Jump to ratings and reviews
Rate this book

ধাঁধার থেকেও জটিল

Rate this book
বাংলা সাহিত্যের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গেছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) শব্দজব্দ এর আবির্ভাবের পর এই হলো মিডিয়ার মত। ঝড়ের মতো এক-একটা বই লিখছে শব্দজব্দ। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর চাইতেও আগ্রাসী হয়ে দখল করছে পাঠকের হৃদয়। হাজার বছর ধরে যে মানুষ তিল তিল করে বাংলা সাহিত্যকে গড়ে তুলেছে, তারা কি তবে বাতিলের খাতায় নাম লেখাবে? তরুণদের কলমে আর লেখা হবে না বাংলা বই? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ঘর ছাড়ে ইমরান। লিখে এআইকে পর্যুদস্ত করবে, এটাই তার পণ। আজিজ মার্কেটের তেরোতলায় পাওয়া গেল নকশালবাদী তিন তরুণের লাশ। ইন্সপেক্টর খোরশেদ ক্রাইমসিনে আবিষ্কার করলো আশ্চর্য এক ক্রসওয়ার্ড পাজল। যা মেলালে হাড় হিম করা কয়েকটি শব্দ বেরিয়ে আসে। মিডিয়ার দাবি, এগুলো এআইয়ের বিরুদ্ধে ছেলেদের প্রতিবাদ।

ইন্সপেক্টর খোরশেদ অবশ্য এখনই উপসংহার টানতে নারাজ। সে নিশ্চিত, কোথাও একটা গড়বড় আছে।

139 pages, Hardcover

First published January 2, 2021

88 people want to read

About the author

Niaz Mehedi

15 books20 followers
নিয়াজ মেহেদীর জন্ম রংপুরের বেনীপুর গ্রামে, ২৯ আগস্ট ১৯৮৯ সালে। মা-বাবার জ্যেষ্ঠ সন্তান নিয়াজের হাতেখড়ি পত্রিকার ছোটদের পাতায় লিখে। একসময় লেখালিখি ভুলে গিয়েছিলেন। প্রত্যাবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তাঁর অনুজ নাবিল মুহতাসিম ও অগ্রজ লেখক মশিউল আলমের। ২০১৮ সালে প্রকাশিত তাঁর প্রথম উপন্যাস আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল বিপুলভাবে সমাদৃত। এরপর লিখেছেন উপন্যাস আড্ডা দেওয়া নিষেধ ও ধাঁধার থেকেও জটিল। ছোটগল্পের দুটি বই বিস্ময়ের রাত ও মর্কট মঞ্জিল। তাঁর ছোটগল্প প্রকাশিত হয়েছে প্রথম আলো, রহস্য পত্রিকা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, বণিক বার্তা ও কিশোর আলোর পাতায়।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
8 (9%)
4 stars
35 (41%)
3 stars
30 (35%)
2 stars
11 (13%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 29 of 29 reviews
Profile Image for সালমান হক.
Author 67 books1,975 followers
December 31, 2020
কিছু বই থাকে একদম প্রথম বাক্যটা থেকেই মনোযোগ কেড়ে নেয়৷ আশপাশের ব্যস্ততা কিছুক্ষণের জন্যে ভুলে বুদ হতে হয় লেখকের সৃষ্ট কাল্পনিক দুনিয়ায়। ধাঁধার থেকে জটিল ঠিক সেরকমই একটি বই। কলেবরের দিক থেকে ছোট, কিন্তু ভেতরে চিন্তার খোরাকের কোন কমতি নেই। সেইসাথে ভীষণরকম সুখপাঠ্য।

"বাংলা সাহিত্যের মৃত্যুঘন্টা বেজে গেছে"- এই কথাটাই প্রথমে আগ্রহ জাগিয়ে তোলে। মূল গল্পে প্রবেশ করতেও খুব বেশি সময় নেননি লেখক। " শব্দজব্দ" নামের এক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দেদারসে হুমায়ূন আহমেদের হিমু সিরিজের পরবর্তী উপন্যাস, সমরেশের অনিমেষ চতুষ্টয়ের পরবর্তী উপাখ্যান, সুনীলের প্রথম আলোর সিকুয়েল- এসব রচনা করে চলেছে। তাজ্জবের বিষয় হলো পাঠকেরা সেসব গ্রহণও করেছে ইতিবাচকভাবে। ফলে সুবিধে করে উঠতে পারছে না তরুণ সাহিত্যিক কিংবা প্রতিষ্ঠিত অন্য কোন সাহিত্যিকেরা। এদিকে আজিজ মার্কেটের তেরো তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় নকশালপন্থী তিন তরুণের লাশ। তিনজনেরই কব্জি কেটে হত্যা করেছে অজানা কোন আততায়ী। তদন্তে নামে চৌকস অফিসার খোরশেদ। এসবের সাথে শব্দজব্দের উদ্ভাবক আরসালানের কি সম্পর্ক। তরুণ সাহিত্যিক ইমরান কি পারবে শব্দজব্দকে টেক্কা দিতে?

লেখকমাত্রই মনে প্রশ্ন আসে, আমরা লিখি কেন? কার জন্যে লিখি? পাঠকদের জন্যে নাকি নিজের মনোবাসনা চরিতার্থ করার নিমিত্তে? লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে বেশ কিছুক্ষণ এই প্রশ্নটা নিয়ে ভাবাবে "ধাঁধার চেয়েও জটিল"। মূল প্লটের পাশাপাশি কিছু চমৎকার সাবপ্লটও আছে। লেখক নিজেও যে পড়ুয়া মানুষ তা পরিষ্কার বোঝা যায়। চমৎকার কিছু টপিক নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা ভাবনার খোরাক যোগাবে। ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টা বরাবরই আকর্ষণ করে আমাকে। শব্দচয়ন, সিকুয়েন্স তৈরি- সব দিকেই দক্ষতার ছাপ ছিল।

পার্থপ্রতিম দাসের প্রচ্ছদটা দারুণ হয়েছে। নিয়াজ ভাইয়ের জন্যে শুভকামনা ^_^ পরবর্তী বইয়ের জন্যে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো।
Profile Image for Bappy Khan.
Author 25 books233 followers
March 6, 2021
খুব সুন্দর, জ্বলন্ত আগুনের মতোই তেড়েফুড়ে যাওয়া কাহিনীর শুরু টা সত্যকার অর্থেই আগ্রহ জাগানিয়া।
গল্পের প্লট বেশ অরিজিনাল, বিশেষ করে একটা বিশেষ চক্র এবং বাংলা সাহিত্যের কিছু কালজয়ী লেখককে ট্রিবিউট দিয়ে লেখার ব্যাপারটা ভালো লেগেছে।
অযথা দৌড় ঝাপ কিংবা শুধু গ্ল্যামার বাড়ানোর মত তথাকথিত লাস্যময়ী তরুনী না দেখিয়েও যে আধুনিক আর্টিস্টিক থ্রিলার (লেখাও তো আর্ট, না কি?) লেখা যায় তার প্রমাণ দিয়েছেন নিয়াজ সাহেব।
বই শেষে শুধু একটাই ধাঁধা ঘুড়ছে মনে। এই বইটা লেখকই লিখেছেন তো? না কি আসলে তারই গল্পের মতো, কোন এ.আই স্বত্বার আবিস্কার এই গল্প?
উপভোগ্য হয়েছে ব্যাপারটা।
Profile Image for Rakib Hasan.
461 reviews79 followers
March 25, 2021
প্লটটা বেশ ইন্টারেস্টিং। বইটা শুরু থেকেই পাঠককে ধরে রাখার মত করেই লেখা। একটানা শেষ করার মত বই। আমার কাছে বেশ ভাল লেগেছে।
Profile Image for Wasim Mahmud.
357 reviews29 followers
September 24, 2023
হুমায়ূন আহমেদের নতুন ব‌ই আসছে এ ব‌ইমেলায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের‌ও সিক্যুয়েল উপন্যাস আসছে বাংলার ঐ প্রান্তে।

কী? চমকে উঠলেন? এসব লেখালেখির কাজ করছে 'শব্দজব্দ' নামের এক এআই।

ইব্রাহীম আরসালান। রেডিয়েন্ট প্রকাশনা সংস্থার সত্ত্বাধিকারী। জীবনে ব্যাপক পোড় খাওয়া এ ব্যক্তির সৃষ্টি 'শব্দজব্দ' নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যা লেখছে একের পর এক বাংলা সাহিত্যের রথী-মহারথীদের নতুন আখ্যান।

রেডিয়েন্ট প্রকাশনা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়, সঙ্গত কারণেই। একদিকে অনেক পাঠক যেমন এসব গ্রন্থের দিকে ঝুঁকছেন, অন্যদিকে লেখক-প্রকাশক-বুদ্ধিজীবীরা আন্দোলন করছেন এ প্রকাশনা এবং ইব্রাহীম আরসালনের বিরুদ্ধে।

বাংলা সাহিত্যকে রক্ষা করতে নিধিরাম সর্দার হিসেবে আবির্ভুত হলেন ইমরান। এক প্রতিযোগিতায় উল্লেখিত এআইকে গল্প লিখে হারিয়ে দিতে চান এ শিক্ষক। কিন্তু তাঁর গল্পকথনের ঢাল-তলোয়ার-তীর-ধনুক-বর্শা কোথায়?

