What do you think?


হীরামানিক জ্বলে
The Book "Hira Manik Jole" is written by Bibhutibhushan Bandopadhyay. Bibhutibhushan Bandopadhyay is a popular Indian writer, novelist who is one of leading writer of bengali language. Bibhutibhushan Bandopadhyay born in 12th September, 1894 and died in 1st November, 1950. He is familiar for his autobiography novel "Pather Pachali" which novel is maked film by Satyajit Ray. Pather Pachali, Dompoti, Dui Bari, Chander Pahar, Bipiner Songser etc are his popular books.
104 pages, Hardcover
First published January 1, 1946
About the author
Bibhutibhushan Bandyopadhyay
213 books1,214 followersBibhutibhushan Bandyopadhyay (Bangla: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়) was an Indian Bangali author and one of the leading writers of modern Bangla literature. His best known work is the autobiographical novel, Pather Panchali: Song of the Road which was later adapted (along with Aparajito, the sequel) into the Apu Trilogy films, directed by Satyajit Ray.
The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.
The 1951 Rabindra Puraskar, the most prestigious literary award in the West Bengal state of India, was posthumously awarded to Bibhutibhushan for his novel ইছামতী.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 126 reviews
July 26, 2018
প্রাচীন হিন্দুসভ্যতার ধ্বংসস্তূপ বুকে নিয়ে পড়ে থাকা এক জনহীন দ্বীপে যাত্রা।সুদূর সমুদ্রপারে ভারতীয় উপনিবেশে চম্পারাজ্যের বিপুল রত্নভাণ্ডার ও হিন্দুসভ্যতার নিদর্শন স্বরুপ দেবদেবীদের মূর্তির আকর্ষণ টেনে বের করে সুশীল এবং সনৎকে।
তারপর বিপদসংকুল সমুদ্র অভিযান, সুশীলের বিপুল রত্নভাণ্ডার নিয়ে দেশে ফেরা।পুরো বই জুড়ে বিচিত্র রোমাঞ্চকর অভিযানভিত্তিক ঘটনা।
কল্পনাও করতে পারেনি এত আগে বিভূতিভূষণ এমন সুন্দর অভিযানের লিখেছিলেন। আমরা ভারতীয়রা ও যে একটা সময় সমুদ্র পেরিয়ে ভিনদেশ জয় করেছিলাম তা জানা ছিলোনা।বিভূতিবাবুর কল্পনাশক্তি অপূর্ব।প্রাক-কৈশোরকালেই কেনো এই চমৎকার বইটি পড়তে পারিনি তা নিয়ে একটা আফসোস থাকবেই।
তারপর বিপদসংকুল সমুদ্র অভিযান, সুশীলের বিপুল রত্নভাণ্ডার নিয়ে দেশে ফেরা।পুরো বই জুড়ে বিচিত্র রোমাঞ্চকর অভিযানভিত্তিক ঘটনা।
কল্পনাও করতে পারেনি এত আগে বিভূতিভূষণ এমন সুন্দর অভিযানের লিখেছিলেন। আমরা ভারতীয়রা ও যে একটা সময় সমুদ্র পেরিয়ে ভিনদেশ জয় করেছিলাম তা জানা ছিলোনা।বিভূতিবাবুর কল্পনাশক্তি অপূর্ব।প্রাক-কৈশোরকালেই কেনো এই চমৎকার বইটি পড়তে পারিনি তা নিয়ে একটা আফসোস থাকবেই।
March 11, 2020
ভারত! কত মিষ্টিনাম, কী প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্ভার! তাদের পূর্বপুরুষ বাহুবলে কম্পাসব্যারোমিটারহীন যুগে সপ্তসমূদ্র পাড়ি দিয়ে এই দ্বীপময় ভারতে এসে হিন্দুধর্মের নিদর্শন রেখে গেছেন। অথচ পরবর্তী যুগে স্মৃতিশাস্ত্রের বুলি আউড়ে যারা সমুদ্রযাত্রা নিষেধ করেছিল তারা কি আমাদেরই উত্তরসূরি! সে যাই হোক, অ্যাডভেঞ্চার মানেই সবার প্রথমে মনে আসে 'চাঁদের পাহাড়ের' কথা, শঙ্করের কথা। এবারের অ্যাডভেঞ্চার মালয়, সুমাত্রা, বোর্নিওর নিরক্ষীয় বৃষ্টিবনে ।
এ কাহিনীর নায়ক সুশীল। ম্যাট্রিক পাশ দিয়ে দিব্যি পায়ের উপর পা তুলে তার চলছিল। কিন্তু ঐ যে! যার রক্তে অ্যাডভেঞ্চারের নেশা তাকে পায় কে! পরিচয় হলো জামাতুল্লার সাথে। সুশীল আর তার খুড়তুতো ভাই সনৎ জামাতুল্লার সাথে বেরিয়ে পড়ল গভীর বনে লুকিয়ে থাকা পুরোনো এক সভ্যতার ধন সম্পদের খোঁজে। ধন সম্পদের চেয়েও সুপ্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার ধ্বংস্পতূপ খুজে বার করে অজানাকে জানার আগ্রহই তাদের প্রবল। আর তারপর?
