Mir Abdus Shukur Al Mahmud (best known as Al Mahmud) was a Bangladeshi poet, novelist, and short-story writer. He was considered one of the greatest Bengali poets to have emerged in the 20th century. His work in Bengali poetry is dominated by his frequent use of regional dialects. In the 1950s he was among those Bengali poets who were outspoken in their writing on such subjects as the events of the Bengali Language Movement, nationalism, political and economical repression, and the struggle against the West Pakistani government.
Notable awards: Bangla Academy Award (1968) Ekushey Padak (1987)
আল মাহমুদ ৩৫ বছর আগে তার প্রবন্ধে যে সব কথা লিখে গেছেন আজকে তার অধিকাংশ কথা সত্যি প্রমাণিত হচ্ছে। পশ্চিমবাংলার লেখকদের ছিল নাক উঁচু স্বভাব অথচ তারা খোদ ভারতের হিন্দিভাষীদের কাছে চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিকের মত মর্যাদা পেত। সেই পশ্চিমবাংলার সাহিত্যিকদের চেটেচেটে বাংলাদেশের প্রগতিশীল লেখকরা নামডাক পাবার চেষ্টা করতেন। এমনকি সুনীলের মতো দেশান্তরী বাঙালের আচরন দেখেও আল মাহমুদ অবাক হয়েছিল। তার মনে হয়েছিল, আনন্দবাজারের জন্য লেখা বাজারি সাহিত্য বেশিদিন টিকবে না। বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ হবে বাংলা ভাষার আধুনিক এবং প্রকৃত ধারক-বাহক। আদতে বাম সরকারের পতন পর, সোজা কথায় ৯০ দশকের পর পশ্চিমবাংলার সাহিত্যের শক্তিশালী ভিত নড়বড়ে হতে শুরু করে। কি অদ্ভুত দূরদৃষ্টি! আল মাহমুদের এসব তেতো কথায় তাকে বিভিন্ন সময়ে মৌলবাদি ট্যাগ খেতে হয়েছে। অথচ রবিঠাকুর, জীবনানন্দ দাস, অমিয় চক্রবর্তী,বুদ্ধদেব বসু, শক্তি, বিষ্ণুদে, হিন্দি কবি সচ্চিদানন্দ, ড.দাসরথী, খুশবন্ত সিং, গোপীনাথ মোহান্তির(ওড়িয়া) প্রশংসা করেছেন অকাতরে। আল মাহমুদ মূলত প্রতিবাদ করেছেন, আনন্দবাজার-যুগান্তর গোষ্ঠীর উগ্রসাম্প্রদায়িকতাকে। কবি শামসুর রাহমানের সাথে তার মনোমালিন্য থাকলেও কবির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ করেছেন আল মাহমুদ নিজে। শহীদ কাদরী, আবুল হাসান ও আবিদ আজাদের কবিতার প্রশংসা করেছেন। রফিক আজাদের কবিতাকে কবিতা মানতে চাননি। জাতীয় কবি কাজী নজরুলকে বিশ্রিভাবে সমালোচনা করায় হুমায়ুন আজাদকে ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ধুয়ে ছেড়েন। অথচ দাউদ হায়দার মহানবী(সাঃ) কে নিয়ে কুৎসা করার পরও তার প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ দেখিয়ে শুধরে যাবার অনুরোধ করেন। আল মাহমুদের এসব ঘটনা থেকে বোঝা যায় কবির মধ্যে কোনো প্যাঁচগোজ নেই, তবে বেশ রগচটা মানুষ। তার কথা খুব সরল অথচ কাঠখোট্টা। কবি আল মাহমুদ আজও অবহেলিত, এটা অত্যন্ত আফসোসের বিষয়।
বইটি পড়ে দেশ-বিদেশের অনেক কবি,লেখক, সাহিত্যিকের সাথে পরিচয় হলাম। সাথে বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকী। এককথায় জ্ঞানের গভীরে প্রবেশ করে দিলো। এখন আমার কাজ হলো এতসব মানুষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা।
This entire review has been hidden because of spoilers.