Tahsan Rahman Khan is a Bangladeshi actor, model, singer, songwriter, and composer. Born and raised in Dhaka, Tahsan first started his music career at 21 through the music band Black. He later left the band and started his solo music career with the release of the album Kothopokothon. He later started to act on television.
তাহসান পেশাদার লিখিয়ে নন। বরং পেশায় তিনি অভিনেতা এবং সংগীতশিল্পী। তাই তার লেখা প্রথম বই 'অনুভূতির অভিধান'কে এক অভিনেতা ও শিল্পীর লেখা হিসেবেই পড়তে চেয়েছি। অতিরিক্ত প্রত্যাশা ছিল না। তাই হয়তো হতাশও হইনি।
অভিনেতা, সংগীতশিল্পী ও ব্যক্তি তাহসান খান নিজের কথা লিখেছেন এই বইতে। কতকটা পেশাগত জীবনের স্মৃতিচারণ কিংবা ব্যবচ্ছেদ এবং বাকিটা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাহসানের উপলব্ধি গুছিয়ে লিখেছেন এ বইতে।
তখন ব্ল্যাক ব্যান্ডের সফলতা শুরু। সংগীত হলো তাহসানের ধ্যান-জ্ঞান। একটা ভালো কিবোর্ডের জন্য প্রাণে হাহাকার। অথচ এত টাকা নেই। শেষে বুদ্ধি বের করলেন তিনসহ বন্ধুরা মিলে তার বাবার কাছে টাকা ধার চাইবেন। ভয়ে ভয়ে ধার চাইতে হয়নি। সবকিছু শুনে তাহসানের বাবা পুরো টাকাটাই উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে তাহসান লিখেছেন,
' প্রত্যাশার বিপরীতে হঠাৎ যখন কোনো ঘটনা ঘটে যাশ, অবিশ্বাস হলেও বিশ্বাস করতে বাধ্য হই, তখন যে সাময়িক অপ্রস্তুতির কারণে সময় থমকে যায়, সেই অনুভূতির নামই বিস্ময়। '
বিস্মিত হওয়ার মতো ঘটনা আরও কিছু ঘটেছে তাহসানের জীবনে। যেমন: গান গাইতে গিয়ে চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীরা তাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল।
অনেকেই হয়তো প্রতীক্ষা করে আছেন সাবেক স্ত্রী মিথিলাকে নিয়ে তাহসান কিছু লিখেছেন কিনা তা পড়ার অপেক্ষায়। তাদেরকে সম্পূর্ণ হতাশায় ডোবাননি তাহসান। পুরো বইতে কম-বেশি ইঙ্গিত দিয়েছিল এ নিয়ে। 'অপমান' নামক অধ্যায়ে লিখেছেন,
' সাংসারিক জীবনে বিচ্ছেদ আসলে প্রথম যে ঘটনা ঘটে তা হলো দোষারোপের প্রতিযোগিতা। দু'পক্ষই নিজেকে ভালো প্রমাণ করার চেষ্টায় হয় সচেষ্ট আর অপর পক্ষে কালিমা লেপনে হয় ব্যস্ত। '
বিবাহবিচ্ছেদের পর সাংবাদিকমহল এবং কাছের কিছু মানুষের নোংরামি দেখে জীবন বিষিয়ে গিয়েছে তাহসানের। তিনি যা-ই করুন না কেন, নিজের সন্তানের মায়ের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চান না। নিজেকে কখনোই এত নিচে নামাতে প্রস্তুত নন তাহসান।
'শাদেনফ্রয়দ' জার্মান ভাষার শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো অন্যের অনিষ্ট হতে দেখে সুখানুভূতি হওয়া। এই শাদেনফ্রয়দগ্রস্ত মানুষদের তাহসান হেদায়েত কামনা করেছেন।
প্রতিটি গদ্যের সাথে একখান করে কবিতা ফ্রি। আমি কবিতা বুঝি কম এবং পড়ি আরও কম। তাই তাহসানের কবিতা কেমন হয়েছে তা নিয়ে মন্তব্য করতে অপারগ।
কনটেন্ট বিবেচনায় দাম বেশি। হ্যাঁ, আপনি যদি তাহসানের পাঁড় ভক্ত না হন তাহলে নির্ঘাত হতাশ হবেন। তাহসান অসাধারণ কিছু লিখবেন - এমন অস্বাভাবিক প্রত্যাশা নিয়ে যারা বইটি ধরবেন, তারা নিজের অগোচরে হতাশায় অস্তমিত হবেন!