এসব কিংবা লেখালেখির ফিলসফি বুঝতে ইমরান ছুটেন গোলাম গাউসের উদ্দেশ্যে। উক্ত লেখক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সারকথা শুনা দরকার ইমরানের।

শহুরে নকশালপন্থী তিনজনের একেবারে ত্রিপল হোমিসাইড হয়ে গেছে। সন্দেহের তীর ঠিক আরসালানের দিকে। তদন্ত কর্মকর্তা খোরশেদ সত্যানুসন্ধানে তৎপর হয়ে পড়েন।

নিয়াজ মেহেদীর 'আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল' পড়ে আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। 'ধাঁধার থেকেও জটিল' উপন্যাসের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিলো। লেখকের সহজাত লেখনিশক্তির কারণে পুরোটা পড়তে বেগ পেতে হয় নি।

তবে প্রথমার্ধ যেরকম প্রতিশ্রুতিশীল ছিলো, পরবর্তিতে সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারে নি উপন্যাসটি। এরকম দারুন একটি প্লট, চমৎকার স্টার্টের পর অনেক চরিত্রের গুরুত্বহীন আনাগোনা, খু*নের পিছনের দুর্বল মোটিভ, এবং শেষের দিকে তাড়াহুড়ো মনে হয়েছে অনেক।

লেখক নিপাট গল্প শুনাতে ভালোবাসেন। এবং এই কর্মে তিনি বেশ দক্ষ। কিন্তু এক্সপেক্টেশন এখানে ধরে রাখতে পারেন নি আমার। হুমায়ূন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ব্যবহার করে কোন এআই গল্প-উপন্যাস লিখলে কি আইনগত ব্যবস্থার মুখোমুখি হতো না? নাম তো ঐসব লেখকের‌ই ব্যবহৃত হচ্ছে।

ইমরান এ উপন্যাসে গাউস গোলামের কাছে গিয়ে লেখালেখি সংক্রান্ত ইনসাইট পেয়েছেন। কিন্তু এ উপন্যাসে ইমারনের কাজটা-ই বা কী ছিলো? নব্য নকশালপন্থীদের মার্ডার মোটিভ কেমন জানি দুর্বল টাইপের।

"ধাঁধার থেকেও জটিল" সুখপাঠ্যতার দিক দিয়ে ঠিক আছে। তবে সব মিলিয়ে হতাশ হয়েছি। নিয়াজ মেহেদীর অপেক্ষাকৃত অনেক ভালো মানের ব‌ই পড়ার কারণে এক্সপেক্টেশনটা বেশি‌ই ছিলো।

ব‌ই রিভিউ

নাম : ধাঁধার থেকেও জটিল
লেখক : নিয়াজ মেহেদী
প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২১
দ্বিতীয় মুদ্রণ : মার্চ ২০২১
প্রচ্ছদ: পার্থপ্রতিম দাস
প্রকাশনায় : অবসর প্রকাশনা সংস্থা
জনরা : থ্রিলার
রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
Profile Image for Aminul  IsLaM.
Author 15 books123 followers
March 26, 2021
প্রথমেই বলে যাচ্ছি অসম্ভব ইন্টারেস্টিং ফ্ল্যাপ। শুরুটাও অসাধারণ একদম পাঁচে পাঁচ। লেখার হাতও বেশ ভালো। শুরুটা এতো ইন্টারেস্টিং হলে স্বভাবতই আশা অনেক বেড়ে যায়। গল্পটা মাঝে নিয়ে “ধাঁধার থেকেও জটিল ”নামটাকে স্বার্থক করেছে। বুঝতে পারা যাচ্ছিল না গল্পটা কোনদিকে যাচ্ছে। সেই সাথে মাঝের দিকে আঞ্চলিক ভাষা'র অংশটা এতো বেশি ভালো যে বলার বাইরে। আমি লেখক নিয়াজ ভাইকে অনুরোধ করতে চাই যে ঘটনাটা আপনি আঞ্চলিক ভাষায় লিখেছেন সেই প্লটটা নিয়েই একটা বই লিখেন।
প্রথমে যেমনটা বলেছি শুরুটা চমৎকার হলে আশা বেড়ে যায়। সেই আশা সময়ের সাথে সাথে কমেছে। শেষটা খুব ভালো লাগেনি বলতে হচ্ছে। গল্পের দু একটা চরিত্রকে গল্পে কোনো প্রয়জন নেই, এরকমই মনে হয়েছে আরকি। সবমিলিয়ে গুডরিডসে এখন বইটার রেটিং ৩.৮। আমার পারসোনাল রেটিং ৩.৫।
Profile Image for Zahidul.
450 reviews95 followers
December 19, 2021
“As more and more artificial intelligence is entering into the world, more and more emotional intelligence must enter into leadership.” ― Amit Ray, Compassionate Artificial Intelligence
-
❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞
-
আরসালান ইব্রাহিম, রেডিয়েন্ট পাবলিকেশন নামের এক প্রকাশনীর মালিক। হঠাৎ তিনি বই পাড়ায় আলোচনায় আসেন মৃত কয়েকজন লেখকের অপ্রকাশিত রচনা তার প্রকাশনী থেকে প্রকাশের ঘোষণা দিয়ে। তাই প্রকাশের আগেই আলোচনায় আসা সেই বইগুলো প্রকাশের পরে পেয়ে যায় প্রবল জনপ্রিয়তা। ধীরে ধীরে জানা যায় এই বইগুলো "শব্দজব্দ" নামক এক আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর লেখা।
-
এদিকে "শব্দজব্দ" আসার পরে অনেক লেখক-প্ৰকাশকের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে থাকে। তাই "শব্দজব্দ" এর বিরুদ্ধে শুরু হয় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্দোলন। এর ফলে রেডিয়েন্ট প্রকাশনীর মালিক এক প্রতিযোগিতার ঘোষণার মাধ্যমে জীবিত লেখকদের কাছে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। সেই প্ৰতিযোগিতায় শব্দজব্দকে হারানোর পণ করে আটঘাট বেঁধে লেখায় নামে স্কুল শিক্ষক কাম লেখক ইমরান সহ আরো অনেকে।
-
এদিকে ঢাকায় লাশ হিসেবে পাওয়া যায় নকশালবাদী তিনজন তরুণকে। শাহবাগ থানার ওসি খোরশেদ তদন্তে নেমে বুঝতে পারে এর সাথে রেডিয়েন্ট পাবলিকেশনেরও কানেকশন থাকতে পারে। এখন "শব্দজব্দ" এবং তরুণ লেখকদের প্রতিযোগিতার শেষ পরিণতি কী হবে? দেশে কি আসলেই আর নতুন লেখক তৈরি হবেনা? এই সব ঘটনার সাথে নকশাল আন্দোলনবাদীদের কী সম্পর্ক রয়েছে? তা জানার জন্য পড়ত হবে লেখক নিয়াজ মেহেদী এর ফিউচারিস্টিক থ্রিলার ধাঁচের গল্প ❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞।
-
❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইটাকে মোটাদাগে বলা যায় একটি ফিউচারিস্টিক থ্রিলার। বইটির সময়কাল ২০২৯ সাল হলেও শুধু সাল বাদে পরিবেশ-প্রযুক্তি থেকে জনজীবনের ভেতরে তেমন কোন পরিবর্তন দেখলাম না। ❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইটি পড়া শুরু করার পর থেকেই দারুণ গদ্যশৈলীর কারণে আকৃষ্ট হয়ে যাই। এই গল্পের লেখনশৈলী ভালো লেগেছে ,গল্পের মূল থিমটাও বেশ ইন্টারেস্টিং ছিলো। ❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইয়ের প্লট প্রথমদিকে খুবই টানটানভাবে এগিয়েছে, সে দিক থেকে বইয়ের শেষ অংশটা অনেকটাই সাদামাটাই লাগলো। গল্পে নানা ধরণের সাহিত্য এবং এবং সাহিত্যিকদের কাহিনি গল্পের প্রয়োজনে যেভাবে যুক্ত করা হয়েছে তা অবশ্য ভালোই লাগলো।
-
❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা-মতাদর্শের চরিত্র এসেছে, তার ভেতরে আরসালান ইব্রাহিম চরিত্রটিকে সবথেকে কৌতুহলজনক লাগলো, তবে বইয়ের শেষের মতো তার চরিত্রের পরিণতিও একেবারে সাদামাটা লাগলো। বাকি চরিত্রগুলোর ভেতরে স্কুল শিক্ষক কাম লেখক ইমরানকে নিয়ে গড়া গল্পের অংশটি খানিকটা অনর্থক লাগলো মূল গল্পের পরিপ্রেক্ষিতে। শেষের দিকে অনেকটা তাড়াহুড়ো করে গল্পের সমাপ্তি না হলে হয়তো বইটা আরো মনে রাখার মতোই হতো।
-
প্রোডাকশনের দিক থেকে এই বইয়ের প্রডাকশন সম্পর্কে আমার আক্ষেপের তেমন কোন জায়গা নেই। বইয়ের বানান, সম্পাদনা থেকে কাগজের মান কিংবা বাঁধাই সব কিছুতেই যত্নের ছাপ ছিলো। বইয়ের প্রচ্ছদের ফ্রন্ট কভারটা মোটামুটি, তবে ব্যাক কভারটা খালি থাকায় সেটায় কিছু কাজ করা যেত বলে মনে হয়েছে।
-
এক কথায়, বাংলা ভাষায় বেশ ইউনিক ধারার ফিউচারিস্টিক থ্রিলারের প্লট নিয়ে ❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইটি লেখা হয়েছে। সাদামাটা ফিনিশিং এর ব্যপারটা বাদ দিলে বইয়ের বাকি অংশটি বেশ উপভোগই করেছি আমি। তাই যারা নিয়ার ফিউচারের প্রেক্ষাপটে এই ধাঁচের বাংলা মৌলিক থ্রিলার টাইপের বই পড়তে চান তারা ❝ধাঁধার থেকেও জটিল❞ বইটা পড়ে দেখতে পারেন।
Profile Image for Elin Ranjan Das.
88 reviews6 followers
March 24, 2022
ফ্ল্যাপের লেখা পড়ে একদম প্রথমে মাথায় এসেছিল "বাইশে শ্রাবণ"এর কথা, কারণ ওটাও বাংলা সাহিত্য ঘিরে। তবে দুয়ের মাঝে কোনো মিল নেই।
এই বইয়ের দুইটা প্লট, একটা থ্রিলার, একটা সমকালীন। থ্রিলারটা একটু পুলিশ প্রসিডিউরাল ধরনের। এই অংশটা আমার কাছে জমে নি। রহস্য জমাট বাঁধার আগেই শেষ হয়ে গেছে। শেষে টুইস্ট দিতে গিয়ে কিলারের মোটিভ ইনভ্যালিড হয়ে গেছে। অর্থাৎ এন্ডিংটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় নি। আবার পরিসর ছোট হলেও থ্রিলার অংশে দুইটা সাবপ্লট চলে আসছে, দুইটার কোনোটাই মনকাড়া হলো না। সব মিলিয়ে থ্রিলার অংশটা আমার জন্যে হতাশাজনকই।
অন্য প্লটটা ইন্টারেস্টিং, এবং এই বইয়ের একমাত্র প্লাস পয়েন্ট। নব্য লেখক তানভীরের মাধ্যমে একজন লেখকের মনস্তত্ত্ব, সে কিভাবে পরিপার্শ্ব দেখে, কিভাবে দেখা উচিত, এগুলো চমৎকার এসেছে। রমিছ্যার বাপের ভাষায় আঞ্চলিক জবানে দুইটা সুন্দর গল্প ফুটে উঠেছে। এই অংশটুকু ছিল বইয়ের পিক পয়েন্ট। আবার খাবারের বর্ণনাটাও অনেক ভালো লেগেছে (এটা আবার আমার একটা মুদ্রা দোষ, গ্রাম্য খাবারের বর্ণনা থাকলে সবসময়েই ভালো লেগে যায়)। মোটামুটিভাবে বললে এই প্লটটার প্রারম্ভ, বিকাশ ও সমাপ্তি অনেক বেশি পরিপূর্ণ, এবং লেখকের লেখনশৈলীর মুন্সিয়ানা এখানেই সবচেয়ে উপযুক্ত দেখা গেছে।
সব মিলিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তবে শুধু থ্রিলার না ভেবে পড়লে পড়ে ভালোই লেগেছে।
Profile Image for Ifsad Shadhin.
115 reviews24 followers
January 29, 2021
লেখকের লেখা আসলেই চমৎকার। প্লট খানাও মারহাবা! প্রথম দিকে যেভাবে সুতা ছড়িয়েছেন, আমি বারবার অবাক হয়ে ভেবেছি– কেমন করে মাত্র ১৪০ পৃষ্ঠার মধ্যে লাটিম গোটাবেন তিনি? বলতে গেলে, প্রথম দিকে এক প্রকার মুগ্ধ ছিলাম প্রায়।

তারপর আসলো সেই অলুক্ষণে ১১৭ পৃষ্ঠা।

স্পয়লার দিব না। শুধু বলব, এতো অসাধারণ প্রমিসিং একটা কাহিনীকে লেখক সাহেব ভয়াবহ ভাবে অপমান করেছেন। (এডিট: আসলে অপমান করেন নি। বলা চলে আমার এক্সপেক্টেশন বেড়ে গেছিলো, এই যা।) প্রচুর বিরক্ত হয়েছি। লেখা, প্লট, চরিত্র – সবকিছুই এতো প্রমিসিং। কিন্তু.. হায়!


চার তারকা দিতে চেয়েছিলাম। দুই তারকা দিলাম, ম্যাসিভ লেটডাউনের জন্য।
Profile Image for Peal R.  Partha.
211 reviews13 followers
December 23, 2021
⚈ স্পয়লার-ফ্রি রিভিউ⚊ ❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ [৩.৫/৫]

কিছু জটিলতার অপমৃত্যুর বাঁধনে বন্দি ❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ উপন্যাসের বিষয়বস্তু। শেষটা নিয়ে আক্ষেপের মঞ্চ—মঞ্চায়নও নতুন কিছু না; আমি আবারও সেই আক্ষেপে ঘি ঢালার প্রয়োজন বোধ করি না। কী হবে বা কী হয়েছে, সেই উত্তরের আশায় না থেকে; বরঞ্চ চলুন—লেখকের তৈরি করা গল্প নিয়ে করি অল্পবিস্তর চর্বিতচর্বণ।

❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ লেখকের একটি অনবদ্য উপন্যাসে রচিত হতে পারত; কিন্তু তা হয়নি। না হওয়ার কারণও যখন পর্যালোচনা করা হবে; কমতির মাত্রা ভ্রুকুঞ্চনে রূপান্তরিত হবে। এই সাহিত্য রক্ষা করার খেলায়—মূল লেখক (বইয়ের লেখক) যেন গল্পের লেখককে (একটি চরিত্র) দণ্ডার্হ করার অভিলাষে সিংহাসনে নাচাকোঁদা হয়ে বসে। কে কা��ে রক্ষা করবে, সেই দোটানায় বসে থেকে শেষাংশের সমাপনে বিলাপের রূপে সাজে। হায়! হায়! করে উঠে পাঠক সমাজ, এক সমাজ বইয়ের অন্তরালে নীরব প্রতিবাদে মাতে—আরেক সমাজ বই হাতে নিয়ে নিরাশার সাগরে ডোবে।

বাংলা সাহিত্যের গতিপথ পালটে দেওয়া আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নিয়ে ভাবনা; নতুন এক দিগ্‌বলয়ের স্পষ্ট রেখা আঁকে। লেখকের বন্ধনমোচন এই ভাবনার ফলপ্রসূ প্রয়াসে; পাঠক মন যেন নাচে। তবে কি বাংলা সাহিত্যের সুদিন ফিরে আসছে? উত্তর খুঁজতে যেতে হবে—হারানো সভ্যতার মতো হারিয়ে যাওয়া ❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ উপন্যাসের খোঁজে।

➲ আখ্যানপত্র—

বাংলা সাহিত্যের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গেছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) শব্দজব্দ এর আবির্ভাবের পর এই হলো মিডিয়ার মত। ঝড়ের মতো এক-একটা বই লিখছে শব্দজব্দ। ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর চাইতেও আগ্রাসী হয়ে দখল করছে পাঠকের হৃদয়। হাজার বছর ধরে যে মানুষ তিল তিল করে বাংলা সাহিত্যকে গড়ে তুলেছে, তারা কি তবে বাতিলের খাতায় নাম লেখাবে? তরুণদের কলমে আর লেখা হবে না বাংলা বই? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ঘর ছাড়ে ইমরান। লিখে এআইকে পর্যুদস্ত করবে, এটাই তার পণ। আজিজ মার্কেটের তেরোতলায় পাওয়া গেল নকশালবাদী তিন তরুণের লাশ। ইন্সপেক্টর খোরশেদ ক্রাইমসিনে আবিষ্কার করলো আশ্চর্য এক ক্রসওয়ার্ড পাজল। যা মেলালে হাড় হিম করা কয়েকটি শব্দ বেরিয়ে আসে। মিডিয়ার দাবি, এগুলো এআইয়ের বিরুদ্ধে ছেলেদের প্রতিবাদ।

ইন্সপেক্টর খোরশেদ অবশ্য এখনই উপসংহার টানতে নারাজ। সে নিশ্চিত, কোথাও একটা গড়বড় আছে।

