Jump to ratings and reviews
Rate this book

অসমাপ্ত ক্যানভাস

Rate this book
সিরিয়াল কিলারটিকে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নাম দিয়েছে 'ক্যানভাস কিলার'। তার ক্যানভাস হচ্ছে ‘সিভিলিয়া’ নামের দেশটির এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত। প্রত্যেক খুনের পর সে প্রদর্শন করে তার প্রতিভার নিদর্শন রক্ত দিয়ে গোলাপ এঁকে। একই সাথে পরিকল্পনা করে যাচ্ছে এমন এক সমাপ্তির, যার সার্থকতার ‌অর্থ এক মুহূর্তেই হাজারো প্রাণ সময়ের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া!!!

তাকে এই রক্তাক্ত ছবির অঙ্কন শেষ করতে দেওয়া যাবে না! এজন্য তার বিরুদ্ধে বুদ্ধিমত্তার যুদ্ধে নামছে প্রবাসী বাঙালি এজেন্ট 'লিসা কবির' এবং তার বস, ডিটেকটিভ 'ডিন ক্লিন্টন'।
তাদের উদ্দেশ্য, নিরীহদের রক্ষা করে সিরিয়াল কিলারের সেই রক্তিম ক্যানভাসটিকে অসমাপ্ত রাখা~!

যে ভা বে ই! স ম্ভ ব !

~ একটি সিরিয়াল কিলার
~ ১১ টি অসমাপ্ত তদন্ত
~ দুজন সত্যান্বেষী
~ এবং এক অপশক্তির আগমনের কাহিনী নিয়ে অন্বেষা প্রকাশনের এবারের ডিটেকটিভ থ্রিলার উপন্যাস;

'অসমাপ্ত ক্যানভাস'

The police officially titled him 'Canvas Killer', because his canvas was the entire United Kingdom of Civillia. In order to show his talent, after every murder he would draw a red rose above his victims head. At the same time he is planning a grand finale that would instantly eradicate millions of individuals in a matter of seconds!

Somebody has to stop his bloody art. And the only people that stepped in to defeat him through a battle of wits are, Agent Lisa Kabir and her boss, Detective Dean Clinton.

Their aim is, to save the millions by keeping the killers blood red canvas; incomplete!

-1 Serial Killer
-11 incomplete cases
-Two truth seekers
-And tale that tells the origin story of a true evil;

'Unfinished Canvas'

446 pages, Hardcover

First published February 1, 2021

1 person is currently reading
34 people want to read

About the author

Zunaed Islam

7 books63 followers
Aspiring supernatural-thriller author from Bangladesh who is willing to explore different genre's of fiction to provide thrilling tales to his readers.
His published books are:
1. দ্য রেড ডোর
2. ইউক্লিড
3. অসমাপ্ত ক্যানভাস
4. এক হাজার সূর্যের নিচে
5. ডাস্কমেইডেন
6. ক্রিমসন
7. দ্য ব্ল্যাক ফ্লেইম
And many more to come!

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (31%)
4 stars
9 (40%)
3 stars
3 (13%)
2 stars
1 (4%)
1 star
2 (9%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Imran.
136 reviews7 followers
January 4, 2022
সলিড- ৩.৫০/৫
2 reviews1 follower
February 19, 2021
বইটিকে মার্কেটিং করা হয়েছে ডিটেকটিভ থ্রিলার হিসেবে এবং যথাযথ স্বার্থকও বইটি একটি ডিটেকটিভ থ্রিলার বই হিসেবে। পৃষ্ঠতলে এটি এক প্রবাসী বাঙ্গালি এজেন্ট লিসা কবির আর তার বস ডিটেকটিভ ডিন ক্লিন্টনের গল্প, কিভাবে তারা একটি সিরিয়াল কিলারকে ধরবে যে প্রতি খুনের পর রক্ত দিয়ে গোলাপ আঁকে নিজের সিগনেচার হিসেবে। তারই খোজে আমাদের দু গোয়েন্দা একে একে ছোট ছোট কয়েকটি কেস পেতে থাকে প্রত্যেক এপিসোডে। সেই কেসগুলোকে সেই এপিসোডেই সমাধান দেওয়া হয়, কিন্তু প্রত্যেকটি কেস এ ক্যানভাস কিলারকে ধরার নতুন ক্লু বের হয়ে আসে নয়তো উপায় বের হয়ে আসে নয়তো ক্যানভাস কিলার নিজেই শার্লক এর মরিয়ার্তির মত উঁকি দিয়ে যায় শেষে। ক্যানভাস কিলারের এই বিষয়টা খুবই অসাধারণ লেগেছে যে, যেকোনো সময় যেকোনো মুহুর্তে সে আপনার পেছনে দাড়াতে পারে এবং আপনি কখনই চরিত্রদের নিরাপদ মনে করতে পারবেন না। লেখকের এই দিকটা আগেও অনেকেই উল্লেখ করেছেন, আমিও আজও করছি। অনির্দেশ্যতা জুনায়েদ ইসলাম ভাইয়ের লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট।
বইটির মাঝপথের একটু আগেই বইয়ের আসল চেহারা ভেসে আসবে, যখন অসাধারণ দুটো কেস আপনার সব মনোযোগ কেড়ে নিবে। ইন্টেন্স কিছু মুহুর্ত আছে যেটা আমি কোনভাবেই স্পয়েল করতে রাজী না। এপিসোড ৫ আর ৬, ভাই রে ভাই!