গায়ক তাহসান পাশাপাশি ব্যক্তি তাহসান ও আমার ভীষণ পছন্দের। তাহসান খান যাকে বলে একদম কেতাদুরস্ত জেন্টলম্যান তিনি ঠিক তাই। গীতিকার তাহসান যেহেতু ' আপ টু দ্য মার্ক' তাই জানতাম যে লেখক হিসেবে খুব একটা খারাপ হবেননা।
মানব মনের বিশটি অনুভূতির নিজস্ব গল্পায়নে তিনি লিখেছেন এই অনুভূতির অভিধান। প্রতিটা গল্পই তাহসানের অভিজ্ঞতাজনিত অনুভূতির সাথে নিজের সম্পৃক্ততার সুলিখিত বয়ান। আর প্রতিটা রচনার শেষে রয়েছে একটি করে গীতধর্মী কবিতা যা রচনার সারবস্তুুর সাথে মিলানো, তা বেশ লেগেছে।
অনেকের কাছেই তাহসানের লেখা কঠিন বলে মনে হয়েছে। কেউ কেউ তো মন্তব্য করেছেন লেখা নাকি ইচ্ছে করে জটিল করেছেন এলিট পাঠকদের কাছে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে। যারা তাহসানের ' প্রার্থনাদ কিংবা কে তুমি' শুনেছেন তারা জানেন যে তাহসানের শব্দচয়নের ধরণ ই এমন। জনপ্রিয় ব্যক্তিবিশেষ মাত্রই মানহীন হবে এমন চিন্তা যাদের তাদের খুব চিন্তাশীল বলে আমার মনে হয়না।
আচ্ছা, কয়টা আবেগের সাথে আমাদের পরিচয় আছে। আপনি চিন্তা করে হয়তো ২০ টার বেশি আবেগকে চিহ্নিত করতে পারবেন না। অথচ আবেগ-অনুভূতিগুলো শনাক্ত করে সে অনুযায়ী একশন নেয়া আমাদের জন্য কতটা যে ভালো সেটা আমরা বুঝতে পারি না।
"শাদেনফ্রয়দ" অনুভূতির নাম। শাদেন অর্থ 'ক্ষতি' আর ফ্রয়দ অর্থ আনন্দ। জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে শব্দটা। আর এটাকে বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছে তাহসান খান তার বইয়ের মাধ্যমে।
অন্য কারো ক্ষতি সাধন হতে দেখে যদি মনের মাঝে আনন্দের অনুভূতি জেগে ওঠে তখন সেই অনুভূতির নাম "শাদেনফ্রয়দ"। বাঙ্গালির এই অনুভূতির সাথে আজন্ম সহবাস।
মনাকস্পিস (Monachopsis) অনুভূতি। মানুষ যখন তার বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রতিনিয়ত কোন অস্বস্তি নিয়ে বেঁচে থাকে, যখন তার মনে হয় সে অন্য কোন পরিবেশে অন্য মানুষের ভীড়ে খুঁজে পাবে তার অধিবাস, তখন এই তীক্ষ্ণ যে অনুভূতি হৃদয় দংশনে সফল, সে অনুভূতির নাম-ই “মনাকস্পিস”।
তাহসান খান তার গানের মাধ্যমে অনেক "নিওলগিজম"(যেই শব্দগুলো অভিধানে নেই) কে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করিয়েছে। তার মধ্যে জনপ্রিয় একটি নিওলগিজম অনুভূতি হচ্ছে 'প্রেমাতাল'।
বইতে ২০ টা অনুভূতির গল্পের বর্ণনা ও প্রত্যেকটা অনুভূতির শেষে একটা করে কাব্য দেয়া আছে। অনুভূতির গল্পগুলো তার ব্যাক্তিগত জীবন দর্শন থেকে নেয়া। গল্প গুলো না পড়ে কেউ যদি সরাসরি কবিতা পড়তে যায় তাহলে কবিতাগুলোর মর্মার্থ সহজে বুঝবে না। প্রত্যেকটা অনুভূতির গল্পের সাথে কবিতাগুলোর সহবাস। শব্দচয়ন তো মারাত্নক রকমের সুন্দর হয়েছে। আমি বিমোহিত, বিস্মিত হয়েছি শব্দচয়নের কারুকার্যে।
যে লাইন সবচেয়ে ভাল লেগেছে -
যে নির্দিষ্ট না পাওয়ার অবসাদে আমাদের নির্ঘুম রাত কেটেছে, সেই একই পাওয়া হয়তো পরবর্তী সময় আর আমাদের কাছে অমূল্য হিসেবে অনুভূত হয়নি। এই চিন্তাটা প্রতিটা বাড়ন্ত ছেলে বা মেয়েকে স্কুলে কিংবা কলেজে কি কেউ শেখায় না?
