এই গ্রন্থে সংকলিত করা হয়েছে প্রকাশিত ও প্রকাশিত ছয়টি কাহিনীকে, যেগুলোর প্রতিটিই হানা দিয়েছে মানবমনের অন্ধকার অলিগলিতে, নির্দয়ভাবে অন্বেষণ করেছে মানুষের অবচেতনে লুকিয়ে থাকা রিপুকে।
এতে রয়েছেঃ
লিলি ভীমরতি অপাংক্তেয় ডুবুরী রিভেঞ্জ অনাহুত
ইচ্ছাকৃতভাবেই কিছু গল্পে রয়েছে অতিপ্রাকৃত হাতছানি, যুক্তি যেখানে মূক হয়ে যায়, সেখানে হানা দেয় অশরীরী অলৌকিকতা। আবার কিছু গল্প বোনা হয়েছে একেবারেই সাধারণ সামাজিক আবরণে। কিছু গল্প কঠোরভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, কিছু গল্প সেই সীমারেখা না অতিক্রম করলেও প্রাপ্তমনস্কদের জন্য বটেই।
সাদৃশ্য একটাই, প্রতিটা কাহিনীতেই রয়েছে অপরাধী, কিন্তু তারা কেউই তথাকথিত দাগী আসামী নয়। বরং, আশপাশের সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মনের অবচেতনে লুকিয়ে থাকা বিষেরই খোঁজ করা হয়েছে গোটা সংকলনে।
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.
A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.
A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.
Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.
Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.
She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.
An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.
She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.
'ছয়টি ১৮+ বিষাক্ত কাহিনি' খুজে বেড়াচ্ছেন? তাহলে এই বইটি হাতে তুলে নেবেন না।
না, ভুল পড়েন নি। না নিতেই বললাম। বইয়ের ব্লার্বে যাই লেখা থাকুক না কেনো, এই বইটি থেকে বাঙালি পাঠককুল যদ্দুর তফাৎ রাখবে, ততটাই মঙ্গলকর।
কি ভাবছেন? সমালোচনা কিঞ্চিৎ কঠিন হয়ে গেলো? কি আর করি, বই কিনে প্রতারিত হতে কারই বা ভালো লাগে। বইয়ের গল্পগুলো মার্কেট করা হয়েছে কয়েকটি ডার্ক লেয়ার্ড থ্রিলার হিসেবে। মানবমনের অন্ধকার অলিগলি সব ক্ষতিয়ে দেখবার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে প্রচ্ছন্ন। কিন্তু আদতেই এই লেখাগুলো আজকের জর ফিকশন প্লাবিত বাজারে, নিজগুনে দাড়াবার ক্ষমতা রাখে না, এই করুন সত্যটি অনুধাবন করতে কেবল প্রথম গল্পটি পড়লেই চলে।
'লিলি' নামক এই নাম-উপন্যাসটিতে লেখিকা বিবলিকাল অ্যালেগরির আশ্রয়ে বলতে চেয়েছেন একজন খারাপ পুরুষমানুষের গল্প। তুলে ধরতে চেয়েছেন নারী-পুরুষ সম্পর্কের বুননে ঈর্ষা, কাম ও পুরুষতন্ত্রের প্রবাহ। সেই ক্ষেত্রে লেখিকার প্রচেষ্টাকে নাহয় সাধুবাদ জানালাম। এক অর্থে ডোমেস্টিক থ্রিলারের ঘরানাতেই নাহয় ফেললাম এটাকে। তবে ঠিক কি দাড়িয়েছে এটা? ভাবতে অবাক লাগে, এমন একটি সংবেদনশীল প্রসঙ্গের এক্সিকিউশন এরম মেলোড্রামাটিক হয় কি করে? পড়তে গিয়ে মনে হলো, কোনো বাংলা সিরিয়ালের স্ক্রিপ্ট ঝালিয়ে নিচ্ছি যেন।
