ্য হবে আমাদের রাষ্ট্র সচেতনতা বৃদ্ধি। আমি মনে করি আমাদের রাষ্ট্রিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখবার জন্য এর প্রয়োজন আছে। "

আর্য-অনার্যের বিবাদ পুরনো। আর্যপন্থিদের দাবি এদেশের মানুষ ছিল নিচু সম্প্রদায়। তাদের সভ্যতায় নতুনত্ব কিংবা বুদ্ধিমত্তার বিশেষ প্রয়োগ লক্ষণীয় নয়। এমনকি বাংলা অঞ্চলে লোকবসতির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। কিন্তু এবনে গোলাম সামাদ মনে করেন এই অঞ্চলে জনগণের বসবাস অনেক আগে থেকেই ছিল।

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ। কিন্তু চর্যাপদ বোধগম্য বাংলায় রচিত হয়নি৷ বরং সুলতানি আমলে হোসেন শাহের রাজত্বকালে বাংলায় রামায়ণ ও মহাভারত অনূদিত হয়। যা বাংলা ভাষায় সাহিত্য চর্চার একটি বড়ো নিদর্শন।

বাংলায় ইসলামের বিকাশ নিয়ে অনেক তত্ত্বকথার প্রচলিত। বৌদ্ধ ও নিম্নবর্ণের হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল বলে অনেকেই মত দেন। অর্থাৎ বাঙালি মুসলমানের নৃ-তাত্বিক গঠন নিম্নবর্ণের হিন্দুদের সাথে মিলে যায়। কিন্তু এবনে গোলাম সামাদ এই তত্ত্ব খারিজ করে দেন। উচ্চবর্ণের হিন্দুরাও অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করেছিল বলে মনে করেন।

অন্যকে সামপ্রদায়িক বলার আগে নিজেকে অসাম্প্রদায়িক প্রমাণ করতে হয়। কিন্তু এবনে গোলাম সামাদ তা পারেননি। নাহক সনাতন ধর্মকে আক্রমণ করে উদ্ভট যুক্তি দিয়ে লিখেছেন,

"হিন্দুরা অনেক দেব-দেবির মূর্তি গড়ে পূজা করেন। কিন্তু তারা ভগবানের মূর্তি গড়ে পূজা করেন না। অনেকের মতে এটা হতে পেরেছে ইসলামের প্রভাবে। "

''অনেকের মতে" কথার অর্থ হলো কারো মতে না। শুধু আমার নিজের মনে হয়। তাই লিখেছি!

দেশভাগের জন্য মুসলমানদের দায়ী করার প্রবণতা পণ্ডিতগণের মধ্যে দেখা যায়। কিন্তু তারা ভুলে যান ভারতভাগের প্রথম দাবি একজন হিন্দু করেছিলেন। ১৯২৫ সালে পাঞ্জাবের হিন্দু নেতা লাল লাজপৎ রায় প্রথম দেশভাগের প্রস্তাব করেন। এককভাবে সকল কলঙ্কের দাগ মুসলমানদের ঘাড়ে না চাপিয়ে অপর সম্প্রদায়ের দায়গুলো বিবেচনায় আনা বাঞ্ছনীয়। ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার লিখেছেন,

''অপ্রিয় হইলেও ঐতিহাসিক সত্যকে উপেক্ষা করা উচিত নহে। কারণ তাহা হইলে ঐতিহাসিক বিবর্তন সম্বন্ধে সঠিত ধারণা করা যায় না। পাকিস্তান সৃষ্টির মূলে যে কেবল সৈয়দ আহাম্মদ ও জিন্নার অবদান আছে তাহা নহে, মুসলমান সম্প্রদায় সম্বন্ধে হিন্দুদের চিরন্তন মনোভাবও ইহার জন্য কতক পরিমাণে দায়ী।"

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আশ্রয় নিয়েছিলেন। যুক্ত ছিলেন ''জয় বাংলা" পত্রিকার সঙ্গে। তবু তিনি পাকিস্তানের শোষণ ও নির্যাতনের সাফাই গাইবার মতো বেহায়াপনা দেখিয়েছেন। সামাদ সাহেবের চোখে মুক্তিযুদ্ধ হলো ''ভারতের ষড়যন্ত্র, গৃহযুদ্ধ'' ইত্যাদি।

বঙ্গবন্ধুর শাসনামল নিয়ে আলোচনা-প্রতিআলোচনা দুটোই হওয়া উচিত। কিন্তু সামাদ সাহেবের দৃষ্টিতে শেখ সাহেবের কোনো কৃতিত্ব ধরা পড়েনি৷ যুক্তরাষ্ট্রের একনিষ্ঠ খাদেম সামাদ সাহেব লিখেছেন,

"মনে হয় শেখ মুজিবুর রহমান যদি সোভিয়েতমুখি না হতেন, তবে তাঁর জীবনের ওই বিয়োগান্তক পরিণতি হতে পারত না।"

অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের জন্য তার প্রভুরাষ্ট্র ইউএসের দায়কে অস্বীকার করছেন না।

বাংলাদেশকে কেন সবকিছু বাদ দিয়ে একমুখী ও সরল যুক্তরাষ্ট্রপন্থি পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা উচিত তা নিয়ে বালখিল্য কিছু যুক্তি-তর্ক বইতে পাওয়া যায়। যেমন-"

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়লে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইংরেজী ভাষার মাধ্যমে পেতে পারবো জ্ঞান ও বিভিন্ন জিনিসের কৃৎকৌশল সম্পর্কে সহজে শিক্ষা। যা আমাদের অর্থনীতিকে করে তুলবে শক্তিশালী।"

অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, আকাল ও বন্যা ছাড়াও '৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতার আরও একটি কারণ ছিল ইউএসের খাদ্যশস্যবাহী জাহাজ ফেরত নিয়ে যাওয়া। কিন্তু তা উল্লেখ না করে সামাদ সাহেব লিখেছেন, 

"১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় শেখ মুজিবুর রহমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সহায়তা চেয়েছিলেন ও পেয়েছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সহায়তা না আসলে আমাদের দেশে আরও বহুলোক অনাহারে মারা যেতেন। "

স্বাধীনতার ঘোষক কে তা আদালতের রায়ের দ্বারা প্রমাণিত। তবু সামাদ সাহেবের মন পাওয়া গেল না। তার মতে,

"জিয়া চট্রগ্রাম কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দেন। "

যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সামাদ সাহেব ভীষণ সিরিয়াস। কেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে না তা নিয়ে ছোটো-খাটো পুস্তিকা লেখার সক্ষমতা লেখকের রয়েছে। এমন অদ্ভুতুড়ে যুক্তিগুলো শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় পড়লে ''অদ্ভুতুড়ে সিরিজ'' লেখা ছেড়ে দিবেন।

ল্যাঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড। সরি, সামাদ সাহেব। আপনি আপনার পাকিস্তানপন্থি ও উগ্রবাদী  মতাদর্শকে সমর্থন করতে গিয়ে যে সকল যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেছেন তাতে একটি প্রাণীর কথাই স্মরণ হয়। তা হলো কাঁঠাল পাতা ভক্ষণকারী ছাগল!
Profile Image for Ashikur Khan.
Author 4 books7 followers
February 28, 2023
একটি ভালো বই মানুষের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা সকলেই জানি। ভালো বই পড়া সম্পর্কে বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক, গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী দেকার্তে (René Descartes) বলেছিলেন, "ভালো বই পড়া যেন গত শতকের মহৎ লোকের সাথে আলাপ করার মতো।" কখনো কখনো একটি বই স্থান ও কালের সীমা-পরিসীমা ছাপিয়ে হয়ে ওঠে অনন্য।

আজ এমনই একটা বই নিয়ে কথা বলবো। বইটি চলতি বছরের অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলেও এই স্বল্প সময়েই যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। বইটির নাম "আমার স্বদেশ ভাবনা"। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবনে গোলাম সামাদের লেখা এই বইটি লেখকের নিজস্ব চিন্তাভাবনার বহিঃপ্রকাশ হলেও তাতে সমাজ, সংস্কৃতি, পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, শিল্প ও বিজ্ঞান সহ নানা বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সুবিধা-অসুবিধা, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে লেখক তাঁর নিজস্ব ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন এই বইয়ের প্রতিটি পাতায়।

বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতি সহ নানা বিষয় নিয়ে লেখা এই বইটি মোট ২৮টি পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে। এই পরিসরের মধ্যেই লেখক তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতে আপন ভাবনাগুলো পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন। তথ্যবহুল বইটিতে তিনি বিভিন্ন স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত বিষয় নিয়েও নিজের মতামত উপস্থাপন করেছেন। তবে ক্ষেত্রমত তথ্যসূত্র উল্লেখ তাতে আলাদা এক মাত্রা যুক্ত করেছে। ফলে বইটির আলোচনা বিতর্ক ছাপিয়ে নির্মোহ আলোচনার মর্যাদা লাভের যোগ্য হয়ে উঠেছে। এ প্রসঙ্গে লেখক এবনে গোলাম সামাদ বলেছেন, "..... আমার বইটি পড়ে মনে হতে পারে একজন পেশাদার শিক্ষকের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। আমি ইচ্ছা করেই বইটিকে এভাবে লিখতে যাচ্ছি। কারণ, আমি মনে করছি বইটি এভাবে লিখলেই আমার বক্তব্য অধিকাংশ পাঠকের কাছে সহজবোধ্য হবে। মনে রাখা কঠিন হবে না এর মূল প্রতিপাদ্য।" এর পাশাপাশি একটা কথা না বলে পারছি না। বইটিতে কিছু বিতর্কিত ও স্পর্শকাতর ব্যাপারে লেখকের বক্তব্য রয়েছে ঠিকই, তবে বইটি পড়ে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণার ভিত একটু হলেও কেঁপে উঠবে.... ক্ষেত্রবিশেষেও বদলেও যেতে পারে। পুরো বিষয়টি নির্ভর করবে পাঠকের নিজস্ব মতাদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গির উপর।