আমাকে গায়ক তাহসানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল আমার প্রাক্তন। বছর পাঁচেক আগে আমাদের পিসি ভর্তি ছিল তাহসানের আর ব্ল্যাকের গান৷ যাকগে, পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা বাদ দেই।
আহামরি তেমন কিছু এই বইয়ের মধ্যে খুঁজে পাইনি, তবে অন্যান্য সেলিব্রেটিদের বইয়ের তুলনায় যথেষ্ট ভালো।
নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাগুলো দিয়ে মানুষের অনুভূতিগুলো বিশ্লেষণ করেছেন এখানে।
তাহসানের ভক্ত এখন আর আমি নই, তবে তাঁকে বেশ শ্রদ্ধা করি৷ আপনি তাহসান খানের ভক্�� হলে বইটা নিজের সংগ্রহে রাখতে পারেন।
রাহাত ভাই বললেন 'কিছু লিখতেন', আমিও ভাবছি কি করা যায়। ছোট্ট বই। পড়তে বেশি সময় লাগলো না। সত্যি কথা বলতে, কিছু বই মেলায় বসে পড়ে শেষ করতে ইচ্ছে করে। এই বইটা তাই করেছি 😃 ইচ্ছে, অহংকার, অপমান, সেদেনফ্রইদ এরকম কুড়িটি অনুভূতি নিয়ে কুড়ি রকমের স্মৃতিচারণ আর কিছু নিজস্ব ভাবনা। আমি তো ঠিক ওনার খুব বড় 'ফ্যান' নই তাই আবেগ দিয়ে কিছু লিখতে পারছি না। এই বই শেষ করার পর কিছু আগ্রহী ব্যাক্তি আমাকে জিজ্ঞেস করলো, 'ওনার প্রাক্তন কে নিয়ে কিছু লিখেছে না?' আমি হেসে বললাম, 'হ্যাঁ', প্রশ্ন এল, 'কি লিখেছে, কি লিখেছে?', আমি বললাম, 'পড়ে দেখুন না 😃' এটাই মজার ব্যাপার, ওনার এতো বিচিত্র ক্যারিয়ারের 'ওইটাই' আগ্রহের টপিক 😄 যাই হোক, আমি ঠিক ব্যাক্তিগত বিষয় ঘাঁটতে বইটা পড়িনি, উনি স্পেসিসিজম, রেসিজম, ইনটেলেকচুয়ালিটি, পিটার সিঙ্গারের দর্শন ইত্যাদি নিয়ে (সামান্য) কিছু আলাপ করেছেন তাই পড়ে দেখবার অনুভূতি জাগল।
তাহসানের গান একসময় দাগ কাটত, এখন নিজে গান কমে লেখে, কম সুর করে, তাই তেমন শোনা হয় না৷ তবে এর ব্যাখ্যা দেয়া আছে অভিমান নামক অনুভূতির আড়ালে। এমন আরো ১৯টি অনুভূতি নিয়ে সাজানো অভিধানটিতে নিজের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা এবং ভাবনার আলোকে রয়েছে অনুভূতিগুলোর বিশ্লেষণ৷ ছোট ছোট অধ্যায়। শব্দচয়ন বেশ ভালো হলেও সব জায়গায় প্রয়োগ রক্ষিত হয়নি। প্রতি অধ্যায়ের শেষে কবিতা যুক্ত করার ভাবনাটা নতুন হলেও সব কটা ভালো লাগেনি। কবিতা না বলে লিরিক বলা ভালো। মানুষ তাহসানের চিন্তাকে চেনার জন্য তাহসানের পাঁড় ভক্তরা পড়তে পারেন, তবে আজকাল যারা তাহসানের পাঁড় ভক্ত, তারা কতটা গান শুনে আর কতটা তার নাটক দেখে, এব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। যাই হোক, ব্যক্তিগত রেটিংঃ ২.৫/৫
"যদি আমার অনুভূতির অভিধান বাজারে মুখ থুবড়ে পড়ে, তাহলে তো আমার লেখার সার্থকতা বিচার করা খুব সহজ হয়ে গেল। আর অন্যদিকে আমার এই বই যদি চারদিকে সাড়া ফেলে দেয় তাহলে তো কথাই নেই। আমার বইয়ের সাফল্যের ব্যবচ্ছেদ হবে আমার খ্যাতির উনুনে আগুন দিয়ে।" তাহসান যথার্থ ভাবনাই ব্যক্ত করেছেন তার লেখা প্রথম বইয়ের ১০৬ নম্বর পৃষ্ঠায়। গুঞ্জন উঠেছিল, খ্যাতির জোরে আর ভক্তদের অন্ধপ্রীতিতে বাজার পেয়েছে "অনুভূতির অভিধান"। তবে আমি মনে করি এই বইয়ের যতটুকু কদর করেছে পাঠকরা, তা শুধু তার খ্যাতিতে অন্ধ হয়ে নয়। আমি তাহসানের বড় অনুরাগী নই, আবার একেবারেই অনুরাগহীনও নই। মোটামুটি নিরপেক্ষ অবস্থানের পাঠক হিসেবে বইটি পড়ে আমার যা মনে হয়েছে, তা-ই থাকছে আমার রিভিউয়ে।
