What do you think?


ফুলস্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট - কানেক্টিং দ্য ডটস
সহজ কথায় এটা একটা ডেভেলপমেন্টের বই। এই বইয়ে কথা বলা হয়েছে ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত কিছু মিথের বিরুদ্ধে। এই বইয়ে দেওয়া হয়েছে ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কিছু মোটিভেশন। ডেভেলপমেন্টের কয়েক বছরের জার্নি তুলে ধরে হয়েছে স্টেপ বাই স্টেপ। একটা অ্যাপলিকেশন আইডিয়া থেকে শুরু করে মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কিভাবে অ্যাপলিকেশনটা ডেভেলপ করা হবে, কিভাবে স্কেলিং করা হবে, কিভাবে ম্যানেজ করা হবে প্ল্যানিং থেকে শুরু করে ডেপ্লয়মেন্ট পর্যন্ত সমস্ত রোড ম্যাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইটাতে। এই একটা মাত্র বই আপনার সম্পূর্ণ ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ারের প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করবে।
- GenresProgramming
272 pages, Hardcover
Published February 1, 2021
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
May 18, 2021
একজন নন-সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের হয়েও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সেক্টরের প্রতি একটা আগ্রহ বেশ আগে থেকেই ছিল। তবে সোশাল মিডিয়ায় এখন যেভাবে ক্রাশ-কোর্স আকারে ডেভেলপার হওয়ার এডগুলো দেখি- সেটা সত্যিই বিভ্রান্ত আর বিরক্ত করে তুলছিল।
তাই বলা যায়, বেশ অনেকদিন ধরেই আমি একটা সোর্স খুঁজছিলাম যা আমাকে এই সেক্টর নিয়ে একটা কমপ্লিট ধারণা দিবে৷ আর সে কাজটাই এ বইয়ে খুব সুন্দরভাবে করা হয়েছে।
একদম শুরু থেকে আস্তে আস্তে কি কি শিখবেন, কেন শিখবেন, বর্তমানে যা প্রচলিত সেটার চাহিদা আছে কিনা, শেখাটা বৃথা যাবে কিনা এরকম তথ্য লেখাটাকে আকর্ষণীয় যেমন করেছে, তেমনি প্রথমদিকে না জানা নানা টার্ম থাকা সত্ত্বেও পড়তে বিরক্ত লাগছিল না।
বইতে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ডাটা স্ট্রাকচার - এলগরিদম, বিভিন্ন মিথ আর তার ব্যাখ্যা, ফ্রন্টেন্ড - ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্টের নানান শাখা, ডাটাবেইজ, সিস্টেম ডিজাইন, ডেভওপস, ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি বিষয়ে লেখক যেমন পরিপূর্ণ একটা ধারণা দিয়েছেন, তেমনি আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে 'নানা জনের নানা মতের পক্ষে'ও যথাযথ যুক্তি দিয়েছেন - যাতে তরুণ প্রজন্ম বিভ্রান্ত হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সেক্টর সম্পর্কে একটা পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়ার জন্যে এই বইটি পড়তে পারেন।
তাই বলা যায়, বেশ অনেকদিন ধরেই আমি একটা সোর্স খুঁজছিলাম যা আমাকে এই সেক্টর নিয়ে একটা কমপ্লিট ধারণা দিবে৷ আর সে কাজটাই এ বইয়ে খুব সুন্দরভাবে করা হয়েছে।