অন্ধকারের যেকোনো গল্পে ভালো-খারাপ নির্বিবাদে মানুষ মনের খুঁটিনাটি জানবার যে উদগ্র বাসনা জাগে, সেখানেই যে লিলি ফেল মেরে গেলো। হ্যা, অদম্য সেন একজন মিসজিনিস্ট, নারী বিদ্বেষী, পুরনোপন্থী পিশাচ। কিন্তু লেখিকা কি চাইলেই পারতেন না, এহেন মানুষটিকে একটি নির্ভেজাল ক্যারিকেচার না বানিয়ে আরেকটু এক্সপ্লোর করতে? কোনোমতেই পুরুষতন্ত্র জাস্টিফাই করতে বলছি না, তবে স্রেফ চরিত্রগুলোতে কিছুটা বহুমাত্রিকতা দেওয়া কি খুব কঠিন ছিল? মনে প্রশ্ন জাগে। অদম্য সেনের কি কোনো খারাপ পাস্ট আছে? কোনোরূপ রিপ্রেসড সাইকোসেক্স্যুয়াল ইস্যু? সে কি জন্ম থেকেই এরম সিরিয়ালমার্কা ব্যবহার করে? উত্তর মেলে না যথারীতি। তার সমস্ত অনুভূতি ও ব্যাবহার সাদা-কালোয় মেপে, দশেরা মেলায় রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হয়েছে যেন।
ওদিকে আবার পাচ্ছেন এভার-ইনোসেন্ট ফুলের মতন নিষ্পাপ লিলি মৈত্র-কে। দশ বছর শীতল প্রেম করবার পরেও যে নির্দ্বিধায় নিজের রিসার্চ পেপার তুলে দেয় অ্যব্যুসিভ বয়ফ্রেন্ডের হাতে। শত অপমান সহ্য করে পড়ে থাকে অদম্য সেনের সাথে। কেন? কোডিপেন্ডেন্সি ইস্যুস? কোনো বাজে ধরনের স্টকহোম সিনড্রোম? কিছুরই জবাব পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায় তা হলো আদম-ইভ-লিলিথ চরিত আর বায়োলজিকাল মাশরুম নিয়ে অতিকথন। তাই কোনো বাস্তবিক ধূসরতার খোঁজে এই বই হাতে তুলে নিলে, যারপরনাই হতাশ হতে হবে। গল্পের জটিল পরিণতির অপরপ্রান্তে আবার জোর জবরদস্তি একখানা ভূতের বন্দোবস্তও করা হয়েছে। ঠিক যেন, বিয়েবাড়ির শেষ পাতে গলে যাওয়া আইসক্রিম। সেটা খেয়ে গলা বসে গেলে অবশ্য কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।
বাকি পাঁচটি গল্পের অবস্থা 'পড়লেও হয় না পড়লেও হয়' জাতীয় কিছু। বিশেষত 'ভীমরতি' এবং 'ডুবুরি' গল্পদুটি মন্দ নয়, একবার পড়াই যায়। তবে বাকিগুলো নেহাতই ভুলভাল। ডার্ক ফিকশনের নামে প্রহসন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য 'রিভেঞ্জ' নামক একান্ত দুর্বল গল্পটি। এ জিনিস যদি থ্রিলার হয়, তবে আমিও শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, আকাশ চোপড়া - সচিন টেন্ডুলকার এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় - উত্তম কুমার। প্রগলভতা মাফ করবেন। তবে কোথাও গিয়ে যেন এসব বই রসিক মনকে চ্যালেঞ্জ জানায়, ভাবতে বাধ্য করে, সত্য হে সেলুকাস! জর ফিকশন সবার জন্য নয়।
হাতিয়ার কি আর সবার হাতে বাগ মানে? সবাই কি আর আদিত্যনারায়ন হয়?
This is a novella/ short story collection of thrillers for matured reader written in the Bengali language. Some of the stories are also present in দেবারতির সেরা থ্রিলার. The stories from this book are good, while the others are okay-ish.
Overall, this book is a quick read to pass some time.
