Jump to ratings and reviews
Rate this book

হঠাৎ-আলোর ঝলকানি

Rate this book

79 pages, Hardcover

2 people are currently reading
68 people want to read

About the author

Buddhadeva Bose

105 books122 followers
Buddhadeva Bose (also spelt Buddhadeb Bosu) (Bengali: বুদ্ধদেব বসু ) was a major Bengali writer of the 20th century. Frequently referred to as a poet, he was a versatile writer who wrote novels, short stories, plays and essays in addition to poetry. He was an influential critic and editor of his time. He is recognized as one of the five poets who moved to introduce modernity into Bengali poetry. It has been said that since Tagore, perhaps, there has been no greater talent in Bengali literature. His wife Protiva Bose was also a writer.

Buddhadeva Bose received the Sahitya Akademi Award in 1967 for his verse play Tapaswi O Tarangini, received the Rabindra Puraskar in 1974 for Swagato Biday(poetry) and was honoured with a Padma Bhushan in 1970.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
18 (69%)
4 stars
6 (23%)
3 stars
2 (7%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 11 of 11 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews439 followers
October 29, 2022
বাইরের বিশাল বিশ্বপ্রকৃতির প্রতি আমার আকর্ষণ ও আসক্তি যে কত গভীর তা আবিষ্কার করে এক-একসময় নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছি। কিন্তু সে প্রকৃতি-আমি যেখানেই থাকি না কেন,সবসময় আমার জানালার বাইরে উপস্থিত : সন্ধ্যার মেঘের রঙ,সন্ধ্যার তারা,দ্বিতীয়ার নতুন বাঁকা চাঁদ। তার জন্যে রেল-কোম্পানির টিকিট কাটবার দরকার পড়ে না।

বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠার এ অংশটুকুই বইয়ের বিষয় ও মেজাজ ঠিক করে দ্যায়। বিষয় - পুরানা পল্টন, ক্লাইভ স্ট্রীটে চাঁদ, কলকাতা, ছাদ, বাথরুম ইত্যাদি।

সাধারণ মানুষের জীবনের নিত্যদিনের ট্র‍্যাজেডি হচ্ছে নিজেদের নিত্যদিনের জীবনকে ভালোবাসতে না পারা, একঘেয়েমিতে ভোগা, চারপাশের জগতের দিকে বিবমিষা নিয়ে তাকিয়ে তিল তিল করে জীবনীশক্তি ক্ষয় করা।
আর এদিকে বুদ্ধদেব বসু, সৃষ্টিশীলতা আর প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা এক মানুষ, নিজস্ব গৃহকোণ ভালোবেসেছেন সমস্ত জীবনভর। প্রশস্তিগাঁথা রচনা করেছেন নিজের ঘর, বাথরুম, ছাদ, কলকাতার ব্যস্ত সড়ক, পুরানা পল্টনের বর্ষা নিয়ে। বাথরুম নিয়ে এতো কাব্যিক, এতো গভীর প্রবন্ধ লেখা যায় কে ভাবতে পেরেছিলো?ব্যস্ত সড়কে, ছাদে, নিজ কক্ষে তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন সৌন্দর্যের আর মুগ্ধতার অপার সম্ভার। অক্লেশে বলেছেন,

আমার নিতান্ত অপরিসর, আসবাব-বাহুল্যহীন ঘরে বই নিয়ে লেখা নিয়ে, বন্ধুদের সঙ্গে গল্পগুজব নিয়ে, নিজের মনের চিন্তা নিয়ে নিজের ঘরের পরিচিত, অতিপরিচিত আবহাওয়ায় আমি বেশ থাকি, সবচেয়ে ভালো থাকি। বৈচিত্র্য আমার পক্ষে বৈষম্য । এমন সময় গেছে, যখন দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বলা যায়— ঘর থেকে একেবারে না-বেরিয়ে আমি কাটিয়েছি। আমি যা চাই, যা-কিছু আমার ভালো লাগে, সব আমি ঘরে বসেই পেয়েছি; বাইরে যাবার কথা মনে হয়নি এবং সে-সময়টা আমার পরিপূর্ণ আনন্দে কেটেছে; একটা মুহূর্ত ম্লান মনে হয়নি; মুহূর্তের জন্য ক্লান্ত বোধ করিনি।


বইতে অন্যান্য বিষয়েও প্রবন্ধ আছে। শিশুদের কল্পনাশক্তির প্রসারে ও বিকাশে ভূতের গল্প কোনো বাঁধা নয় বরং সহায়ক;এ বিষয়ে লেখা "ভূতের ভয়" দুর্দান্ত। তবে সব ছাপিয়ে বইটি আমার মনে থাকবে প্রাবন্ধিকের নিজের আটপৌরে, অনাড়ম্বর জীবনকে ভালোবাসার ও তার মনোমুগ্ধকর প্রকাশের জন্য। নিজেদের প্রতিদিনের জীবন, প্রতিদিনের "আমি" কে উচ্ছ্বসিতভাবে গ্রহণ করা পৃথিবীতে সবচেয়ে দুরূহ কাজ। প্রতিদিনের জীবন যে ভালোবাসে, তারচেয়ে সুখী কে আছে?