হালকা ভাষার গল্প উপন্যাস পড়ে যাদের অভ্যাস, তাদের কাছে এই বইয়ের ভাষাকে একটু ভারী মনে হবে বলে ধারণা করি। আমার নিজের তেমন অসুবিধা না হলেও এটুকু বলতে চাই, শব্দচয়ন আরও সাবলীল হলে ভালো হত। ওজনদার সব শব্দের অবিরাম স্রোতে আরাম হারাতে পারেন পাঠক। তবে পড়তে পড়তে মাঝামাঝিতে গেলে সেই স্রোতের সাথে সমঝোতা হয়ে যাবে। নিত্যদিনের জীবনে মুখোমুখি হওয়া বিভিন্ন অনুভূতিকে নিয়ে লিখেছেন তাহসান। নিজের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেছেন অনুভূতিগুলোকে। সেসব নিয়ে একটা করে কবিতা জুড়ে দিয়েছেন প্রতিটা অধ্যায়ের শেষে। পড়তে গিয়ে কবিতাগুলোকে একটু বেশিই দুর্বোধ্য মনে হয়েছে আমার কাছে। আমি বিশেষভাবে বইয়ের আলংকারিকের প্রশংসা করব। কবিতার আগের পৃষ্ঠায় প্রাসঙ্গিক একেকটা ছবি...সত্যিই, আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে ছবিগুলোকে! লেখনীতে মুনশিয়ানা দেখে তাহসানকে একজন সুলেখক বলে অ্যাখ্যা দিতে আমার মনে কোনো দ্বিধা নেই। ত্রুটি বলতে কয়েক জায়গায় শব্দের সাথে প্রয়োজনীয় বিভক্তির অনুপস্থিতি চোখে পড়েছে।
ধন্যবাদ তাহসানকে, শাদেনফ্রয়দ আর মনাকপ্সিসের মতো নাম না জানা দুটো চেনা অনুভূতিকে নাম ধরে চেনানোর জন্য! এ বই ভাবতে বলে, বের করে নিতে বলে নিজের নিত্যদিনের ঘটনার ফলশ্রুতিতে হওয়া আর নিত্যদিনের কাজের নেপথ্যে থাকা অনুভূতিগুলোকে বিশ্লেষণ করার জন্য সামান্য অবসর।
বাংলা ভাষাও অনুভূতি নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে ব্যাপারটা ভালো লাগলো। ধন্যবাদ তাহসানকে তার অনুভূতির গল্পগুলো নিয়ে লেখার জন্য। ২০টার মত অনুভূতি নিয়ে লিখেছেন তিনি, প্রতিটার সাথে একটা করে কবিতা আর আরাফাত করিমের একটা ইলাস্ট্রেশন ফ্রি৷ বইমেলা আসলেই কিছু একটা বই প্রকাশ করা এখন বাংলাদেশের আতিপাতি সব সেলিব্রেটিদের মাঝে একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে, যার বেশিরভাগ বই-ই তেমন মানসম্মত বা অর্থপূর্ণ কিছু হয় না। তাহসান অবশ্যই কোন পাতি সেলিব্রেটি নন। তারপরও খুব বেশি প্রত্যাশা রাখিনি এই বই থেকে। তবে পড়ে খুব মুগ্ধ হলাম। 'ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স' নিয়ে কম পড়িনি ইংরেজিতে কিন্তু নিজের মাতৃভাষায় কখনো পড়া হয়নি। বেশ লাগলো।
কিছু বই হঠাৎ করেই আলসেমির ফাঁকে পড়ে ফেলার সুযোগ হয়। এই বইটাও তাই। কিন্তু কেমন জানি খাপছাড়া মনে হয়েছে। তবে বইয়ের কনসেপ্ট আর প্রতিটি অনুভূতির ব্যাখ্যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার।
ব্যক্তি তাহসান,লেখক তাহসান,অভিনেতা তাহসান,গায়ক তাহসান এক একটা পরিচয়ের চাবিকাঠি একেকরকম। লেখকের প্রথম বই সেই হিসেবে ভালো-খারাপ মিলিয়ে পাঠ করতে পারেন।
তবে এতটুকু বলব কেউ উচ্চাশা নিয়ে পাঠ করলে হতাশ হতে পারেন তাই এই বিষয়টার দিকে একটু খেয়াল রাখবেন।
"আমাদের প্রজম্ম বস্তুবাদের মোহে দিগ্বিদিকশুন্য হয়ে হয়তো ছুটছি, কিন্তু আমরা বুঝি আমরা অন্তঃসারশূন্য। তাই আমরা যেখানে হেরে গিয়েছি সেখানেই আমাদের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ"।