তারপর প্রতি পদে পদে মৃত্যুফাঁদ পেরিয়ে তারা কীভাবে সেখানে পৌঁছোয়, শত শত বছরের লুকানো ধনসম্পত্তি খুঁজে পায় কি না তা আর বলব না। জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে উপন্যাসখানাটি । বোনাস হিসেবে জানা যাবে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নিরক্ষীয় বৃষ্টিবনকে। জানা যাবে ভারতীয় হিন্দু রাজাদের বিস্মৃতপ্রায় এক অতীতকে, বিস্মৃতির আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়া এক ভারতীয় ঐতিহ্যকে।
শুধুমাত্র বিভূতিবাবুর ক্ষুরধার লেখনীর জন্য উপন্যাসটি ভালো লেগেছে। কিন্তু মনকে আশানুরূপ তৃপ্তি দিতে পারে নি। আর শেষ নিয়ে? একগুচ্ছ অসন্তোষ।
এ কাহিনীর নায়ক সুশীল। ম্যাট্রিক পাশ দিয়ে দিব্যি পায়ের উপর পা তুলে তার চলছিল। কিন্তু ঐ যে! যার রক্তে অ্যাডভেঞ্চারের নেশা তাকে পায় কে! পরিচয় হলো জামাতুল্লার সাথে। সুশীল আর তার খুড়তুতো ভাই সনৎ জামাতুল্লার সাথে বেরিয়ে পড়ল গভীর বনে লুকিয়ে থাকা পুরোনো এক সভ্যতার ধন সম্পদের খোঁজে। ধন সম্পদের চেয়েও সুপ্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার ধ্বংস্পতূপ খুজে বার করে অজানাকে জানার আগ্রহই তাদের প্রবল। আর তারপর?
তারপর প্রতি পদে পদে মৃত্যুফাঁদ পেরিয়ে তারা কীভাবে সেখানে পৌঁছোয়, শত শত বছরের লুকানো ধনসম্পত্তি খুঁজে পায় কি না তা আর বলব না। জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে উপন্যাসখানাটি । বোনাস হিসেবে জানা যাবে ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ নিরক্ষীয় বৃষ্টিবনকে। জানা যাবে ভারতীয় হিন্দু রাজাদের বিস্মৃতপ্রায় এক অতীতকে, বিস্মৃতির আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়া এক ভারতীয় ঐতিহ্যকে।
শুধুমাত্র বিভূতিবাবুর ক্ষুরধার লেখনীর জন্য উপন্যাসটি ভালো লেগেছে। কিন্তু মনকে আশানুরূপ তৃপ্তি দিতে পারে নি। আর শেষ নিয়ে? একগুচ্ছ অসন্তোষ।
December 21, 2023
একটুখানি কম ভালো লেগেছে! নিঃসন্দেহে "চাঁদের পাহাড় সেরা!"
May 4, 2023
কত রহস্য, কত রোমাঞ্চ। আস্তে আস্তে গল্প এগোচ্ছিলো আর আমি সুশীল, সনত আর জামাতুল্লাহর সাথে সেই সুলু সী এর এডভেঞ্চারে ডুবে যাচ্ছিলাম। বিভূতিভূষণের লেখনী আর কল্পনাশক্তি কি অসাধারণ। এমন একটা প্লটের রোমাঞ্চকর উপন্যাস পড়লাম। সেরা।
শুধু শেষটা আরেকটু বিস্তৃত, আরেকটু অন্যরকম হলে ৫তারাই দিতাম।
শুধু শেষটা আরেকটু বিস্তৃত, আরেকটু অন্যরকম হলে ৫তারাই দিতাম।
October 29, 2020
চাঁদের পাহাড়-এর চেয়েও আমার প্রিয় হীরা মানিক জ্বলে। এই বই দিয়ে বিভূতিভূষণের কিশোর সাহিত্যের সাথে আমার পরিচয় ও ভালো লাগার শুরু। কতবার পড়েছি মনে নেই, শেষ কবে পড়েছি মনে নেই, আরও কতোবার পড়বো তাও জানা নেই।
September 12, 2023
চাদেঁর পাহাড় না হীরে মানিক জ্বলে? অবশ্যই হীরে মানিক জ্বলে এডভেঞ্চারের হিসাবে এগিয়ে থাকবে। অবাক হয়ে ভাবলাম, এত ভূগোল, জ্যামিতি সেরেও বিভূতিভূষণ কিভাবে এমন একটা হিস্ট্রিকাল এডভেঞ্চার কাম ট্রেজারহান্ট লিখলেন কিভাবে!