বইটির প্রথম অর্ধেক ক্যানভাস কিলারকে নিয়ে। কিন্তু শেষ হয়েও শেষ হয় না কাহিনী। বইটি দ্বিতীয় ফেজ শুরু হয় জার্মানির একটি নাৎজি এক্সপেরিমেন্টকে নিয়ে। তারপর একে একে বইটি অন্বেষণ করা শুরু করে সাই-ফাই/হরর/ফ্যান্টাসি বিভিন্ন জনরা এবং ডিটেকটিভ দুজন এমন এক পরিস্থিতির সামনে উপস্থিত হন যার সাথে তারা পরিচিত নন। এবং উদ্ভূত এমতাবস্থায় কি সিদ্ধান্ত নিবে তারা, সেটা পড়ার অভিজ্ঞতাটাই ছিল মূলত বইয়ের দ্বিতীয় ভাগের মূল আকর্ষন। আর বেশ ভালো লেগেছে দ্বিতীয় ভাগটুকু। প্লটটির শুরু হয়েছিল প্রধান চরিত্রের মাথা ব্যাথা নিয়ে এবং ছোট রোগটি হয়ে পরে মহাজগত ধ্বংসকারী এক হিসেবে, এবং কি বলবো, আমি সত্যিই মুগ্ধ!
অসাধারণ একটি বই। সিমপ্লি অসাধারণ। যারা উনার প্রথম বই দ্য রেড ডোর পড়েছেন উনাদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি ৫/৫। যারা পড়েন নি, তাদেরও পড়তে সমস্যা হবে না কারন স্ট্যান্ডএলোন কাহিনী এটা। তাদের জন্য বইটি ৪/৫।
Highly Recommended!

Profile Image for Ariyan Shuvo.
77 reviews1 follower
July 30, 2021
-- একটি সিরিয়াল খুনি
-- এগারোটি অসমাপ্ত তদন্ত
-- দুজন ডিটেকটিভ
-- এবং এক অপশক্তির আগমনী বার্তা নিয়েই অসমাপ্ত ক্যানভাস।

We have art, so that we shall not die of reality.
- Friedrich Neitzsche

অসমাপ্ত ক্যানভাস || জুনায়েদ ইসলাম

কাহিনী সংক্ষেপ
----------------------------

গল্পটা লিসা কবিরের - সিভিলিয়ায় পড়ালেখার পাশাপাশি সে একটি প্রাইভেট ডিটেকটিভের অফিসে কাজ করে, যার বস হচ্ছে ডিটেকটিভ ডিন ক্লিন্টন । দুজন ভিন্ন চিন্তাধারার মানুষ, তবু তারা এক ও অনন্য - একটি ইউনিট । আরেকজন আছে এই গল্পে । একজন সিরিয়াল কিলার যে শহরে একের পর এক খুন করেই চলেছে । খুনের কোনো প্যাটার্ন নেই, শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই রয়েছে তার তালিকায় । বীভৎসভাবে গলা কেঁটে খুন করে সে । তারপর প্রতিটি খুনের পর রক্ত দিয়ে সুন্দর করে গোলাপ এঁকে যায় ভিক্টিমের পাশে, যা তার সিগনেচার । কেসটা ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে ডিন ক্লিন্টন । এরপর শুরু হয় পরস্পর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া । মজার বিষয় হল এই সিরিয়াল কিলারকে রুখতে শুরু হওয়া বইয়ের শেষটা কীভাবে অশরীরী অপশক্তির ত্রাসে বদলে গেল তা জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে পুরো বইটি ।

পাঠ প্রতিক্রিয়া
---------------------------
ডিটেকটিভ থ্রিলারের গতি শেষমেষ ফ্যান্টাসিতে নিয়ে যাওয়া - লেখক বইটাতে যথেষ্ট সাহসী এক্সপিরিমেন্ট করেছেন তার আর বলার অপেক্ষা রাখেনা । তবে এক্ষেত্রে তিনি কতটা সফল হলেন তা নিয়েই আজকের আলোচনা ।