অনুভূতির অভিধান থেকে শেখার আছে অনেক বিষয়। উপলদ্ধি করতে পারবেন নিজের মধ্যে অন্য সত্বার প্রভাব। কিভাবে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা আমাদের সামাজিক জীবনে প্রভাব ফেলছে। এবং আমাকে আপনাকে পরিবর্তন করছে প্রতিনিয়ত। এ বইটি আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য স্থীর করবে সেটার নিশ্চয়তা আমি দিবো। সবারই কোন না কোন বিষয়ে উপলদ্ধি হবেই। এ বইয়ে তিনি ২০ টি অধ্যায় এনেছেন। ২০ ধরণের অনুভূতি নিয়ে। বাংলায় আত্মসমালোচনা নিয়ে খুব কম বই পড়া হয়েছে আমার। হয়তো, তেমন ভালো কোন বই হাতে পড়েনি কখনো! তা���সান খানের অনুভূতির অভিধান বইটি আমার মতে একটি আত্মসমালোচনা মূলক বই, যেটিতে উনি নিজের জীবন থেকে গৃহীত শিক্ষা গুলো এই বইয়ে তুলে এনেছেন। এবং অনুভূতির প্রকাশটা এমন যে! আমার নিজের সাথেই অনেকাংশে মিল খুজে পাচ্ছিলাম। যদিও বহুলাংশে নয়।
এ বইটি উঠতি বয়সী যেকারো জন্যেই আদর্শ একটি বই। ডিপ্রেশন থেকে বের হয়ে আসার নতুন একটি পদ্ধতি পেয়েছি এ বইটি পড়ে। আত্মহননের ইচ্ছাটাও কমবে। ১৭;তম অধ্য��য় হলো " হতাশা "। আমাদের জেনারেশনের বর্তমান অবস্থা এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কিছুটা হলেও বুঝতে পারবেন পড়ে। এবং মুক্তির উপায়ও বাতলানো আছে বইয়ে।
এ বইতে দ্বিধা, কৌতুহল, আস্থা, অনুশোচনা এমন নাম জানা অজানা অনেক অনুভুতির সম্মুখীন হবেন।
আর এ বইটি আমার মনে হয়েছে উনার না বলা কথা গুলোর বহিঃপ্রকাশ। এতদিন তিনি যা জমিয়ে রেখেছিলেন তার সম্মীলন। সমালোচকদের প্রতি উনার যথার্থ উত্তর।
সর্বশেষ বলবোঃ কিছু বইয়ের প্রভাব সুদুরপ্রসারি, আমার এ বইটি তেমনই মনে হয়েছে। উনি এ বইটি একটি জেনারেশনের জন্য লিখেননি। উনি লিখেছেন সামনে যারা আসবেন তাদের জন্যও। উনার মতো এমন চিন্তাধারার লেখক বিরল। আমার চাওয়া থাকবে উনি এমন বই আরো দিক আমাদেরকে। প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে ঐ অধ্যায়কে একটি কবিতা আকারে রুপ দিয়েছেন উনি। বিষয়টা বেশি ভালো লেগেছে আমার। আর বইটা এমন একটা বই, যত বারই পড়বেন। নতুন ভাবে কিছু উপলদ্ধি হবেই।
বইটি পড়ে আমার প্রথমত মনে হয়েছে এটি একটি সেল্ফ ইম্প্রোভমেন্ট বই। যে ক্যাটেগরির বই বাংলা লিখা লিখি জগতে খুব কম লিখা হয়। বইটিতে লেখক খুবই কঠিন ও অপরিচিত বাংলা শব্দের ব্যবহার করেছেন। কিন্তু বইটি পড়তে ও বুঝতে খুব একটা কষ্ট হয় না। কারন প্রত্যেকটা লাইন শেষে আপনি ওই লাইটিতে কি বুঝাতে চেয়েছে আপনি তা বুঝতে পারবেন। বইটিতে লিখা প্রত্যেকটা অনুভূতি আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত ঘটা। কিছু কিছু অনুভূতি আমাদের আছে যে গুলো আমারা কোন শব্দে প্রকাশ করতে পারি না। সেই অনুভূতি গুলো নাম আপনি এই বইটিতে খুঁজে পাবেন। বইটিতে লেখক খুবই সুন্দর উদাহরণ ও নিজের জীবনের ঘটনার মাধ্যমে প্রত্যেকটা অনুভূতি খুবই সুন্দর ও সহজ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।যখন আমি বইটি পড়েছি তখন আমার জীবনের অনুভূতি গুলোর সাথে বইয়ের লিখিত অনুভূতির সাথে হুবহু মিলে যেত কেন যেন নিজের অজান্তেই ঠোঁটের কোনে একটা হাসি ফুটে উঠত। কখন অনুভূতিটা আমার জীবনের একটা তিক্ত অনুভূতি হলেও বইটি পড়ার সময় ওই অনুভূতিটা আমার মুখে হাসি এনে দিয়েছে। বইটিতে যে অনুভূতি গুলো আমরা মোকাবেলা করতে হিমসিম খেয়ে যাই ওই অনুভূতি গুলোকে কিভাবে মোকাবেলা করা যায় সেই শিক্ষা দেয়া হয়েছে। তাই বইটি সব শ্রেণির পাঠকের কাছে ভাব খুব ভাল লাগবে।
