নিজের স্ত্রী এবং কন্যার হত্যাকারীকে খুঁজে চলা ছাপোষা এক ইতিহাসের অধ্যাপক... সাতশো বছর আগে পৃথিবীর ইতিহাস পালটে দেওয়া এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো একজন সাধারণ | রাজকর্মচারী... যুগ যুগ ধরে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের রক্ষা করে আসা দুর্দম দুঃসাহসী নাইট টেম্পলার নামক এক গুপ্ত প্রতিষ্ঠান..এবং ইতিহাসের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় বইয়ের কয়েকটা পৃষ্ঠা। আর এই সবকিছু একে অপরের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে এক অদৃশ্য সুতাের টানে। কোনও এক সর্বশক্তিমান অঙ্গুলিহেলনে ধীরে ধীরে খুলছে সেই সুতাের জট। কোডেক্স গিগাস... শয়তানের বাইবেল. ৩০ বছরের জ্ঞান লিপিবদ্ধ হল এক রাতে! কীভাবে সম্ভব? কথিত আছে এ কাজ শয়তানের। কিন্তু... শুধুই কি অর্বান্তর মিথ... নাকি লুকিয়ে আছে কোনও বিজ্ঞান ? এমন বিজ্ঞান, যা বদলে দিতে পারে ব্রহ্মাণ্ডের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ! ইন্দ্র কি খুঁজে পাবে তার পরিবারের হত্যাকারীকে? নাকি ধীরে ধীরে অজান্তে সে নিজেই জড়িয়ে পড়ছে কোনও এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে ? জানতে চাইলে পড়তে থাকুন রণদীপ নন্দীর লেখা মিথলজি আশ্রিত কল্পবিজ্ঞান থ্রিলার ‘অপারেশন কোডেক্স’।
যদি অতীতকে পালটে দেওয়ার সুযোগ পান, তাহলে কোন মুহূর্তটা বদলাতে চাইবেন? যুগ-যুগ ধরে অজস্র গল্প-উপন্যাস লেখা হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আর বুঝতে চেয়ে৷ আলোচ্য উপন্যাসেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথা প্রটাগনিস্টের চালিকা-শক্তি হয়েছে এটিই। তারই সঙ্গে মিশে গেছে শয়তানের বাইবেল নামে খ্যাত বা কুখ্যাত বইয়ের ইতিহাস, নাইটস টেম্পলার, মারাত্মক পেশাদার এক সংগঠনের একটি গোপন মিশন, সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ... আর প্রেম।
বইটার ভালো দিক কী-কী? প্রথমত, লেখা অত্যন্ত স্মার্ট এবং গতিময়— ফলে বোর হওয়া বা অন্য কিছুতে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগই পাইনি৷ একবারে পুরো উপন্যাসটা শেষ করতে হয়েছে। থ্রিলারের প্রধানতম শর্ত এভাবেই পূরণ করেছে লেখাটি। দ্বিতীয়ত, ইতিহাসের বাঁকা পথেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যে বিস্ময়ে ভ্রমণ করা একাকী মানব— এই কথাটা শত রণ-রক্তের মধ্যেও খুব যত্নের সঙ্গে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। তৃতীয়ত, কোডেক্স গিগাস নিয়ে এর আগেও বাংলায় উপন্যাস লেখা হয়েছে। কিন্তু সেটির নিজস্ব অকাল্ট মহিমার বদলে এই উপন্যাসে যেভাবে মানব-চরিত্রের রিপুতাড়িত পরিবর্তনকেই বেশি শক্তিশালী করে দেখানো হয়েছে— তা নিঃসন্দেহে তারিফযোগ্য।