৹ প্লট
যেমনটা বললাম বইটাকে মূলত দুইভাগে ভাগ করা যেতে পারে । একটা ডিটেভটিভ অংশ , অন্যটা ফ্যান্টাসি অংশ । এক্ষেত্রে প্রথম ধাপে লেখক আমার কাছে শতভাগ সফল মনে হয়েছে । প্লট বিল্ডাপ থেকে শুরু করে গল্প বলার ধরণ, পাঠককে গল্পে আটকে রাখার প্রক্রিয়াটা ছিল প্রথম অংশে রীতিমত চমকপ্রদ ।
দ্বিতীয় ভাগটাও যথেষ্ট উপভোগ করেছি বটে । তবে কিছুটা ঘাটতি ছিল বলে মনে হল । তা নিয়ে একটু পরে বলছি ।

৹ চরিত্রায়ন
যারা লেখকের 'দ্য রেড ডোর' বইটি পড়েছেন তারা জানেন চরিত্রায়নে লেখক কতটা যত্নশীল । এই বইতে সেটা আরেক ধাপ উন্নতি ঘটেছে । বিশেষত ডিন ক্লিন্টন চরিত্রটা এত বেশি ভালো লেগেছে আমার যা বলে বোঝানোর মত নয় । চরিত্রটির চিন্তা প্রণালী ও ডিসিশন মেকিং আমায় মুগ্ধ করেছে । পাশাপাশি লিসা কবিরও ছিল অনবদ্য । এই জুটির মিশেলে দারুণ একটা গল্প বলেছেন লেখক । এক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রাখবো বইয়ের দ্বিতীয় ভাগকে । সেখানে গল্পটা একটু বেশিই গতিশীল হওয়ায় প্রভাব পড়েছে চরিত্রগুলোর ওপরে । একটু তাড়াহুড়োর ছাপ লক্ষ্যণীয় ।

৹ ভাষাশৈলী ও স্টোরিটেলিং
ভাষাশৈলী বরাবরের মত এই বইতেও যথেষ্ট সাবলীল লেগেছে আমার কাছে । আর স্টোরিটেলিং এ লেখকের যথেষ্ট ইম্প্রুভমেন্ট লক্ষ্য করলাম । দ্য রেড ডোর বইটির রিভিউতে বলেছিলাম সেটার গল্পটা তুলনামূলক স্লো । আর স্টোরিটেলিং ও তেমন থ্রিলিং নয় । অসমাপ্ত ক্যানভাসে এই দুটো ঘাটতি ই কাটিয়ে উঠেছেন লেখক । শুরু থেকেই গল্পে যথেষ্ট সাসপেন্স ও গতিময়তা বজায় ছিল ।

৹ পরিণতি
শুরুতে যেমনটা বললাম , লেখক বেশ ভালোরকমের এক্সপেরিমেন্ট করেছেন প্লটটা নিয়ে । এবং এক্ষেত্রে তাকে ওভারল সফল ই মনে হয়েছে আমার কাছে । বিশেষত ক্যানভাস কিলারের অংশটাতে যেভাবে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ তিনি দেখিয়েছেন তা নিয়ে অনায়াসে দারুণ একটা ওয়েব সিরিজ তৈরি করে ফেলা যায় । আমি জানিনা অন্যদের কেমন লেগেছে, শুধু নিজের মন্তব্যটা তুলে ধরছি । বেশি ভালো লাগাতে হয়তো মত প্রকাশের বেলায়ও অতিরিক্ত বলে ফেলছি বলে মনে হচ্ছে । হাহা । তবু দেশে এত এত অনুবাদ থ্রিলারের ভীড়ে এরকম সুন্দর মৌলিক থ্রিলারগুলো যথেষ্ট আলোচনায় আসছেনা । তাই ভাবলাম মন খুলে কিছু বলা উচিত এই বইগুলোর ব্যাপারে ।
এবার দ্বিতীয় অংশ । ডিন ক্লিন্টন আর লিসা কবির কীভাবে এক অপশক্তির মায়ায় আটকে গেল সেটা নিয়ে বেশি আলাপ করলে স্পয়লার হয়ে যাবে । এখানের পুরো গল্পটা পাঠকের জন্য তুলে রাখলাম । শুধু আমার মতামত হল এটার স্টার্টিং ভালো হলেও শেষটায় যৎসামান্য তাড়াহুড়ো লক্ষ্য করলাম । পরিণতিটা আমার মোটেও অপছন্দ হয়নি, তবে আরেকটু সময় নিয়ে গল্পটা বললে হয়তো আরো বেশি উপভোগ করতে পারতাম ।