প্রচ্ছদে লেখা ৬টি ১৮+ বিষাক্ত গল্প - এটি অনেকটাই বিভ্রান্তিকর। ১টি গল্পকেই ১৮+ বলা যেতে পারে সেটি হল লিলি, যৌনদৃশ্যের বিবরণ থাকার জন্য। গল্পে ভয় তো লাগেইনি, কখনও কখনও অবাক হয়েছি কিভাবে অশরীরী যৌনতা হচ্ছে এটা ভেবে। গল্পে একটি এমন পরিকল্পনা আছে যা ৫+ বাচ্ছারাও করবে না, ১৮+ তো বাদ দিলাম। ভীমরতি গল্পটি অনেকাংশে ভাল। অপাংক্তেয় গল্পটির শুরু ভাল হলেও শেষের টুইস্টটা বিশ্বাসযোগ্য হয়নি, এবং ভালোও লাগেনি। ডুবুরী গল্পটায় অন্যান্য গল্প থেকে একটু আলাদা প্রচেষ্টা দেখা যায়, তবে এর চেয়ে বেশী কিছু বলা যায় না। সাধারণ মানের লেখা, শেষটাও খুব সহজ-অনুমেয়। রিভেঞ্জ গল্পটি মুদ্রিত না হলেই ভাল ছিল, ৬টি ১৮+ বিষাক্ত গল্পের বদলে ৫টি ১৮+ বিষাক্ত গল্প লেখা থাকলে বেশি ভাল হত। এটি একটি নেট-প্র্যাকটিস জাতীয় লেখা। বাক্যগঠন, বানান ঠিকঠাক এই গল্পে। অনাহুত আরেকটি গল্প যার টুইস্টটি অধিক ব্যবহারে বর্তমানে প্রায় আনটুইস্টেবল। গল্পগুলির রচনাকালে বোধ করি সত্যজিতের ১০১ গল্পসমগ্র বিশেষ প্রভাব ফেলেছিল, ভীমরতি, অপাংক্তেয় ও অনাহুত গল্পে এই প্রভাব কিছুটা বোধগম্য হয়।
ফালতু নারীবাদী ন্যাকামোর বই, চিটিংবাজ প্রকাশনা সংস্থাগুলো এটাকে হরর /থ্রিলারের ক্যাটাগরিতে রেখে দিয়েছে নারীবাদ ক্যাটাগরিতে না রেখে. হাভাতে ভিখারি টয়লেট দেশ কোনগুতে বাপদাদা আমেরিকা, ব্রিটেন এর মতো হয়ে গেলো যে এসব ন্যাকামো চালু হয়েছে 😡 এসব চালু হলে ওদের মতো বেকারভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা এসবও চালু দরকার
Thanks to the Sunday Suspense, listened to this story by Debarati. it is around one and a half hours long. Not so great storyline, but enjoyed it well for the amazing narration, voice & sound of the Sunday Suspense Team. I don't think I want to buy the book or read the other stories in the book after reading the reviews.
সৌমেন রয় দাদার সুন্দর রিভিউ পড়লেই বুঝা যাবে বইটা কতোটা সুন্দর আর ভালো😅 আমার নামের সাথে মিল থাকায় উনি আমাকে এই সুন্দর ছোট বইটা সাজেস্ট করেন, আর আমার ১.৩০ ঘন্টার মজার জার্নিও হয়ে গেল💜 it was really great read...sorry for being 7hours late to give a review about this book...
