What do you think?


মহীনের ঘোড়াগুলির গান
387 pages, Hardcover
Published March 1, 2021
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
August 9, 2021

বইমেলার মাঝামাঝি সময়ে ডায়না আপুর স্টোরিতে দেখি এই বইটার ছবি, আর তখনই ডিসাইড করে ফেলি বইটা আমি কিনবই, ভালো হোক বা খারাপ হোক। কারণ আমাকে যারা চিনেন তারা জানেন আমি মহীনের ঘোড়াগুলির গান কি পরিমাণ ভালোবাসি। আর সেসব গানের ঘোড়াদের নিয়ে বই হবে আর আমি কিনবোনা, তা কি হয়?
"যে গেছে বনমাঝে চৈত্র বিকেলে
যে গেছে ছায়াপ্রাণ বনবীথিতলে
যে গেছে ছায়াপ্রাণ বনবীথিতলে
বন জানে অভিমানে গেছে সে অবহেলে
যে গেছে অশ্রুময় বন-অন্তরালে
যে গেছে অশ্রুময় বন-অন্তরালে"
এই গানটার কথা বইতে অনেকবার এসেছে, এই গানটা আমার অনেক প্রিয়।
তাছাড়া লেখক এখানে সকল জীবিত ঘোড়াদের এবং তাদের সঙ্গীদের একসাথে করার চেষ্টা করেছেন। কোন গান, কোন এলবাম কিভাবে, কবে বের হয়েছে সেগুলো স্মৃতিচারণের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তাছাড়া 'মহীনের ঘোড়াগুলি' নামটার বুৎপত্তিগত কাহিনী ও বলেছেন আমাদেরকে। এটা অনেক ইন্টারেস্টিং ছিল।
সকলের মধ্যমণি মনিদা ওরফে গৌতম চট্টোপাধ্যায় হলেও আমার সবচেয়ে প্রিয় ঘোড়া হচ্ছে রঞ্জন ঘোষাল। এরপরে একে একে সবার কথাই উঠে এসেছে। শুরুতে এলোমেলো লাগলেও শেষে লেখক খুব ভালোভাবে সবকিছু ব্যালেন্স করেছেন।
"ভালোবাসি পিকাসো বুনুয়েল দান্তে
বিট্ল্স্ ডিলান আর বেথোফেন শুনতে
রবিশঙ্কর আর আলি আকবর শুনে
ভালোলাগে ভোরে কুয়াশায় ঘরে ফিরতে।
তবুও কিছুই যেন ভালো যে লাগেনা কেন
উদাসী পথের মাঝে মন পড়ে থাকে যেন
কোথায় রয়েছে ভাবি লুকিয়ে বিষাদ তবুও"
আরেকটা ব্যাপারেও কথা বলা হয়েছে কিভাবে সিহোর্স টা তাদের লোগো হিসেবে প্রথমে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে,
আবার জীবনানন্দের ঘোড়া থেকে কিভাবে মহীনের ঘোড়াগুলি আসলো সেটারও উল্লেখ আছে।
"আমরা যাইনি ম’রে আজো— তবু কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়:
মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে,
প্রস্তরযুগের সব ঘোড়া যেন— এখনও ঘাসের লোভে চরে
পৃথিবীর কিমাকার ডাইনামোর ’পরে।"
শেষে গানের কিছু লিরিক্স এবং কর্ডও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আর সবার শেষে গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু দিয়ে বইটা শেষ করেছেন লেখক। আর কিভাবে সবাই চৈত্রের কাফন গানটা গাইতে গাইতে তার সাথে শশ্মানে গিয়েছিল।
"আকাশে কেঁপেছে বাঁশিসুর
আঁচলে উড়েছে ময়ূর
চলে যাই বলেছিল চলে যাই
মহুল তরুর বাহু ছুঁয়ে
যে গেছে অশ্রুময় বন-অন্তরালে
সে বুঝি শুয়ে আছে চৈত্রের হলুদ বিকেল
যেখানে চূর্ণ ফুল ঝরে তার আঁচলে
সেখানে চূর্ণফুল ঝরে তার কাফনে"
April 21, 2021
শুরুতেই বলে নিই - আমি মহীনের ঘোড়াগুলির পাড়-ভক্ত। আর এই ভক্তের দৃষ্টিকোণ থেকেই আমি বইটাকে পড়েছি। তাই এই বই নিয়ে আমার পাঁচ তারকা রেটিং বা রিভিউ - কোনটাকেই সামান্য সন্দেহের তীর না ছুঁড়ে নেবেন না।