অনুভূতির অভিধান! আমারা সবসময়ই বাংলা,ইংরেজি ওয়ার্ড মিনিং খুজতে ডিকশোনারি অর্থাৎ অভিধান ব্যাবহার করি। এই বইটা মূলত আমাদের যে একটা অনুভূতি আছে সেই অনুভূতির অভিধান। .
. ক্লাস সেভেনে থাকতে আমি তাহসান এর প্রথম একটা নাটক দেখি। নাটক টার নাম "স্পর্শের বাইরে" আর সেই নাটক থেকে তাহসান এর প্রথম যে গানটা শুনি সেটি ছিলো "ফ্রেমে বন্দী কোনো ক্যামেরায়"। এই নাটকটা আর নাটকের সাথে গানটা আর তাহসান এর অভিনয় সব মিলিয়ে আমি এত কেঁদেছিলাম নাটকটার শেষ পরিনতি দেখে বলে বোঝানো যাবে না।সেই তখন থেকে তাহসান কে চিনতে লাগলাম। তার আরো নাটক দেখতে থাকলাম।মনে গেঁথে গেলো আর প্রিয় জায়গা করে নিলো তাহসান।তখন আস্তে আস্তে তার আরো গান শুনতে শুনতে ভালো লাগা থেকে প্রিয় থেকে এক ধরনের ভালোবাসাও জন্মে গেছে তার জন্য। আলাদা অনুভূতি কাজ করে। যেটা অনুভূতির অভিধান বই তে খুজলে পাওয়া যেতেও পারে। .
. আর এই প্রিয় মানুষটার সবকিছুই যখন ভালো লাগে,তখন তার বই বের হবে শুনে এতটা এক্সাইটেড হয়েছিলাম যে আনন্দে চোখে পানি চলে আসে আমার। বইটা ছাপার পরপরই আমার একজন প্রিয় মানুষ বইটা আমাকে কিনে দেয়। হাতে পেয়েই বইটা উল্লাস,আগ্রহ নিয়ে পড়ি। প্রিয় মানুষ তাহসান তাই হয়তো বেশিই ভালো লাগছে তার বই এর লেখা গুলো,তার কথাগুলো। অন্য মানুষদের কেমন লাগবে জানি না। তবে যাইহোক বইটির অসাধারণ ব্যাক্তিত্ব,চিন্তাভাবনা,বাচনভঙ্গি সবকিছুই ছিলো অসম্ভব সুন্দর। বইটির লেখাগুলো থেকে আপনার মস্তিষ্কে সুস্পষ্ট ধারনা নিতে পারেন,যা জীবনে চলার পথে হয়তো কোনো না কোনো সময় কাজে লাগবে। অনেক কিছু শিখতেও পারবেন অনুভব করে। বই এর গল্পগুলো কারো জন্য হতে পারে শুধুই বিনোদন,আর কারো জন্য হয়তো বেঁচে থাকার পাথেয়।
বই থেকে আমার প্রিয় কথা----
★আমার শৈশব আর কৈশরের সময়টা তে আমার আশেপাশে অনেক গানপাগল মানুষ ছিলো। যুগটাই ছিলো তেমন। এখনকার কিশোর-কিশোরীরা যেমন দলে দলে youtuber,tiktok star কিংবা instagram ইনফ্লুয়েন্সার হবার জন্য ছুটছে,আমাদের সেই সময় আমরা গিটার কিবোর্ড,গান,কবিতা লিখতেই বেশি মনোযোগী ছিলাম।
Its the first book of one of my followed celebrity. 20 emotions of everyday life is described in writers perspective and used his life experience as example. Its mentionable how the order is maintained in this book. I found the perspectives relatable and a great book to know/describe different emotions. A few new words were introduced to describe some of the very common emotions ( i found that part astounding). Also its appreciate able how the writer tried to keep the book as short as possible. The downside is people who are into psychology will find this pretty common and mundane.