একদম শুরু থেকে আস্তে আস্তে কি কি শিখবেন, কেন শিখবেন, বর্তমানে যা প্রচলিত সেটার চাহিদা আছে কিনা, শেখাটা বৃথা যাবে কিনা এরকম তথ্য লেখাটাকে আকর্ষণীয় যেমন করেছে, তেমনি প্রথমদিকে না জানা নানা টার্ম থাকা সত্ত্বেও পড়তে বিরক্ত লাগছিল না।
বইতে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ডাটা স্ট্রাকচার - এলগরিদম, বিভিন্ন মিথ আর তার ব্যাখ্যা, ফ্রন্টেন্ড - ব্যাকেন্ড ডেভেলপমেন্টের নানান শাখা, ডাটাবেইজ, সিস্টেম ডিজাইন, ডেভওপস, ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি বিষয়ে লেখক যেমন পরিপূর্ণ একটা ধারণা দিয়েছেন, তেমনি আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে 'নানা জনের নানা মতের পক্ষে'ও যথাযথ যুক্তি দিয়েছেন - যাতে তরুণ প্রজন্ম বিভ্রান্ত হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সেক্টর সম্পর্কে একটা পরিপূর্ণ ধারণা পাওয়ার জন্যে এই বইটি পড়তে পারেন।
May 5, 2021
বর্তমানে আমাদের দেশে চলছে আইটির ঝড় , সেই ঝড়ে উড়ে আসছেন বহু লোক । কিন্তু তাদের অনেকেই আসছেন বিভিন্ন মুখরোচক গল্প শুনে , যার পরিণতি হচ্ছে খারাপ । লেখক এই বইয়ের মাধ্যমে আইটি ফিল্ডে থাকা এই দেশিও কিছু কুসংস্কার , মিথ আর মিথ্যা গল্পের সত্যটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন । আইটি ফিল্ডের প্রায় সবগুলো ফিল্ডের প্রতিই আলোকপাত করা হয়েছে যা অনুসন্ধিৎসু মনে আলোর প্রজ্জোলন করতে সক্ষম বলে আমি মনে করি ।
May 28, 2023
চেয়েছিলাম বইটার একটা সামারি লিখবো যেন পরে সহজেই রিকল করতে পারি। কিন্তু বইটা এত বড় আর এতো এতো ইনফরমেশন যে একবার পড়ে সেটা সম্ভব হচ্ছেনা। আর নিজের দোষে এনোটেশন বা নোট ও করা হয়নি। তাই সামারই দেয়ার আগে আরেকবার পুরোটা পড়ব। তাই এখন একটা রিভিউ লিখছি।
ভালো দিকঃ
- বাংলা ভাষায় অসাধারণ একটা বই ইভেন ইংরেজিতে প্রকাশ করলেও অনেক পাঠক প্রিয়তা পাবে বলে মনে করি। কেন? কারণ এই বইটা একটা পুরো রোডম্যাপের তাফসির বলতে পারেন। একটা রোডম্যাপ আপনাকে হয়তো যেকেউ দিয়ে দিবে যে কিভাবে একজন ভালো ফুলস্ট্যাক ডেভেলপার হয়ে উঠবেন। কিন্তু বেশিরভাগ ই পাবেন রাজমিস্ত্রি টাইপ ডেভেলপার হবার রোডম্যাপ, কিন্তু লেখক এখানে ১০ তলা বিল্ডিং বানানোর ইঞ্জিনিয়ার হবার রোডম্যাপ দেখিয়েছেন। এরকম দিকনির্দেশনা খুবই প্রয়োজনীয়।
- একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মাইন্ডসেট আপনার মাথায় ইন্সটল করে দেয়ার জন্য বইটা যথেষ্ট। যদি আপনি সেরকম ওপেন মাইন্ডেড হয়ে থাকেন।
- বইয়ের নাম দেখে কেউ যদি ভাবেন জাস্ট আপনাকে একজন কোন স্ট্যাক বেজড ডেভেলপার হবার স্টেপ শিখিয়ে দিবে এই বই তাহলে বলব সূচিপত্র একবার পড়ে দেখেন। আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন বইটা কত ভাস্ট।
- প্রতি অধ্যায়ের শেষে সামারি আছে, কি করবেন কি করবেন না সেগুলো সুন্দর করে ইলাস্ট্রেট করে দেখানো হয়েছে যেটা মারাত্মক হেল্পফুল।
- লেখক পুরো বইজুড়ে ফ্লো বজায় রেখেছেন, কখনো মনে হবেনা যে কিছু একটা মিসিং বা কিছু একটা যেন নেই। সবসময় কমপ্লিট ফিল করবেন।