শরৎচন্দ্র বা রবীন্দ্রনাথ যদি দৃশ্যমান বস্তুর সবচেয়ে বড় সাহিত্যশিল্পী হন, বিভূতি নি:সন্দেহে অদেখা বস্তুর সবচেয়ে বড় সাহিত্যশিল্পী৷ কোনদিন দেশের বাইরে না গিয়েও তিনি এমন সব বর্ণণা লিখে গেছেন যে তা যেন চোখে ভাসে!
এংকরভাট বা খামের সভ্যতা তখনো নব্য আবিস্কৃত(১৮৮০ সালের দিকে)। কিন্তু বিভূতি তখনই ঠিক একই এলাকায় একটা হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার ফেঁদে ফেলেছেন! এটা আমি যতবার ভাবি, আমার মাথা চক্কর দেয়। আর তার সেই দেবদুর্লভ প্রকাশক্ষমতা!
খুব ভাল লেগেছে, খুব। অতি অবশ্যই রেকমেন্ডেড।
শরৎচন্দ্র বা রবীন্দ্রনাথ যদি দৃশ্যমান বস্তুর সবচেয়ে বড় সাহিত্যশিল্পী হন, বিভূতি নি:সন্দেহে অদেখা বস্তুর সবচেয়ে বড় সাহিত্যশিল্পী৷ কোনদিন দেশের বাইরে না গিয়েও তিনি এমন সব বর্ণণা লিখে গেছেন যে তা যেন চোখে ভাসে!
এংকরভাট বা খামের সভ্যতা তখনো নব্য আবিস্কৃত(১৮৮০ সালের দিকে)। কিন্তু বিভূতি তখনই ঠিক একই এলাকায় একটা হিস্টোরিক্যাল থ্রিলার ফেঁদে ফেলেছেন! এটা আমি যতবার ভাবি, আমার মাথা চক্কর দেয়। আর তার সেই দেবদুর্লভ প্রকাশক্ষমতা!
খুব ভাল লেগেছে, খুব। অতি অবশ্যই রেকমেন্ডেড।
October 29, 2015
একটানে কৈশোরে নিয়ে গেলো বইটা, কি দারুণ অ্যাডভেঞ্চার! চীনা জাহাজে করে সমুদ্র পাড়ি, দুর্ধর্ষ জলদস্যু, গুপ্তঘাতক, অজানা দ্বীপ, প্রাচীন দুর্গ, বাঘ-অজগর-কুমিরের ভয়, গুপ্তধন কি নেই বইটাতে! লেখকের কল্পনাশক্তি আগে অনেকবার মুগ্ধ করেছে, আবারো করলো।
June 24, 2020
বিভূতিভূষণের কিশোর উপন্যাস বলতেই সবার কাছে প্রথমেই চাঁদের পাহাড়।
উহু! আজকে থেকে আমার কাছে প্রথমেই হীরা মানিক জ্বলে। তারপর চাঁদের পাহাড়।
উহু! আজকে থেকে আমার কাছে প্রথমেই হীরা মানিক জ্বলে। তারপর চাঁদের পাহাড়।
February 10, 2026
হ্যাগ্যার্ড বাংলায় জন্মে নি, কিন্তু বিভূতি-ভূষণ জন্মেছিলেন। বইটা পড়ার সময় ক্যালচারাল দিক গুলো স্কিপ করে স্টোরি লাইন যখন মনের ভেতর গেথে নিচ্ছিলাম এই একটা কথাই বার বার মনে হচ্ছিল।
July 20, 2014
বাংলা ভাষায় এডভেঞ্চার নিয়ে যত লেখা হয়েছে, তার মধ্যে এই উপন্যাসটি তার দুর্দান্ত পটভূমি-নির্মাণ, চরিত্র-চিত্রণ এবং সাসপেন্স সত্বেও বিশিষ্ট হয়ে আছে এর "শেষ হয়ে হইল না শেষ" পরিণতির জন্যে| উপন্যাসটি যখন আমি প্রথম পড়েছিলাম তখন এই কারণেই এটিকে আমি শুধু বিয়োগান্ত নয়, গভীরভাবে অতৃপ্তি-দায়ক একটি লেখা বলেই মনে করেছিলাম| বছর বিশেক এবং হাজার খানেক বই পেরিয়ে আসার পরে, আমার মুল্যায়নটা বদলেছে| এখন আমি মনে করি যে কলমের বিশাল জোর ছিল বলেই বিভূতিভূষণ এমন একটি এডভেঞ্চার লিখতে পেরেছিলেন যা, তার অদ্বিতীয়-রকম পরিসমাপ্তির জন্যে, এখনও আমাদের মাথার ইঞ্জিনকে সচল করে দিতে পারে, যাতে বাস্তবে না পারলেও, অন্তত মনে-মনে আমরাও বেরিয়ে পড়তে পারি ওই বিশেষ দ্বীপটির সন্ধানে, যেখানে এক দুর্লংঘ্য বাধার ওপারে আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছে সম্রাটের ঐশ্বর্য! এখনো পড়ে না থাকলে শিগগির পড়ুন, এটুকুই আমার নিবেদন|
February 9, 2022
এত কেন ভালো লাগে?! বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এর গল্প মানেই অজানা পথের পাড়ি, এডভেঞ্চার।
December 24, 2023
বিভূতিভূষণ মানেই অসাধারণ কিছু।❤️
September 25, 2020
ভাগ্য! ভাগ্য খুবই অদ্ভুতুড়ে। "বাবু মেচেস আছে?মেচেস?" এই একটা ধ্বনি সুশীলের ভাগ্যটাকেই যেন পালটে দিয়েছিল। তার থেকে দু আনা পয়সা চেয়ে নিয়ে নিজের পেটের জোগান দেওয়া জামাতুল্লাহ যে তার ভাগ্য এভাবে পালটে দেবে সে কি কখনো ভেবেছিল!