বইটির খারাপ দিক কী-কী? ১) এতে সব আলগা সুতো গোটানো হয়নি। সেটা ভবিষ্যতে সিকোয়েল আসবে বলে, নাকি লেখকের নিজের বিভ্রান্তির ফলে— তা আমি জানি না৷ তবে বেশ কিছু প্রশ্নের কোনো যৌক্তিক উত্তর পাওয়া গেল না বলে খারাপ লাগল। ২) লেখক শেষ পর্যন্ত দোটানায় ভুগেছেন যে তিনি অকাল্ট থ্রিলার লিখছেন না রোমান্টিক বা সেন্টিমেন্টাল উপন্যাস। এর ফলে শেষ অবধি লেখাটা ফ্যান্টাসির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ভীষণ দুর্বল হয়ে গেছে। ৩) চরিত্রচিত্রণ এই উপন্যাসের অ্যাকিলিস হিল। একমাত্র লিওনার্দো ছাড়া আর একটি চরিত্রকেও লেখক বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে পারেননি। ইভানি নামের মেয়েটির মুখে গালি ও বুলির যতই মিশ্রণ ঘটানো হোক না কেন, তাকে শেষ অবধি অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ভাঙাচোরা ছায়া ছাড়া কিছু মনে হয়নি। বাকি চরিত্রদের কথা যত কম বলা যায় তত ভালো।
অথচ উপন্যাসটা, অন্তত ইন্দ্র'র অ্যাবডাকশন এবং দুই প্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠনের সঙ্গে তার প্রাথমিক আন্তঃক্রিয়া অবধি, দুর্দান্তভাবে এগোচ্ছিল! সাতশো বছরের ব্যবধানে সময়ের দু'টি সমান্তরাল স্রোতকে লেখক দারুণ মুনশিয়ানার সঙ্গে সামলাচ্ছিলেন। তারপরেই তাঁর মনে হল, জীবনে যদি নেই love, বেঁচে থেকেও নেই লাভ! অপারেশন কোডেক্স সেই টেবিলেই মারা গেল। এমন একটা দুরন্ত প্লট ও কনসেপ্টকে স্মরণজিতের নদী থেকে কাটা খালে ডুবিয়ে মারার জন্য, মনে-মনে, লেখকের উদ্দেশে বাছাই করা কিছু অপশব্দ ছুড়ে রিভিউ শেষ করলাম।
একদিনে সেরে ফেলার মত 190 পাতার একটা বই অপারেশন কোডেক্স। 💕 ভালো দিক - গল্পের প্লট। scifi, mythology, history আর heist এর একটা জমজমাট প্লট এই গোটা বই জুড়ে। এত গুলো টপিকের একটাও ভালো লাগলে মজা পাবেন। 😮💨 খারাপ দিক - গল্পের বুনন। অতো গুলো জোরালো টপিক থাকলেও সব দিক সুন্দর করে বোনা হয়নি। কখনও ব্যাখ্যা খুব দূর্বল কখনও জোড়াতালি দিয়ে গল্প শেষ।
সব মিলিয়ে বলব বইটি অবশ্যই পড়ে দেখা উচিত, খুব রোমহর্ষক না হলেও বেশ থ্রিল পাওয়া যায় গল্পে। তার সাথে সমান্তরালে চলতে থাকা একটা প্রেম - নাপ্রেম এর গল্পও বেশ উপভোগ্য। তবে গল্পের শেষ নিয়ে বেশি আশা রাখবেন না। মানে যদি ভেবে রাখেন শেষে সব খাপে খাপে মিলে যাবে, ইত্যাদি, তাহলে কপালে দুঃখ আছে। তবে তাও পড়ে দেখুন।
আপনি খুব ভালো ইলিশের ঝাল রান্না করতে পারেন , আবার ততটাই ভালো হয়ত চিংড়ি মাছের মালাইকারি রাঁধতে পারেন। এখন সমস্যা হচ্ছে, আপনি ইলিশ কিনলেন কড়াইতে চড়ালেন কিন্তু মাঝপথে গিয়ে মনে হল অনেকদিন চিংড়ির মালাইকারি রান্না করা হয়নি! ব্যাস , দিলেন ওর মধ্যেই নারকেলের দুধ ঢেলে! সম্প্রতি রণদীপ নন্দীর 'অপারেশন কোডেক্স' পড়ে উপরের অভিজ্ঞতাটি হয়েছে। সাতশো বছর পূর্বে নাইট টেম্পলার নামক গুপ্ত সমিতিকে মিথ্যা অভিযোগে ভেঙে দেওয়া হয় এবং তাঁরা গুপ্তভাবে পৃথিবীর বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে কেন্দ্রিয় চরিত্র ইন্দ্রের স্ত্রী ও মেয়ে মারা যায় এবং ঘটনা চক্রে সে জড়িয়ে পড়ে একটি গুপ্ত দলের সঙ্গে যাঁরা কোনও একটি বিশেষ অপারেশনে ইন্দ্রের সাহায্য চায়। গল্পের শুরুটা খুব ভালো হয়েছিল, ভীষণ প্রমিসিং লাগছিল। বেশ অর্ধেক অবধি একটা বেশ টানটান থ্রিলার চলছিল যেখানে- ইতিহাস, মাইথোলজি সবই ঘুরে ফিরে আসছিল। পড়তে বেশ ভালো লাগছিল, লেখায়ও বেশ টান ছিল। লেখকের লেখা পাঠককে বেশ তরতরিয়ে পড়িয়ে নেয়। সমস্যা বাঁধল যখন ইন্দ্রের সঙ্গে ইভানির দেখা হল। কথায় আছে, ভালোবাসা কোনও কিছুর ধার ধারে না। হলও তাই। ঠিক এই জায়গা থেকে লেখক অনেকক্ষণ অবধি কড়াইতে ইলিশ চাপিয়ে মালাইকারির মশলা চড়িয়েছেন। গল্পের প্রয়োজনে প্রেম আসুক, কিন্তু সেটা যদি মূল গল্পের রেখাকে বিঘ্নিত করে তাহলে সেটা একটু সমস্যার বটেই। লেখকের লেখার হাতটা ভালো, গল্পের প্লটটা ভালো, শেষের ক্লাইম্যাক্সটাও ভালো। শুধু মাঝের বেশ কিছুটা অংশ টিনএজ প্রেমের গল্প একজন বছর বত্রিশ-তেত্রিশ বছরের কেন্দ্রীয় চরিত্রের উপর আরোপিত না করলেই ভালো করতেন। এই জায়গাগুলো সেভাবে বিশ্বাসযোগ্য লাগেনি। কিছু তথ্যগত ত্রুটি চোখে পড়েছে। নাইট টেম্পলার 1314 সালে ভেঙে যাওয়ার পরে তাঁদের ভারতে চলে আসার কারণ হিসেবে লেখক লিখছেন-'কারণ সেই সময় ভারতবর্ষ অখণ্ড হিন্দু রাজ চলছে। গোটা বিশ্বের নিরিখে ভারত তখন পলিটিক্যালি স্টেবল'। কিন্তু এই সময়টায় ভারত রাজনৈতিকভাবে মোটেই সুস্থির ছিল না। দিল্লির মসনদ নিয়ে খিলজি থেকে তুঘলঘ বংশের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। দক্ষিণে একাধিক খন্ডক্ষুদ্র রাজ্যে আলাদা আলাদা রাজ বংশ শাসন করছে। সবমিলিয়ে ভালো বা মোটামুটি রকমই লেগেছে বলা যায়। খুব ভালো প্লট ছিল, ক্লাইম্যাক্সটায় একটা সাই-ফাইয়ের ছোঁয়া রয়েছে, লেখকের লেখনীও ভালো। কিন্তু তাও যেন ঠিক মন ভরল না। আরও হয়ত ব্যাপারটা গুছিয়ে ভালো করা যেত। তবে লেখকের লেখনী যেহেতু বেশ ভালো তাই এসব কিছু চিন্তা সরিয়ে রেখে পড়তে ভালোই লাগে।
#Book Review বইয়ের নাম: অপারেশন কোডেক্স ড্যান্স অফ দ্য ডেভিল লেখক: রণদীপ নন্দী প্রকাশক: বিভা পাবলিকেশন রেটিং: ৩.৭/৫
নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে বইয়ের মূল বিষয়বস্তু "কোডেক্স গিগাস" বা "ডেভিলস বাইবেল", যার হারিয়ে যাওয়া শেষ বারোটি পৃষ্ঠায় রয়েছে এমন কিছু রহস্য যা পাল্টে দিতে পারে মানবজাতির অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। গল্পের শুরুতে দেখা যায় যে ২০২০ সালে নিজের স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যার অপ��াধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইতিহাসের প্রফেসর ইন্দ্রজিৎ কে এবং ১৩০৭ সালে খ্রিস্ট ধর্মের রক্ষাকর্তা নাইট টেম্পলারদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন তৎকালীন রাজা চতুর্থ ফিলিপ। এই ভিন্ন টাইমলাইনের ভিন্ন দুই ঘটনার মধ্যে কি থাকতে পারে কোনো যোগসূত্র? পাঠকের মতামত: বইটি পড়ার প্রধান কারণ হলো কোডেক্স গিগাস-এর প্রতি আমার অন্তহীন কৌতূহল। শুরু থেকে প্লট খুব সুন্দরভাবে নির্বিঘ্নেই এগোচ্ছিল, কিন্তু রহস্য গল্পের শেষ মুহূর্তে রোমান্স না আনলেই পারতেন। আর অনেক রহস্য রহস্যই থেকে গেলো, সেটা কি পরবর্তী বইয়ের জন্য তোলা থাকলো? আর বইটির সবচেয়ে সুন্দর বিষয়টি হলো অনেকগুলো টাইমলাইন খুব ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে এখানে। সবশেষে বলবো, খুব একটা হতাশ হইনি আবার খুব একটা ভালোও লাগেনি, কিন্তু তবুও পরবর্তী বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম।