- জার্নি হিসেবে বইটাকে কল্পনা করে এবং প্রয়োজন মতো উদাহরণ দিয়ে পুরো জার্নির সবগুলো পার্ট বোঝানো হয়েছে।
- বইটা এতোটাই ইম্পরট্যান্ট আমার মনে হয়েছে যে আমি লিটারেলি পরিচিত ২ জনকে জোড় করে পড়তে বলেছি। আপনি যদি আপনার জীবনের এখন অব্ধি বেস্ট এভার প্রোগ্রামিং রিলেটেড বইটা পোর্টে চান তাহলে এইটাই সুযোগ। ৫০০ টাকার জন্য পরা যেন পস্তাবেন না। এই যেমন আমি ভাবছি কেন আমি ২১ সালে যখন প্রকাশ হল তখন বইটা সংগ্রহ করিনি। অনেক আফসোস হচ্ছে টু বি অনেস্ট।
- লেখক কোন বিষয়ে বেশি পাণ্ডিত্য দেখান নি। যে বিষয়ে যেটুকু জানানোর দরকার সেটুকু জানিয়েছেন। এবং বিস্তারিত জানতে কি করতে হবে সেটা বলে দিয়েছেন। যার ফলে লেখকের অনেস্টি বোঝা যায়।
- আমি ব্যক্তিগত ভাবে একজন ফুলস্ট্যাক ডেভেলপার এবং সমাজের চোখে হয়তো একজন সফল ডেভেলপার বা ফ্রিল্যান্সার কারণ আমি অনেক ভালো ইনকাম করি সেটাও ঘরে বসে এবং ডলারে। কিন্তু আমি জানি আমার মানসিক প্রশান্তি নাই। কারণ আমি কোনোদিনই এরকম জাস্ট ডেভেলপার হয়ে টাকা ইনকামের স্বপ্ন দেখিনি। আমি প্রোগ্রামিং এ এসেছি বড় বড় এপ্লিকেশন বানানোর স্বপ্ন নিয়ে, অনেক কঠিন প্রব্লেম সল্ভ করতে। কিন্তু দিনশেষে ক্লায়েন্টকে ই-কমার্স সাইট বানিয়ে দিচ্ছি। একরকম মানসিক টানাপোড়নের মধ্যেই নিজের ইতিহাস ঘেঁটে মন খারাপ হচ্ছিল, কি ভুল আর কি ঠিক সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। এমন সময় বইটা অর্ডার করে পড়া শুরু করি এবং জাস্ট ২ অধ্যায় থেকে আমি আমার মানসিক স্যাটিস্ফেকশন পেয়ে যাই। আমি বুঝতে শুরু করি আমার আসলে এখন কি করা উচিত এবং আমার নেক্সট স্টেপ কি। কনফিউজড, শুরু করেছেন, শুরু করবেন, ছেড়ে দিচ্ছেন, ছেড়ে দিয়েছেন এমন সকলের জন্য বইটা একটা কমপ্লিট সল্যুশন।
খারাপ দিকঃ
- বইয়ে প্রচুর টাইপিং মিস্টেক। প্রায় প্রতি পেজে ১-২ টা করে টাইপিং মিস্টেক আছে। বিশেষ করে কীবোর্ডে যেন Y চাপলেই Z হয়ে যায়। ইভেন এক জায়গায় দেখেছি Nayem বানান টা Nazem হয়ে গেছে। লেখকের নামের বানান ই যদি টাইপিস্ট ভুল করে! এরপরে বিভিন্ন জায়গায় ইউনিকোড ASCII মিলিয়ে ফেলেছে। অর্থাৎ বাংলা লিখছে কিন্তু ইংরেজিতে কিছু হযবরল হয়ে আছে। পুরো বইয়ের এই সমস্যার সমস্ত দায়ভার হয়তো প্রকাশকের বা এডিটরের। খুবই দৃষ্টিকটু ব্যাপার। আর বইয়ের কোনো সেকেন্ড এডিশন ও দেখলাম বের হয়নি এখন অব্ধি তাই হয়তো বানান গুলো আর ফিক্স করা হয়নি।
- রেফারেন্সের জায়গায় রেফারেন্স গুলো ঠিক হয়ে উঠেনি। মানে বই হিসেবে যে রেফারেন্স গুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো অনেকটা ঠিকই আছে। তবে আরো অনেক ভালো বই আছে যেগুলোর কথা লেখকের বলা উচিত ছিল। কিন্তু দিনশেষে এটা ব্যক্তিপছন্দের বিষয়। আর যেহেতু পরে এডিশন বের হয়নি তাই ২২-২৩ সালের যেসব অসাধারণ রিসোর্স বাংলা-ইংরেজিতে এসেছে সেগুলো সেখানে স্থান পায়নি। হয়তো পরবর্তী এডিশনে জায়গা পেয়ে যাবে।
- বইয়ের মার্কেটিং হয়নি ভালোমতো। ইভেন লেখক ও তেমন বইটার প্রচার করেন না। যার ফলে বইটা অনেকের কাছেই এখনো অপরিচিত যেটা আসলেই খুব বাজে ব্যাপার।