➤ পাঠ প্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা—

❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ উপন্যাসের প্লট পুরোপুরি সাহিত্য সমাজের ওপর নির্মিত৷ হাল আমলের লেখা হলেও, সময়কাল নির্ধারিত হয় অদূর ভবিষ্যতে কোনো এক কালে৷ উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়ায় লেখা হয় উপন্যাস-গল্প-কবিতা; টেক্কা দেওয়া হয় রক্তে-মাংসে গড়া মনুষ্য ধীশক্তিকে। কীভাবে তা সম্ভব? তা-ও কি-না বাংলার শক্তিশালী কবি-ঔপন্যাসিক-কথাসাহিত্যিক কিংবদন্তিদের লেখা হুবহু নকল করে? লেখক দেখিয়েছেন যত অসম্ভবের—সম্ভাব্য এক বাস্তব চিত্র। বইয়ে যা বাস্তব, বাস্তবে তা হয়তো অবাস্তব; কিন্তু ভবিষ্যৎ যেহেতু এই বইয়ের মূল হাতিয়ার—তাই নির্ভরতা করা এখন একমাত্র বিচার।

❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ বইয়ের গল্প, চরিত্র, প্রেক্ষাপট সাজানো সবকিছুই মনোমুগ্ধকর। লেখার ধারার মুগ্ধতা ও বর্ণনা শৈলীর সজীবতা; অন্য রকম এক সুস্থিরতার জন্ম দেয় কোমল এই পাঠক হৃদয়ে। শেষের অনুমেয় বা অতি সাধারণ কুটিল আবর্ত বাদ দিলে, পুরো গল্পটি অবশ্যই একটি সুখপাঠ্য হয়েও অপূর্ণ। গল্পের বলবত্তা বাড়ানোর উপায়ে লেখক নকশাল বা নকশাল উগ্র বামপন্থি এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অথবা ‘এআই’-এর মেলবন্ধনে তৈরি করা ছকে যুক্ত করেছেন—সাহিত্য ভালোবাসে এমন মানুষ, লেখার প্রচেষ্টায় থাকা একজন লেখক, যুক্তি খণ্ডন করা যুবতী, সুবিবেচক পুলিশ চরিত্র-সহ অনেককে। তাদের কর্মকাণ্ড জানতে, গল্পের কিনারা চিনতে—বইটি একবার হলেও হাতে তুলে নেওয়া যায়। যেমনটা আমি নিয়েছি।

● সূত্রপাত—

গল্পের শুরুটা বাংলা সাহিত্যে বিল্পব ঘটিয়ে দেওয়া আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অথবা ‘এআই’-এর পরিচিতির মাধ্যমে। এর পর আসে ইমরান নামক এক লেখকের সংগ্রাম ও ইচ্ছার গল্প। একে একে উপস্থিত হতে থাকে গল্পের মূল চরিত্ররা আর চলতে থাকে ঘটনাপ্রবাহ। সব সূত্র কি তবে এক জায়গায় নিবদ্ধ? জানতে হলে ❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ উপন্যাসে ডুব দিতে হবে।

● গল্প বুনট • লিখনপদ্ধতি • বর্ণনা শৈলী—

লেখকের গল্প বুননের দক্ষতা ও লিখনপদ্ধতি প্রলুব্ধ করার মতোই। গল্পের গুহায় (রূপক অর্থে; পড়ুন—পাতায়) পাঠক প্রবেশের নিমন্ত্রণ, লেখক নিজ হাতে করেছেন সেই আপ্যায়ন। শুধু প্রবেশদ্বার খোলার দেরি। কারুকার্যের (বর্ণনা শৈলীর) জাদুতে গুহার চিত্রে (বইয়ের পাতায়) রাঙানো (লেখা) যত চিত্রকর্ম (অধ্যায়) এঁকে (লিখে) তৈরি করেছেন—ধাঁধার চেয়ে অল্প জটিল এক কর্ম। অল্প বলার গল্পও অনেক স্বল্প। পাঠক ভালোবেসে এই স্বল্পতাকে ‘প্লট হোল বা কমতি’ নামে ডাকে। তবে এই সল্পতার আলোছায়া ডিঙিয়ে উপভোগ করারও কয়েকটি দিক যে একেবারেই নেই তা-ও না। উপভোগ করতে করতে অন্যমনস্ক হওয়া এই দিকের আরেকটি সদ্‌গুণ। তবে সেই গুণ বড্ড বেশি স্পষ্ট, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার মতোই।

● চরিত্রায়ন—

চরিত্রগুলো যতটা সুন্দর করে সাজানো হয়েছে; ততটা অবহেলায় গলা টিপে মেরেছে। সব চরিত্রের ক্ষেত্রে আবার এই কথাটি যৌক্তিক বলে বিবেচিত হবে না। কিছু চরিত্রের অতীত কাহিনি—উপন্যাসে যে-রকম ছাপ ফেলতে সক্ষম, সে-রকম কিছু কাহিনি পুরোপুরি অক্ষম। গল্পের ভেতর গল্প সাজানো মানানসই হলেও, মূল গল্পে সেই প্রভাব স্পষ্ট নয়। ইমরান, ধৃতি হচ্ছে উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তবে এইখানেও একটি কিন্তু থেকে যায়...

● অবসান—

সেই কিন্তুটি হলো গল্পের সমাপ্তি। আমার মনে হচ্ছে, লেখক ❛ধাঁধার থেকেও জটিল❜ একটি বিশাল উপন্যাসের প্রথম কিছু অধ্যায়ের খসড়া লিখেছেন অথবা কোনো সিরিজ পরিচিতি করানোর অভিপ্রায়ে এই বইটি লিখেছেন। আরবান নকশাল নিয়ে লিখলেও, তাদের উদ্দেশ্য খুব শক্ত মনে হয়নি, তিন তরুণের খুনের কারণ এবং মাস্টারমাইন্ডের হঠকারী সিদ্ধান্তও। শুধু সাহিত্য নিয়ে কথপোকথন, লেখকের ভালো গল্পের প্লট মাথায় না আসার কারণ ব্যতীত শুধু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নিয়ে ভাবনার বিচরণ।

শেষটা ভালো লাগেনি। বলতে পারেন মনঃপূত হয়নি। আরও বেশি কিছু চেয়েছিলাম গল্পের শেষে এসে। কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাইনি। তবে বইয়ের কাহিনি আর লিখনপদ্ধতি বিচারে বইটি উত্তীর্ণ হওয়ার সার্টিফিকেট পেতে বাধ্য।

➣ লেখক নিয়ে কিছু কথা—

লেখক বেশ ভালো গল্প লিখেন। যা পাঠক মস্তিষ্কে চিন্তার দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়। ভাবনার বিষয়বস্তু থাকে তাতে। ‘সতীর্থ গল্প সংকলন ২’-এ লেখকের ছোটো গল্পের মাধ্যমে পরিচয়। আশা করছি আগামীতে লেখক থেকে আরও দারুণ সব উপন্যাস উপহার পাব এবং সেটা পরিপূর্ণভাবে তৃপ্তিদায়ক হবে।

● সম্পাদনা ও বানান—

টুকিটাকি বানান ভুল, যা যৎসামান্য। সম্পাদনা প্লট অনুযায়ী আরও পোক্ত হতে পারত, যেহেতু অনেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নেই। এই নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকে আলোচনা করেছে; আমিও ইঙ্গিতপূর্ণ আকারে করেছি—তাই বিস্তারিত দিকটি আমি এড়িয়ে গেলাম।

তবে বাদবাকি যেমন—বাক্য অসংগতি, শব্দের ভুল ব্যবহার, ব্যাকরণ ঝামেলা বাদে সম্পাদনা ভালো হয়েছে।

● প্রচ্ছদ—

প্রচ্ছদে সাই-ফাইয়ের একটা ভাইব থাকলেও, গল্পটা কোনোভাবে সে-রকম না। ভবিষ্যতের একটি ভাবনা নিয়ে পুরো গল্পটি লেখা। সে-দিক চিন্তা করলে প্রচ্ছদ আরও ভালো কিছু হতে পারত।

● মলাট • বাঁধাই • পৃষ্ঠা—

বাহ্যিক প্রোডাকশন বরাবরের মতো ভালো। ভেতরের দিকটি চিন্তা করলে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দাম ও গল্পের মান অনুযায়ী ঠিকঠাক।

⛃ বই : ধাঁধার থেকেও জটিল • নিয়াজ মেহেদী
⛁ জনরা : ফিউচারিস্টিক থ্রিলার
⛃ প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২১
⛁ প্রচ্ছদ : পার্থপ্রতিম দাস
⛃ প্রকাশনা : অবসর প্রকাশনা সংস্থা
⛁ মুদ্রিত মূল্য : ২৫০ টাকা মাত্র
⛃ পৃষ্ঠা : ১৩৯
Profile Image for Mohaiminul Bappy.
Author 11 books123 followers
January 14, 2021
বই: ধাঁধার থেকেও জটিল
লেখক: নিয়াজ মেহেদী
জনরা: ক্রাইম থ্রিলার
প্রকাশনী: অবসর
পৃষ্ঠা: ১৩৯

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিখ্যাত লেখকদের অনুকরণে বই লেখে। সত্যিক��র লেখকেরা মার খেয়ে যায়। তখন তিনটে ব্যাপার হয়। এআই-স্রষ্টা আরসালান একের পর এক বই প্রকাশ করে যায় তার এআই ব্যবহার করে, কলেজ শিক্ষক ইমরান এআই-র চেয়ে ভালো বই লেখার চেষ্টা করতে থাকে এবং পুলিশ কর্মকর্তা খোরশেদ তিনজন নকশালবাদী তরুণের হত্যারহস্য সমাধানে নামে। এভাবে গল্প এগোয়।

