Ravi Shankar usually known as Sri Sri Ravi Shankar, born Ravi Shankar Ratnam, on May 13, 1956, in Tamil Nadu, India, is a spiritual leader and founder of the Art of Living Foundation (founded 1982), which aims at relieving both individual stress and societal problems and violence, and which is an NGO with UNESCO consultative status. Frequently referred to simply as "Sri Sri" (honorific) or as Guruji or Gurudev, he also established in 1997 a Geneva-based charity, the International Association for Human Values, an NGO that engages in relief work and rural development and aims to foster shared global values. He has reached out to an estimated 300 million people worldwide through personal interactions, public events, teachings, Art of living workshops and humanitarian initiatives. His talks and programs have helped people around the world reduce stress, experience physical and emotional healing and develop a sense of belonging. To know more visit http://www.artofliving.org/in-en
ভূমিকা: কেন উপনিষদ হল সামবেদের তালবাকর শাখার অন্তর্গত একটি মৌলিক উপনিষদ। মোট চারটি অধ্যায়ে বিভক্ত এই উপনিষদ অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হলেও, এর বৌদ্ধিক গভীরতা বিস্ময়কর। এটি মুখ্যত ইন্দ্রিয় ও চেতনার উৎস, জ্ঞানের প্রকৃতি, এবং ব্রহ্মস্বরূপ বিষয়ে এক উচ্চতর দার্শনিক অন্বেষণ।
এই উপনিষদের প্রতিটি প্রশ্ন—কে দেখে? কে শোনে? কে ভাবে?—শুধু দর্শন নয়, এক ধ্রুপদী ধ্যান।
দর্শন ও জ্ঞানতত্ত্ব:
১. কে নির্দেশ করে? — ব্রহ্ম কি? উপনিষদের সূচনা এক গম্ভীর প্রশ্নে:
"কেন প্রেষিতং পততি মনঃ?" — “কে মনকে নির্দেশ দেয় চিন্তা করতে? কে চক্ষুকে নির্দেশ দেয় দেখার জন্য?”
এই প্রশ্নগুলি আমাদের এক গভীর অস্তিত্বচেতনার দিকে নিয়ে যায়। উত্তরে বলা হয়—যা চক্ষুকে চক্ষু, কর্ণকে কর্ণ, মনকে মন করে তোলে—সেই-ই ব্রহ্ম। কিন্তু সে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নয়; সে জ্ঞানের অতীত, অথচ সকল জ্ঞানের মূল।
২. ব্রহ্ম—জ্ঞেয় না অজ্ঞেয়? "যেন মানসা ন মনুতে; এনা আহুর্মনোমতং।" — “যাকে মন চিন্তা করতে পারে না, অথচ যার দ্বারা মন চিন্তা করে—সেই ব্রহ্ম।”
এখানে আত্মজ্ঞান সম্পর্কে উপনিষদ একটি উল্টো পথে হাঁটে—যা চিন্তায় ধরা পড়ে না, সেই-ই সত্য। যিনি বলেন, “আমি জানি”—তিনি জানেন না। যিনি বলেন, “আমি জানি না”—তিনি জানার কাছাকাছি।
এই বিপরীত জ্ঞানের ভাষা এখানেই উপনিষদের গূঢ়তা।
৩. দেবতা, অহংকার ও সীমা: তৃতীয় খণ্ডে একটি রূপক উপাখ্যান রয়েছে—দেবতারা অসুরদের জয় করে অহংকারী হয়ে ওঠে। তখন ব্রহ্ম এক অজ্ঞাত স্বরূপ রূপে তাদের সামনে আসেন। দেবতারা (অগ্নি, বায়ু, ইন্দ্র) একে একে এগিয়ে যায়, কিন্তু কেউ তাঁকে চিনতে পারে না।
এই গল্পের অর্থ—শক্তি, বুদ্ধি, প্রতিপত্তি—সবই সীমিত। চরম সত্য অনুভবযোগ্য, কিন্তু উপলব্ধিযোগ্য নয় অহংকারে।
৪. অপরোক্ষানুভূতি ও বোধের দীক্ষা: উপনিষদ শেষে বলে—
"ব্রহ্মজ্ঞান হ'ল না-জানার জ্ঞানে প্রবেশ।"
এই জ্ঞান না-শোনা নয়, শোনার পিছনের শ্রোতার প্রতি মনোনিবেশ। এই জ্ঞান দেখা নয়, কিন্তু দেখা কে দেখছে তা উপলব্ধি করা।
ভাষা ও দার্শনিক গাম্ভীর্য: কেন উপনিষদের ভাষা প্রায় বৌদ্ধ কোআনের মত—জিজ্ঞাসামূলক, ভাবপ্রবণ, রহস্যাবৃত। এখানে ভাষার গাম্ভীর্যই সত্য প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং ভাষার সীমারেখা চিনে নীরবতায় পৌঁছনোই ব্রহ্মজ্ঞানের পূর্বশর্ত।
উপসংহার: কেন উপনিষদ হ'ল উপলব্ধির উপনিষদ। এটা বলে—ব্রহ্মকে ভাবলে ধরা যায় না, কিন্তু আত্মায় স্থিত হলে সে ধরা দেয়। এই উপনিষদ আত্মজিজ্ঞাসার এক শুদ্ধতম প্রকাশ।
Had a beautiful journey reading it aloud. Each and ever lines, each and every chapter was so intense pure profound.One thing is for sure, it's not one time read ;).A great gift to me by my friend Aabhu . Thank you so much. It's a journey inward and expanding yourself from within.
Simplicity...Simplicity... Simplicity, all you need here is listening, listening without terrestrial analytics. You need not complicate what is not, hear