আরো কিছু পয়েন্ট দেয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু তার সব অনুভূতি যেমন আমার মনে হয়েছে যে তিনি সঠিক ভাবে উপস্থাপন করেননি অথবা চাননি, তেমনি কিছু অনুভূতি যা তার জীবনে ঘটে গেছে সেগুলো অসাধারণ লেগেছে। কিছু রিলেট করেছে কিছু করেনি। তবে জীবনের নানান বাধা বিপত্তি পেরিয়ে, একসময় একা অথবা সকলের সাথে থাকার অনুভূতি গুলো সেই ছিল। তার প্রাক্তনের কথা বেশ কবার এসেছে, কারণ সে মনে হয় সবচেয়ে বেশি কষ্ট তখনি পেয়েছিল, প্রাক্তনের কাছ থেকে নয়, স্রোতা ভক্তের কাছ থেকে। ভালো লাগার কিছু লাইন নিচে উল্লেখ করলাম।
একটা পছন্দের গান কতবার শোনার পড়ে আর শুনতে ভালো লাগে না ? একজন লেখকের কতগুলো বই পড়ার পর মনে হয় যে লেখাগুলো সব একই রকম হয়ে যাচ্ছে ? তার লেখাতে নতুন কিছু খুজে পাচ্ছিনা। কতবার প্রিয় সেই সমুদ্রসৈকতে ছুটে যাবার পর মনে হয় যে সমুদ্র আর টানছে না? আর কতবার ভালোবাসার মানুষকে ভালোবাসলে জঙ ধরে মনে?
চাওয়া পাওয়ার হিসাব মেলানো টা আমার কাছে অনুভূতির অভিধানে সবচেয়ে জটিল গাণিতিক রহস্য। আর এই সমস্যাটা স্থান, কাল , পাত্র এবং বয়সভেদে নানা রকম শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে একেক ভাবে ব্যথাতুর করে তোলে একেকজন মানুষকে।
যে পাঠ গুলো ভালো লেগেছে সেই পাঠগুলোকে ব্যক্তিগত হিসাবে ৪/৫ দিলাম। ধন্যবাদ!
বইয়ের নাম : অনুভূতির অভিধান লেখক : তাহসান খান জনরা : নন-ফিকশন পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২০ ব্যক্তিগত রেটিং : ১০/১০
মূল আলোচনা : বইটির নাম অনুযায়ী বইটি সাজানো হয়েছে। সাধারণত অভিধান বলতে আমরা কি বুঝি? একটা বিশাল শব্দকোষ যেখানে প্রতিটা শব্দের অর্থ, তার উচ্চারণ, তার উৎপত্তি ব্যাখ্যা করা থাকে। তেমনি লেখক তাহসান খানের অনুভূতির অভিধান বইটিতে আছে ২০ টি অনুভূতির ব্যাখা, তার অর্থ এবং আদৌ কিভাবে লেখক এই অনুভূতিগুলো প্রকৃত অর্থে অনুভব করেছেন। আর শুধু যে লিখেছেন তা নয়। এত সুন্দর শব্দচয়ন একেক টা অনুভূতির বর্ণনায়, মনে হচ্ছিল সব কিছুই নিজের সাথে মিলে যাচ্ছে। আর প্রতিটা অনুভূতির শেষে, সুন্দর সুন্দর কবিতায় আবারও পরিষ্কার করেছেন প্রতিটা অনুভূতি।
ব্যক্তিগত মতামত : এই বই নিয়ে সত্যি আমার কিছু বলার নেই। এককথায় অসাধারণ একটি বই। আর সত্যিকারের জীবনে কিভাবে বাধা উপেক্ষা করতে হয়, কিভাবে অনেক মানুষ কে নিয়ে চাইলে মিলেমিশে চলা যায়, তার কিছু উদাহরণও আছে। সেই সাথে আছে জীবনের তেতো কিছু সত্য, যা থেকে যে কেউ খুব ভাল ভাবে শিখতে তো উপলব্ধি করতে পারবে। তাহসান স্যারের আমি এমনিতে একজন ভক্ত। তবে স্যারের এই বই পড়ে ওনার লেখক স্বত্তার নতুন করে প্রেমে পড়লাম। বাংলা ভাষায় লিখা এ ধরণের বই আমি আজ পর্যন্ত ২য় টি পড়িনি।
