পনেরো বছর পর শৌনক-ঋজুলা আবার নিজেদের পরিবারকে লুকিয়ে পরস্পরের সঙ্গে দেখা করল। কলেজে থাকতেই দু’জনে পরস্পরকে ভালবাসত। কিন্তু সেই সম্পর্ক মেনে নেয়নি ঋজুলার পরিবার। অর্কপ্রভর সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায় ঋজুলার। শৌনকও পরে বিয়ে করে বর্ষাকে। কিন্তু পনেরো বছর পর ফের দু’জনের যোগাযোগ হয়। দু’জনে পরিকল্পনা করে টাটানগরে আর-এক বান্ধবী সুমনার বাড়ি যাওয়ার। এই দেখা করা এবং টাটানগর যাওয়ার পেছনে শৌনকের একটা অভিসন্ধি কাজ করেছে। কী সেই অভিসন্ধি? এত বছর বাদে পরিবারকে লুকিয়ে দেখা করার পরই বা কী হল? টানটান গদ্যে এক গভীর প্রেমের কাহিনি বুনেছেন সিজার বাগচী। যে কাহিনি শুধু পুরনো প্রেম কিংবা দাম্পত্য সম্পর্কের অতল দিয়ে বয়ে যাওয়া আঁকাবাঁকা স্রোতকেই নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে না, বরং তাকে ছাপিয়ে এই সময়ের ভালবাসার নানা স্তরকেও চমত্কার তুলে ধরে।
সিজার বাগচী-র জন্ম ১৯৭৭ সালে। দক্ষিণ কলকাতায়। পূর্বপুরুষের বসবাস ছিল অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে। অল্প বয়সে পিতৃহীন। কলেজে পড়ার সময়ে লেখালিখি শুরু। ফিচার, গল্প, প্রবন্ধ, সমালোচনা, চিত্রনাট্য, কথিকা, উপন্যাস। সহজ তরতরে ভাষায় লেখা সব গল্প-উপন্যাসের বিষয়ই আলাদা। এবং তা উঠে আসে রোজকার জীবনযাত্রা থেকে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের গল্পও লিখছেন নিয়মিত৷ নানা পেশায় যুক্ত থেকেছেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার চাকরি করেছেন ‘আনন্দলোক’ পত্রিকায়। বর্তমানে ‘আনন্দমেলা’য় কর্মরত৷ লেখালিখি ছাড়াও বাংলার লোকসংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে ভালবাসেন।