প্রথমেই বলি বইটি লেখককে নিয়ে - সাজ্জাদ হুসাইন। আমি ইতোপূর্বে লেখকের দুইটি বই পড়েছি - 'অঞ্জনযাত্রা' এবং 'নাট্যঞ্জন'। লেখকের লেখনীশক্তি নিয়ে আমার বক্তব্য একদম সোজাসাপ্টা - সাবলীল, আগের কথার সঙ্গে পরের কথা ছন্দময় সুতা দিয়ে আবদ্ধ। সেই সঙ্গে লেখক নিজেই কিছুটা ভক্তের কাতার থেকেই লিখেছেন বইটা - সত্যি বলতে, আধুনিক সংগীত ভালবাসে, এমন কে-ই বা ভক্ত নয় মহীনের ঘোড়াগুলির? লেখকও তাই বাদ যান নি বৈকি! তা সত্ত্বেও, নিজের ভাললাগার জায়গা থেকে তিনি এক এরিয়াল শটের ন্যায় আশ্চর্য ঘোড়াগুলির তাবৎ টাইমলাইনকে দুই মলাটের ভেতর বন্দি করেছেন মহীনের আদি ও কিছু নব্য ঘোড়াদের বয়ানের উপর ভিত্তি করে।
বইটি যেহেতু সেই আদি ও অকৃত্রিম ঘোড়াদের নিয়ে, তাই বইটির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় উঠে এসেছে তাদের উত্থান, তাদের সংগ্রাম, তাদের গান, গানের পেছনের গল্প, লাইমলাইটের সামনের ও পেছনের অগণিত নাম-না-জানা ঘোড়াদের কথা - আরও কত কী! মণি, বুলা, বাপি, ভানু, রঞ্জন, বিশু, আবু (সাত আদি ঘোড়া) ও রাজা, প্রণব, তপন, প্রবাল, সঙ্গীতা, শর্মিষ্ঠা - এদের এবং এর বাইরের কিছু মানুষের ভেতর ও বাহিরকার নানা গল্প উঠে এসেছে বইটিতে।
সময়টা '৭৭ সাল। দীপক মজুমদার লিখেছিলেন - "শহরটা ধীরে ধীরে বাবু ও বেশ্যাদের দখলে চলে গেছে"। সেই সাতাত্তরে 'মহীনের ঘোড়াগুলি' নামে আত্মপ্রকাশের পর, বান্ধবীদের গয়না বিক্রি করে বের করা তিনটে রেকর্ড, রেকর্ড হওয়া আটটা আর না-রেকর্ড হওয়া কয়েকটা গান নিয়ে অবশেষে '৮১ তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া শহুরে কিছু জ্যাজ বাউলের এক মিউজিকস্কেপ তুলে ধরা হয়েছে এই বইটিতে।
যারা মহীনের গানের ভক্ত, জানি তারা আদিঘোড়াদের মাত্র সতেরোটা গান ছাড়াও সম্পাদিত অ্যালবাম তিনটেও হয়তোবা শুনেছেন। কিন্তু পেছনের গল্প জেনেছেন কতজন? আসলে দোষও তো মেনে নেয়া যায়না - নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র কই? ত্য ঘটনা লিখা আছে, খুঁজলে পাওয়া যাবে, এমন সূত্র অনেক বিরল! এই বইটি হয়তো সেই আকালের বাজারে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস এনে দিল এ প্রজন্মের ঘোড়াদের বুকে। যেমনঃ জানতেন কি? - বিনিতা কেমন আছো, গানটা আসলে আদিঘোড়া বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় (বিশু) লিখেছিলেন নিজের প্রথম বান্ধবী বিনিতাকে নিয়েই। ব্যান্ডের শো ছিল, শো'র দিনই সবাই মিলে গানটি লিখা। রেডি করা হয়েছিল বিনিতা গানটা। স্টেজে উঠে গাইলেন বিশু। পরশুদিন উনার বি-এ পার্ট টু পরীক্ষা! এর আগের শো তে বি-এ পার্ট ১ এক্সামের অ্যাডমিট কার্ড হারিয়েছিলেন! সেগুলোরই প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায় গানটায়!
কিংবা জানতেন কি? - গৌতম চট্টোপাধ্যায়কে যখন শ্মশানে ফার্নেসের ভেতর ঢোকানো হচ্ছিল, তখন সবাই মিলে 'চৈত্রের কাফন' গাচ্ছিল... চৈত্রের কাফন গানটা সবাই মিলে গাইতে গাইতে আস্তে আস্তে মণিদা মিলিয়ে গেল ফার্নেসের ভেতর।
যেমনটা শুরুতে বললাম - বইটি পড়েছি আমি ভক্তের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাই আদিঘোড়াদের বয়ানগুলোকে আমার বহুদিনের চেনাজানা গানগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দারুণ লাগছিল! এই সঙ্গে পর্দার পেছনে আরও কত ঘোড়ার যে অজানা-অচেনা-অথচ গূঢ় অর্থবহ কাহিনী, তা ঝরঝরে ভঙ্গিতে মলাটবন্দী করবার জন্যে সাজ্জাদ হুসাইনকে ধন্যবাদ জানাই।
জয়তু মহীনের ঘোড়াগুলি! জয়তু বাংলা গানের পথচলা!
