What do you think?


অভিযোগ নেই
"যতটা বেশি করে কাছাকাছি আসা ততটাই বেশি টিকিয়ে রাখার ভয় জড়িয়ে রাখে
আসলে মাঝে মাঝে দূরত্বে গড়ালেই মানুষ বেশি ভালো থাকে।"
বর্তমান সময়ে দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় কবি রুদ্র গোস্বামী। কবি উদাত্ত কন্ঠে বলেন -
"মেনে নিতে রাজি যাবতীয় কষ্ট অনাহার অনিদ্রা যন্ত্রণা সুখ
শুধু প্রতিটি মানুষের মনে একটি করে মানুষের বাস হোক।"
আসলে মাঝে মাঝে দূরত্বে গড়ালেই মানুষ বেশি ভালো থাকে।"
বর্তমান সময়ে দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় কবি রুদ্র গোস্বামী। কবি উদাত্ত কন্ঠে বলেন -
"মেনে নিতে রাজি যাবতীয় কষ্ট অনাহার অনিদ্রা যন্ত্রণা সুখ
শুধু প্রতিটি মানুষের মনে একটি করে মানুষের বাস হোক।"
64 pages, Hardcover
Published January 1, 2019
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
April 8, 2021
📜 কবিতা পড়তে আমার খুব ভালো লাগে, কিন্তু কবিতা এমন একটা জিনিস যা সবসময় পড়া যায় না । তাই, গতবছর বইমেলায় কেনা বইটি এতদিন ছুঁয়েও দেখা হয়নি । এখন বসন্তকাল... এটাই যেন সঠিক সময় রুদ্র গোস্বামী'র কাব্যগ্রন্থ ‛অভিযোগ নেই’ ছুঁয়ে দেখার ।
📝 এই কাব্যগ্রন্থের নামটি কি অদ্ভুত, মায়াময়... এই বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে প্রতিটি মানুষই যখন অভিযোগ - পাল্টা অভিযোগের তীরে জর্জরিত, তখন কবি তার কাব্যগ্রন্থের নাম রাখলেন ‘অভিযোগ নেই’ । কারণ, কবি রুদ্র গোস্বামী মানেই আমরা জানি ‘প্রেম’ বা ‘ভালোবাসা’.... সেই ভালোবাসায় কখনো আসে ‘বাংলা ভাষা’র কথা, কখনো আসে আমাদের এক অক্ষরের পৃথিবী - ‘মা’এর কথা, আবার কখনো বসন্তকাল এবং পলাশ ফুলের কথা ।
▪️এই কাব্যগ্রন্থের ৪৮টি কবিতা... প্রতিটি কবিতাই প্রিয় মানুষগুলোর জন্য, ভালোবাসার জন্য... এখানে কোনো ’অভিযোগ নেই’ । কবি যেন এই কবিতাগুলির মাধ্যমে বারবার বোঝাতে চেয়েছেন - যদি তুমি সত্যি সত্যি ভালােবাসতে জানাে, তাহলে পৃথিবীর সমস্ত পরিস্থিতি তােমার পক্ষে, সব মানুষই তােমার কাছের, তােমার নিজের প্রিয়জন । এই বর্তমান সমাজে দাঁড়িয়েও একজন মানুষ শুধু ভালোবাসার মাধ্যমেই সত্যিকারের ‘অভিযােগ-হীন’ উঠতে পারেন... আর যে পথে হেঁটে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন সেই পথটির নামই 'অভিযােগ নেই’ ।
📝 এই কাব্যগ্রন্থের খুব প্রিয় কিছু লাইন তুলে ধরতে চাই...
▪️এই বইয়ের প্রথম কবিতাটিতে কবি ‘বাংলা ভাষা’র জন্য লিখেছেন -
"তােমাকে যত্ন করতে পারিনি
একজন মানুষকে যেভাবে যত্ন করা যায় ।
প্রাণের ভিতর থেকে তােমাকে বাইরে নামাব,
বলাে অতাে কি সহজ?