সুশীলের গুপ্তধনের প্রতি লোভ ছিল না। সে চাইতো তার পূর্ব পুরুষদের মত না হতে। তাই তো জামাতুল্লাহ এর কথায় বেড়িয়ে পড়লো দেশ থেকে।সাথে নিলো মামাতো ভাই সনদ কে। জীবন হাতে নিয়ে শেষ পর্যন্ত তারা গিয়ে পৌছায় সেই গুপ্ত নগরীতে।সুশীল, সনদ,জামাতুল্লাহ, ইয়ার হোসাইন আর তার লোকজন। কিন্তু তারা কোনো রত্নভাণ্ডার এর দেখা পায় না অনেক খুজেও। অনেক দিন কেটে যায়। তারপর একদিন এক অন্ধকার সুরঙ্গ আবিষ্কার করে সুশীল ও সনদ।
সেখানে কয়েকদিনের চেষ্টার পর তারা খুজে পায় একটা কক্ষ যেখানে রত্নভান্ডার ছিল।হোসাইনকে তারা কিছু জানায় না। সকল কাজই তারা লুকিয়ে করে। রত্নভান্ডার থেকে তারা থলে ভরে পাথর আর স্বর্ণ নেয়। কিন্তু ভাগ্যের কি অদ্ভুত পরিহাস। তারা সকল রত্ন তাদের সাথে আনতে পারে নি। আর তার সাথে ফেরাতে পারে নি সনদ কে। হুট করে রত্নভাণ্ডার কক্ষে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। জামাতুল্লাহ সুশীলকে সাথে নিয়ে ফিরতে পারলেও সনদ কে খুজে পায় না।
ফিরে এসে হোসাইন কে জানায় সনদ কোনো কুয়োতে পড়ে মারা গেছে। তারা ফিরে আসে স্বদেশে। সেখানে ৭০ হাজার টাকায় তারা সে রত্ন বিক্রি করে। কিন্তু তারা কাউকে বঞ্চিত করে না। হুসাইনকে ১০হাজার টাকা পাঠায়। ২০ হাজার টাকা পাঠায় ওই বিধবা মহিলাকে যার স্বামীর থেকে এই রত্নভান্ডার এর কথা জামাতুল্লাহ জানতে পেরেছিল। আর বাকী টাকাটা তিন ভাগ করা হয় জামাতুল্লাহ, সুশীল আর সনদের মা এর মধ্যে।
এ উপন্যাস এ সব থেকে রহস্য জনক মৃত্যু ফাদ ছিল রত্নভান্ডার কক্ষটি। কক্ষের মেকানিজম এমন ছিল যে সেখানে দিনে দু বার জোয়ারের সময় পানি ঢোকে এবং পরক্ষণে ভাটায় সে পানি নিচে নেমে যায়। লেখক এখানে আরেকটা রত্নভান্ডার এর ইংগিত দিয়েছে না ঐ কক্ষের নিচেই ছিল। ব্যাপার খানা হলো এই। যিনি এই রত্নভান্ডার বানিয়েছিলেন তিনি ছাড়া যেন আর কেউ এখান থেকে রত্ন বের করতে না পারে সেজন্য এভাবে বানানো। একটা নির্দিষ্ট সময়ে এখানে এসে জোয়ার আসার পূর্বেই তারা কাজ সেরে বেরিয়ে যেত। এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ আসলে বেচে ফিরে যেতে পারতো না।
সুশীলের গুপ্তধনের প্রতি লোভ ছিল না। সে চাইতো তার পূর্ব পুরুষদের মত না হতে। তাই তো জামাতুল্লাহ এর কথায় বেড়িয়ে পড়লো দেশ থেকে।সাথে নিলো মামাতো ভাই সনদ কে। জীবন হাতে নিয়ে শেষ পর্যন্ত তারা গিয়ে পৌছায় সেই গুপ্ত নগরীতে।সুশীল, সনদ,জামাতুল্লাহ, ইয়ার হোসাইন আর তার লোকজন। কিন্তু তারা কোনো রত্নভাণ্ডার এর দেখা পায় না অনেক খুজেও। অনেক দিন কেটে যায়। তারপর একদিন এক অন্ধকার সুরঙ্গ আবিষ্কার করে সুশীল ও সনদ।
সেখানে কয়েকদিনের চেষ্টার পর তারা খুজে পায় একটা কক্ষ যেখানে রত্নভান্ডার ছিল।হোসাইনকে তারা কিছু জানায় না। সকল কাজই তারা লুকিয়ে করে। রত্নভান্ডার থেকে তারা থলে ভরে পাথর আর স্বর্ণ নেয়। কিন্তু ভাগ্যের কি অদ্ভুত পরিহাস। তারা সকল রত্ন তাদের সাথে আনতে পারে নি। আর তার সাথে ফেরাতে পারে নি সনদ কে। হুট করে রত্নভাণ্ডার কক্ষে সমুদ্রের জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। জামাতুল্লাহ সুশীলকে সাথে নিয়ে ফিরতে পারলেও সনদ কে খুজে পায় না।