ভালোবাসার দিনে প্রিয় লেখিকার বই পড়লে সেই দিনটা সব সময় অন্যরকম অনুভূতি হয়। প্রেম ভালোবাসা থেকে আপাতত দূরে তাই আজকে সন্ধ্যা বেলায় সদ্য কেনা দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের গল্প সংকলন "লিলি" পড়ে শেষ করলাম। এমনিতেই রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের ভক্ত তার সাথে ওনার লেখা অন্য বই গুলো পড়ার জন্য অপেক্ষা করি তাই আজকের সন্ধ্যাটা কার্যত অন্য মাত্রা পেল। "লিলি" গল্প সংকলনটি ৬টি গল্পের সংকলন যার প্রতিটা গল্পই একে অপরকে ছাপিয়ে গেছে।গল্পগুলি হলো - লিলি,ভীমরতি,ডুবুরি,রিভেঞ্জ, অনাহূত, অপাঙক্তেয়। প্রতিটা গল্পের মধ্যে লেখক এত নিপুণ দক্ষতায় পাঠকের মনের মধ্যে প্রবেশ করেছেন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের লেখায় সবসময় তার মেধার ছাপ ফুটে ওঠে, লিলি বইটির ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। প্রতিটি গল্পের মধ্যেই মানুষের চরিত্রের একটা অন্ধকার দিক হয়তো সেটা খুনি কিংবা দাগী আসামির মত অপরাধী না কিন্তু কিছু কিছু অপরাধের শাস্তি অদৃষ্টের মধ্যেই সৃষ্টি হয়, ৬টি গল্প জুড়ে বিভিন্ন স্বাদের চরিত্র যা মানুষের অবচেতন মনের অন্ধকার কুঠুরিতে লুকিয়ে আছে সেই গল্পই বলবে। কিছুদিন আগেই গ্লানির্ভবতি ভারত পড়েছি এবং মুগ্ধ হয়েছি এবার লিলি পড়ার পরেও একি রকম মুগ্ধতা ফিরে পেলাম। লিলি উপন্যাসিকা মধ্যে নারীবিদ্বেষী,ক্ষমতালোভী এবং উচ্চাকাঙ্খী চরিত্রের আত্মোপলব্ধি যেভাবে তুলে ধরেছেন তার কোনো প্রশংসা যথেষ্ট না। মনের মধ্যে ছুঁয়ে গেছে ডুবুরি এবং রিভেঞ্জ গল্পটি। বাকি গল্প সম্পর্কে আমি বিশদে কিছু বলবো না, বরং অনুরোধ করবো দেব সাহিত্য কুঠির থেকে বইটি সংগ্রহ করুন, পাতায় পাতায় অনুভব করবেন প্রতিটা লাইন।
এই বইতে জায়গা করে নিয়েছে এমন কিছু গল্প, যেগুলো লেখিকার কথায় বিষাক্ত।আসলে এখানে মানবমনের অন্ধকার দিকটাকেই নিপুণ হস্তে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখিকা। প্রতিটা গল্পই কম বেশি ভালোই।
১)লিলি : (৩.৫/৫) ☑️১৮+ বর্তমান যুগেও কিছু কিছু এমন পুরুষ আছে যারা নারীদের অগ্রগতি সহ্য করতে পারে না, স্ত্রীকে নিজের পায়ের তলায় রাখতেই পছন্দ করেন,সেরকমই আমাদের এই গল্পের স্বার্থান্বেষী, নারীবিদ্বেষী এক পুরুষ অদম্য পাল। কোনো মেয়ের ভালোবাসার সুযোগ নিয়ে তাকে ব্যবহার করলে, তার পাপের ফল একদিন পেতেই হবে, তাই দেখানো হয়েছে এখানে। ২) ভীমরতি : (৩/৫) বীরভূমের ইতন্ডা গ্রামের এক পূর্বপুরুষ এক তান্ত্রিক দ্বারা অভিশাপ প্রাপ্ত হন যে, তার উত্তরাধিকারীর হাতেই তার মৃত্যু হবে এবং এই শাপ বন্ধ পরম্পরায় চলতে থাকবে।এই শাপ থেকে বাঁচতে থাকোগোপাল চৌধুরী নিজের বংশধর কে নিজের থেকে দূরে সরিয়ে রাখে।কিন্তু এই শাপ থেকে কি মুক্তি পাওয়া সম্ভব ? ৩)অপাংক্তেয় : (৩/৫) যার মধ্যে ভালোবাসা কম, নিষ্ঠুরতা বেশি, যে মানুষকে অন্যায় ভাবে অন্যদের কাছে ছোট করে, তার সেই অপরাধের শাস্তি সে কোনো না কোনো ভাবে পাবেই। ৪) ডুবুরী : (৩.