স্কুলে একটি বাগধারা পরেছিলাম আদা জল খেয়ে লাগা যার অর্থ কোন কিছু করার জন্য উঠে পড়ে লাগা। মহৎ বা সৎ উদ্দেশ্যে আদা জল খেয়ে লাগতে সমস্যা নেই কিন্তু বিজ্ঞ নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ধুর্ত মানসিকতার তথাকথিত পণ্ডিতেরা যখন মানব জাতির সবচেয়ে মহৎ বিশ্বোসের স্থানটি কলুষিত করতে আদা জল খেয়ে লাগে, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার হাতিয়ার কলমকে যখন নোংরা খেলায় অপবিত্র করে তখন সেসব নামধারী পণ্ডিতদের মগজে জ্ঞানের নামে যাই বোঝাই করা থাকুক তা কতটা দুষিত, বিষাক্ত হতে পারে তার চমৎকার নমুনার অসংখ্য উধাহরন লেখক তুলে এনেছেন এ বইতে। ইসলাম মানবজাতির প্রতি আল্লাহর পাঠানো একমাত্র বিধানকে অনুগত হয়ে মেনে নেয়ার বদলে বরং কত রঙে, ঢঙে, সুক্ষ মারপ্যাচে, সত্যের আকাশচুম্বী দেয়ালে প্রসংশার রঙধনু একে সেখানে সূক্ষ্মতার সাথে কি ভাবে মিথ্যে ঢুকিয়ে দেয়া যায় এ অসৎ চরিত্রের খেয়ালায় তাদের পারদর্শিতা দেখে আমাদের ঘৃণায় হৃদয় ভরে উঠে। এই কাজ গুলো তারা করেছে কুরআনের সাথে, করেছে হাদিসের সাথে, নবী (সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ) এর জীবন নিয়েও তাদের নোংরামির কমতি ছিলনা।
অমুসলিম কেন হাজারো মুসলিমকে তারা ধোঁকা দিতে পেরেছে, সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত তারা হয়েছে। এই চলমান প্রবাহ যুগ যুগ নয় বরং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তারা চালিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমা নামধারী পণ্ডিতেরা যুগ যুগ ধরে ইসলামকে কত ভাবে এবং কত রুপে বিকৃত করে মানুষকে ধোঁকা দিইয়েছে, দিচ্ছে তার প্রকৃষ্ট উধাহরন রয়েছে এ বইতে। কেন একজন ইসলামকে ভুল বুঝে, কত ভাবে সে ভুল তৈরি করা যায়, নাস্তিকতা থেকে শুরু করে ইসলাম বিদ্বেষী তৈরির কারখানাটা কেমন যদি দেখে আসতে চান তবে বইটি একটি উন্মুক্ত জানালার মত। আশা করি যত রকমের ধোঁকাই আপনার সামনে নিয়ে আসা হোক না কেন আপনি বুঝবে পারবেন এর উৎপত্তিস্থল আসলে কোথায়। বুঝতে পারবেন ইসলাম কেন এটা বলে, ইসলাম কেন ওটা বলে এমন শত সংশয় একটি হৃদয়ে কি ভাবে ঢোকে সেই দুষিত খেলার দাবার গুটি চালকদের সভ্য চেহারার আড়ালে কি লুকিয়ে।