ফিরে এসে হোসাইন কে জানায় সনদ কোনো কুয়োতে পড়ে মারা গেছে। তারা ফিরে আসে স্বদেশে। সেখানে ৭০ হাজার টাকায় তারা সে রত্ন বিক্রি করে। কিন্তু তারা কাউকে বঞ্চিত করে না। হুসাইনকে ১০হাজার টাকা পাঠায়। ২০ হাজার টাকা পাঠায় ওই বিধবা মহিলাকে যার স্বামীর থেকে এই রত্নভান্ডার এর কথা জামাতুল্লাহ জানতে পেরেছিল। আর বাকী টাকাটা তিন ভাগ করা হয় জামাতুল্লাহ, সুশীল আর সনদের মা এর মধ্যে।
এ উপন্যাস এ সব থেকে রহস্য জনক মৃত্যু ফাদ ছিল রত্নভান্ডার কক্ষটি। কক্ষের মেকানিজম এমন ছিল যে সেখানে দিনে দু বার জোয়ারের সময় পানি ঢোকে এবং পরক্ষণে ভাটায় সে পানি নিচে নেমে যায়। লেখক এখানে আরেকটা রত্নভান্ডার এর ইংগিত দিয়েছে না ঐ কক্ষের নিচেই ছিল। ব্যাপার খানা হলো এই। যিনি এই রত্নভান্ডার বানিয়েছিলেন তিনি ছাড়া যেন আর কেউ এখান থেকে রত্ন বের করতে না পারে সেজন্য এভাবে বানানো। একটা নির্দিষ্ট সময়ে এখানে এসে জোয়ার আসার পূর্বেই তারা কাজ সেরে বেরিয়ে যেত। এবং অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ আসলে বেচে ফিরে যেতে পারতো না।
This entire review has been hidden because of spoilers.
February 5, 2022
অচেনা অজানা পথে হুট করে বেরিয়ে না পড়তে পারার কারনে আফসোস হয়
September 10, 2024
এর পূর্বে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা "চাঁদের পাহাড়", "সুন্দরবনের সাত বছর" পড়েছি। উনি অ্যাডভেঞ্চার জনরা কে দারুণভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। ওনার লেখা উপন্যাস গুলা পড়তে পড়তে, সেই প্রধান চরিত্রের সাথে পাড়ি দিতে হয় সেই রহস্যময় স্থানটিতে। বিভূতিভূষণ তার উপন্যাসে ছোট ছোট ডিটেইলসে অনেক বেশি নজর রাখেন এতে সবটাই চোখে বাদে। এবং পাঠক পুরাপুরি ভাবে উপন্যাসের মাঝেই ঢুকে যায়।
সেদিন পড়লাম, হিরে মানিক জ্বলে। উপন্যাসটা পড়তে পড়তে প্রথম আমার মনে হয়েছিল, এই উপন্যাসের গল্পটা অনেকটা ২০১২ সালে রিলিজ হওয়া অস্কার জয়ী, "Life of Pi" এর মতন। উত্তাল সমুদ্রে হারিয়ে গিয়ে একটা দ্বীপের খোঁজ পাওয়া, যেখানে লুকিয়ে আছে অজস্র রহস্য। কিন্তু তেমনটা পুরাপুরি হয় নাই বরং গল্পে বেশ কিছু টুইস্ট এসেছে।
এক গোপন দ্বীপ, যার মাঝে রয়েছে অজস্র অর্থ সম্পদ। কিন্তু লোভে পড়ে এই দ্বীপে গেলে খোয়াতে হবে জীবন কারণ এই সম্পদের পাহারাদার স্বয়ং ভারত সাগর।
উপন্যাসটা পড়তে গিয়ে দারুণ গুসবামস টের পাচ্ছিলাম৷
এখন মনে মনে ভাবছি, বিভূতিভূষণের all time Cult classic "আরণ্যক" টা পড়ব। বিভূতিভূষণের লেখার পর কখনোই সন্দেহ করা যায় না, সেজন্যই তো তিনি একজন লেজেন্ডারি রাইটার হিসেবে খ্যাত।
সেদিন পড়লাম, হিরে মানিক জ্বলে। উপন্যাসটা পড়তে পড়তে প্রথম আমার মনে হয়েছিল, এই উপন্যাসের গল্পটা অনেকটা ২০১২ সালে রিলিজ হওয়া অস্কার জয়ী, "Life of Pi" এর মতন। উত্তাল সমুদ্রে হারিয়ে গিয়ে একটা দ্বীপের খোঁজ পাওয়া, যেখানে লুকিয়ে আছে অজস্র রহস্য। কিন্তু তেমনটা পুরাপুরি হয় নাই বরং গল্পে বেশ কিছু টুইস্ট এসেছে।