শুরুতেই বলব বর্ণনা ভীষণ পরিপক্ব লেগেছে আমার কাছে। দারুণ সাবলীল লেখনী। ক্ল্যাসিক ধাঁচের বর্ণনা ও শব্দের প্রয়োগ আমার ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ। সেটা লেখকের মধ্যে পেয়েছি। বর্ণনার জন্য আমি অন্য কোন ভুল থাকলে মাফ করে দেই। কিন্তু এ বইতে সে হিসেবে তেমন মস্ত বড় কোন ভুল নেই। দারুণ একটা প্লট এবং টুইস্টটাও দারুণ। তবে প্লট বা টুইস্ট ছাড়াও এই লেখনীতে যে কোন গল্প আমি পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য করব। মেদহীন, ঝরঝরে, প্রাঞ্জল বর্ণনা। সবকিছু ছাপিয়ে লেখার পরিপক্বতা মুগ্ধ করেছে আমাকে। ম্যাচিউর চিন্তা ভাবনার প্রতিফলন।

দুয়েকটা খুবই ক্ষুদ্র টেকনিক্যাল বিষয় চোখে পড়েছে। যেমন আবহাওয়া পূর্বাভাসকে এআই এর কাজ বলা হয়েছে এক জায়গায়। এআই মানে যে প্রোগ্রাম নিজের এলগরিদম নিজে লিখতে পারে প্রয়োজনমতো। আবহাওয়া পূর্বাভাসে শুধু ডেটা থেকে মডেলিং করে ফোরকাস্ট করা হয়, এআই লাগে না। যদিও এটি এক লাইনের উক্তি এক জায়গায়, চোখে পড়ে না বললেই চলে। এটা ছাড়া ২০২৯ সালেও ফেসবুক, টিন্ডারের প্রয়োগ বর্তমানের মতো করে দেখানো হয়েছে, এ জায়গায় একটু ভেবেছি। ভবিষ্যতে সবকিছু একই রকম থাকবে, এমনটা হতেও পারে, নাও হতে পারে। আজ থেকে ১০ বছর আগে অরকুট, গুগল প্লাস কত কিছু ছিল। এখন সে সব ওয়েবসাইট নেই আর। এখানে কিছু ফিউচার টেকি সেটিং আশা করেছিলাম। যদিও এটা সাইফাই বা টেকি থ্রিলার নয়, তাই অত নিখুঁত হবারও হয়তো দরকার নেই।

ব্যক্তিগত রেটিং-৪/৫। অসাধারণ বর্ণনাভঙ্গি। মোটামুটি এক বসাতেই শেষ করেছি। থ্রিলারপ্রেমী যে কাউকে সাজেস্ট করব বইটি। লেখকের পরের বই যে জনরারই হোক, আমি পড়তে দ্বিতীয়বার ভাবব না।
Profile Image for Payel Nusrat.
89 reviews17 followers
June 8, 2021
ধাঁধাঁর থেকেও জটিল
এটা লেখকের সবচেয়ে রিসেন্ট কাজ এবং আমার মতে সবচেয়ে সেরা কাজ,যদিও চারটি বইয়ের মধ্যে এটিই সবার আগে পড়েছিলাম (প্রকাশ হওয়ারও আগে😎)।অলমোস্ট পারফেক্ট একটা বই।
গল্পের প্লটটাই একদম অভিনব।শব্দজব্দ নামে এক অ্যাপ রবীন্দ্র,শরৎ,নজরুল থেকে শুরু করে সব মৃত বিখ্যাত লেখকদের লেখা স্টাডি করে তাদের প্যাটার্নে নতুন নতুন লেখা বের করছে।এমন হলে তো আর নতুন লেখক সৃষ্টি হবেনা,আর সৃষ্টির প্রক্রিয়া থেমে গেলে ধ্বংস আসতে কতক্ষণ?এদিকে এক অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া গেছে কয়েকজন তরুণের লাশ,দেয়ালে লেখা বিখ্যাত এক ব্যান্ডের গান।রহস্য উদঘাটনে ঝাপিয়ে পড়ে নবীন পুলিশ অফিসার ও শব্দজব্দের পেছনে লাগে তরুণ এক স্কুল শিক্ষক।কিন্তু এই দুই ঘটনার যোগসূত্র কি?
গল্পের শুরু থেকে শেষ মাত্র দেড় ঘন্টায় একটানে গিলেছি তাও ভোরবেলা উঠে!
Profile Image for Md. Nahidul Islam.
32 reviews1 follower
June 20, 2022
গল্পের প্লট ছিল চমৎকার। অন্য ধাঁচের একটা রহস্য তৈরী হচ্ছে ভেবে নিয়েছিলাম বইয়ের শুরুতে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা মেটে নি। শেষের দিকে যেন হুট করে সব সামনে চলে আসে। লেখকের লেখনী বেশ ভাল। তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে লিখলে আরও ভাল লিখবেন আশা করি।
Profile Image for রিয়াজ সায়েম.
Author 16 books36 followers
April 7, 2021
দারুণ প্লট। পুরোটা গ্রোগাসে গিলেছি। শেষের দিকে বাড়তি চরিত্র এনেছে বলে মনে হয়েছে। কিন্তু অমৃত!
Profile Image for Naimul Arif.
108 reviews5 followers
July 8, 2021
সাদামাটা বই। খুব আহামরি কিছু না।
Profile Image for Sakib A. Jami.
337 reviews41 followers
November 29, 2022
বিলো এভারেজ বই। যেই প্রত্যাশা নিয়ে শুরু করেছিলাম তার কিছুই পেলাম না। দুর্দান্ত শুরু, অসাধারণ প্লট, লেখকের মনোমুগ্ধকর লেখার হাত - তারপরও অনেক কিছুই মিসিং। ইমরান চরিত্রটার কাজ কী, সেটাই বুঝলাম না। চরিত্রগুলোর সমন্বয়ের অভাব। বেশ কিছু চরিত্র অযথাই যেন এনে ভিড় করে আছে। এমন প্লট থাকলে অসাধারণ কিছু করে ফেলা সম্ভব হতো, তারপরও কেন যেন কিছুই পেলাম না। না থ্রিল, না রোমাঞ্চ। কাকতালীয়ভাবে শেষ হয়ে গেল। এত ভালো শুরুর পর প্রতিটি পৃষ্ঠায় গ্রাফ নিম্নমুখী হয়েছে। অথচ এমন একটা প্লট, যার প্রতিটি পৃষ্ঠায় পাঠককে আরও বেশি আকৃষ্ট করা সম্ভব ছিল।

বড্ড হতাশা নিয়ে শেষ করলাম বইটা। শেষ কবে কোনো বই পড়ে এত হতাশ হয়েছি মনে পড়ছে না।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for RHR.
35 reviews11 followers
November 10, 2021
বই পর্যালোচনা

বই: ধাঁধার থেকেও জটিল
লেখক: নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনী: অবসর প্রকাশনা সংস্থা
প্রকাশকাল: বইমেলা ২০২১
জনরা: ফিউচারিস্টিক টেকনো থ্রিলার
প্রচ্ছদশিল্পী: পার্থপ্রতীম দাস
মুদ্রিত মূল্য: ২৫০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩৯

সারসংক্ষেপ:
রক্ত মাংসে সৃষ্ট কথা-সাহিত্যিকদের তিল তিল করে গড়ে তোলা বাংলা সাহিত্য আজ মৃতপ্রায়। রেডিয়েন্ট পাবলিকেশন্সের কর্ণধার আরসালান ইব্রাহিম তৈরি করেছেন এমন একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স(এআই), যার দ্বারা বাঘা সাহিত্যিকদের লেখার ধরন অনুকরণেই লিখে ফেলছে আস্ত একটি বই। নাম সেটির 'শব্দজব্দ'। মৃত লেখকদের বইও প্রকাশিত হচ্ছে সেভাবেই। এমতাবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জানা-অজানা অনেক লেখক।

'শব্দজব্দ'র বিরুদ্ধে লড়তে ও হারাতে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ফেলে ঢাকার একটি সরকারি কলেজের শিক্ষক ইমরান। লেখালেখি করেই সে হারাবে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে। এটাই তার একমাত্র লক্ষ্য।

এদিকে আজিজ মার্কেটের তেরোতলায় মিলল তিনজন তরুণের ডান হাতের কবজি কাটা লাশ। ক্রাইম সিনেই মিলল আশ্চর্য একটি শিল্পকর্ম; যেটি আদতে একটি ক্রসওয়ার্ড পাজল। মেলালে যেই শব্দগুলো বেরিয়ে আসে সেই শব্দগুলো মুহুর্তেই লুফে নেয় মিডিয়া আর দাবি করে, এআইয়ের বিরুদ্ধে এটিই ছেলেদের নীরব প্রতিবাদ।

কিন্তু আসলেই কি তাই? খুব সহজেই কি কেস ক্লোজড হয়ে যাবে? নাকি গোপন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এর মাঝে?

