Anisuzzaman was a Bangladeshi academic of Bengali literature. He was an activist who took part in the Language Movement (1952), participated in Mass Uprising (1969), and took part in the Bangladesh Liberation War (1971).
He was a member of the Planning Commission to the Government of Bangladesh during the Bangladesh liberation war and a member of the National Education Commission set up by the government after liberation. He was inducted as a National Professor by the Government of Bangladesh in 2018.
আনিসুজ্জামান জীবনের শেষকালে যেসব শব্দাদি মানুষের মুৃখে মুখে কিংবা নানান অপপ্রয়োগের ফলে অভিধানগত অর্থ প্রকাশের বদলে ব্যাকরণবিরুদ্ধ ভাব বা অর্থ প্রকাশ করতে শুরু করেছে, তিনি সেসব শব্দদের সঠিক অর্থ নির্ধারণপূৃ্র্বক অতি নাতিদীর্ঘ নিবন্ধ লিখতে শুরু করেছিলেন শব্দের ব্যাকরণসিদ্ধ ব্যবহার এবং অপপ্রয়োগ ঠেকাতে ( না জানি আমার এই বাক্যে কতগুলো ভুল আছে!)। উনার পরিকল্পনা ছিলো ১০০টি শব্দ নিয়ে লেখার কিন্তু মাত্র ৬২টি লেখার পর জীবনের সাথে সাথে উনার নিজস্ব অভিধানও সমাপ্ত হয়। শব্দের ব্যাকরণগত শুদ্ধরূপ অবশ্যই সবার জানা ও চর্চা করা উচিত তবে কোন কোন সময় শব্দেরা পুস্তকে উদ্ধৃত অর্থাধীন না থেকে নিজেদের অর্থ বদলে ফেলে এবং মানুষের কাছে গ্রহণীয় হয়ে উঠে। পন্ডিতদের ভাষার শুদ্ধরূপ নির্ধারণ করা ও সেই শুদ্ধ-অশুদ্ধ বোধ দ্বারা গণমানুষের ভাষা নিয়ন্ত্রণ করবার প্রচেষ্টা আমার কাছে ধাঁধার মতো লাগে আবার ভাষার যাচ্ছেতাই ব্যবহারও কাম্য নয়। বেশ জটিল ব্যাপারস্যাপার!
প্রথমা'র আনিসুজ্জামানের এই অসমাপ্ত প্রজেক্টের মনিটাইজেশন করবার দিকটা ভালো লাগে নাই। ৬২ টি শব্দের গ্যাঁদা গ্যাঁদা এন্ট্রি দিয়ে ৭৮ পৃষ্ঠার বই করে ২০০ টাকা দাম রাইখা দেওয়া। এই জিনিস আলাদা বই করবার মতো কিছু হয়নাই তবে লেখকের অগ্রন্থিত রচনাবলীর অংশ হিসেবে বা বিশেষ ঈদসংখ্যার গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ হিসেবে পড়তে বেশ লাগার কথা। (চাকরি পরীক্ষায় কাজে আসবে)