একটা সময় পর্যন্ত মানবদেহের ওপর সরাসরি মালিকানা লাভের সুযোগ ছিল। বর্তমানে সে সুযোগ না থাকলেও অবশ্য অসুবিধা হচ্ছে না। মানব মস্তিষ্কের মালিকানাই যদি লাভ করা যায় অন্য সবকিছুর মালিকানা তো তখন ফ্রি।
অনেক অনেক বিষয়ে আমাদের ধারণা যে ভুল এবং বাস্তবতা যে আমাদের ধারণার সাথে মিলে না তা অনেক যত্ন নিয়ে তুলে ধারার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইয়ে।
সমাজ এবং রাষ্ট্রের নানা অসংগতি লেখক এখানে তুলে ধরেছেন। কিন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সম্ভাব্য সমাধান কী হতে পারে তা তিনি বলতে পারেননি। কিছু সম্ভাব্য সমাধানের ইঙ্গিত দিলে বইটা কিছুটা পূর্ণতা পেত। অবশ্য আমাদের জন্য অনেক গুলো প্রশ্ন তিনি রেখে গেছেন।
একাদশ আর দ্বাদশ অধ্যায় আমার বেশ ভালো লেগেছে। একাদশ অধ্যায়ে বই বাণিজ্য, বই কী আসলে কোনো পণ্য? এধরনের প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন এবং এ বিষয়গুলোতে আমি লেখকের সাথে একমত। দ্বাদশ অধ্যায়ে সমাজের নিম্নস্তরের মানুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আসলে কেমন হওয়া উচিত এই বিষয়ে আলোচনা।
বইয়ের প্রতি অধ্যায়ই আমাদের মস্তিষ্কের নিউরনে আঘাত করে, ভাবায়। আমাদের প্রশ্ন করে "আসলে আমরা এমন কেন"?