(২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২)
Profile Image for Ashik.
221 reviews42 followers
September 1, 2025
ফুরিয়ে আসা বিকেল বেলার খেলার সময়টুকু যখন অন্তিম নিশ্বাস ফেলছে তখন মাঠের দক্ষিণ কোণে হঠাৎ দপ করে জ্বলে ওঠা আগুনের গোলা দেখে ভয় পেয়ে যাওয়া নিতান্ত বালক সত্তাটা অনেকদিন পরে জেনেছিল আলেয়া নামের ওই আলোটা বিজ্ঞান বহির্ভূত কোনো অপশক্তি বা পরাশক্তি নয়। প্রকৃতির কিছু নির্দিষ্ট নিয়মে এমনই হঠাৎ আলোর ঝলকানি ওঠে অন্ধকারের গাঢ় পর্দাটা সরিয়ে দেওয়ার জন্য।

প্রায় ভুলতে বসা সেই স্মৃতির মাথায় আবার যেন কেউ পানি ঢেলে দিলো ক্ষ্যাপা বিড়াল মনে করে। অবসরের গোড়ায় আগুন লাগিয়ে ঝিমিয়ে পড়া মস্তিষ্ককে জাগিয়ে তুলে দিল বুদ্ধদেব বসুর কালির অক্ষরগুলো।
Profile Image for নাহিদ  ধ্রুব .
143 reviews27 followers
June 2, 2022
প্রবন্ধ নিয়ে ভাবতে গেলেই মনের মধ্যে একটা উচ্চমার্গীয় দৃশ্যের জন্ম হয়, এমন একটা কিছু যা গলাধঃকরণ করা যায় না সহজে। শৈশবে কিংবা একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাই প্রবন্ধের ছায়া থেকে খুব সচেতনভাবেই চলেছি গা বাঁচিয়ে। এখন অবশ্য বদলে গেছে বাস্তবতা। সর্বভুক পাঠক হয়ে উঠতে উঠতে প্রবন্ধের দিকেও বেড়েছে ঝোঁক। বুদ্ধদেব বসুর ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’র মতো কোন বই পড়লে এই ঝোঁক বা আগ্রহ সঙ্গত কারণেই হয়ে যায় দ্বিগুণ।

প্রবন্ধ সম্পর্কে আমাদের যে প্রতিষ্ঠিত ধারনা, সে জায়গা থেকে এই বইটি একেবারেই ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্য হওয়ার মতো কোন বিষয় এই বইয়ে নেই বললেই চলে বরং আছে এক অদ্ভুত শূন্যতার মাঝে জন্ম নেয়া ব্যক্তিগত যাপন। লেখকজীবন বলতে যে টার্ম প্রচলিত আছে, তার দেখা পাওয়া যায় এই বইয়ে, যদিও নিজেকে লেখক দাবী করতে ভয় হয় আজও, তবুও দুলকি চালে লেখা বুদ্ধদেবের এই প্রবন্ধগুলো পড়তে পড়তে পাঠক আমি মনের অজান্তে ক্রমশই মিলিয়ে ফেলি নিজের সাথে, যেন এইসব গল্প আমারই। মনোলগের সাথে স্টিম অব কন্সাস্নেসের একটা সূক্ষ্ম প্রেমজাল তৈরি করে বুদ্ধদেব লিখেছেন এই প্রবন্ধগুলো, যা খুবই পলকা কোন পাতার উপর দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু তীব্র ঝড়েও, নড়বে না একচুলও।

