Jump to ratings and reviews
Rate this book

বিষকন্যা

Rate this book

Unknown Binding

5 people are currently reading
39 people want to read

About the author

Sharadindu Bandyopadhyay

179 books453 followers
Sharadindu Bandyopadhyay (Bengali: শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়; 30 March 1899 – 22 September 1970) was a well-known literary figure of Bengal. He was also actively involved with Bengali cinema as well as Bollywood. His most famous creation is the fictional detective Byomkesh Bakshi.
He wrote different forms of prose: novels, short stories, plays and screenplays. However, his forte was short stories and novels. He wrote historical fiction like Kaler Mandira, GourMollar (initially named as Mouri Nodir Teere), Tumi Sandhyar Megh, Tungabhadrar Teere (all novels), Chuya-Chandan, Maru O Sangha (later made into a Hindi film named Trishangni) and stories of the unnatural with the recurring character Baroda. Besides, he wrote many songs and poems.

Awards: 'Rabindra Puraskar' in 1967 for the novel 'Tungabhadrar Tirey'. 'Sarat Smriti Purashkar' in 1967 by Calcutta University.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
29 (22%)
4 stars
49 (37%)
3 stars
42 (32%)
2 stars
7 (5%)
1 star
2 (1%)
Displaying 1 - 14 of 14 reviews
Profile Image for Nowrin Samrina Lily.
160 reviews15 followers
December 15, 2021
Finally I've overcome my reading slump!💜
প্রেম ভালোবাসা এখন আর ভালো লাগেনা, বিশ্বাসই উঠে গেছে বলতে গেলে। এখনতো রীতিমতো অসহ্য লাগে। কিন্তু এই বইটা কেন জানি অনেক ভালো লেগেছে পড়তে। অনেকদিন বই পড়াই হয়না বলতে গেলে। এক্সামের চাপ,খারাপ এক্সাম দেওয়া, মানসিক শান্তিতে না থাকায় কোনোকিছুতে মন দিতে পারতাম না। ডেইলি ৫পাতা করে তাও কিছু না কিছু বই পড়তাম কিন্তু শেষ করতাম না কিছুই। যাক আজকে তাও একটা বই শেষ করে মনটা শান্তি লাগছে,যদিও রাতে শেষ করেছি,কিন্তু রিভিউ দিতে দেরি হয়েছে ওইযে ভালো লাগেনা মনে তাই।
it was really a sweet enemy to lover read for me....thanks for recommending this book to me, dada💜
Profile Image for Tanoy Bhowal.
63 reviews4 followers
June 12, 2022
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিষকন্যা গল্পটা অসাধারণ কোনো সন্দেহ নেই কিন্তু বিষকন্যা বিষয়ে অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এর লেখা " গণিকা-দর্শন " বইটা বোধ হয় বিষকন্যাদের নিয়ে একদম সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন।
মূলত মহাভারতের যুগে ‘বিষকন্যা’ নামক এক শ্রেণির সুন্দরী গণিকাদের কথা জানা যায়। এঁরা খুনে গুপ্তচর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তাঁদের কাজ ছিল যৌনসম্ভোগকালে ওষ্ঠ-চুম্বনে অথবা দন্তদংশনে এরা হত্যার জন্য প্রেরিত ব্যক্তির শরীরে বিষ ঢেলে দিত। সেই ব্যক্তি জ্ঞান হারালে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করত এবং তাঁর পুরুষাঙ্গটিও কেটে ফেলা হত। শৈশবকাল থেকেই সুন্দরী কন্যাসন্তানদের শরীরে অল্প অল্প করে বিষ প্রয়োগ করে তাঁদের শরীরকে বিষ সহনীয় করে তোলা হত রাজাদের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায়। এই প্রক্রিয়াকালে অনেক কন্যাসন্তান বিষের প্রভাবে মারাও যেত। যাঁরা সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যেত, তাঁদের শরীর জুড়ে বিষের প্রবাহ। এইসব মেয়েরা পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে উঠলে শত্রু কবজা করতে পাঠিয়ে দেওয়া হত। এঁরা শরীরী-ছলনায় কামুক পুরুষদের দখল নিত।
পৃষ্ঠপোষকারী রাজা যখন মনে করত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিপক্ষ রাজাকে হত্যা করার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে, তখন এইসব মেয়েদের পাঠিয়ে দেওয়া হত সংশ্লিষ্ট রাজার বিলাসভবনে।এঁদের প্রথম কাজ ছিল রাজার খাবারে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানো। তবে রাজাকে সন্দেহমুক্ত করার জন্য নিজেকেও সেই বিষ মেশানো খাবার খেতে হত। এরপর রাজা সেই বিষ-খাবার খেয়ে মারা যেত, কিন্তু বিষকন্যাদের কিছু হত না।