এক গোপন দ্বীপ, যার মাঝে রয়েছে অজস্র অর্থ সম্পদ। কিন্তু লোভে পড়ে এই দ্বীপে গেলে খোয়াতে হবে জীবন কারণ এই সম্পদের পাহারাদার স্বয়ং ভারত সাগর।
উপন্যাসটা পড়তে গিয়ে দারুণ গুসবামস টের পাচ্ছিলাম৷
এখন মনে মনে ভাবছি, বিভূতিভূষণের all time Cult classic "আরণ্যক" টা পড়ব। বিভূতিভূষণের লেখার পর কখনোই সন্দেহ করা যায় না, সেজন্যই তো তিনি একজন লেজেন্ডারি রাইটার হিসেবে খ্যাত।
March 18, 2026
দারুন লাগলো! পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল যেন আমি নিজেই রহস্যের মধ্যে ঢুকে পড়েছি।
January 22, 2020
আমি এখনো ঘোর থেকে বের হইনি।
অসাধারণ! অসাধারণ!! অসাধারণ!!!
আমি এম্নিতেই বিভূতিভূষণের চরম ভক্ত। কিন্তু আজকে যেটা পড়লাম, এর তুলনা দেই কীসের সঙ্গে? আসলে দেওয়ার দরকারই বা কী?
এটাকে ‘চাঁদের পাহাড়ে’র সিক্যুয়েল বানানো যেতো। এরকম টান টান উত্তেজনা, ভয়, সংশয় মিশ্রিত লেখা বহুদিন পড়া হয় না। একটা সময় হিন্দু দর্শন ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পরেছিলো মালয় উপদ্বীপগুলোতে। এই তথ্যটুকু আমার জানা ছিলো।
কিন্তু সেটার উপর ভিত্তি করে যে বিভূতি বাবু এরকম একটা মাস্টারপিস কাজ করে রেখে গেছেন, সেটাই যে আমি জানতাম না বা আগে কেন পড়িনি সেটা ভেবে খুব আফসোস হচ্ছে।
এখন একথা বলতেই পারি যে, পশ্চিমে জুল ভার্ন থাকলে বাংলা সাহিত্যের আছেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
❤
অসাধারণ! অসাধারণ!! অসাধারণ!!!
আমি এম্নিতেই বিভূতিভূষণের চরম ভক্ত। কিন্তু আজকে যেটা পড়লাম, এর তুলনা দেই কীসের সঙ্গে? আসলে দেওয়ার দরকারই বা কী?
এটাকে ‘চাঁদের পাহাড়ে’র সিক্যুয়েল বানানো যেতো। এরকম টান টান উত্তেজনা, ভয়, সংশয় মিশ্রিত লেখা বহুদিন পড়া হয় না। একটা সময় হিন্দু দর্শন ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পরেছিলো মালয় উপদ্বীপগুলোতে। এই তথ্যটুকু আমার জানা ছিলো।
কিন্তু সেটার উপর ভিত্তি করে যে বিভূতি বাবু এরকম একটা মাস্টারপিস কাজ করে রেখে গেছেন, সেটাই যে আমি জানতাম না বা আগে কেন পড়িনি সেটা ভেবে খুব আফসোস হচ্ছে।
এখন একথা বলতেই পারি যে, পশ্চিমে জুল ভার্ন থাকলে বাংলা সাহিত্যের আছেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
❤
April 1, 2021
২.৫/৫
পড়েছিলাম বছর দুই আগে। আমার কাছ থেকে সবচেয়ে কম রেটিং পাওয়া বিভূতিভূষণের বই এটি। পড়ার সময় বারবার মনে হচ্ছিল এ যেন বিভূতিভূষণের লেখা নয়। বইটি লেখক মারা যাবার পরে প্রকাশিত হয়, এই তথ্য জানার পর সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছিল।
পড়েছিলাম বছর দুই আগে। আমার কাছ থেকে সবচেয়ে কম রেটিং পাওয়া বিভূতিভূষণের বই এটি। পড়ার সময় বারবার মনে হচ্ছিল এ যেন বিভূতিভূষণের লেখা নয়। বইটি লেখক মারা যাবার পরে প্রকাশিত হয়, এই তথ্য জানার পর সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছিল।
June 25, 2022
জামাতুল্লা,সনত,সুশীল। একটা পুরনো রাজবাড়ি। একটা সুন্দর রোমাঞ্চ গল্প। দারুণ লেগেছে।