‘বাথরুম’ নিয়েও এতো প্রাঞ্জল প্রবন্ধ লেখা সম্ভব, এই বই না পড়লে তা হয়তো পাঠক জানতেও পারবে না। ঐতিহাসিক কোন বাথরুম হলে হয়তো বিষয়টা নিয়ে একটা উপসংহারে সহজেই আসা যায়, কিন্তু বিষয়টা আসলে তেমনও না। বুদ্ধদেবের এই বাথরুম কেবলই মানসিক ও শারীরিক অনুভূতির কথাই বলে, যা হয়তো আমাদের জানা, লুকিয়ে থাকে আমাদের উপেক্ষার মাঝে। বুদ্ধদেব প্রবন্ধ লিখেছেন , ব্যক্তিগত ডায়েরি লেখার মতো করে, ফলে পাঠকের মনে চাপ সৃষ্টি হয় না, পাঠক বুঝতে পারে, এই লেখাগুলোর আড়ালে কোন মাস্টারের চোখ নেই, তবে এ কথাও বলে রাখা ভালো, এই প্রবন্ধগুলো পড়তে পড়তে হয়তো কারও কারও সামনে খুলে যাবে নতুন চিন্তার জগত। কখনও কখনও পাঠকের হয়তো মনে হতে পারে, লেখক হয়তো নিছক প্রলাপ বকছেন, কিন্তু প্রসঙ্গ যখন ‘মৃত্যু-জল্পনা’ তখন পাঠক বুঝে ফেলেন অর্ধমৃত, অবসাদগ্রস্থ মন নিয়ে আর যাই হোক, মশকরা করা যায় না, বরং পাঠক আবিষ্কার করেন জীবনের এক নতুন স্বরূপ। আফ্রিকান কোন নাম না জানা পোকাকেও তখন হয়তো পাঠকের ঈর্ষা করতে ইচ্ছে করে।

বুদ্ধদেবের বর্ণনা কাল্পনিক নয় বরং কাব্যিক। ক্লাইভ স্ট্রিটের ব্যস্ততা যেমন বাস্তবিক ঠিক তেমনই ক্লাইভ স্ট্রিটের কাব্যিক চাঁদও তাই। অতিরঞ্জিত কোন বর্ণনা কৌশল অবলম্বন করে বুদ্ধদেব কব্জির জোর একদমই দেখাতে চাননি বরং, ভাষার স্বচ্ছতা এতো বেশি, জলের মধ্যে মাছের চলাচল দেখার মতো পাঠক চাইলেই দেখে নিতে পারবেন বুদ্ধদেবের মন। আর তাই হয়তো দুর্বার জলরাশি’র মাঝে আমাদের মনে পড়ে যায় পুরনো পল্টনের কথা, আমাদের মনে পড়ে যায় সে’ই বৃষ্টিদিনের কথা, যে বৃষ্টিদিনে ফিরে যাওয়া যায় নির্ঝঞ্ঝাট সুখের খোঁজে। আমাদের ছাপোষা জীবনে যখন এস্কেপ রুট হিসেবে বেছে নিই ছাদকে, যখন আমরা তাকাই খোলা আকাশের দিকে তখন নক্ষত্রের আড়ালে যে হঠাৎ আলোর ঝলকানি দেখে আর্দ্র হয় আমাদের মন, এই বইয়ে প্রবন্ধের আড়ালে বুদ্ধদেব মূলত এঁকেছেন, তারই রূপ ও স্বরূপ।
Profile Image for Shotabdi.
821 reviews200 followers
December 25, 2021
'বন্ধুদের ভালোবাসা, সাহিত্যে দুরন্ত উৎসাহ, নতুন সব জিনিস লেখা, কল্পনার প্রসার, বিচিত্র বাসনার জাগরণ, জীবনের উপভোগে ক্লান্তিহীন আগ্রহ- যদি কখনও একটু অবসর পেতাম, বিস্মিত মন প্রশ্ন করতঃ এ কি সত্যি? এ কি সত্যি?'

বুদ্ধদেব বসুর জীবন দেখার এই চোখটা পুরানো পল্টনে থাকাকালীন, যখন তিনি পল্টনকে আলাদা চোখে দেখতেন না, নতুন প্রিয়া কলকাতার প্রতি ছিল যাঁর সদাউন্মুখ মন, কিন্তু কলকাতায় থিতু হয়ে যখন পেছন ফিরে তাকান, তাঁর সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে অনুভব করেন পুরানো পল্টনকে। এই কথাগুচ্ছটুকু আমার নিজের বর্তমানকে নিজের কাছেই চিনিয়ে দিল আবার, কিছুটা স্মৃতিকাতরও করে দিল। এই সময়গুলো, জীবন যখন দুহাত ভরে দিতে প্রস্তুত থাকে, সেই ভারমুক্ত সময় আমরা স্কুল-কলেজেই পাই। এরপর নানাবিধ চাপে সেগুলো 'ক্লাইভ স্ট্রীটে চাঁদ' দেখার মতো করেই বড্ড দূরে সরে যায়৷