পাঠ-প্রতিক্রিয়া:
স্টার্টিংটা বেশ চমৎকার ছিল। বই নিঃসন্দেহে অসাধারণ কিছু হবে এমনটাই আশা করেছিলাম কিন্তু আফসোসের সঙ্গে বলতে হচ্ছে আমি যারপরনাই হতাশ হয়েছি। স্টার্টিং যেমন ছিল সেটা এক্সপেকটেশন বাড়িয়ে দেবার জন্য ছিল যথেষ্ট অথচ মাঝামাঝি ও শেষটা পুরো গুবলেট হয়ে গেল। বিশেষ করে, শেষাংশ।

ইউনিক একটা প্লট। এই প্লটকে আরও দারুণভাবে উপস্থাপন করা যেত। কিন্তু সেটা হয়নি। নকশাল আন্দোলন ও এআইয়ের যোগসাজশ আনতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন লেখক। আশাহত হয়েছি খুব।

লেখকের লেখনশৈলী সাবলীল অবশ্য। তার কাছ থেকে আরও ভালো কিছু এক্সপেক্ট করি আমি। ভবিষ্যতে ভালো কিছু বই তিনি পাঠকদের উপহার দেবেন এই কামনাই রইল।

থ্রিলার জনরার বই হলেও থ্রিলের অভাববোধ করেছি আমি। জোরালো কোনো টুইস্টও ছিল না যে মাথা ঘুরে যাবার অবস্থা বা মনে দাগ কেটেছে এমন কিছু।

শুরুতে ইমরান চরিত্রকে যতোটা গুরুত্বপূর্ণ ভেবেছিলাম তেমন কিছুই আসলে সে ছিল না। এই চরিত্রটা ছিলই বা কী কারণে সেটাও আমার কাছে পরিষ্কার না। একই কথা গোলাম গাউসের জন্য প্রযোজ্য। দার্শনিক একটা চরিত্র ছিলেন গোলাম গাউস। কিন্তু তাকে সেভাবে প্রেজেন্ট করতে পারেননি লেখক। রমিছার বাপ চরিত্রটা তার জীবন কাহিনির অনেকখানিই ইমরানকে খুলে বলল অথচ যে কারণে তার জীবন কাহিনি শুনে গেল ইমরান সেটা তো আর কাজেই লাগাল না। ইন ফ্যাক্ট, সে যে কারণে গোলাম গাউসের কাছে ছুটে গেল সেটার কিছুই তো হলো না। মিতি, নাহিদা এসব চরিত্রও অপ্রয়োজনীয় লেগেছে। উপন্যাসের একদম শেষাংশে ইমরান আর নাহিদার প্রণয় নিবেদনটাও অদ্ভুত লেগেছে। বলা নাই কওয়া নাই, আচমকা কোনো মেয়ে গা ঘেসে বসবে তারপর ছেলেটা তার হাত দিয়ে মেয়ের পিঠ ধরবে আর এভাবেই শেষ হয়ে যাবে, এটা কেমন যেন। তাদের মধ্যে কিছু হবার হলে সেটা অন্যভাবে প্রেজেন্ট করা দরকার ছিল। দুটি চরিত্রের বডি ল্যাংগুয়েজ সেভাবে রাখা আবশ্যক ছিল। এভাবে আচমকা একটা অনুভূতির জন্ম দিয়ে দেবে আর আচমকাই সব ঘটে যাবে এমনটা তো হবার নয়। এটা বাংলাদেশ, আমেরিকা নয়। কথা যদি হয় ২০২৯ সালের তবে আজ থেকে ৮ বছর পর বাংলাদেশ প্রণয় বা প্রেম ঘটিত সম্পর্কে এতোটা আপডেট হয়ে যাবে বলে হয় না। ২০৫০ বা ২০৮০ হলেও মানা যেতো। আর এমন কিছু মুহুর্তে আমি লক্ষ্য করেছি ইমরানকে খানিকটা লাজুক ��িহেভ করতে যেমন: নাহিদা গা ঘেসে বসার পর সে নিজে থেকেই একটু সরে বসে। ইভেন বইতে এটাও লেখা আছে, 'শিক্ষক-ছাত্রীর এত মাখামাখি ঠিক নয়'। অর্থাৎ, বাংলাদেশ তখনও অতোটা আপডেট হয়নি সেটা বোঝা যায়।

আমার কেন যেন মনে হয়, শেষটা বেশ তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছে। গল্প টেনে টেনে বড় করাও যেমন ভালো না তেমনি তাড়াহুড়ো করে শেষ করে দিলেও অনেক গ্যাপ থেকে যায়। তাড়াহুড়োর ফলে যেই ক্যারেক্টরগুলো আরও গুরুত্ব পেতো সেগুলো সেটাও পায়নি। ফলে খুব বেশি উপভোগ্য হয়নি।

অবসর প্রকাশনা সংস্থার প্রডাকশনে প্রকাশিত বইটির পেজ, বাইন্ডিং ও প্রিন্টিং সব ঠিকঠাক ছিল। বাক্য গঠনে হাতোগোনা কয়েকটি ভুল বাদে আর বাকিসবই প্রায় ঠিক আছে। হোম ডিস্ট্রিক্ট রাজশাহী আর রংপুর না হওয়ায় মাঝেমধ্যে দু'একটা শব্দ বুঝতে অসুবিধা হয়েছিল মাত্র।

প্রচ্ছদ করেছেন, পার্থপ্রতীম দাস। মোটামুটি ছিল। প্রচ্ছদের আউটপুট আরেকটু আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করা যেতো বলে আমার ধারণা।

#স্পোয়েলার_এলার্ট

এবার একটু বিস্তারিত আলোচনা করব। যে বিষয়গুলো খুবই খাপছাড়া লেগেছে কিন্তু স্পোয়েলার হবার ভয়ে উপরে বলিনি তা এখানে বলব।

পয়েন্ট এক, স্টার্টিং ও বইটির ফ্ল্যাপে বর্ণিত ব্লার্বে যেমনটা মনে হয়েছিল; ইমরান তার লেখনশৈলী দিয়ে পরাজিত করবে এআইকে আদতে সেটাই হয়নি। আর এজন্যই এই ক্যারেক্টরটি ছিল অপ্রয়োজনীয়। চরিত্রের মধ্যে সেই স্পিরিট যেহুতু স্টার্টিং'এ ছিল তাই সেটা প্রকাশ করাটাও আবশ্যক ছিল। দিনশেষে মিতি ফারজানার কথাই কিন্তু সত্য হলো। 'ইমরান পারবে না।' আসলেই সে পারেনি। একটা গল্পও অন্তত লিখতে পারত। তাও পারেনি। আরসালান ইব্রাহিম মিডিয়ায় 'শব্দজব্দ'র সত্যতা প্রকাশ করে দিয়েছে চাপে পড়ে। ইমরান আসলেই কিছু করেনি। অথচ স্টার্টিংটা যেভাবে ছিল সেভাবে মনে হচ্ছিল অদৃশ্য দাবার এই খেলায় ঘোড়ার চালটা হবে ইমরান। কিন্তু তেমন তো কিছু হলোই না বরং এই চরিত্রের কোনো গুরুত্বই চোখে পড়েনি। যে যে অধ্যায়গুলিতে তার বর্ণনা ছিল সেই প্রত্যেকটি অধ্যায়ে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও ছিল না, শুধু প্রথম অধ্যায় বাদে৷ প্রথম অধ্যায়ে যে তথ্যগুলি ছিল সেগুলি খোরশেদ উপস্থিত এমন অধ্যায়গুলোতে অনায়সে বর্ণনা করা যেতো।

পয়েন্ট দুই, ধৃতি গোমেজ তিনটা ছেলেকে খুন করেছে ভালো কথা কিন্তু খুনের মোটিভ এতোটাই অদ্ভুত যে মেনে নিতেই কষ্ট হয়েছে। মানে সামান্য এই কারণে কেউ কাউকে খুন করে ফেলবে এটা কেমন যেন অদ্ভুত। ধৃতি চরিত্রটা সাইকোপ্যাথও না। যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তী মনে হয়েছে।এতো সামান্য একটা কারণে ভড়কে গিয়ে তিন তিনটা ছেলেকে মেরে ফেলাটা খুবই আশ্চর্যজনক। আরেকটু স্ট্রং রিজন দেখানো সম্ভব ছিল। অন্তত জামিরকে খুন করার ব্যাপারটা এতো অদ্ভুত ছিল না। সেলফ ডিফেন্স বলে চালানো যায়। সমাপ্তিটা সত্যিই প্রচুর হতাশ করেছে।

বই পড়ুন ও নিজের কাছের মানুষকে বই পড়তে উৎসাহী করুন।

©RHR
4 reviews
March 6, 2021
আমার আসলেই বিশ্বাস হচ্ছিল না, এত সুন্দর একটি আরম্ভ দিয়ে লেখক শেষে গিয়ে জিনিসটাকে ড্যান ব্রাউনের অরিজিনের দুর্বল সংস্করণ বানিয়ে ফেলেছে। ওখানে তো তাও কির্শ একরকম প্রোপাগান্ডা লিখে। আর এইখানে একই মানু্ষ সুনীল, সমরেশ, হুমায়ূন, ছফা সব করে। শুরুতে যতটা আশা জাগিয়েছিল, শেষে এসে পুরো গুড়ে বালি। ২.৫/৫।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Mahmudul Hasan.
16 reviews2 followers
April 14, 2021
বাঙলা সাহিত্যের মৃত্যুঘন্টা বেজে গেছে।


আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) "শব্দজব্দ" কীভাবে সাহিত্য রচনা করছে? কিংবা, আজিজ মার্কেটের তেরোতলায় নকশালবাদী তিন তরুণের লাশের সাথে শব্দজব্দের সম্পর্ক কী? ধাঁধাটা আসলে এর মধ্যে কোনটা? কেনইবা সেটা জটিল?