৹ প্রোডাকশন

সবশেষে বইয়ের প্রোডাকশন । বইটা প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন । আমার পড়া মৌলিক থ্রিলারগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা প্রোডাকশন এই বইটির । প্রচ্ছদ থেকে পৃষ্ঠার মান সবকিছু ছিল চমৎকার । বাঁধাইও বেশ ভালো । বইটা হাতে নিলে বেশ প্রিমিয়াম ফিল হয় । সম্পাদনায় টুকটাক কিছু ভুল চোখে পড়েছে বটে । তবু সবমিলিয়ে অন্বেষার প্রোডাকশন আমার বেশ ভালো লেগেছে ।

৹ শেষের কথা
ডিটেকটিভ থ্রিলার ও ফ্যান্টাসির মিশেলে ভিন্নধর্মী কোনো ��াজ পড়তে চাইলে বইটা অবশ্যই রেকমেন্ডেড থাকবে । বইটা বুঝতে হলে 'দ্য রেড ডোর' বইটি পড়া থাকতেই হবে এমন কোনো শর্ত নেই । আপনি স্ট্যান্ড এলোন হিসেবে ইজিলি 'অসমাপ্ত ক্যানভাস' পড়ে ফেলতে পারবেন । তবে দ্য রেড ডোর বইটি পড়া থাকলে গল্পটা আরো বেশি উপভোগ্য হবে । প্রিয় পাঠক, এক অদম্য সিরিয়াল কিলারের পিছু করতে করতে আপনি অচিরেই হারিয়ে যাবেন অতীতের জার্মানির নাৎজী বাহিনীর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে, সাক্ষী হবেন তাদের নির্মম অত্যাচারের, উপভোগ করতে পারবেন এক অদম্য চরিত্র ডিন ক্লিন্টনকে, দেখতে পারবেন মাথায় ফ্যান্টম নিয়ে ঘোরা অদ্ভুত চরিত্র লিসা কবিরকে । আর দেখতে পারবেন ছোট্ট মেয়ে অ্যানা ফ্রাঙ্ককে!
আর দেখা পাবেন এক অপশক্তির - যে গোটা পৃথিবীটা ধ্বংস করে দিতে চায় । সময়টা ভালোই কাটবে আশা করি ।

এক নজরে,
বই : অসমাপ্ত ক্যানভাস
লেখক : জুনায়েদ ইসলাম
প্রকাশনী : অন্বেষা
মুদ্রিত মূল্য : ৬৭০ টাকা
পৃষ্ঠা : ৪৪৬
Profile Image for Sanjidur Rahman.
4 reviews1 follower
February 3, 2023
I got glimpse of this book as the author is my cousin. And it is unique in it's own way. It explores 'The Red Door' universe and expands it a lot. Stay tuned. You will be rewarded.
Profile Image for RHR.
35 reviews11 followers
February 28, 2022
বই পর্যালোচনা

সিভিলিয়া নামক একটি দেশে ঘটছে একের পর এক নৃশংস খুনের ঘটনা। প্রত্যেক মার্ডার সিনে সিরিয়াল কিলার এঁকে যাচ্ছে একটি করে গোলাপ। গোলাপ আঁকতে সে ব্যবহার করে না কোনো রঙ, বরং সে ব্যবহার করে মৃতের রক্ত। আর তাই পুলিশ এই সিরিয়াল কিলারের নাম দিয়েছে, 'ক্যানভাস কিলার।'

নিজ প্রেমিকাকে হারিয়ে দিশেহারা প্রাইভেট ডিটেকটিভ ডিন ক্লিন্টন ক্যানভাস কিলারকে ধরতে মরিয়া হয়ে উঠে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড থামাতে ডিনের পাশে দাঁড়ায় পারসোনাল সেক্রেটারি লিসা কবির। উদ্দেশ্য একটাই, ক্যানভাস কিলারের ক্যানভাসটিকে অসমাপ্ত রেখে তার একেকটি শিকারদের বাঁচানো... কিন্তু শেষ রক্ষা কী হলো?

১১টি কেসের তদন্ত ও এক অজানা অপশক্তির আগমন কি এই দুজনকে একজোট রাখতে পারবে?