এই বইটিতে মোট দশখানা প্রবন্ধ রয়েছে। প্রবন্ধ না বলে যদি বলি লেখকের নিজস্ব প্রাণসংবলিত একগুচ্ছ ভাবনা, তবে সেগুলোর স্বরূপটা সত্যি হয়। বিষয়বস্তু বিচিত্র, কিন্তু অভিনব। ছাদ এবং বাথরুম নিয়ে লেখকের ভাবনাটা একেবারেই নতুন নয়, আমরা সকলে তা অবচেতন মনে প্রতিদিন জানি, কিন্তু এইভাবে সুললিত ভাষায়, স্পষ্টভাবে প্রকাশের দক্ষতা নেই আমাদের।

বিশেষত 'বাথরুম' প্রবন্ধটিতে লেখক যেভাবে আমাদের একাকীত্বকে মহিমান্বিত করেছেন এবং সত্যি সত্যিই যে বাথরুমই আমাদের সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে নিজেকে একান্তে পাওয়ার একমাত্র স্থান, সেটা পড়ে নিজের অনুভূতিকে মেলানো গেল। অবচেতন ভাবনাটুকুই লেখক লিখে ফেলেছেন তাঁর সোনার কলমে।

'রূপ ও স্বরূপ' এবং 'মৃত্যু জল্পনা' প্রবন্ধ দুটি ছোট্ট দুটি লেখা হলেও এর দর্শন এবং প্রকাশগুণে হয়ে উঠেছে ক্লাসিক। আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি নানান প্রশ্ন এবং জীবনের আসল মানে খুঁজতে চেয়েছেন এই দুটি লেখাতে তিনি।

'কালের পুতুল' পড়ার পর থেকেই বুদ্ধদেব আমার অন্যতম প্রিয় প্রাবন্ধিক। তাঁর এই 'হঠাৎ-আলোর ঝলকানি' বইটির নাম আমি পাই আমার সিভিল সার্ভিসের পড়া পড়তে গিয়ে, প্রবন্ধের তালিকায়। এরপরে হন্যে হয়ে খোঁজা, গ্রন্থাগারে, গুগলরাজ্যে। নাহ, পাইনি। শেষমেশ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ঘুরতে গিয়ে বইটি পেয়ে গিয়েই নিয়ে নিলাম।

কিছু বই থাকে কেনার জন্য ব্যাকুল থাকি, কিন্তু কিনে নিলে সেটা আর ইচ্ছে করেই পড়িনা। ভাবি, যাহ, পড়লেই তো শেষ হয়ে গেল! এই বইটিও তেমন করে রেখে দিয়েছিলাম, কোন এক অবসর সময়ে পড়ব। কিন্তু আজকে আর মন মানল না, পড়েই নিলাম। আর বুঝে নিলাম, ভালো বই সবসময়ই নতুন লাগে। তা আজ পড়লেও, আর দশ বছর পরে পড়লেও।
Profile Image for Yeasin Reza.
515 reviews88 followers
April 17, 2022
প্রবন্ধগুলো কবিত্বময় অন্তর্গূঢ়তায় পরিপূর্ণ; লেখকের হ্নদয় খুঁড়ে অনুভবের গহীন আর্তি ধরা পড়েছে লেখাগুলোতে। লেখাগুলোকে প্রবন্ধ না বলে বরং লেখকের মনঃসমীক্ষণ বলা যেতে পারে, পাঠকের সাথে নিবিড়তর কথোপকথন। যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার সম্ভবত বুদ্ধদেবের মতো আর কেউ করতে পারেনি বাংলা সাহিত্যে, তার উজ্জ্বল প্রমাণ উক্ত গ্রন্থ।
Profile Image for NaYeeM.
229 reviews66 followers
November 13, 2025
এই বইটাকে প্রবন্ধ বা গদ্য ক্যাটাগরি বলা হলেও এটার লিখনশৈলীতে এমন অপরূপ নৈপুণ্যতা এবং এতসব সুন্দর কথাবার্তা, একে কাব্য বললেও বেশি বলা হবে না।
একটা দীর্ঘ কাব্য বলা যেতে পারে, কারণ লেখা ই এমন!
কি অতুলনীয় সুন্দর লেখা!