যে পদ্ধতিতে বিষকন্যাদের বিষসহনে অভ্যস্ত করা হত তার নাম মিথ্রিডেটিজম বা Mithridatism.

# মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য একবার মরতে মরতে বেঁচে যান চাণক্যের তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে। মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্তের সঙ্গে মগধসম্রাট ধননন্দের সঙ্গে বিরোধ ছিল। দাম্ভিক, প্ৰজাবিদ্বেষী রাজা ধননন্দের ভয়ে চন্দ্রগুপ্ত জঙ্গলে আত্মগোপন আছেন। প্রজ্ঞা ও চতুর কৌশলে চাণক্য আভাস পাচ্ছিলেন চারপাশে চন্দ্রগুপ্তকে হত্যার চক্রান্ত চলছে, তার মধ্যে বিষকন্যা কর্তৃক বিষের আক্রমণের সম্ভাবনাই ছিল প্রবল। তাই চন্দ্রগুপ্তের খাবারে তিনি গোপনে প্রতিদিন বিষ মিশিয়ে দিতেন। বিষের স্পর্শ থেকে বাঁচাতে চাণক্য এইভাবেই চন্দ্রগুপ্তের শরীরকে তৈরি করতে থাকলেন। যুদ্ধে ধননন্দের মৃত্যু হলেও ধননন্দের রাক্ষস নামক মন্ত্রী চন্দ্রগুপ্তের কাছে এক লাস্যময়ী বিষকন্যাকে পাঠিয়ে দিলেন। মৌর্যসম্রাটের ছায়াসঙ্গী চাণক্য সেই বিষকন্যাকে দ্রুত চিনে ফেললেন। তিনি সেই বিষকন্যাকে চন্দ্রগুপ্তের ত্রিসীমানায় ঢুকতে দিলেন না। বিষকন্যাকে পাঠিয়ে দিলেন পর্বতকের কাছে। পর্বতক ধননন্দের পুত্র। পর্তক চন্দ্রগুপ্তের প্রতিদ্বন্দ্বী। চন্দ্রগুপ্তের পথের কাঁটা হয়ে তিনিও গোপনে ষড়যন্ত্র রচনা করছিলেন। চন্দ্রগুপ্তকে পাঠানো বিষকন্যার ছোবলেই পর্বতকের মৃত্যু হয়।
# অর্ধেক পৃথিবীর ‘রাজা’ তৃতীয় আলেকজান্ডারের শিবিরে বহুমূল্যের উপঢৌকন পাঠালেন ভারতীয় রাজ্যের রাজা সিকান্দার। সঙ্গে পাঠালেন পাঁচ অপরূপ সুন্দরী লাস্যময়ী নারী। সেই ক্ষীণকটির রূপবৈভবে মুগ্ধ হয়ে গেলেন গ্রিক শিবির। নারীর প্রতি যে আলেকজান্ডারের আসক্তি ছিল, সে কথা ততদিনে ভারতে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই আসক্তিকেই সুচারুভাবে কাজে লাগালেন ভারতীয় রাজা। আলেকজান্ডারও ঘুণাক্ষরে টের পেলেন না ভারতীয় রাজার কৌশল। লুব্ধ দৃষ্টিতে মোহিত হয়ে লাস্যময়ী নারীর দিকে এগোতে থাকলেন আলেকজান্ডার। ভারতীয় রাজা এই সুযোগের জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। আত্মসমর্পণের বদলা নিতেই রাজা লাস্যময়ীদের পাঠিয়েছিলেন। গ্রিকশিবিরের আলেকজান্ডারের সঙ্গে ছিলেন অ্যারিস্টটল। আলেকজান্ডারের গুরু। লাস্যময়ীর নৃত্যে আলেকজান্ডার মোহিত হয়ে গেলেও অ্যারিস্টটল সতর্ক ছিলেন। তিনি আলেকজান্ডারকে সতর্ক করে বললেন–“আর এগিয়ো না বৎস। এই লাস্যময়ী বিষকন্যা”। আলেকজান্ডার বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না গুরুকে।গুরু অ্যারাস্টটলের দিকে অবিশ্বাসের চোখে তাকাতেই গুরু বললেন–“অপেক্ষা করো বেটা। আমি প্রমাণ দিচ্ছি”। অ্যারিস্টটল ঈশারায় দুজন দাসকে কাছে ডাকলেন এবং আদেশ দিয়ে বললেন–“ওই নারীর ওষ্ঠে চুম্বন করো”।
চুম্বন করবে কী! তাঁরা সেই লাস্যময়ী নারী শরীর স্পর্শ করামাত্রই দুজন দাসই মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। এখানেই শেষ নয় পরীক্ষার। তিনি সেই নারীকে আলেকজান্ডারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ঘোড়াকে স্পর্শ করতে বললেন। নারীর স্পর্শে নিমেষে তেজি ঘোড়া নিস্তেজ হয়ে গেল। এবার আলেকজান্ডারের মোহ ভাঙল এবং তলোয়ার দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করে দিল এই গুপ্তঘাতিনী লাস্যময়ী নারীকে।