- যদিও পুরো বইটাই একটা রোডম্যাপ তবুও একদম শেষে একটা সামারি রোডম্যাপ দেয়া যেত বলে মনে করি। যেমন করে প্রত্যেক অধ্যায় শেষে দেয়া হয়েছে Key Note সেরকম। তবে বড় কোন ইস্যু না কারণ প্রতি অধ্যায়ে সামারি আছে সেটা দেখেই যেকেউ রিকল করতে পারবে।
রিভিউঃ
বইয়ের নামঃ ফুলস্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট কানেক্টিং দ্য ডটস
লেখকঃ এইচ এম নাঈম
প্রকাশনীঃ প্রিয়মুখ
পৃষ্ঠা : ২৭২
পার্সোনাল রেটিংঃ ৯/১০ ( ১০ এ ১০ দিলে উন্নতির জায়গা থাকেনা তাই ৯ দেয়া :৩ )
ভালো দিকঃ
- বাংলা ভাষায় অসাধারণ একটা বই ইভেন ইংরেজিতে প্রকাশ করলেও অনেক পাঠক প্রিয়তা পাবে বলে মনে করি। কেন? কারণ এই বইটা একটা পুরো রোডম্যাপের তাফসির বলতে পারেন। একটা রোডম্যাপ আপনাকে হয়তো যেকেউ দিয়ে দিবে যে কিভাবে একজন ভালো ফুলস্ট্যাক ডেভেলপার হয়ে উঠবেন। কিন্তু বেশিরভাগ ই পাবেন রাজমিস্ত্রি টাইপ ডেভেলপার হবার রোডম্যাপ, কিন্তু লেখক এখানে ১০ তলা বিল্ডিং বানানোর ইঞ্জিনিয়ার হবার রোডম্যাপ দেখিয়েছেন। এরকম দিকনির্দেশনা খুবই প্রয়োজনীয়।
- একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের মাইন্ডসেট আপনার মাথায় ইন্সটল করে দেয়ার জন্য বইটা যথেষ্ট। যদি আপনি সেরকম ওপেন মাইন্ডেড হয়ে থাকেন।
- বইয়ের নাম দেখে কেউ যদি ভাবেন জাস্ট আপনাকে একজন কোন স্ট্যাক বেজড ডেভেলপার হবার স্টেপ শিখিয়ে দিবে এই বই তাহলে বলব সূচিপত্র একবার পড়ে দেখেন। আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন বইটা কত ভাস্ট।
- প্রতি অধ্যায়ের শেষে সামারি আছে, কি করবেন কি করবেন না সেগুলো সুন্দর করে ইলাস্ট্রেট করে দেখানো হয়েছে যেটা মারাত্মক হেল্পফুল।
- লেখক পুরো বইজুড়ে ফ্লো বজায় রেখেছেন, কখনো মনে হবেনা যে কিছু একটা মিসিং বা কিছু একটা যেন নেই। সবসময় কমপ্লিট ফিল করবেন।
- জার্নি হিসেবে বইটাকে কল্পনা করে এবং প্রয়োজন মতো উদাহরণ দিয়ে পুরো জার্নির সবগুলো পার্ট বোঝানো হয়েছে।
- বইটা এতোটাই ইম্পরট্যান্ট আমার মনে হয়েছে যে আমি লিটারেলি পরিচিত ২ জনকে জোড় করে পড়তে বলেছি। আপনি যদি আপনার জীবনের এখন অব্ধি বেস্ট এভার প্রোগ্রামিং রিলেটেড বইটা পোর্টে চান তাহলে এইটাই সুযোগ। ৫০০ টাকার জন্য পরা যেন পস্তাবেন না। এই যেমন আমি ভাবছি কেন আমি ২১ সালে যখন প্রকাশ হল তখন বইটা সংগ্রহ করিনি। অনেক আফসোস হচ্ছে টু বি অনেস্ট।
- লেখক কোন বিষয়ে বেশি পাণ্ডিত্য দেখান নি। যে বিষয়ে যেটুকু জানানোর দরকার সেটুকু জানিয়েছেন। এবং বিস্তারিত জানতে কি করতে হবে সেটা বলে দিয়েছেন। যার ফলে লেখকের অনেস্টি বোঝা যায়।