বিভূতি বাবুর লেখা খুব বেশি পড়া হয়নি। তবে চাঁদের পাহাড় পড়েছি। সেই বই খানাও ভীষণ ভালো লেগেছিলো। এখন "হিরে মানিক জ্বলে" পড়লাম। এটাও দারুণ উপভোগ করেছি। তবে এই বইটা আরো আগে পড়া উচিত ছিল।
বিভূতি বাবুর লেখা খুব বেশি পড়া হয়নি। তবে চাঁদের পাহাড় পড়েছি। সেই বই খানাও ভীষণ ভালো লেগেছিলো। এখন "হিরে মানিক জ্বলে" পড়লাম। এটাও দারুণ উপভোগ করেছি। তবে এই বইটা আরো আগে পড়া উচিত ছিল।
January 3, 2022
এই এডভেঞ্চার বই গুলো পড়লে মনে হয় "ইশ! কিশোর বয়সে না পড়ে কি অপরাধটা ই না করেছি।" তখন পড়লে বোধহয় থ্রিলটা অন্যরকম হতো।
May 22, 2026
রেটিং: ৪.৫/৫
কি চমৎকার একটা বই!
সমুদ্রযাত্রা, জঙ্গল, প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসস্তুপ।
সবমিলিয়ে দারুণ এক এডভেঞ্চার।
সফর সঙ্গী হিসেবে জামাতুল্লাহ, সুশীল, সনৎ ও ইয়ার হোসেন সঙ্গ বেশ ভালোই লেগেছে।
দারুণ একটি কাহিনি। 🌸
কি চমৎকার একটা বই!
সমুদ্রযাত্রা, জঙ্গল, প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসস্তুপ।
সবমিলিয়ে দারুণ এক এডভেঞ্চার।
সফর সঙ্গী হিসেবে জামাতুল্লাহ, সুশীল, সনৎ ও ইয়ার হোসেন সঙ্গ বেশ ভালোই লেগেছে।
দারুণ একটি কাহিনি। 🌸
February 3, 2022
সান্ডে সাসপেন্সে শুনলাম,কেমন যেন আনফিনিশড লাগলো।
June 13, 2020
আমার কাছে মনে হয় কিশোর বয়সে কম-বেশি যাদের বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হয় তাদের বেশিরভাগেরই পড়ার আগ্রহের জায়গার প্রায় পুরোটা জুড়ে থাকে ডিটেকটিভ অথবা অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার গল্প কিংবা উপন্যাস। যারা অ্যাডভেঞ্চার বা গুপ্তধনের খোঁজে অভিযান পছন্দ করেন তাদের জন্যেই এই বই। ছোটবেলায় রাইডার হ্যাগার্ডের 'কিং সলোমন'স মাইন্স' কিংবা রবার্ট লুই স্টিভেনসনস এর 'ট্রেজার আইল্যান্ড' অনেকেই পড়েছেন। কিন্তু বাংলা সাহিত্য এমন লেখক আছেন যিনি তার অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস 'চাঁদের পাহাড়' লিখে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে বাঙ্গালীরাও কম যান না। মূলত আমরা বিভূতিভূষণ কে চিনি তার অমর সৃষ্টি 'পথের পাঁচালী' তথা 'উপন্যাস ত্রয়ী' এর মাধ্যমে। কিন্তু তিনি 'চাঁদের পাহাড়' এর অকুতোভয়, নির্ভীক ও অভিযান প্রিয় শংকর কেও সৃষ্টি করেছেন। 'চাঁদের পাহাড়' এর মত 'হীরা মানিক জ্বলে' উপন্যাসটিও একটি ট্রেজার হান্টিং অ্যাডভেঞ্চার, যদিও আমার কাছে মনে হয়েছে এই বইটির কথা অনেকেই জানেন না এবং অবশ্যই একটি আন্ডাররেটেড বই।
গল্পের পটভূমি উপনিবেশ কালীন ভারতবর্ষ। শংকরের মতো এই গল্পের প্রধান চরিত্র সুশীল। শংকর চরিত্রটির মতো সুশীল চরিত্রটি অতটা বিশালতা বা গাঁথুনি না থাকলেও কাহিনির প্রবাহে যেন পুরোপুরি মিশে যেতে পেরেছে। গল্পের আবর্তে সুশীল হয়ে উঠেছে সাহসী ও নির্ভীক। তার দুর্জ্ঞেয় অভিযানে সঙ্গী হয় সণৎ, জামাতুল্লা ও ইয়ারখান নামের চরিত্র গুলো। ডাচ ওয়েস্ট ইন্ডিচের কোন দ্বীপে প্রাচীন হিন্দু রাজার ধ্বংসাবশেষে লুকানো রত্নভান্ডার খূঁজতে যায় তারা। তবে 'চাঁদের পাহাড়' এর মতই এ গল্পটিও যেন 'শেষ হইয়াও হইলো না শেষ'। গল্পের শেষে কৌতূহলী মনে রয়ে যায় অনেক প্রশ্ন অনেক না জানা প্রশ্নের রেশ!