পাঠ-প্রতিক্রিয়া:
আমি জানি না, যারা বইটি পড়েছেন তারা আমার সঙ্গে একমত হতে পারবেন কিনা তবে আমার মনে হয়, লেখক যেই পটভূমিতে বইটি শুরু করেছিলেন তা কীভাবে যেন হারিয়ে যায়। মানে হঠাৎ করেই, যেন সেই প্লটটা মিলিয়ে যায় এমন আর দ্বিতীয় ভাগে এসে সত্যি সত্যিই সেটা মিলিয়ে যায়। দ্বিতীয় ভাগে এটা ডিটেকটিভ থ্রিলার কম প্যারাসাইকোলজিক্যাল থ্রিলার মনে হয়েছে। বইয়ের মূল জনরা যেহুতু ডিটেকটিভ থ্রিলার তাই দুইটি ভাগেই সমানতালে গোয়েন্দাদের গুরুত্ব থাকাটা আবশ্যকীয়। কিন্তু দ্বিতীয় ভাগে ডিন আর লিসার তেমন কোনো গুরুত্ব খুঁজেই পাওয়া যায়নি। কেস সমাধান করতে গিয়েও তারা বিফল হয়েছে। 'পোস্ট স্ক্রিপ্ট-১' পড়ে ধারণা করা যায়, সিরিজের পরবর্তী বইতেও তারা হেরেছে। শেষ অধ্যায়ের সেই 'আশা' পূর্ণ তো হলো না তবে।

প্রথম ভাগ তাও মোটামুটি ছিল কিন্তু দ্বিতীয় ভাগে এসে মনে হয়েছে সব গুবলেট হয়ে গেছে। ভৌতিক একেকটি বর্ণনা যতোটা রোমহষর্ক হবার কথা ততোটা হয়নি। যে কেউ সেই ব্যাপারগুলো পড়ে যেতে পারবে, ভয় কাজ করবে না অথচ লেখার মাধ্যমে ভয়ের ছাপ ফুঁটিয়ে তোলাটা জরুরী। আমি একটি ক্যারেক্টরকে স্টাডি করছি, সে ভয় পাচ্ছে কিন্তু আমি সেটা অনুভব করতে পারছি না, এটা বেখাপ্পা দেখায়। প্রত্যেকটা ক্যারেক্টরের মনোভাব পাঠকদের মনে দোলা না দিলে সেটা সার্থক হলো না।

ক্যানভাস কিলারকে এতো দ্রুত ধরে ফেলে নাস্তানাবুদ করবে আশা করিনি। বইয়ের মূল আকর্ষণই যেটা ছিলো, সেটাই হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেল। ক্যানভাস কিলারের পরিচয়টাও আগেভাগে প্রকাশ পেয়ে গেল। সাসপেন্স ছিল না... অথচ একটা পরিপূর্ণ থ্রিলারে সাসপেন্স আর টুইস্ট কতোটা জরুরী! আমি সত্যিই এ দুটো জিনিস খুব মিস করেছি।

পতিতার সঙ্গে ডিন ক্লিন্টনের সঙ্গমের বর্ণনাগুলো এতো বড়ো করে বলার কোনো প্রয়োজন দেখিনি। এগুলো আরেকটু সংক্ষিপ্ত রাখলেও হতো। সঙ্গমের প্রত্যেকটা বর্ণনা স্কিপ করে গেলেও কোনো সমস্যাই হয় না। এই যেমন: পতিতার সঙ্গে সঙ্গমের ব্যাপারগুলো ধৈর্য্য সহকারে পড়ার পর আমি ২৮১-২৮৩ পেজের অর্ধেক স্কিপ করে গেছি পরবর্তী ঘটনা বুঝতে মোটেও সমস্যা হয়নি। এই ব্যাপারগুলোতে বেশি সময় ব্যয় না করে যেখানে ব্যয় করাটা বেশি জরুরী ছিল(যেমন: ভৌতিক বর্ণনাগুলো এমনভাবে প্রেজেন্ট করা যেন প্রত্যেকটা ক্যারেক্টরের সঙ্গে একজন সাধারণ পাঠক রিলেট করতে পারে) সেখানে ব্যয় করেননি। সমাপ্তিতে এসে তাড়াহুড়ো করেছেন বলে মনে হয়েছে। লেখকের ভাষ্যমতে, এটিকে যদি এডাল্ট থ্রিলার ধরেও নেই তাহলেও সঙ্গমের ব্যাপারগুলোয় কোনো প্রয়োজনীয়তার কিছুই দেখিনি। এডাল্ট কন্টেন্ট সম্পন্ন একটা থ্রিলার এডাল্ট কন্টেন্ট এমনভাবে ফুঁটিয়ে তুলতে হয় যেন মনে হয়, এর প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই আছে! কিন্তু এখানে আমার তা মনেই হয়নি।

বইটিতে কোনো লিখিত প্রতিবেদন কিংবা অনলাইন ওয়েবসাইটের খবর হলে খেয়াল করেছি, সেটাকে পুরোপুরি ইংরেজিতে লেখা। এখন আমি হয়তো ইংরেজি ভালো বুঝি তাই হয়তো তাতে আমার কোনো সমস্যা হয়নি কিন্তু যারা প্রপার ইংরেজি জানে না বা ইংরেজি কঠিন শব্দগুলোর মর্মার্থ জানে না, তাদের জন্য এটা বেশ ঝামেলার। আমাদের দেশে অনেক বইপড়ুয়াই আছেন, যারা ইংরেজিতে কাঁচা, একটি ইংরেজি অরিজিনাল বই পড়তে তারা অনুবাদ খোঁজেন তাদের জন্য এই পুরো বিষয়টি বিড়ম্বনায় ফেলতে পারে।