- আমি ব্যক্তিগত ভাবে একজন ফুলস্ট্যাক ডেভেলপার এবং সমাজের চোখে হয়তো একজন সফল ডেভেলপার বা ফ্রিল্যান্সার কারণ আমি অনেক ভালো ইনকাম করি সেটাও ঘরে বসে এবং ডলারে। কিন্তু আমি জানি আমার মানসিক প্রশান্তি নাই। কারণ আমি কোনোদিনই এরকম জাস্ট ডেভেলপার হয়ে টাকা ইনকামের স্বপ্ন দেখিনি। আমি প্রোগ্রামিং এ এসেছি বড় বড় এপ্লিকেশন বানানোর স্বপ্ন নিয়ে, অনেক কঠিন প্রব্লেম সল্ভ করতে। কিন্তু দিনশেষে ক্লায়েন্টকে ই-কমার্স সাইট বানিয়ে দিচ্ছি। একরকম মানসিক টানাপোড়নের মধ্যেই নিজের ইতিহাস ঘেঁটে মন খারাপ হচ্ছিল, কি ভুল আর কি ঠিক সেটা নিয়ে ভাবছিলাম। এমন সময় বইটা অর্ডার করে পড়া শুরু করি এবং জাস্ট ২ অধ্যায় থেকে আমি আমার মানসিক স্যাটিস্ফেকশন পেয়ে যাই। আমি বুঝতে শুরু করি আমার আসলে এখন কি করা উচিত এবং আমার নেক্সট স্টেপ কি। কনফিউজড, শুরু করেছেন, শুরু করবেন, ছেড়ে দিচ্ছেন, ছেড়ে দিয়েছেন এমন সকলের জন্য বইটা একটা কমপ্লিট সল্যুশন।
খারাপ দিকঃ
- বইয়ে প্রচুর টাইপিং মিস্টেক। প্রায় প্রতি পেজে ১-২ টা করে টাইপিং মিস্টেক আছে। বিশেষ করে কীবোর্ডে যেন Y চাপলেই Z হয়ে যায়। ইভেন এক জায়গায় দেখেছি Nayem বানান টা Nazem হয়ে গেছে। লেখকের নামের বানান ই যদি টাইপিস্ট ভুল করে! এরপরে বিভিন্ন জায়গায় ইউনিকোড ASCII মিলিয়ে ফেলেছে। অর্থাৎ বাংলা লিখছে কিন্তু ইংরেজিতে কিছু হযবরল হয়ে আছে। পুরো বইয়ের এই সমস্যার সমস্ত দায়ভার হয়তো প্রকাশকের বা এডিটরের। খুবই দৃষ্টিকটু ব্যাপার। আর বইয়ের কোনো সেকেন্ড এডিশন ও দেখলাম বের হয়নি এখন অব্ধি তাই হয়তো বানান গুলো আর ফিক্স করা হয়নি।
- রেফারেন্সের জায়গায় রেফারেন্স গুলো ঠিক হয়ে উঠেনি। মানে বই হিসেবে যে রেফারেন্স গুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো অনেকটা ঠিকই আছে। তবে আরো অনেক ভালো বই আছে যেগুলোর কথা লেখকের বলা উচিত ছিল। কিন্তু দিনশেষে এটা ব্যক্তিপছন্দের বিষয়। আর যেহেতু পরে এডিশন বের হয়নি তাই ২২-২৩ সালের যেসব অসাধারণ রিসোর্স বাংলা-ইংরেজিতে এসেছে সেগুলো সেখানে স্থান পায়নি। হয়তো পরবর্তী এডিশনে জায়গা পেয়ে যাবে।
- বইয়ের মার্কেটিং হয়নি ভালোমতো। ইভেন লেখক ও তেমন বইটার প্রচার করেন না। যার ফলে বইটা অনেকের কাছেই এখনো অপরিচিত যেটা আসলেই খুব বাজে ব্যাপার।
- যদিও পুরো বইটাই একটা রোডম্যাপ তবুও একদম শেষে একটা সামারি রোডম্যাপ দেয়া যেত বলে মনে করি। যেমন করে প্রত্যেক অধ্যায় শেষে দেয়া হয়েছে Key Note সেরকম। তবে বড় কোন ইস্যু না কারণ প্রতি অধ্যায়ে সামারি আছে সেটা দেখেই যেকেউ রিকল করতে পারবে।
রিভিউঃ
বইয়ের নামঃ ফুলস্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট কানেক্টিং দ্য ডটস
লেখকঃ এইচ এম নাঈম
প্রকাশনীঃ প্রিয়মুখ
পৃষ্ঠা : ২৭২
পার্সোনাল রেটিংঃ ৯/১০ ( ১০ এ ১০ দিলে উন্নতির জায়গা থাকেনা তাই ৯ দেয়া :৩ )
June 7, 2021
এক কথায় সমগ্র ডেভেলপমেন্ট কে সংক্ষপে তুলে ধরেছে বইটি। frond end , back end শুরু করে system design পর্যন্ত তুলে ধরেছে। পাশাপাছি বর্তমান বাংলাদেশে ডেভেলপমেন্টে যত ভুল ধারনা, মিথ, মিথ্যার পিছনে সত্যাটা তুলে ধরেছেন। আবার কীভাবে শুরু করতে হবে কী শিখতে হবে তা সন্দুর ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে স্থাপন করেছে।