গল্পের পটভূমি উপনিবেশ কালীন ভারতবর্ষ। শংকরের মতো এই গল্পের প্রধান চরিত্র সুশীল। শংকর চরিত্রটির মতো সুশীল চরিত্রটি অতটা বিশালতা বা গাঁথুনি না থাকলেও কাহিনির প্রবাহে যেন পুরোপুরি মিশে যেতে পেরেছে। গল্পের আবর্তে সুশীল হয়ে উঠেছে সাহসী ও নির্ভীক। তার দুর্জ্ঞেয় অভিযানে সঙ্গী হয় সণৎ, জামাতুল্লা ও ইয়ারখান নামের চরিত্র গুলো। ডাচ ওয়েস্ট ইন্ডিচের কোন দ্বীপে প্রাচীন হিন্দু রাজার ধ্বংসাবশেষে লুকানো রত্নভান্ডার খূঁজতে যায় তারা। তবে 'চাঁদের পাহাড়' এর মতই এ গল্পটিও যেন 'শেষ হইয়াও হইলো না শেষ'। গল্পের শেষে কৌতূহলী মনে রয়ে যায় অনেক প্রশ্ন অনেক না জানা প্রশ্নের রেশ!
June 7, 2023
এমন একটা বইকে ৫ তারা না দিলে দোষ হয়ে যাবে৷
সেরা একখানা বই।
রেকোমেন্ডেড!
সেরা একখানা বই।
রেকোমেন্ডেড!
July 20, 2023
খুবই বাজে এবং বিরক্তিকর লেখনী।
September 18, 2023
বিভূতিভূষণের আরো একটি মাস্টারপিস।
শুধু মনে হচ্ছে শেষটা এমন না হলেও তো পারতো।
শুধু মনে হচ্ছে শেষটা এমন না হলেও তো পারতো।
May 28, 2026
i would have loved it more as a kid, though.
September 27, 2025
ট্রেনে গত রাতে এই বইটা পড়তে পড়তে ঢাকায় পৌঁছেছি। গতকালকের ক্যারি অন বুক হিসেবে এই বইটাকে বেছে নেওয়া বোধহয় সেরা একটা সিদ্ধান্ত ছিল। চাঁদের পাহাড় এর ফ্যানদের জন্য বইটা মাস্ট রিড! তবে চাঁদের পাহাড় আর এই বইয়ের তুলনায় চাঁদের পাহাড় ই এগিয়ে থাকবে মূলত এই বইটার দুর্বল ফিনিশিংয়ের কারণে। অন্য কোনো একদিন বিশদভাবে লিখার আছে এই বই নিয়ে। আপাতত আমি মুগ্ধ!গতকালের সেই মুগ্ধতার রেশ এখনো কাটছে না।
August 2, 2025
ছোটোবেলায় এই বইগুলো না পড়তে পারার আক্ষেপ আর রাখতে চাই না। এটা পড়ে আমার ইচ্ছা করছে, আমার চেনা সব ছোটোদের এই বইটা একটা করে উপহার দিই। যাতে কারো এটা অপাঠ্য না থাকে, কারো এটা অপাঠ্য থাকা উচিত না।
আমি এক ঘরকুনো বাঙালি, কিন্তু এইরকম কিছু বই পড়লে আর বাড়িতে আরামে থাকতে ইচ্ছা হয়না। মনে হয় জাহাজে চরবো, কোনো এক নাম না জানা দ্বীপে হারিয়ে যাবো, অজানা অচেনা একজন আমাকে সঙ্গী করে নিয়ে যাবে দূর পাহাড়ের দেশে। চেনা জগৎ ফেলে রেখে হারিয়ে যাবো অলৌকিক প্রকৃতির মাঝে।
আমি এক ঘরকুনো বাঙালি, কিন্তু এইরকম কিছু বই পড়লে আর বাড়িতে আরামে থাকতে ইচ্ছা হয়না। মনে হয় জাহাজে চরবো, কোনো এক নাম না জানা দ্বীপে হারিয়ে যাবো, অজানা অচেনা একজন আমাকে সঙ্গী করে নিয়ে যাবে দূর পাহাড়ের দেশে। চেনা জগৎ ফেলে রেখে হারিয়ে যাবো অলৌকিক প্রকৃতির মাঝে।
Displaying 1 - 30 of 126 reviews