লেখকের লেখনশৈলী আমার খুব একটা ভালো লাগেনি। আরও ইম্প্রুভমেন্টের প্রয়োজন। যেই বাক্যে যে ধরনের শব্দ প্রয়োগ করা আবশ্যক ঠিক সে বাক্যে সে ধরনের শব্দই প্রয়োগ করতে হবে৷ 'চাও' বা 'ইচ্ছে কর' শব্দ দুটি এক না। যেমন: ৪৪৫ নং পৃষ্ঠায় এলিজাবেথ গোমেজের উক্তি, 'তুমি যদি ইচ্ছে কর, আজকে থেকে আমি তোমার আম্মু হতে পারি। কী বল?' উক্তিটা হবে, 'তুমি যদিও চাও, আজকে থেকে আমি তোমার আম্মু হতে পারি।' আবার যদি একটু পেছনে যাই, ৪১২ পৃষ্ঠায় লেখা, 'তার আবিষ্কার যে আজ শত শত মৃত্যুর কারণ, সেটা কি সে শিকার করে নিবে?' শিকার আর স্বীকার শব্দ এক নয়। এটা হবে, 'তার আবিষ্কার যে আজ শত শত মৃত্যুর কারণ, সেটা কি সে স্বীকার করে নিবে?'

দুজন ক্যারেক্টরের কথোপকথনের মাঝে যদি তৃতীয় কোনো পক্ষ এসে আচমকা কথা বলে উঠে তাহলে অবশ্যই তার নামটা স্বমোধন করতে হবে। নাহলে হুটহাট কে কথা বলছে, সেটা পাঠক ধরতে পারবে না।(পৃষ্ঠা: ৩৮৮)

প্রেমিকা তার প্রেমিককে হঠাৎ করে 'ভাইজান' বলে স্বমোধন করলে প্রেমিকের কাছ থেকে আপনি কী ধরনের এক্সপ্রেশন অভিলাষ করেন? অবশ্যই সে অবাক হবে, তাই নয় কী? ৩৮৫ নং পৃষ্ঠায় ঠিক একই ঘটনা ঘটলো অথচ প্রেমিক অবাক তো হলোই না বরং বিষয়টা সাধারণভাবেই নিল৷ অথচ তাদের প্রেমের সম্পর্ক শুরু হবার পর থেকে প্রেমিকা তাকে কখনোই 'ভাইজান' বলে ডাকেনি। সম্পর্কের আগে 'ভাইয়া' ডাকাটা ছিল এক হিশেব এরপর অন্য হিশেব। এই বিষয়টা মিস গেছে।

৩৮৩ নং পৃষ্ঠায় শটগানকে লক্ষ্য করে কোল্ট বলা লিসা কোল্ট এম- ১৯১১ বের করার পর জালাল উদ্দিন বলে, 'এটা দিয়ে কাজ হবে না।' এর প্রত্যুত্তরে লিসা জানায়, 'জানি। আগেও বলেছেন।' অথচ এমন কোনো কথোপকথন জালাল সাহেব লিসার মধ্যে হয়নি। কখন বলল, সেটাই বোধগম্য না।

যতিচিহ্ন ব্যবহারে ভুল ও বানান ভুল পেয়েছি। কথোপকথনের মাঝপথেই '?' চিহ্ন কিংবা '।' দেখতে পাই। যেখানে হবার কথা 'কখনো', সেখানে হয়ে যায় 'কখন'। এই হচ্ছে আমার চোখে পড়া কিছু অসঙ্গতি।

অন্বেষা প্রকাশনের প্রডাকশন যথারীতি ভালোই হয়েছে। বাঁধাই, পৃষ্ঠার মান ও প্রিন্টিং সবই ভালো হয়েছে। কিন্তু প্রচ্ছদের প্রিন্টটা ভালো আসেনি।

অনেক সমালোচনা করলাম। সবার সঙ্গে আমার মতামতের মিল নাও হতে পারে। আর যারা বইটি পড়তে আগ্রহী, তারা অবশ্যই বইটি পড়ুন ও নিজের প্রতিক্রিয়া জাহির করতে ভুলবেন না।

বই: অসমাপ্ত ক্যানভাস
লেখক: জুনায়েদ ইসলাম
প্রকাশনী: অন্বেষা প্রকাশন
ধরন: ডিটেকটিভ থ্রিলার
প্রচ্ছদ: জুনায়েদ ইসলাম
মুদ্রিত মূল্য: ৬৭০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৪৬