পড়লাম। এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধ। প্রত্যেকটা চরিত্র কোনটায় স্বাভাবিক বা বাস্তব নয়। কিন্তু লেখক প্রত্যেক চরিত্রকেই নিটোল করে গড়ে তুলেছেন। কোন চরিত্রকে লেখক ছেড়ে রাখেন নি।
সদ্য পড়ে শেষ করলাম লেখক রণদীপ নন্দীর লেখা কল্প বিজ্ঞান রহস্য কাহিনী অপারেশন কোডেক্স ' ড্যান্স অফ ডেভিল ' ।
"কোডেক্স গিগস" বই লেখার ইতিহাস ও তাকে কেন্দ্র করে নানা ঘটনা আমরা সকলেই কম বেশি সবাই জানি । এই উপন্যাসের শুরুই হয়েছে এই কোডেক্স গিগাস হারিয়ে যাওয়ায় পাতা গুলিকে কেন্দ্র করে। জনশ্রুতি আছে এই পাতা গুলিতেই রয়েছে শয়তানকে পৃথিবীতে আনার উপায় । সময়ের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া এই পৃষ্ঠা ও প্রভু যিশুর ক্রুশ বিদ্ধ পায়ে ঢোকানো একটি পেরেক্ নিয়ে নাইট টেম্পলার যোদ্ধাদের একটি বিশেষ দল ভারতে এসে সেটিকে গোপন একটি জায়গায় লুকিয়ে রেখে কয়েক দশক ধরে সেটিকে পাহারা দিচ্ছে। এই গুপ্ত সংগঠনেরই একজন সেই পৃষ্ঠা হাতিয়ে নিয়ে পাচার করতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পরে।।
এক হতভাগ্য ইতিহাসবীদ হঠাৎ আবিষ্কার করেন তারই বাড়িতে তার মেয়ে বউ মৃত ।পুলিশের হাতে ধরা পরে গিয়ে আপাতত সে জেল বন্দী। এরই মধ্যে এক ইন্ডিপেন্ডেন্ট মার্সিনারী গ্রুপ তাকে বিশেষ কায়গায় জেল থেকে ছড়ানোর ব্যবস্থা করে, প্রতিদানে তারা চায় সে যেন ওই হারানো কোডেক্স গিগাস এর পৃষ্ঠা গুলো পুনরুদ্ধারে তাদের সাহায্য করে।
শেষ পর্যন্ত কি "কোডেক্স গিগাস " হারানোর পৃষ্ঠা উদ্ধার হবে ? সেই ইতিহাস বিদ কি তার মেয়ে বউ এর খুনি কে ধরতে পারবে ? গুপ্ত সংগঠনের লোকেরাই বা কেন লুকিয়ে রেখেছে সেই পৃষ্ঠা ও পেরেক টিকে ? কোন অজানা রহস্য লুকিয়ে আছে সেই পৃষ্ঠা গুলিতে ?
♦️♦️♦️ পাঠ প্রতিক্রিয়া - দুটি সমান্তরাল সময় ধারায় বয়ে চলা এই কাহিনী ধারে " কোডেক্স গিগাস" এর ইতিহাস ও তাকে ঘিরে থাকা এক কাল্পনিক কাহিনী বলছে তার সাথে সমান তালে চলছে সেই বই এর হারিয়ে যাওয়া পৃষ্ঠা পুনরুদ্ধারের কাহিনী।। গোটা উপন্যাসটিকে লেখক নানান ভাগে ভাগ করে লিখেছেন , কখন ও অতীতের গল্প বা কখনও ভবিষ্যতের পরিস্তিতি।। টান টান উত্তেজনাময় অনুভূতি সৃষ্টি করলেও কোথাও গিয়ে হতাশই হলাম শেষে গিয়ে।। লেখার মান ভালো হলেও একেক জায়গায় বড্ডো নড়বড়ে লেগেছে গল্প।। গল্পে প্রেম পর্বটি খুব বেমানান ও হলিউডি ছাপ মার্কা, মূল গল্প থেকেই পাঠক দূরে সরে যাবে মাজপথেই।। গল্পের ক্লাইম্যাক্স কে দুটি পর্যায় বেঁধেছেন লেখক। একটি বেশ সুন্দর লাগলেও অপরই একেবারেই ভালো লাগেনি।। গল্পের গতি ভালো হলেও কিছু জায়গায় অতিরিক্ত পরিমাণ শব্দ খরচ হয়েছে যা এরকম গল্পের ক্ষেত্রে বিরক্তিকর।
শুরুতে ভালো লাগলেও শেষে গিয়ে আশাহতই হলাম।।। রেটিং ২/৫