বইটি ২৭১ পৃষ্ঠার হলেও আসল বিষয় কভার করা হয় ২৫১ পৃষ্ঠার । যেহেতু আমি এই ফিল্ডে এত ইক্সপার্ট নয় তাই এই বইয়ের ২০% আমি বুঝিনি। যেমন:- DevOps নিয়ে। কিন্তু বেসিক যতটা জানার দরকার ঠিক ততটা জেনে নিয়েছি। একজন ফুল স্ট্যাক ডেভেলপার হিসাবে ঠিক কোন কোন বিষয় জানতে কমপক্ষে কী পরিমান জানতে হবে সে বিষয়ে বইটি বিস্তারিত তুলে ধরেছে। যার কারনে আশা করি ভূবিষ্যৎতে ভুল পথে যাওয়ার সম্ভবনা অনেকটা কমে যায়।
বিশেষ করে শেষের চাপ্টারটা । অপ্রকৌশলী সাহিত্যিক এই চাপ্টারে তিনি তাদের নিয়ে বলেছেন যারা ননসিএসএ। তারা যদি এই বিষয়ে আগ্রহ থাকে তাহলে তাদের কী করতে হবে এই নিয়ে। বর্তমান বাংলাদেশ বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোর্স বিক্রি করার জন্য ননসিএসই এদেরকে যেভাবে বোকা বানিয়ে তাদের কাছে কোর্স বিক্রি করছে।সব কিছুই টাকার লোভ। বেশির ভাগ লোকেই মনে করে এই ফিল্ডে আসলে প্রচুড় টাকা ইনকাম করা যায়। এই বিষয়ে সত্যটা তুলে ধরেছেন লেখক। হা এই ফিল্ডে আসলে প্রচুড় টাকা ইনকাম করা যায় কিন্তু তার জন্য প্রচুড় পরিমান পরিশ্রম করা লাগে। ননসিএসএদের সেই বিষয়ে ভালো ভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে লেখক। আমি নিজেও একজন ননসিএসই।
বইটি ২৭১ পৃষ্ঠার হলেও আসল বিষয় কভার করা হয় ২৫১ পৃষ্ঠার । যেহেতু আমি এই ফিল্ডে এত ইক্সপার্ট নয় তাই এই বইয়ের ২০% আমি বুঝিনি। যেমন:- DevOps নিয়ে। কিন্তু বেসিক যতটা জানার দরকার ঠিক ততটা জেনে নিয়েছি। একজন ফুল স্ট্যাক ডেভেলপার হিসাবে ঠিক কোন কোন বিষয় জানতে কমপক্ষে কী পরিমান জানতে হবে সে বিষয়ে বইটি বিস্তারিত তুলে ধরেছে। যার কারনে আশা করি ভূবিষ্যৎতে ভুল পথে যাওয়ার সম্ভবনা অনেকটা কমে যায়।
বিশেষ করে শেষের চাপ্টারটা । অপ্রকৌশলী সাহিত্যিক এই চাপ্টারে তিনি তাদের নিয়ে বলেছেন যারা ননসিএসএ। তারা যদি এই বিষয়ে আগ্রহ থাকে তাহলে তাদের কী করতে হবে এই নিয়ে। বর্তমান বাংলাদেশ বাজারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোর্স বিক্রি করার জন্য ননসিএসই এদেরকে যেভাবে বোকা বানিয়ে তাদের কাছে কোর্স বিক্রি করছে।সব কিছুই টাকার লোভ। বেশির ভাগ লোকেই মনে করে এই ফিল্ডে আসলে প্রচুড় টাকা ইনকাম করা যায়। এই বিষয়ে সত্যটা তুলে ধরেছেন লেখক। হা এই ফিল্ডে আসলে প্রচুড় টাকা ইনকাম করা যায় কিন্তু তার জন্য প্রচুড় পরিমান পরিশ্রম করা লাগে। ননসিএসএদের সেই বিষয়ে ভালো ভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে লেখক। আমি নিজেও একজন ননসিএসই।
May 21, 2025
এই বইটি বর্তমান সময়ের বাস্তব চাহিদা ও প্রবণতাকে দারুণভাবে ধারণ করেছে। আজকের দিনে আমরা দেখতে পাই, প্রযুক্তির ঢেউয়ে গড়ে উঠছে অসংখ্য সফটওয়্যার যোদ্ধা, যাদের মধ্যে আছেন সিএসই ব্যাকগ্রাউন্ডের পাশাপাশি নন-সিএসই অনেক উদ্যমী তরুণ-তরুণী। তবে এই বিপুল আগ্রহ ও অংশগ্রহণের মাঝেও অনেকেই দিক হারিয়ে ফেলেন, বিভ্রান্ত হন নানা মত ও পরামর্শের জালে।