আমার বাংলা ভাষা তুমি যত্নের চেয়েও বড়াে ।”
▪️‘মা দিবসের কবিতা নয়’ কবিতাটিতে কবি বলেছেন -
"একদিন মাকে বললাম,
মা এমন কেন হয় ? মা বললেন,
'পাখার একটা পা । তােমার পা, দুটো । এইযে তােমার প্রথম স্বপ্ন ছিল, আমার সঙ্গে নদী চিনতে যাবে ভাবাে তাে, নদীকে প্রথম চিনতে গিয়ে কতটা হেঁটেছ ?'
দেখলাম তাই তাে ।
মায়ের সঙ্গে হেঁটেই তাে প্রথমে আমি নদী চিনেছি !
সেই থেকে ফেরিওয়ালার সঙ্গে আমার তুমুল ঝগড়া ।
সেই থেকে আমি জানি এই পায়ে হাঁটাটাই হল আমাদের স্বপ্নকে ছোঁয়ার প্রস্তুতি, আর আমাদের এই স্বপ্নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব চে' বড়াে সাহসের নাম 'মা'।”
▪️ এখন যেহেতু বসন্তকাল, তাই ‘সময় এখন অবাধ্য খুব' কবিতাটি ভীষণ প্রাসঙ্গিক । কবি এখানে বলেছেন -
"বাইরে এখন বসন্ত খুব
বুকে চার অক্ষরের পলাশ ফোটে
এই বেহায়াবেলায় দোষ দিবি কি ?
তাের হৃদয় ছুঁতে যদি হৃদয় ছােটে"
এখানে ‘চার অক্ষর’ অর্থাৎ "ভালােবাসা", ভালােবাসা আসলেই পলাশ ফুলের মতন সুন্দর ।
▪️এখন এই সংকলনে আমার সবচেয়ে প্রিয় কবিতা থেকে কয়েকটা লাইন -
“কেউ একটা তাে চাই,
খােলা জানালার মতা আমাকে আকাশ দেখাবে ।
বলবে ‘এখানে ঠিকানা রেখে তুমি পাখি হয়ে যাও’।
কেউ একটা তাে চাই,
হাওয়ার শিসের মতাে কানে এসে বলবে ‘আমাকে ছাড়া কারো প্রেমে পড়তে নেই।”
📜 এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতাই এতটা ভালাে যে... সব কবিতাই আমার একটু একটু করে বলতে ইচ্ছে করছে । বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা কয়েকটি লাইন দিয়েই শেষ করি বরং -
“মেনে নিতে রাজি যাবতীয় কষ্ট
অনাহার অনিদ্রা যন্ত্রণা সুখ,
শুধু প্রতিটি মানুষের মনে
একটি করে মানুষের বাস হােক ।”
📝 এই কাব্যগ্রন্থের নামটি কি অদ্ভুত, মায়াময়... এই বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে প্রতিটি মানুষই যখন অভিযোগ - পাল্টা অভিযোগের তীরে জর্জরিত, তখন কবি তার কাব্যগ্রন্থের নাম রাখলেন ‘অভিযোগ নেই’ । কারণ, কবি রুদ্র গোস্বামী মানেই আমরা জানি ‘প্রেম’ বা ‘ভালোবাসা’.... সেই ভালোবাসায় কখনো আসে ‘বাংলা ভাষা’র কথা, কখনো আসে আমাদের এক অক্ষরের পৃথিবী - ‘মা’এর কথা, আবার কখনো বসন্তকাল এবং পলাশ ফুলের কথা ।
▪️এই কাব্যগ্রন্থের ৪৮টি কবিতা... প্রতিটি কবিতাই প্রিয় মানুষগুলোর জন্য, ভালোবাসার জন্য... এখানে কোনো ’অভিযোগ নেই’ । কবি যেন এই কবিতাগুলির মাধ্যমে বারবার বোঝাতে চেয়েছেন - যদি তুমি সত্যি সত্যি ভালােবাসতে জানাে, তাহলে পৃথিবীর সমস্ত পরিস্থিতি তােমার পক্ষে, সব মানুষই তােমার কাছের, তােমার নিজের প্রিয়জন । এই বর্তমান সমাজে দাঁড়িয়েও একজন মানুষ শুধু ভালোবাসার মাধ্যমেই সত্যিকারের ‘অভিযােগ-হীন’ উঠতে পারেন... আর যে পথে হেঁটে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেন সেই পথটির নামই 'অভিযােগ নেই’ ।
📝 এই কাব্যগ্রন্থের খুব প্রিয় কিছু লাইন তুলে ধরতে চাই...