ধাঁধার থেকেও জটিল পড়ে আমার অনুভূতি মিশ্র। একদিকে যেমন চমৎকার রচনাশৈলীর গুণে মুগ্ধ হয়েছি। আবার মনঃক্ষুণ্ণও হয়েছি নানাবিধ কারণে। বিশেষ করে অসমাপ্ত পরিসমাপ্তির কারণে, যেন শেষ হইয়াও হইল না শেষ!

উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক এর লেখার ভঙ্গিমা, রেটরিক। এমন প্রাঞ্জল ভাষা, শুধু পড়তেই ইচ্ছে করে। নকশালবাদ থেকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, খুনের রহস্য থেকে সার্থক লেখার ইন্ট্রোস্পেক্ট—সব দিকেই যাদুকরী অন্তর্দৃষ্টি প্রকটভাবে পরিলক্ষিত হয়। সাব-প্লটগুলোর মধ্যে গোলাম গাউসের অংশটা পাঠক-লেখক সবার কাছে সমাদৃত হবেই হবে।

এআই প্রসঙ্গের প্রকট উপস্থিতি থাকলেও মনে রাখতে হবে এটা কিন্তু কোনো সাই-ফাই উপন্যাস নয়। লেখকের অ্যাপ্রোচকে আমি স্যাল্যুট জানাই। এই সূত্রে বলা যায়, কার্ট কোবেইনকে স্টাডি করে এআই নির্ভানার ফেইক গান বানিয়ে ফেলেছে, সুতরাং বিষয়টা এগজিস্ট করে। একেবারে গাঁজাখুরি গপ্প নয়।

যাইহোক, লেখকের সব লেখা দ্রুত পড়ে ফেলার তাড়না অনুভব করছি। এই বইটাও সবার অন্তত একবার পড়া উচিৎ। শুধুমাত্র থ্রিলার হিসেবে পড়লে আশাহত হতে হবে এই আরকি!

স্পয়লার সেকশনে কিছু অদ্ভুত, অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে আলোকপাত করছি।

স্পয়লার অ্যালার্ট



বই : ধাঁধার থেকেও জটিল
লেখক : নিয়াজ মেহেদী
প্রকাশনা : অবসর প্রকাশনা সংস্থা
প্রকাশকাল : ২০২১
প্রচ্ছদ : পার্থপ্রতিম দাস
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৩৯
মলাট মূল্য : ২৫০
19 reviews9 followers
Read
May 7, 2021
বাংল��� সাহিত্যের মরণের চুলকানি উঠছে।

মানুষজন আগের মতো বই পড়িচ্ছে না। বইয়ের থিকা ফোনের স্ক্রিনের লগেই বেশি দোস্তি তাগো।

মলম লাগাইতে গিয়ে চুলকানি আরো বাড়ায়া দিছে শব্দজব্দ নামের এক আর্টিফিশিয়াল প্রোগ্রাম। বাংলা সাহিত্যের ক্লাসিক সব লেখার সিক্যুয়েল বাইর কইরা তোলপাড় কইরা দিছে সব। আর সেইগুলার কাছে বেল পাইতেছে নবীন-প্রবীণ লেখকদের লেখা।

শব্দজব্দের অহংকাররে পুত কইরা দেওনের শপথ নিয়া লিখতে বসলো ইমরান নামের এক কলেজের দর্শনবিদ্যার শিক্ষক। দেখায়া দিবে সে যন্ত্রের থিকা ইনসানের লেখা শ্রেষ্ঠ।

এইদিকে আজিজ মার্কেটের তেরোতলায় পাওয়া গেল তিন মডার্ণ নকশালবাদীর লাশ। ক্রাইমসিনে আজিব ক্রসওয়ার্ড পাজল। চ্যাটের বাল মিডিয়ার দাবি এগ্লা শব্দজব্দের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ।

এদিকে বইপাগলা বউয়ের বর ইন্সপেক্টর খোরশেদ ব্রো এতো তুরন্ত কোনো ডিসিশানে যাইতে চাইতেছেন না। তিনি ঘটনার হোলে আরো আঙুল চালায়া দেখতে চান। কারণ তার মনে হইতাছে ঘটনার মইধ্যে স্টোরি ঢুইকা গেছে। সেই স্টোরি ঘটনারে আড়াল কইরা রাখিছে।

মতামত : লেখার স্টাইল ভাল্লাগছে। লেখকের আগের দুইটা বই থিকা এট্টু আলাদা আছে এইটা।
ক্যারেক্টার বিল্ডিংগুলা খুব অল্পকথায় সোন্দর কইরা সাজাইছেন লেখক। মোটামুটি বুইঝা নিতে অসুবিধা হয়নাই কোন ক্যারেকটার কীরাম।

আঞ্চলিক ভাষার প্রয়োগ আর অঞ্চলগুলার বর্ণনা একদম ফুরফুরা হইছে। পড়তে আরাম। যুবতীর নাভি আশপাশের ত্বকের মতো মসৃণ।পেলব। কোমল।মাখন। খানাখন্দ নাই।

আমার জন্য সব থিকা জোস ব্যাপার হইলো এইটা রাজশাহী আর উত্তরবঙ্গের পটভূমিতে লেখা হইছে।

আমার রাজশাহী।☺😊😇

আমার পদ্মা।🤩
রাজশাহী বা উত্তরবঙ্গ নিয়ে লেখাগুলা আমার কাছে কারো কোলে মাথা রেখে চুলে ঢেড়সের মতো আঙুল চালিয়ে বিলি কাটাইয়া নিবার মতোন আরামদায়ক। নষ্টালজিয়া। একটা শান্তি। ওখানকার ভাষাভঙ্গি কানের জন্য শান্তি। ঠোঁটের কোণে নির্মল হাসি আইনা দেয়ার জন্য যথেষ্ট। ওখানকার পরিবেশ আর লাইফস্টাইলের বর্ণনা পাটক্ষেতের যমিনে শুইয়া আকাশ দেখনের লাহান নির্মল আনন্দ দেয়। বৃষ্টির পরে মাটির গন্ধ নেয়ার মতোন।

আমি মোটামুটি নিশ্চিত উত্তরবঙ্গের যারা এইডা পড়বেন,হ্যারা এট্টু হইলেও বেশি মজা নিবার পারবেন।

নাবিল মুহতাসিম, নিয়াজ মেহেদী, কিশোর পাশা ইমন… এই তিন জনের বই আমি আসলে মেইনলি রাজশাহী বা উত্তরবঙ্গের ফিল পাওনের লাইগা পড়ি। এনাদের বইগুলানে হয়তো সবসময় এইসব জায়গার পটভূমিকে ঘিরা হয় না। কিন্তু একটা অধ্যায় কী একটা প্যারাগ্রাফ বা নিদেনপক্ষে একটা লাইনে হয়তো রাজশাহীর ফিল থাকে,ঐখানকার নির্যাস থাইকা যায় কোনো না কোনো ভাবে। ঐটুকই আঁতিপাঁতি কইরা খুঁজি। লুপের মতোন পড়ি। শব্দগুলানে আঙুল বুলাই। তাকায়া থাকতে থাকতে শব্দ ভিজ্যা যায় কখনো কখনো। মরুভূমির মতো শহরটার স্মৃতি কল্পনায় ধরা দেয়। গন্ধও হয়তো ধরা দেয়।

আমার রাজশাহীর গন্ধ।

নিয়াজ মেহেদীর লেখার একটা বিশেষ দিক আমার হিসাবে নৈতিকতার চেক দেয়া। জাস্ট একটা গল্প বইলা যাওয়া না। কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক সেইটা চোখে আঙুল দিয়া দেখায়া না দিলেও প্রচ্ছন্ন একটা ভাইব থাকে লেখায় ছড়ায়া।
এইটারে আমি সাপোর্ট করি কখনো সখনো।

আপনেরা যারা বইটা পড়েন নাই পইড়া নিতে পারেন হাতের কাছে থাকলে।

অর্ডার করতে পারেন নিউজ হোম লাইব্রেরীতে। শুধু এটা নিলে কুরিয়ার চার্জ ৩০ টেকা পড়বে। রাজশাহী শহরের ভেতরে হোম ডেলিভারি নিতে চাইলে