# প্রাচীন ভারতের বিখ্যাত তিন চিকিৎসক হলেন–চরক, সুশ্রুত ও ভাগবত। এঁরা তাঁদের রচিত গ্রন্থে বিষকন্যাদের কথা লিখে গেছেন। সেখানে বলা হয়েছে বিষকন্যাদের চেনার সহজ উপায়–(১) অকারণ হাসি, (২) চুলে আঙুল চালানো, (৩) সন্দেহজনক আচরণ, (৪) অতিরিক্ত কথা বলা, (৫) মাটি আঁচড়ানো, (৬) ঘনঘন পিছন ফিরে দরজা দেখা, (৭) কোনো প্রশ্ন করলে নীরব থাকা ইত্যাদি।

বিষকন্যার বিষের সঙ্গে কীভাবে রক্ষা পেতে হবে, সেই উপায়ও বাতলে দিয়েছেন চিকিৎসক সুশ্রুত। কীভাবে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে সে কথাও বলে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন মেয়েদের অন্ন, দাঁত মাজার সামগ্রী, চুলের তেল, জামাকাপড়, স্নানের জল, চোখের পথ্য, অলংকার, প্রসাধনী দ্রব্য ইত্যাদিতে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Profile Image for Amjad Hossain.
196 reviews1 follower
October 19, 2021
পাইলাম না- পাইলাম না।প্রিয়তম তোমাকে পাইয়াও পাইলাম না।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews19 followers
November 13, 2023
ভালোবাসার জন্য কতকিছুই না হয়। শেষ করা, শেষ হয়ে যাওয়ার মধ্যেও যে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ থাকতে পারে। এই গল্পের মাধ্যমে তা যেন আরেকবার উপলব্ধি করলাম।
Profile Image for S.M. Shashi.
21 reviews1 follower
April 26, 2021
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক গল্পের মধ্যে অন্যতম 'বিষকন্যা'। প্লট হিসেবে নেয়া হয়েছে ৬৫০-৭৫০ খ্রিস্টাব্দ, যখন বাংলা বিশৃঙ্খলা, অরাজকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল বংশের অভ্যুদয় ঘটার আগের কোনো এক সময় নিয়ে লেখা। এক অখ্যাত রাজা চণ্ডের রাজসভা দিয়ে গল্পের কাহিনীটি শুরু হয়; যেখানে গণক রাজার সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যার কোষ্ঠী নির্ণয় করছিলেন এবং সে-ই কন্যা নির্ণীত হয় বিষকন্যা হিসেবে।