ঠিক এখানেই বইটির গুরুত্ব অপরিসীম। বিভ্রান্ত পথ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনায় ফিরে আসতে এবং একজন দক্ষ, বাস্তবভিত্তিক সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য বইটি অত্যন্ত কার্যকর। এতে শুধু থিওরি নয়, বাস্তব জীবনের প্রয়োজনীয় এবং প্রাসঙ্গিক ডেভেলপমেন্ট বিষয়গুলো অত্যন্ত সুসংগঠিত ও প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে লেখকের স্ট্যাক কথা বইটিও প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলো। সেই ধারণাকেই আরও পরিপূর্ণ ও প্রাঞ্জল করে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে এই বইয়ে, যা একজন ফুলস্ট্যাক ডেভেলপারের পথচলার জন্য এক অনন্য সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে।
ঠিক এখানেই বইটির গুরুত্ব অপরিসীম। বিভ্রান্ত পথ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনায় ফিরে আসতে এবং একজন দক্ষ, বাস্তবভিত্তিক সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য বইটি অত্যন্ত কার্যকর। এতে শুধু থিওরি নয়, বাস্তব জীবনের প্রয়োজনীয় এবং প্রাসঙ্গিক ডেভেলপমেন্ট বিষয়গুলো অত্যন্ত সুসংগঠিত ও প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে লেখকের স্ট্যাক কথা বইটিও প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলো। সেই ধারণাকেই আরও পরিপূর্ণ ও প্রাঞ্জল করে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে এই বইয়ে, যা একজন ফুলস্ট্যাক ডেভেলপারের পথচলার জন্য এক অনন্য সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে।
November 9, 2022
বর্তমান সময়ে খেয়াল করলেই দেখা যাবে জন্ম হচ্ছে অগণিত সফটওয়্যার সৈনিকের। সেখানে রয়েছে সিএসই এবং নন সিএসই অনেকেই, আর সেই সাথে চলছে বিভিন্ন আইটি সেক্টরের তুফান! বিভিন্ন জনের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতামত, এতো এতো মন্তব্য পথ হারিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট; আর সেই হারানো পথ থেকে সঠিক পথে ফিরিয়ে এনে যোগ্য সফটওয়্যার সৈনিক তৈরির জন্য এই বই যথেষ্ট উপযোগী।
সম্পূর্ণ ডেভেলপমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে, এই বই প্রকাশ হওয়ার আগে স্ট্যাক কথা প্রকাশ করা হয়েছিলো সেই স্ট্যাক কথাকে আরও উন্নত করে ফুলস্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট এর রূপ দেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ ডেভেলপমেন্টের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে, এই বই প্রকাশ হওয়ার আগে স্ট্যাক কথা প্রকাশ করা হয়েছিলো সেই স্ট্যাক কথাকে আরও উন্নত করে ফুলস্ট্যাক ডেভেলপমেন্ট এর রূপ দেওয়া হয়েছে।
January 31, 2022
Best book for guidelines in web application development sector in bangla language ever.
March 9, 2022
This book is mostly targeted towards beginners. If you are already in the sector, and want to learn industrial practices from this book (which this book was intended for) you may be disappointed.
Want to Read
May 11, 2022very good
March 19, 2023
Great book
Currently Reading
September 25, 2024good
Displaying 1 - 11 of 11 reviews