৫/৫) বাবার খুন ও নিজের নানাবিধ ক্ষতির প্রতিশোধ নেয় সাঁতারু হতে না পারা গ্রামের সাধারণ একটা মেয়ে বুলা। এ কি প্রতিশোধ নাকি নিজের সততা !? ৫)রিভেঞ্জ : (৪/৫) বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধের কাহিনী। কেউ নির্মমভাবে প্রতিশোধ নেয়, কেউ বা সৎ পথে। ৬) অনাহুত : (৪/৫) অলৌকিকের মোড়কে খুব সুন্দর একটা গল্প। মৃত্যুর পরে নিজদেহের একটা ব্যবস্থা করার চেষ্টা। এটাই এই বইএর সবথেকে ছোট্ট একটা গল্প, ভাবতে পারিনি শেষটা এরকম কিছু হতে চলেছে, বেশ ভালো।
এর আগে লেখিকার 'নির্বাচিত ৪২' নামক গল্পগ্রন্থটি পড়েছিলাম। বইটি পড়ে অত্যন্ত চমৎকার লেগেছিলো। তাই এই 'লিলি' নামক বইটি অনেক আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম। কিন্তু সত্যি কথা বলতে বইটা পড়ে মোটামুটি হতাশ হতে হলো। এই বইতে ছোট বড় মিলিয়ে ছয়টি গল্প আছে। বইয়ের প্রচ্ছদে '১৮+ বিষাক্ত কাহিনি' উল্লেখ করা হলেও সবগুলা গল্প এই ধাঁচের নয়। রিভেঞ্জ ও ভীমরতি গল্প দুটো ভালো লেগেছে। ডুবুরি গল্পটা ছিলো মোটামুটি। অনাহূত ও অপাঙক্তেয় গল্প দুটি বিরক্তির উদ্রেক করেছে। আর বইয়ের নাম যে গল্পের নামানুসারে সেই 'লিলি' গল্পটিতে নানারকম থিওরির মিশ্রণ ঘটাতে গিয়ে নাটকের কাহিনি হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে ৩.৫ তারার বেশি দিতে পারলাম না।
রিসেন্টলি পড়া বেস্ট থ্রিলার গল্প এটা।একজন তরুণ বিজ্ঞানী নাম অমিত,যিনি একটা মাশরুম আবিষ্কার করেছেন যা প্লাস্টিক খেয়ে ফেলে।কিন্তু তিনি রিসেন্টলি একটা অদ্ভুত জিনিস এর ভূগছেন।রাত হলেই এক অদৃশ্য নারি-স্পর্শ পায় তার শরীরে,ভয়ে সে অজ্ঞান হয়ে যায় প্রতিবার ই।তিনি বিয়ে করেছেন একজন গ্রামের ৪র্থ পাশ করা মেয়েকে,যাকে সে যখন তখন অপমান করে,এবিউস করে এবং সে পুরোটাই আত্মকেন্দ্রিক। তার কলেজে থাকাকালীন একটা মেয়ে বন্ধু ছিল নাম ছিল লিলি।এবং তার বর্তমান স্ত্রী এর নাম এভা।
অমিত, এভা,লিলি, আদম,ইভ,লিলিত,ব্যপারটা কি কাকতালীয়? আর কি ই সেই স্পর্শ যেটা তার জীবন নরক করে দিচ্ছে? জানতে হলে বইটা পড়তে হবে।
কয়েকটি চমৎকার ছোটগল্পের সংকলন। ঝড়ঝড়ে শব্দচয়নের পাশাপাশি লেখকের মুন্সীয়ানায় গল্পগুলোতে এক ধরণের শৈল্পিক আবহ তৈরি হয়েছে। দুর্বোধ্য শব্দ,বা বুঝতে কঠিন হবে এমন কোন টপিক নেই। সাধারণত ছোটগল্প লিখতে গিয়ে অনেকেই প্রবন্ধের ধাঁচ থেকে বের হ���ে পারেন না __ এই বইয়ে এই বিষয়টি লেখক খুব ভালোভাবেই উৎরে গিয়েছেন। ওভার অল বইটি আমার কাছে ভালো লেগেছে।
18+ বললেও আমার কাছে এই বইয়ের গল্পগুলো কে মোটেও রেস্ট্রিক্টেড মনে হয়নি। প্রথম গল্পটা কে সর্বোচ্চ ১৪+ বলা যেতে পারে বাকিগুলো একদম ই আনরেস্ট্রিক্ট্রেড হওয়া উচিত।
বড়গল্প লিলি সহ আরো ৫টি ছোট গল্প নিয়ে বইটি। মূলত ষড়রিপু আর বিকৃত মানসিকতার দিকগুলো তুলে ধরা রয়েছে, প্রতিটি গল্পেই থ্রিল ব্যাপারটা বর্তমান। must read