©RHR
1 review1 follower
February 20, 2021
অসমাপ্ত ক্যানভাস বইটির প্রোডাকশন ১০/১০ বলতে গেলে। ডাস্ট জ্যাকেট সহ বইটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ক্রিম কালারের পেজ। এক কথায় অন্বেষা প্রকাশনের বেষ্ট প্রোডাকশন এটা! কোন সন্দেহ নেই।
বইটির ফ্ল্যাপ খুবই সোজা, বলা হয়েছে এক সিরিয়াল কিলারকে ধরতে দুজন ডিটেকটিভ উঠে পরে লেগেছে। কিন্তু কাহিনী সেখানেই শেষ না। এক সিরিয়াল কিলারকে ধরতে গিয়ে প্রত্যেক অধ্যায়ে নতুন নতুন সিরিয়াল কিলারের আবির্ভাব হতে থাকে। তার উপর দিয়ে মূল চরিত্র লিসা কবিরের ছায়াসঙ্গী হয়ে আছে ৭৭ বছর আগের এক কুৎসিত জার্মানির এক্সপেরিমেন্ট। কোথায় যাচ্ছে এ কাহিনী, বুঝতে হলে শেষ পর্যন্ত পড়তে হবে। এবং শেষটা অসমাপ্ত ইচ্ছে করেই রাখা হয়েছে, বইটির নামকরণ স্বার্থক করার উদ্দেশ্যে। খুলে দেওয়া হয়েছে নতুন এক দরজা।
বেশ ভালো বই। নতুন লেখক হিসেবে অসাধারণ একটি বই লিখেছেন লেখক!
Profile Image for Jannatul Ferdous.
2 reviews1 follower
February 19, 2021
কি হত সেদিন? যদি ডিটেকটিভ দুজন কাহিনীটিকে অসমাপ্ত রাখতো? কি হত সেদিন? যদি ডিটেকটিভ দুজন বাধ্য হত নিজের নিয়তি মেনে পরাজয়কে মেনে নিতে?
সিভিলিয়া নামক কাল্পনিক দেশের এক সিরিয়াল কিলারের উন্মাদনা থেকে শুরু করে জার্মানির কিছু কুৎসিত নাৎজি এক্সপেরিমেন্ট যখন ঠিকই ঘুরেফিরে বাংলাদেশ নামক ছোট একটি দেশকে বিপদে ফেলে; সেক্ষেত্রে হেরে যাওয়াটা শেষ পন্থা ছিল না, কিন্তু হেরে যাওয়াকেই বেছে নেয় ডিটেকটিভ দুজন। রবার্ট জে ওপেনহাইমার পারমাণবিক বোমা আবিস্কারের পর অনুতাপ বোধ থেকে বলেছিলেন,
“Now I have become Death! The destroyer of the worlds!”
একই অনুতাপ বোধ নিয়ে কি বাকি জীবন কাটাবে কি বইয়ের চরিত্রগুলো? নাকি নতুন এক দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে অসমাপ্ত ক্যানভাস গল্পটির মাধ্যমে?
Profile Image for Rihan Hossain.
109 reviews3 followers
March 16, 2021
আরেকটু গুছিয়ে লিখা যেত। কিছু জায়গায় অযথা টেনে বড় করা হয়েছে। ডিটেকটিভ থ্রিলার বলা যায়, কিন্তু মনমতো হলো না। এত বিশাল কলেবরের উপন্যাস যদি আপনি পাঠককে পড়াতে চান, তবে ভাষার সেটআপ এবং গল্প বলাটা যেন প্রাঞ্জল হয় সেদিকে নজর দেয়া লাগতো।
শুভকামনা।
2 reviews1 follower
February 19, 2021
বইটিকে মার্কেটিং করা হয়েছে ডিটেকটিভ থ্রিলার হিসেবে এবং যথাযথ স্বার্থকও বইটি একটি ডিটেকটিভ থ্রিলার বই হিসেবে। পৃষ্ঠতলে এটি এক প্রবাসী বাঙ্গালি এজেন্ট লিসা কবির আর তার বস ডিটেকটিভ ডিন ক্লিন্টনের গল্প, কিভাবে তারা একটি সিরিয়াল কিলারকে ধরবে যে প্রতি খুনের পর রক্ত দিয়ে গোলাপ আঁকে নিজের সিগনেচার হিসেবে। তারই খোজে আমাদের দু গোয়েন্দা একে একে ছোট ছোট কয়েকটি কেস পেতে থাকে প্রত্যেক এপিসোডে। সেই কেসগুলোকে সেই এপিসোডেই সমাধান দেওয়া হয়, কিন্তু প্রত্যেকটি কেস এ ক্যানভাস কিলারকে ধরার নতুন ক্লু বের হয়ে আসে নয়তো উপায় বের হয়ে আসে নয়তো ক্যানভাস কিলার নিজেই শার্লক এর মরিয়ার্তির মত উঁকি দিয়ে যায় শেষে। ক্যানভাস কিলারের এই বিষয়টা খুবই অসাধারণ লেগেছে যে, যেকোনো সময় যেকোনো মুহুর্তে সে আপনার পেছনে দাড়াতে পারে এবং আপনি কখনই চরিত্রদের নিরাপদ মনে করতে পারবেন না। লেখকের এই দিকটা আগেও অনেকেই উল্লেখ করেছেন, আমিও আজও করছি। অনির্দেশ্যতা জুনায়েদ ইসলাম ভাইয়ের লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট।
বইটির মাঝপথের একটু আগেই বইয়ের আসল চেহারা ভেসে আসবে, যখন অসাধারণ দুটো কেস আপনার সব মনোযোগ কেড়ে নিবে। ইন্টেন্স কিছু মুহুর্ত আছে যেটা আমি কোনভাবেই স্পয়েল করতে রাজী না। এপিসোড ৫ আর ৬, ভাই রে ভাই!