হুমায়ুন আহমেদ প্রজন্মের বই পড়ুয়া বলেই হয়ত ভাষার প্রয়োগে অযাচিত দুর্বোধ্যতা সৃষ্টির প্রয়াসটা দৃষ্টিকটু মনে হয়েছে। হয়ত লেখক তাহসানের অবচেতন মনে, বা সজ্ঞানে ,অবশ্যম্ভাবী সমালোচনার ভয়টা তাঁর লেখক সত্তার যোগ্যতা প্রমানে একটু বেশীমাত্রায় সচেতন করে রেখেছিল। বইয়ের ভাষাটা আরও প্রাঞ্জল হতে পারত সহজেই।
লেখক তাহসানের সৃষ্টিশীল মনের ছাপ তাঁর কবিতায় স্পষ্ট। ২০ টি অনুভূতির গল্পের মধ্য দিয়ে সচ্ছ, সুস্থ চিন্তার চর্চার বার্তা এই প্রজন্মের পাঠকদের মাঝে ছড়িয়ে দেবার সূক্ষ্ম প্রয়াস প্রশংসার দাবি রাখে। সামনের দিনগুলোতে লেখা চালিয়ে গেলেও খুব কটাক্ষ বা বক্রদৃষ্টির সম্মুখীন হবেন বলে মনে হয়না। লেখক হিসেবে তাঁর হাত যথেষ্টই পরিপক্ক।
তাহসান খানের অন্যসব পরিচয় ছাপিয়ে তার গায়ক সত্তার সাথেই আমরা বেশি পরিচিত আর তিনি তার এই বইতে সেই ছাপটুকুই রাখার চেষ্টা করেছেন। তাই সে হিসেবে খুব বেশি প্রত্যাশা ছিল না, তাই হতাশ হতে হয় নি।
লেখকের লেখকসত্তা যতটা ফুটিয়ে তোলার দরকার ছিল ততটা পাওয়া যায় নি। বইটির নাম অনুভূতির অভিধান হলেও লেখক তার উল্লেখযোগ্য কিছু অভিজ্ঞতা ও আত্মোপলব্ধির ভিত্তিতে অনুভূতির বিভিন্ন শব্দাবলীকে নিজের মতো সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছেন ।
পাঠকসমাজ যদি লেখকের লেখকসত্তাকে একপেশে রেখে সাহিত্যদর্পনের পরিবর্তে গায়কসত্তার দর্পনে বইটি পড়ার চেষ্টা করে তাহলে ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব। ধন্যবাদ।
Tahsan explained 20 emotions with his very own life story. He opened his mind like never before. He also shared few things which are quite sensitive and probably very few people knew about.
However, his writing could be better. Just thinking, if Humayun Ahmed had written this.....
অনুভূতির বিশ্লেষণ কি সম্ভব? পরিচিত মুখ তাহসান খান সেই কঠিন কাজটাই করার চেষ্টা করেছেন এই বইতে। সব মিলিয়ে ২০ টি অনুভূতি নিয়ে আলোচনা আছে বইতে। প্রতিটি আলোচনায় তার পরিণত চিন্তাভাবনার ছাপ স্পষ্ট। বিভিন্ন অনুভূতির প্রসঙ্গে নিজের জীবনের বিভিন্ন গল্প টেনেছেন। প্রত্যেকটা অংশে লিখার সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন চিত্র আর কবিতা।
কিছু বইয়ের সাথে কিছু সুন্দর অনুভুতি লুকিয়ে থাকে। সেটা বই পড়ে হোক কিংবা যার কাছ থেকে বইটা ধার করে পড়েছিলাম, তার কথা মনে পড়ার কারণে হোক! "অনুভূতির অভিধান" বইটা অপরূপার ছিল, আমাকে পড়তে দিয়েছিল সেই ক্লাস নাইনে। এবং আমার মনে আছে 'শাদেনফ্রয়েড' শব্দটা এই বই থেকেই শিখেছিলাম। এখন সেই পুরোনো দিনগুলার কথা মনে পড়লে ভালোই লাগে।
This book was all about feelings and their meanings in the eye of the writter himself. It was an interesting way to see the world and feel it in Tahsan khan's shoe.
ব্যাক্তি তাহসান, গায়ক তাহসান, অভিনেতা তাহসান কে ভালো লাগলেও লেখক তাহসান কে একটুও ভালো লাগলো না। লেখার মান খুবই নিম্ন। বইটাকে কি জনরায় ফেলবো সেটাই বুঝতে পারলাম না।