নিউজ হোম
সোনা দীঘির মোড়
সাহেব বাজার
রাজশাহী
০১৫৫৮৪২৭৯২৫/০১৩১২৩৪০৭৮৫

এই দুই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

আর হ্যাঁ,বিকাশ-নগদ দুইটাতেই পে করতে পারবেন।
Profile Image for Mushaer Ahmed.
9 reviews3 followers
March 4, 2021
লেখকের 'এখানে আড্ডা দেওয়া নিষেধ' এ আমার ভালো লাগার কারণ ছিল প্রধানত চরিত্র গুলো। সাথে খুব ই রিলেটেবল ব্যাচেলর লাইফের চিত্রায়ণ। সম্ভবত সেই আশাবাদ থেকে বর্তমান বইটি পড়ে খানিক টা হতাশ হয়েছি। কোন চরিত্র ই খুব একটা ফ্লেশড আউট হয় নি। অ্যান্টাগোনিস্ট আরসালান আর গোলাম গাউস ছাড়া। তাদের ব্যাকহিস্টোরির ভালো চিত্র একেছেন লেখক। ইন্সপেক্টর আর তরুণ সাহিত্যিকের চরিত্র বিরক্তির উদ্রেক করেছে। আর চমক প্রদ আইডিয়া শুধু মাত্র প্রপার চিত্রকল্পের অভাবে ঝুলে গেছে মনে হয়েছে। থৃলারের জনরাতে পুরো খাপ না খেলেও অনেক রহস্যের জট ই খুলেছে সেল্ফ এক্সপোজিশনে কিংবা চরিত্রদের মগজের ফ্ল্যাশ মেমরি লেনে। যেটা চ্যাপ্টার ওয়াইজ কাহিনীর ঘনঘটায় আর সংলাপে বের হয়ে আসলে জমে যেত।
তাহলে, কেন পড়বেন? অবশ্যই অভিনব মূল কাহিনীর জন্য। যেটা আদতে আমাদের ফিউচার লিটারেচার চর্চা কোন দিকে এগুচ্ছে তার ইঙ্গিত দেয়। লেখক কে সেই সাধুবাদ জানাতেই হয়। সেটা দেশীয় পটভূমিকে বৈশ্বিক রুপায়ূনের জন্যো বললে বাড়িয়ে বলা হয় না।
Profile Image for Zubayer Kamal.
84 reviews21 followers
March 1, 2022
নিয়াজ মেহেদীর লেখা ক্রাইম ফিকশন। সম্ভবত এই জনরায় উনার প্রথম বই। ক্রাইম ফিকশনের মুল যেই বৈশিষ্ট্য, খুনিকে ধরার আগ পর্যন্ত বুঝতে না পারা, এই বইতে বেশ ভালোভাবেই দেখানো গেছে। যদিও মাঝখানেই খুনিকে দেখিয়ে ফেলে 'who done it' থেকে 'how to done it' পথে লেখক দৃষ্টি ফিরিয়েছেন। সব মিলিয়ে পড়ার মত একটি বই।

মহীনের ঘোড়াগুলির গানের যুক্ত হবার বিষয়টিও বেশ ভালো লেগেছে।

*** *** ***

Crime fiction written by Niaz Mehdi. Probably his first book in this genre. The essence of crime fiction, which is not understood until the killer is caught, is well illustrated in this book. However, in the middle, showing the killer, the writer has turned his attention from who did it to how to do it. A book worth reading altogether.

I also like the fact that Moheener Ghoraguli's are added to the song.
Profile Image for রায়হান রিফাত.
256 reviews9 followers
March 29, 2021
ধাধার থেকেও জটিল
-নিয়াজ মেহেদী

জীবনের একটা সময়ে সবাই বিপ্লবী হওয়ার স্বপ্ন বুনে,
আমিও বুনী এখন ও।
এই বিপ্লবী হওয়ার স্বপ্ন কেও পজিটিভ পথে থেকে করে ত কেও নাশকতা করে।
নাশকতা খুব কম সময়ে সফলতা বয়ে আনে।
কথায় আছে 'যায় দিন ভাল,আসে দিন খারাপ'

বিপ্লবের পিছনে দৌড়াতে গিয়ে সর্বস্ব হারানো কতিপয় মানুষ দের এই গল্প,এই গল্প কতিপয় লেখকের যারা লেখক হওয়ার পিছনে কত ত্যাগ তিতিক্ষা করেন তার গল্প।

এই গল এমন এক লেখনীর যে লেখনী আপনাকে সমাজে প্রতিটা স্তর নিয়ে ভাবাবে ♥

লেখকের পড়া প্রথম বই আমার,
ছোট বই হলেও ব্যস্ততার কারণে প্রায় ৬দিন লাগলো শেষ করতে!!
কিন্তু এক বসায় শেষ করার মত বই!!
রেটিং যদি দিতে হয়: ৮/১০

কেও না পড়লে পড়ে ফেলুন ♥
কেও ধার নিতে চাইলে ইনবক্স!!!
Profile Image for Sajol Ahmed.
56 reviews2 followers
August 3, 2021
ক্ষুদ্র প্রতিক্রিয়া

নিয়াজ মেহেদীর আমার পড়া প্রথম বই এটি। বইটা খুবই চমৎকার লেগেছে।
ছোট কলেবরের বইটি একেবারে ইউনিক ও মজার একটা প্লটে সাজানো হয়েছে। সহজ-সাবলীল ভাষায় লেখা গল্পটি প্রথম থেকেই জমজমাট। লেখকের গল্প বলার ঢং-ও বেশ। গল্পের মধ্যে কয়েকটা কবিতা গল্পের তেজ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে গল্পের শেষটা একটু ফিল্মি আর মনে হয়েছে দ্রুতই শেষ হয়ে গেল। শেষটা আরেকটু সুন্দর হতে পারতো। যাহোক সবমিলে বেশ উপভোগ করেছি বইটা।
Profile Image for তান জীম.
Author 4 books280 followers
September 14, 2022
অস্থির লেভেলের স্টার্টিং ছিলো নিয়াজ মেহেদীর 'ধাঁধার থেকেও জটিল' এর! ওনার কোন লেখা আমার আগে পড়া হয়নি। তাই যতই বইটাতে এগোচ্ছিলাম ততই মুগ্ধ হচ্ছিলাম যে, এই লোকের লেখা এত জোস কেন! তবে তা সত্ত্বেও বইটা আমাকে সে ভালো লাগা দিতে পারেনি। কারণ বইটা যেই প্রমিস নিয়ে শুরু হয়েছিলো সেই প্রমিস অর্ধেকের পড়েই হারিয়ে গেছে। স্রেফ লেখকের লেখার জোরেই বইটা শেষ করেছি।

কি ভালো লাগেনি, কেন ভালো লাগেনি আর কি ভালো লেগেছে তা পরে কোন এক সময় বিস্তারিত লিখবো।
3 reviews
April 16, 2021
ব‌ইটি শুরু থেকেই চমৎকার! নিয়াজ মেহেদী ভাইয়ের লেখনশৈলী খুবই ভালো।
লেখকের আজ অব্দি রচিত তিনটি বইই ভিন্ন স্বাদের 'আওলাদ মিয়ার ভাতের হোটেল', 'এখানে আড্ডা দেওয়া নিষেধ' এবং সর্বশেষ 'ধাঁধার থেকেও জটিল'; একজন চমৎকার লেখকের আবির্ভাব হয়েছে।
নিয়াজ মেহেদী ভাইকে শুভেচ্ছা রইল এবং তাঁর পরবর্তী বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম।
Profile Image for Azoad Ahnaf.
120 reviews
May 29, 2024
বইটার প্রতি আগ্রহ জন্মেছিলো ডেস্ক্রিপশন বলেন আর ফ্ল্যাপে লেখা কথা বলেন তা দেখে। পড়া শুরু করেও হতাশ হইনি। লেখকের লেখার হাত চমৎকার। বইতেও খুব বেশি টাইপো নেই। কিন্তু যে আশা নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম, সে আশা পরিপূর্ণতা পায় নি সমাপ্তিতে। তবে যেভাবে শেষ হয়েছে সেটা আশাও করি নি, করা উচিত ছিলো।
লেখকের বাকি বইগুলোও পড়তে হবে।
Profile Image for Amin Choudhury.
63 reviews
July 18, 2021
দুর্দান্ত শুরু, মাঝে এভারেজ আর শেষে বিলো এভারেজ। ইমরান চরিত্রকে কেনো শুরুতে এতো গুরুত্ব দেয়া হলো বুঝলাম না!
Profile Image for Nasrin Mehzabeen Anindita.
25 reviews18 followers
January 11, 2021
খুব সম্ভবত আমার এবছরে পড়া সেরা বই।বছরের শুরুতে এটা বলা খুব অর্বাচীনের কাজ হচ্ছে,তবে আমার ধারণা এই বক্তব্যটুকু বদলাবে না।প্লটটা অসাধারণ।এত সুমধুর গদ্য বর্তমানে অন্তত অন্য কারো কলম থেকে আমি পাই নি।শেষটা একটু দ্রুত হয়েছে।এই বই পাঁচশো পৃষ্ঠা হলেও আমার সমস্যা ছিল না।
Displaying 1 - 29 of 29 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.