প্রথমেই বলি বইটি লেখককে নিয়ে - সাজ্জাদ হুসাইন। আমি ইতোপূর্বে লেখকের দুইটি বই পড়েছি - 'অঞ্জনযাত্রা' এবং 'নাট্যঞ্জন'। লেখকের লেখনীশক্তি নিয়ে আমার বক্তব্য একদম সোজাসাপ্টা - সাবলীল, আগের কথার সঙ্গে পরের কথা ছন্দময় সুতা দিয়ে আবদ্ধ। সেই সঙ্গে লেখক নিজেই কিছুটা ভক্তের কাতার থেকেই লিখেছেন বইটা - সত্যি বলতে, আধুনিক সংগীত ভালবাসে, এমন কে-ই বা ভক্ত নয় মহীনের ঘোড়াগুলির? লেখকও তাই বাদ যান নি বৈকি! তা সত্ত্বেও, নিজের ভাললাগার জায়গা থেকে তিনি এক এরিয়াল শটের ন্যায় আশ্চর্য ঘোড়াগুলির তাবৎ টাইমলাইনকে দুই মলাটের ভেতর বন্দি করেছেন মহীনের আদি ও কিছু নব্য ঘোড়াদের বয়ানের উপর ভিত্তি করে।
বইটি যেহেতু সেই আদি ও অকৃত্রিম ঘোড়াদের নিয়ে, তাই বইটির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় উঠে এসেছে তাদের উত্থান, তাদের সংগ্রাম, তাদের গান, গানের পেছনের গল্প, লাইমলাইটের সামনের ও পেছনের অগণিত নাম-না-জানা ঘোড়াদের কথা - আরও কত কী! মণি, বুলা, বাপি, ভানু, রঞ্জন, বিশু, আবু (সাত আদি ঘোড়া) ও রাজা, প্রণব, তপন, প্রবাল, সঙ্গীতা, শর্মিষ্ঠা - এদের এবং এর বাইরের কিছু মানুষের ভেতর ও বাহিরকার নানা গল্প উঠে এসেছে বইটিতে।
সময়টা '৭৭ সাল। দীপক মজুমদার লিখেছিলেন - "শহরটা ধীরে ধীরে বাবু ও বেশ্যাদের দখলে চলে গেছে"। সেই সাতাত্তরে 'মহীনের ঘোড়াগুলি' নামে আত্মপ্রকাশের পর, বান্ধবীদের গয়না বিক্রি করে বের করা তিনটে রেকর্ড, রেকর্ড হওয়া আটটা আর না-রেকর্ড হওয়া কয়েকটা গান নিয়ে অবশেষে '৮১ তে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া শহুরে কিছু জ্যাজ বাউলের এক মিউজিকস্কেপ তুলে ধরা হয়েছে এই বইটিতে।
যারা মহীনের গানের ভক্ত, জানি তারা আদিঘোড়াদের মাত্র সতেরোটা গান ছাড়াও সম্পাদিত অ্যালবাম তিনটেও হয়তোবা শুনেছেন। কিন্তু পেছনের গল্প জেনেছেন কতজন? আসলে দোষও তো মেনে নেয়া যায়না - নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র কই? ত্য ঘটনা লিখা আছে, খুঁজলে পাওয়া যাবে, এমন সূত্র অনেক বিরল! এই বইটি হয়তো সেই আকালের বাজারে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস এনে দিল এ প্রজন্মের ঘোড়াদের বুকে। যেমনঃ জানতেন কি? - বিনিতা কেমন আছো, গানটা আসলে আদিঘোড়া বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় (বিশু) লিখেছিলেন নিজের প্রথম বান্ধবী বিনিতাকে নিয়েই। ব্যান্ডের শো ছিল, শো'র দিনই সবাই মিলে গানটি লিখা। রেডি করা হয়েছিল বিনিতা গানটা। স্টেজে উঠে গাইলেন বিশু। পরশুদিন উনার বি-এ পার্ট টু পরীক্ষা! এর আগের শো তে বি-এ পার্ট ১ এক্সামের অ্যাডমিট কার্ড হারিয়েছিলেন! সেগুলোরই প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায় গানটায়!