এমন সব বই একদিনে এক অধ্যায় পড়তে হয়, খুব ধীরেসুস্থে রস আহরণ করতে হয়।
আমি অনেক জায়গায় এক পৃষ্ঠা দুইবারও পড়েছি।
আর অনেক কথাবার্তা মস্তিষ্কে খুব ভালভাবে ছাপ রেখে যাওয়ার কারণে আবার ফিরে আসতে হয় ঐ পৃষ্ঠাতে...
Profile Image for Monisha Mohtarema.
86 reviews2 followers
February 8, 2024
'আমি মানুষটা কিছু মিতস্বভাবের। কল্পনায় আমার এমন অশান্ত উদ্দামতা যে মাত্রা ঠিক রাখার জন্য জীবনের বাস্তব স্তরে আমার খুব কম চাহিদার ধাত। অল্প নিয়ে আমি সুখী হতে পারি। সত্যি বলতে, একটা ঘর, যেখানে বসবার আর শোবার ব্যবস্থা আছে, কিছু বই, আর অভ্যস্ত সময়ে অন্ন জল চা পেলেই আমি মোটামুটি সুখে দিন কাটাতে পারি। আমার কোনোখানে না-গেলেও চলে, কিছু না- দেখলেও চলে, বাইরের কোনো আমোদ, কোনো চিত্তবিভ্রমের বেশি প্রয়োজন হয় না। বর্তমান পৃথিবীতে আমোদের উপকরণ এত বেশি এবং তার ব্যবহার অনিবার্যরূপে এত অল্প সংখ্যার মধ্যে আবদ্ধ যে অন্য অনেকের মতো আমারও ঘোরতর অশান্ত ও অসুখী হয়ে ওঠা কিছুই আশ্চর্য ছিলো না। কিন্তু আমার আকাঙ্ক্ষার এই প্রকৃতিগত সীমানা আমাকে রক্ষা করেছে। পৃথিবীর প্রহার একেবারে যে গায়ে না লাগে তা নয়, কিন্তু তা নেহাৎই চামড়ার উপর দিয়ে যায়- ভিতরে দাগ কাটতে পারে না।'

প্রবন্ধ বা গদ্য পড়তে আমার বেশ লাগে।আমি যা ভাবি কেউ একজন তেমন করে ভেবেছে,জীবনকে দেখছে এই ব্যাপারটাও আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।আবার কারো সুখস্মৃতি পড়তেও বেশ ভালো লাগে।খুব ছোট ছোট কতগুলো গল্প,স্মৃতি, ভালোলাগা! কি সুন্দর লিখনশৈলী!একটা বাড়ি,একটা ছাদ, একটা শহর, জোছনা নিয়ে মানুষের কত ধরনের গল্প থাকে,এক সময় সেই গল্পগুলো প্রবন্ধ হয়ে গেছে।একরাশ ভালো লাগা ও সুখানুভূতি! এইতো..
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
555 reviews
May 21, 2025
বাংলা ভাষায় প্রবন্ধের ক্ষেত্রে, ভাষা ও রচনার ধরণে, বুদ্ধদেব বসু একেবারে অন্য ধারার। একটির পর একটি শব্দ যেন মায়া করে বসিয়ে তিনি লিখেন।

আরও কয়েকটি প্রবন্ধের বই পড়লেও, এটি অনন্য।
Profile Image for Sajib.
194 reviews24 followers
November 26, 2022
বড় অদ্ভুত ধরনের বিমুগ্ধতা সমস্ত লেখা জুড়ে। এক অজানা বিহ্বলতায় হৃদয় পুলকিত,নীল বিষণ্নতায় হৃদয় সমাচ্ছন্ন হয়েছে শীত কুয়াশার মতো।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for ZANNAT ESHA.
13 reviews4 followers
January 3, 2026
দশটি প্রবন্ধ সম্বলিত বইটি। সবগুলোই খুব ই অসাধারণ এবং অন্যরকম।
1. পুরানা পল্টন
2. ক্লাইভ স্ট্রিটে চাঁদ
3. কলকাতা
4. ছাদ
5. বাথরুম
6. রূপ ও স্বরূপ
7. মৃত্যু-জল্পনা
8. পৌষ তাদের ডাক দিয়েছে
9. সরস্বতী
10. ভূতের ভয়
এই দশটি প্রবন্ধের প্রত্যেকটি ই খুব সাধারণ জিনিস ভিন্নভাবে তুলে ধরেছে। বইটা না পড়লে হয়তো জানতে পারতাম না যে এসব সাধারণ জিনিসও এত সুন্দরভাবে দেখা যায়।
অবশ্যই পাঠ্য বইগুলোর মধ্যে এটি একটি।
Displaying 1 - 11 of 11 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.