ইতিহাস থেকে পাওয়া যায়, তৎকালে রাজা তার বিরোধিতা সহজে মিটানোর জন্য যুদ্ধের জন্য তৈরি না করে, সাধারণ লোকবল না হারিয়ে শত্রুতা সহজে নাশ করার জন্য বিষকন্যাকে ব্যবহার করত। এ সকল বিষকন্যাদের কাজ ছিল মূলত নিজের রূপে বশ করে, শত্রুপক্ষের বিশ্বাসভাজন হয়ে তাদের নাশ করা। এসকল বিষকন্যারা এমনভাবে তৈরি হয়েছিল যাতে বিষ তাদের উপর কোনো কাজ না করে, সেরকম প্রতিষেধক তাদের শরীরে তৈরি থাকতো।
বলা হয়ে থাকে বিষকন্যাদের ঘাম, চোখের পানি পর্যন্ত বিষাক্ত।
কিন্তু শুধু বিষকন্যার নামের যথার্থতা জেনে গল্পের কাহিনী বিচার করবেন না যেন! কারণ আপনি এখনো জানেন না, এই বিষকন্যার কার প্রাণনাশ করবে—সে কি শত্রুপক্ষ, নাকি নিজ পিতা? নিজ বংশের ক্ষতির কারণ হবে? নাকি রূপ দিয়ে সেনজিতকে বশ করবে অথবা নিজেই সেনজিতের প্রেমের বশীভূত হবে? আর এসবের কোনটি হবে, কীভাবে হবে, তা জানতে হলে গল্পটি পড়ে ফেলুন!

"হিংসা পরিচালিত জনতা চিরদিনই নিষ্ঠুর।"
Profile Image for Yeasmin Nargis.
201 reviews5 followers
Read
July 31, 2025
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বিষকন্যা’ গল্পে ইতিহাস আর কল্পনার অপূর্ব মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে রাজনীতি, ষড়যন্ত্র আর মানবিক দুর্বলতার এক রহস্যময় অধ্যায়। মহাভারতের যুগ থেকেই ‘বিষকন্যা’ ছিল শাসকদের গোপন অস্ত্র শৈশবকাল থেকে বিষে অভ্যস্ত করে তাঁদের শরীরকে বিষের আধার বানানো হত। যৌনমোহ আর সৌন্দর্যের প্রলোভন ছিল তাঁদের প্রধান অস্ত্র; ওষ্ঠ-চুম্বন বা দন্তদংশনে শত্রুকে হত্যা করাই ছিল তাঁদের কাজ।

চাণক্যের দূরদৃষ্টি চন্দ্রগুপ্তকে এমন এক ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করেছিল, আর আলেকজান্ডারও অ্যারিস্টটলের সতর্কতায় প্রাণে বেঁচে যান। চরক, সুশ্রুত ও ভাগবতের মতো চিকিৎসকেরা বিষকন্যাদের বৈশিষ্ট্য ও প্রতিরোধের উপায় লিপিবদ্ধ করেছেন অকারণ হাসি, চুলে আঙুল চালানো, সন্দেহজনক আচরণ কিংবা খাবার-প্রসাধনে বিষ মেশানো সবই ছিল মৃত্যুর ফাঁদ।

