বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো বই 'কোডেক্স গিগাস' বা শয়তানের বাইবেল, যা শয়তানের নিজের হাতে লেখা বলে বিশ্বাস করেন অনেকে, বইটি রয়েছে সুইডেনের লাইব্রেরিতে। এক ঈশ্বরের পুজারী নাকি ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস হারিয়ে শয়তানের সাহায্যেস এক রাতের ভেতর এত বড়ো বইটা লিখেছিল। বিজ্ঞানও হেরে গেছে এই যুক্তির কাছে। এত বড়ো বই হাতে লিখতে বহু বছর সময় লাগার কথা, অথবা হয়তো অনেকে মিলে লিখেছে। কিন্তু হাতের লেখাটা একজনের। কিন্তু কোথায় গেল শেষের পাতাগুলো? সেই পাতাতে ঠিক কী রয়েছে? কে খুঁজে পাবে ওই হারিয়ে যাওয়া পাতা? কোথায় রয়েছে সেই পাতাগুলো? সেই শয়তানের বাইবেলের হারিয়ে যাওয়া পৃষ্ঠাগুলোর খোঁজে এখনও ঘুরছে বহু লোক।
Very promising setting but the plot lacked conviction. The build up was good, however, the middle and ending was written very hastily, which gave made the overall read very dull.
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম manuscript Codex Gigas, আয়তনে 3 ফুট, ৬০০ পৃষ্ঠার এই বইটি 160 টি গাধা বা খচ্চরের চামড়া দিয়ে তৈরী। যা রয়েছে সুইডেন এর মিউসিয়াম এ।
বইটি পরিচিত শয়তানের বাইবেল নামে। যে বই লিখতে কয়েক বছর লাগার কথা সেই বইটি লেখা হয়েছে এক রাতে, শয়তানের সাহায্যে। বইটিতে রয়েছে চিকিৎসাবিদ্যা, জাদুবিদ্যা, ডাকিনিমন্ত্র। আর রয়েছে শয়তানকে আহ্বান করার মন্ত্র শেষ 20 টি পৃষ্ঠায়। যে পাতাগুলো ভারতের পটভূমিতে সংরক্ষন, হারিয়ে যাওয়া আর পুনরুদ্ধারের গল্প রয়েছে এতে।
বইটা শুরুর ২ ঘন্টার মধ্যে পড়ে ফেলেছি। জমেনি, হতাশ হয়েছি। codex gigas নিয়ে যে আগ্রহ, তার জন্য এই বইটি কেনা, তারপর লেখিকার fiction ব্যাপারটা আমার কাছে তেমন জমেনি। ভালো লাগেনি, অযথা অনেক ক্যারেক্টার এনে চরকির মতো ঘুরিয়েছে।
This entire review has been hidden because of spoilers.
কোডেক্স গিগাস সম্পর্কে আমি জানতে পারি মাত্র দুই কি তিন সপ্তাহ আগেই। এরকম কিছু যে পৃথিবীতে আছে তা আমার কল্পনারও বাইরে ছিলো। এখন এটা সত্য হোক কিংবা মিথ্যা, বিষয়টা যে বেশ ইন্টারেস্টিং বা অ্যাট্রাক্টিভ এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই।
ধারণা করা হয় 'কোডেক্স গিগাস' বা 'শয়তানের বাইবেল' শয়তান এক রাতের মধ্যে নিজ হাতে লিখেছে। বইটা বিশাল মোটা। এটার যেমন দৈর্ঘ্য, তেমনই প্রস্থ। বইটার ওজন প্রায় ১৬৫ পাউন্ড। আনুমানিক ১৬০টা গাধা বা খচ্চরের চামড়া দিয়ে বইটা তৈরি। এই বইয়ের প্রথমে শয়তানের একটা ভয়ংকর ছবি এবং শেষে প্যারাডাইসের একটা ছবি রয়েছে যার সম্ভবত symbolic কিছু মিনিং আছে। বইটার বেশ কয়েকটা পাতা(১০ বা ২০টা) হারিয়ে গেছে যা আর কোনোদিনই খুঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এই বই সুইডেনের জাতীয় গ্রন্থাগার স্টকহোমে সংরক্ষিত রয়েছে। বইটার সম্পূর্ণ ইতিহাস আমি এখানে বলবো না। এর সাথে মিথ বা লিজেন্ডের খানিকটা যোগাযোগ আছে। আপনাদের আগ্রহ থাকলে উইকিপিডিয়া ঘেঁটে দেখতে পারেন।❤
দেবদত্তা বন্দোপাধ্যায়ের লেখা 'শয়তানের বাইবেল' মূলত মূল কোডেক্স গিগাসকে ঘিরে লেখা একটি থ্রিলার উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান বিষয়- কোডেক্সের হারিয়ে যাওয়া পাতাগুলো। এই ১০ বা ২০ পৃষ্ঠার মধ্যে রয়েছে শয়তানকে জাগিয়ে তোলার মন্ত্র। পাতাগুলোকে উদ্ধার করার জন্য পুরো বিশ্বে অনেক লোক ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিভিন্ন জনের উদ্দেশ্য বিভিন্ন রকম। কেউ চায় পাতাগুলোকে সংরক্ষণ করে রাখতে যাতে লুসিফার কখনো জাগতে না পারে, আবার কেউ চায় হারিয়ে যাওয়া পাতাগুলো উদ্ধার করে পুনরায় শয়তানের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে। আবার কারো উদ্দেশ্য শুধুই অর্থ।
জেকব স্মিথ, ম্যাক, পদম, রবিন, ফাদার থমাস এদের প্রত্যেকেই বেশ এনার্জেটিক ক্যারেক্টার। এরা ভালো লোক হোক আর নাই হোক, উপন্যাসে একটা টানটান উত্তেজনা তৈরি করতে সক্ষম। শেষে এসে কাহিনীর মোড় যেভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে সেটা সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে আমার। তবে বেশ কিছু ব্যাপার ambiguous ছিলো। যেমন প্রথমেই বলা হয়েছে যে কোডেক্সের পাতা কখনোই নষ্ট হওয়ার না। পানিতে পড়লেও এর কিছু হবে না, আবার আগুনে পুড়লেও এর ধ্বংস নাই। কিন্তু তার কিছু পাতা পরেই উল্লেখ আছে, 'আগুনে বইটির কিছু পাতা পুড়ে যায়।'
আরো একটা ব্যাপার। মোট ৭৭ পৃষ্ঠার একটা বই, কাহিনীকে develop করতে একটু বেশি সময় নেওয়া হয়েছে, especially কোডেক্স গিগাসের ইতিহাস বেশ কয়েকবার উঠে এসেছে। কিন্তু সেটা সম্ভবত দরকারও ছিলো। সেক্ষেত্রে বইটা আরেকটু বেশি lengthy হলে সমস্যা ছিলো না। যা হোক, সব মিলিয়ে একটা ওয়ান টাইম রিডের জন্য খারাপ না।