বইটির প্রথম অর্ধেক ক্যানভাস কিলারকে নিয়ে। কিন্তু শেষ হয়েও শেষ হয় না কাহিনী। বইটি দ্বিতীয় ফেজ শুরু হয় জার্মানির একটি নাৎজি এক্সপেরিমেন্টকে নিয়ে। তারপর একে একে বইটি অন্বেষণ করা শুরু করে সাই-ফাই/হরর/ফ্যান্টাসি বিভিন্ন জনরা এবং ডিটেকটিভ দুজন এমন এক পরিস্থিতির সামনে উপস্থিত হন যার সাথে তারা পরিচিত নন। এবং উদ্ভূত এমতাবস্থায় কি সিদ্ধান্ত নিবে তারা, সেটা পড়ার অভিজ্ঞতাটাই ছিল মূলত বইয়ের দ্বিতীয় ভাগের মূল আকর্ষন। আর বেশ ভালো লেগেছে দ্বিতীয় ভাগটুকু। প্লটটির শুরু হয়েছিল প্রধান চরিত্রের মাথা ব্যাথা নিয়ে এবং ছোট রোগটি হয়ে পরে মহাজগত ধ্বংসকারী এক হিসেবে, এবং কি বলবো, আমি সত্যিই মুগ্ধ!
অসাধারণ একটি বই। সিমপ্লি অসাধারণ। যারা উনার প্রথম বই দ্য রেড ডোর পড়েছেন উনাদের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি ৫/৫। যারা পড়েন নি, তাদেরও পড়তে সমস্যা হবে না কারন স্ট্যান্ডএলোন কাহিনী এটা। তাদের জন্য বইটি ৪/৫।
Highly Recommended!

Profile Image for Jannatul Ferdous.
2 reviews1 follower
February 19, 2021
কি হত সেদিন? যদি ডিটেকটিভ দুজন কাহিনীটিকে অসমাপ্ত রাখতো? কি হত সেদিন? যদি ডিটেকটিভ দুজন বাধ্য হত নিজের নিয়তি মেনে পরাজয়কে মেনে নিতে?
সিভিলিয়া নামক কাল্পনিক দেশের এক সিরিয়াল কিলারের উন্মাদনা থেকে শুরু করে জার্মানির কিছু কুৎসিত নাৎজি এক্সপেরিমেন্ট যখন ঠিকই ঘুরেফিরে বাংলাদেশ নামক ছোট একটি দেশকে বিপদে ফেলে; সেক্ষেত্রে হেরে যাওয়াটা শেষ পন্থা ছিল না, কিন্তু হেরে যাওয়াকেই বেছে নেয় ডিটেকটিভ দুজন। রবার্ট জে ওপেনহাইমার পারমাণবিক বোমা আবিস্কারের পর অনুতাপ বোধ থেকে বলেছিলেন,
“Now I have become Death! The destroyer of the worlds!”
একই অনুতাপ বোধ নিয়ে কি বাকি জীবন কাটাবে কি বইয়ের চরিত্রগুলো? নাকি নতুন এক দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে অসমাপ্ত ক্যানভাস গল্পটির মাধ্যমে?
Profile Image for Sanjidur Rahman.
4 reviews1 follower
February 3, 2023
মাইন্ডব্লোয়িং একটি ডিটেকটিভ থ্রিলার!!!!!
Displaying 1 - 11 of 11 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.