এবার উক্ত বইটির ভাষাশৈলী নিয়ে কথা বলবার পালা৷ মননশীল গদ্যের উৎকৃষ্ট প্রয়োগ বইটিকে এক সুখপাঠ্য করে তুলেছে। ইতিহাসের মতো কাঠখোট্টা বিষয়কেও যে এভাবে সুখপাঠ্য করে তোলা যেতে পারে, তা একপ্রকার অজানাই ছিল আমার কাছে৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের লেখনীতে সচরাচর সাহিত্যের সুললিত ভাষার প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ রয়েছে। এই বইটিতে তার ব্যতিক্রম চিত্র চোখে পড়েছে আমার। এককথায়, বইটি পড়ার সময় বারবার মনে হচ্ছিল, লেখক তাঁর শব্দবুননের গভীর মায়াজালে আবব্ধ করে রাখতে জানেন পাঠককে। এক্ষেত্রে প্রসঙ্গক্রমে বাংলা সাহিত্যে "গল্পের জাদুকর" খ্যাত হুমায়ুন আহমেদের নাম মাথায় আসছে। হুমায়ুন আহমেদের লেখনীর পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা-সমালোচনা আছে ঠিকই, কিন্তু এ কথা সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করেন যে তিনি নিজস্ব লেখনীর মাধ্যমে পাঠকের মনোযোগ বইয়ের পাতায় ধরে রাখতে একেবারে সিদ্ধহস্ত ছিলেন। এবনে গোলাম সামাদের লেখনীর মধ্যেও এই বিষয়টি পাঠক হিসেবে আমি দেখতে পাই। তবে তফাত হচ্ছে, হুমায়ুন আহমেদের লেখার মধ্যে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো তথ্যবহুলতা দেখতে পাইনি, যেমনটা এবনে গোলাম সামাদের লেখনীর মধ্যে আমি দেখতে পেয়েছি।

ভালো লাগা নিয়ে তো অনেক কিছু হলো বলা.... এবার মন্দ লাগা নিয়েও কিছু বলা যাক। উপর্যুক্ত বিষয়গুলো যেমন আমাকে আনন্দিত করেছে, তেমনি কিছু কিছু ভুলত্রুটি মনোযোগী পাঠক হিসেবে আমাকে ভাসিয়েছে আশাহতের বেদনায়। কিছু কিছু জায়গায় ভুল বানান ও অপ্রচলিত ভাষারীতি আমার দৃষ্টি এড়ায়নি। কখনো কখনো মনে হয়েছে, লেখাটির কলেবর আরেকটু বড় হলে ভালো হত। প্রসঙ্গত, লেখার কলেবর বা আকার-আকৃতি কেমন হবে বা কতটুকু হবে, সেটা একান্তই লেখকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে আমি বিশ্বাস করি। এই মন্দলাগা নেহায়েতই আমার পাঠক মনের চাহিদা বৈ ভিন্ন কিছু নয়।

পরিশেষে বলতে চাই, জগতের সবকিছুই ভালো-মন্দের মিশেলে গড়ে ওঠে। এই বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়৷ সেসব কথা বাদ দিলে বইটি এককথায় এক অনবদ্য লিখনি। নির্মোহ দেশীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য জানতে ইচ্ছুক পাঠকদের জন্য এই বইটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। পরিশেষে আর.ডি. কামিংয়ের একটি উক্তি দিয়ে এই নাতিদীর্ঘ আলোচনার ইতি টানছি,
"একটি ভালো বইয়ের কখনোই শেষ বলতে কিছু থাকে না।"
পাঠ-অনুভূতি সুখের হোক!

#এক_নজরে_বইটি_সম্পর্কিত_তথ্য
বইয়ের নামঃ আমার স্বদেশ ভাবনা
লেখকঃ এবনে গোলাম সামাদ
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৩৬
প্রকাশনাঃ পরিলেখ
প্রথম প্রকাশকালঃ ২১শে বইমেলা, ২০২০
প্রচ্ছদঃ আলি মেসবাহ
মুদ্রিত মূল্যঃ ২৪০ টাকা
আইএসবিএন নংঃ ৯৭৮-৯৮৪-৯৪৬৪৪-৫-৭
Profile Image for Imdadul  Swadin .
49 reviews2 followers
January 13, 2022
এবনে গোলাম সামাদ স্যারের প্রথম বই পড়া এইটি। সেই হিসাবে প্রত্যাশা তেমন ছিল না তবে বইটি আমাকে আশ্চর্য করেছে। লেখকের লেখার হাত কতটা শক্তিশালী তা বইটি পড়লেই জানা সম্ভব।
বইটি পড়ার সময় আমার প্রায়ই মনে হয়েছে যেন স্যারের ক্লাস করছি।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.