শরদিন্দু লিখেছেন-
“রাজনীতির পথে অতি সৌন্দর্যও কখনো কখনো মারণাস্ত্র হয়ে ওঠে। চাণক্য জানিতেন, এ সৌন্দর্য যাঁহাকে ছোঁয়, সে মোহে অন্ধ হইয়া যায়।”

এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ক্ষমতার খেলায় নারী-সৌন্দর্যও এক ভয়ংকর ও কৌশলী অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে।
Profile Image for Pritom Paul.
134 reviews1 follower
February 17, 2021
Game of thrones কে টেক্কা দিতে পারে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে কোন ঐতিহাসিক গল্প বা উপন্যাস।

ইতিহাস সাক্ষী থাকে যুদ্ধের ,
রাজাদের উত্থান পতন এর।

কিন্তু বিষকন্যার কোন সাক্ষী নেই।
শুধু আছে একটা প্রশ্ন?
বহু শতাব্দী প্রাচীন অতীত থেকে শুধু একটা প্রশ্ন চিহ্ন সে রেখে যায় বর্তমানের কাছে "বিষকন্যা"
★যার স্পর্শে মৃত্যু নিশ্চিত
★যার দুচোখে প্রতিশোধের তীব্র আগুন
★সেই বিষকন্যা যার ভাগ্য গননা করে রাজপণ্ডিত বলেছিলেন এই কন্যা যার কাছে যাবে মৃত্যু তাকে গ্রাস করবে
সেই কন্যা যদি সত্যিই বিষকন্যা হবে
তাহলে সে সেনজিৎ কে না মেরে নিজে মারা গেল কেন?
Profile Image for DEYA CHAKRABORTY.
37 reviews
November 20, 2021
রেটিং ২.৫ দিচ্ছি।
অডিওবুকের সাহায্যে পড়া আরেকটি বই। শুরুটা আসাধারণ। মাঝে ও শেষে একটু এলোমেলো মনে হয়েছে। কোন চরিত্রের সম্পর্কে লেখক পরিষ্কার কোন বর্ণনা দেননি। বিষকন্যা, রাজা চন্ড, বা সেনজিত - কাউকেই ঠিক বুঝে ওঠা গেল না। তবে গল্পপাঠকের তুখোড় পঠনের জন্য সেই ভালো না লাগাগুলো বেশিক্ষণ কাজ করেনি।
Profile Image for Saumen.
257 reviews
May 30, 2022
একটা সাধারণ গল্পকে যে কিভাবে অসাধারণ করে তোলা যায় কন্ঠের কারিকুরিতে, সানডে সাসপেন্স না শুনলে বুঝতাম না।

বহুদিন মনে থাকবে গল্পটা, টিম মির্চির সৌজন্যে।
Profile Image for Saikat B.
88 reviews
August 1, 2023
এ সম্পর্কে প্রথম জানা শ্রীপান্থের দেবদাসী থেকে।যাইহোক,উনার এই ঐতিহাসিক গল্পটা বেশ ভালোই লাগলো। সাথে ইতিহাসের শিশুনাগ সাম্রাজ্যেরও উল্লেখ বেশ ভালোই।
Profile Image for Mst.Afra Islam Nabila.
28 reviews
November 6, 2025
ছোট একটা বই কিন্তু শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় কি অসাধারণ ভাবে সাধারণ একটা গল্পকে ফুটিয়ে তুলেছেন!
Profile Image for Gain Manik.
377 reviews4 followers
January 7, 2026
ভালবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন মিছে এ ভালবাসা
94 reviews2 followers
April 18, 2025
ঝংকারময় শব্দ আর অলংকারের জন্য বেশ লেগেছে। গল্পের সমাপ্তি কোনদিকে যাচ্ছিল বেশ খানিকটা পড়ার পরই আন্দাজ করা যাচ্ছিল, কিন্তু বেশ সুন্দরভাবে লিখেছেন লেখক। ব্যোমকেশের লেখক যে এরকম কাহিনী আর গদ্যও লিখতে পারেন ব্যাপারটি দারুণ!
Displaying 1 - 14 of 14 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.