▪️এই বইয়ের প্রথম কবিতাটিতে কবি ‘বাংলা ভাষা’র জন্য লিখেছেন -
"তােমাকে যত্ন করতে পারিনি
একজন মানুষকে যেভাবে যত্ন করা যায় ।
প্রাণের ভিতর থেকে তােমাকে বাইরে নামাব,
বলাে অতাে কি সহজ?
আমার বাংলা ভাষা তুমি যত্নের চেয়েও বড়াে ।”
▪️‘মা দিবসের কবিতা নয়’ কবিতাটিতে কবি বলেছেন -
"একদিন মাকে বললাম,
মা এমন কেন হয় ? মা বললেন,
'পাখার একটা পা । তােমার পা, দুটো । এইযে তােমার প্রথম স্বপ্ন ছিল, আমার সঙ্গে নদী চিনতে যাবে ভাবাে তাে, নদীকে প্রথম চিনতে গিয়ে কতটা হেঁটেছ ?'
দেখলাম তাই তাে ।
মায়ের সঙ্গে হেঁটেই তাে প্রথমে আমি নদী চিনেছি !
সেই থেকে ফেরিওয়ালার সঙ্গে আমার তুমুল ঝগড়া ।
সেই থেকে আমি জানি এই পায়ে হাঁটাটাই হল আমাদের স্বপ্নকে ছোঁয়ার প্রস্তুতি, আর আমাদের এই স্বপ্নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব চে' বড়াে সাহসের নাম 'মা'।”
▪️ এখন যেহেতু বসন্তকাল, তাই ‘সময় এখন অবাধ্য খুব' কবিতাটি ভীষণ প্রাসঙ্গিক । কবি এখানে বলেছেন -
"বাইরে এখন বসন্ত খুব
বুকে চার অক্ষরের পলাশ ফোটে
এই বেহায়াবেলায় দোষ দিবি কি ?
তাের হৃদয় ছুঁতে যদি হৃদয় ছােটে"
এখানে ‘চার অক্ষর’ অর্থাৎ "ভালােবাসা", ভালােবাসা আসলেই পলাশ ফুলের মতন সুন্দর ।
▪️এখন এই সংকলনে আমার সবচেয়ে প্রিয় কবিতা থেকে কয়েকটা লাইন -
“কেউ একটা তাে চাই,
খােলা জানালার মতা আমাকে আকাশ দেখাবে ।
বলবে ‘এখানে ঠিকানা রেখে তুমি পাখি হয়ে যাও’।
কেউ একটা তাে চাই,
হাওয়ার শিসের মতাে কানে এসে বলবে ‘আমাকে ছাড়া কারো প্রেমে পড়তে নেই।”
📜 এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতাই এতটা ভালাে যে... সব কবিতাই আমার একটু একটু করে বলতে ইচ্ছে করছে । বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখা কয়েকটি লাইন দিয়েই শেষ করি বরং -
“মেনে নিতে রাজি যাবতীয় কষ্ট
অনাহার অনিদ্রা যন্ত্রণা সুখ,
শুধু প্রতিটি মানুষের মনে
একটি করে মানুষের বাস হােক ।”
Displaying 1 - 1 of 1 review


