একটা বিশাল দীর্ঘশ্বাস ফেলে রেললাইনের ধারে লাগোয়া একটা চা’র দোকানে চায়ের অর্ডার দেয়। নানা কারনে তার অনেক বিষয় পরের জন্য তোলা আছে। জীবনটাও যদি তুলে রাখা যেতো ভালো হতো। বিধাতার উচিত জীবন তুলে রাখার একটা নিয়ম চালু করা। চা তলে আসে। চায়ে চুমুক দিয়ে তানিমের বিধাতা হতে ইচ্ছা করে। বিধাতা হলে সে মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলতো। পৃথিবীর সবচে’ আনন্দদায়ক খেলা মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা। একমাত্র বিধাতার হাতেই এই ক্ষমতা আছে। আপাতত তানিমের বিধাতা হতে ইচ্ছা করছে আর ইচ্ছা করছে কারো ভাগ্যকে হাতে টেনে নিয়ে ইচ্ছামতো খেলতে!
পড়া শুরু করা পর যথেষ্ট মনযোগ আকর্ষণ করতে সফল হয় বইটি। লেখার ভাষা সাবলীল অনেক। ' Page Turner ' উপন্যাস বলা যায় । তবে বস্তির লোকজনের প্রথম দিকের আচরণ যেভাবে বিপদে পরার পরে বদলে যায় সেই অংশ আমার কাছে বিশেষ মনে হয়েছে। কিন্তু, সত্যি বলতে বইয়ের শেষের অংশ একদম ভালো লাগে নাই। বিরক্তিকর অনুভূতির জন্ম দিয়েছে । একবার একটা বই পড়ার পরে চুপচাপ বসে বইটা পর্যালোচনা করি আবার মনে মনে। তো তেমনটা করার পর বইটাকে বেশ সাদামাটা মনে হয়। সমকালীন সময়ের একটা গল্প সাদামাটা হবে তা ঠিক কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজন পাঠকের মনে যথেষ্ট আবেগ থাকবেনা বরং পাঠক বিরক্ত হবে বইটা শেষ করার পরে। এমনটা হওয়া বোধহয় উচিত না ।