সাগর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর এক জাহাজ। কীভাবে, কেউ জানে না। বাংলাদেশি একটা জাহাজও যখন একইভাবে উধাও হয়ে গেল, রানাকে পাঠানো হলো খোঁজ নিতে। একটু একটু করে ভয়ঙ্কর এক ষড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে গেল ও।
ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন আফ্রিকার এক দরিদ্র দেশের স্বৈরশাসক, হতে চাইছেন দুনিয়ার অধীশ্বর। ভয়ের কথা হলো, সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবার মত বিধ্বংসী এক হাতিয়ার রয়েছে তাঁর হাতে।
এর সঙ্গে যুক্ত হলো সাগরতলের অদ্ভুত এক বিস্ময়, আর সত্তর বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক বিমানের রহস্য। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত দৃশ্যপটে উদয় হলো রানার পুরনো এক শত্রু, প্রতিশোধ নেবার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে। রানার এখন শনির দশা। একাকী কতদিক সামলাবে ও? পারবে তো?
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
রেটিং ৩.৫★ বইটা বেশ ভালোই লাগলো কিন্তু ভিলেনগুলো যারা পুরো বইয়ে বেশ পাওয়ার দেখালো শেষে মোটামুটি একটু বেশি সহজেই হেরে গেল লেগেছে। যাইহোক, সব মিলিয়ে বইটা ভালো লেগেছে।
অনেকদিন পর মাসুদ রানা পড়লাম। বেশ আশা নিয়ে শুরু করেছিলাম। শুরুটাও মন্দ নয়। তবুও কোথায় একটা জানি ছন্দপতন হলো। এই রানা রীতিমতো অপরিচিত। স্পাই রানাকে মিস করি খুব। আর কখনও তাকে দেখতে পাবো কিনা কে জানে।