কিংবা জানতেন কি? - গৌতম চট্টোপাধ্যায়কে যখন শ্মশানে ফার্নেসের ভেতর ঢোকানো হচ্ছিল, তখন সবাই মিলে 'চৈত্রের কাফন' গাচ্ছিল... চৈত্রের কাফন গানটা সবাই মিলে গাইতে গাইতে আস্তে আস্তে মণিদা মিলিয়ে গেল ফার্নেসের ভেতর।
যেমনটা শুরুতে বললাম - বইটি পড়েছি আমি ভক্তের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাই আদিঘোড়াদের বয়ানগুলোকে আমার বহুদিনের চেনাজানা গানগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দারুণ লাগছিল! এই সঙ্গে পর্দার পেছনে আরও কত ঘোড়ার যে অজানা-অচেনা-অথচ গূঢ় অর্থবহ কাহিনী, তা ঝরঝরে ভঙ্গিতে মলাটবন্দী করবার জন্যে সাজ্জাদ হুসাইনকে ধন্যবাদ জানাই।
জয়তু মহীনের ঘোড়াগুলি! জয়তু বাংলা গানের পথচলা!
May 14, 2023
একটু অগোছালো মনে হলেও মহীনের ঘোড়াগুলো কীভাবে কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে ঘাস খেয়ে বেড়ায় তা জানতে আপাতত এই বই এর বিকল্প আর নেই।
June 23, 2022
'মহীনের ঘোড়াগুলি'র এক ভক্ত লিখেছে বইটা। ভক্তের লেখায় অতিরঞ্জন থাকেই যেটা তেমন একটা পছন্দ না আমার।যেমন আহমদ ছফাকে নিয়ে সলিমুল্লা খানের, যেমন আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে আহমদ ছফার.....
তবু বলতে চাই,এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বই। তাগড়া ধ্রুপদী ঘোড়াদের ওপর এই ডকুমেন্টেশনটা প্রয়োজনীয় একটা কাজ। জনাব সাজ্জাদ হুসাইন বেশ খেটেছেন এই কাজটি করতে গিয়ে।অদূর ভবিষ্যতে যখন হয়তোবা লোকে নতুন করে আবিষ্কার করতে শুরু করবে ঘোড়াদের, ফিরে তাকানোর বোধ জন্মাবে,,একটা দলিল হিসেবে এই বইটাকে তারা রাখবে নিঃসন্দেহে!।
মাথা থেকে ঘোড়াদের প্রথম এলবামের সংবিগ্ন পাখিকুল গানটার প্রথম লাইন' রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু কেউনেইশূণ্যতা' --কোনভাবেই মাথা থেকে সরছেনা।এবং আপনাকে বুঝতে পারতে হবে ও শুনতে পারতে হবে ও গিলতে পারতে হবে যে 'কেউনেইশূণ্যতা' এখানে একটা শব্দ হিসেবেই ব্যবহার করা হইছে,তিনটা আলাদা শব্দ হিসেবে না।এটা একটা স্বতন্ত্র ভাব তুলে ধরে।
এত মারাত্নক লাইন! এত ঠাডাচমক মারা শব্দচয়ন! এত হারমনিক বিষাদ!
তবু বলতে চাই,এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বই। তাগড়া ধ্রুপদী ঘোড়াদের ওপর এই ডকুমেন্টেশনটা প্রয়োজনীয় একটা কাজ। জনাব সাজ্জাদ হুসাইন বেশ খেটেছেন এই কাজটি করতে গিয়ে।অদূর ভবিষ্যতে যখন হয়তোবা লোকে নতুন করে আবিষ্কার করতে শুরু করবে ঘোড়াদের, ফিরে তাকানোর বোধ জন্মাবে,,একটা দলিল হিসেবে এই বইটাকে তারা রাখবে নিঃসন্দেহে!।
মাথা থেকে ঘোড়াদের প্রথম এলবামের সংবিগ্ন পাখিকুল গানটার প্রথম লাইন' রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু কেউনেইশূণ্যতা' --কোনভাবেই মাথা থেকে সরছেনা।এবং আপনাকে বুঝতে পারতে হবে ও শুনতে পারতে হবে ও গিলতে পারতে হবে যে 'কেউনেইশূণ্যতা' এখানে একটা শব্দ হিসেবেই ব্যবহার করা হইছে,তিনটা আলাদা শব্দ হিসেবে না।এটা একটা স্বতন্ত্র ভাব তুলে ধরে।
এত মারাত্নক লাইন! এত ঠাডাচমক মারা শব্দচয়ন! এত হারমনিক বিষাদ!
Currently Reading
June 4, 2024Dreams comes true
Displaying 1 - 5 of 5 reviews





