What do you think?


সাম্ভালা ট্রিলজি #1
সাম্ভালা
In a small village somewhere in rural Bangladesh an old man starts behaving in bizarre ways. Rashed, an undergraduate in Dacca, comes under police suspicion: presumed guilty of murder. A thousand-year-old book goes missing from a house in Shantinagar and a group of Satan worshippers are let loose by their leader to retrieve it. Who is this strange old man? Why was a boy-next-door like Shamim murdered? What is Nikolas Carson’s interest in a legend that has no factual evidence? What is “Sambhala”? Nikolas Carson, a world renowned archaeologist willingly steps in his kidnappers' car. As the story unravels from France and Rome to India and Tibet, each of the characters cling on to their mission, unaware that their fates are mysteriously intertwined.
287 pages, Hardcover
First published February 1, 2012
About the author
Shariful Hasan
44 books1,039 followersShariful Hasan hails from Mymensingh, Bangladesh. He has spent his childhood by the banks of Brahmaputra river. He completed his Masters in Sociology from University of Dhaka and is currently working in a renowned private organization.
Shariful's first novel was published on 2012 titled Sambhala. With two other books, this captivating fantasy trilogy has received widespread acclimation both within and beyond the borders of Bangladesh. The Sambhala Trilogy was translated in English and published from India.
Although his inception consisted of fantasy and thriller, he has later worked on a variety of other genres. These works have been received fondly by the Bangladeshi reader community. Lot of his works have also been published from different publications in West Bengal.
Award- Kali O Kalam Puroshkar 2016 for 'অদ্ভুতুড়ে বইঘর'
Shariful's first novel was published on 2012 titled Sambhala. With two other books, this captivating fantasy trilogy has received widespread acclimation both within and beyond the borders of Bangladesh. The Sambhala Trilogy was translated in English and published from India.
Although his inception consisted of fantasy and thriller, he has later worked on a variety of other genres. These works have been received fondly by the Bangladeshi reader community. Lot of his works have also been published from different publications in West Bengal.
Award- Kali O Kalam Puroshkar 2016 for 'অদ্ভুতুড়ে বইঘর'
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 197 reviews
December 18, 2015
# লেখক প্রকটভাবে ড্যান ব্রাউন দ্বারা প্রভাবিত।
# প্রথমার্ধে আনাড়িপনা স্পস্ট। পরবর্তীতেও খুব অস্পষ্ট নয়।
# চরিত্রায়ন দূর্বল।
# লেখকের অবজারভেশন ক্ষমতা তেমন ভাল না, তাই নানা জায়গায় কাহিনী এবং চরিত্র বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।
# বইয়ে এডিটিং বা প্রুফ রিডিং এর কোনো বালাই নাই।
# এতদসত্ত্বেও কাহিনী খুব একটা খারাপ ফাঁদেননি। খানিকটা যত্ন পার্থক্য গড়ে দিতে পারতো।
# প্রথমার্ধে আনাড়িপনা স্পস্ট। পরবর্তীতেও খুব অস্পষ্ট নয়।
# চরিত্রায়ন দূর্বল।
# লেখকের অবজারভেশন ক্ষমতা তেমন ভাল না, তাই নানা জায়গায় কাহিনী এবং চরিত্র বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।
# বইয়ে এডিটিং বা প্রুফ রিডিং এর কোনো বালাই নাই।
# এতদসত্ত্বেও কাহিনী খুব একটা খারাপ ফাঁদেননি। খানিকটা যত্ন পার্থক্য গড়ে দিতে পারতো।
January 22, 2014
অসাধারণ - এই একটি শব্দই যথেষ্ট পুরো বইটা পড়ার অনুভূতি বলতে চাইলে। অনেকদিন আগে যখন আমি প্রথম বিভূতিভূষণের 'চাঁদের পাহাড়' পড়েছিলাম তখন মনে হয়েছিলো, আমাদের উপমহাদেশের, একজন বাঙ্গালির কলম থেকে এই ধরণের লেখা বের হওয়াও সম্ভব? যা পড়ে শেষ করেছি তা কি সত্যি এতোটা চমৎকার ছিল?এ যে স্যার হেনরি রাইডার হ্যাগারডের যেকোনো লেখার থেকেও শ্বাসরুদ্ধকর।সাম্ভালা পড়ে মনে ঠিক একইরকম অনুভূতি অনেকদিন পর ফিরে পেয়েছি।লেখকের লেখনি ঝকঝকে তকতকে সাজানো গুছানো ঘরের মতোন।দেখলেই ভালো লাগে।তাছাড়া কাহিনী বুনন যথেষ্ট শক্তিশালী যা আট থেকে আশি - সকল বয়সের পাঠককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম।
তিন খণ্ডের বইয়ের প্রথম এই খণ্ডে কাহিনী শুরু হয়েছেই রহস্য দিয়ে। একটি রহস্যময় বই এর অন্তর্ধান, একজন রহস্যময় বৃদ্ধ এবং শয়তান পূজারি দলের নৃশংসতা নিয়ে পাতায় পাতায় যে নিপুণতার সাথে লেখক কাহিনী এগিয়ে নিয়ে গেছেন তা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য।অধ্যায়ের পর অধ্যায় একবার অতীত একবার বর্তমান, একবার গ্রাম বাংলা একবার রাজধানির দৃশ্যপট বর্ণনা এবং গল্পের রহস্য এতো সুন্দর ভাবে মিলেমিশে একাকার হয়েছে যা পাঠককে মোটেও বিরক্ত বা রিডারস ব্লকে আক্রান্ত হতে দেয় না।সাম্ভালা নামক স্থানটার প্রতি পথিকের আদিম যাত্রা বা অমরতার প্রতি মানুষের তীক্ষ্ণ পিপাসা কে পুঁজি করে লেখকের এই অ্যাডভেঞ্চার ধর্মী উপন্যাস লেখার প্রয়াস মুগ্ধ করেছে।বইয়ের অনেক চরিত্র কাহিনীর ধারা বর্ণনার সাথে সাথে একজন আরেকজনের সাথে আস্তে আস্তে যেভাবে কানেক্টেড হয়েছে তা আরাম দেয়।এছাড়া টান টান উত্তেজনা তো আছেই। কোন এক সুদূর পাড়াগাঁয়ের এক পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাক্তি যে কিনা বিপদের কথা আগে থেকেই আঁচ করতে পারেন। যার বাড়িতে আছে নিজস্ব একটি তালাবদ্ধ ঘর- যেখানে কি আছে কেউ জানেনা আজ পর্যন্ত।সেখানে হটাত করেই শুরু হয় রহস্যময় খুন। একই পরিবারের ছেলে রাশেদ ঢাকায় হলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে।তার বন্ধু শামিম শয়তানপূজারি দলের হাতে নৃশংসভাবে খুন হবার আগে রাশেদের হাতে দিয়ে যায় প্রাচীন এক রহস্যময় বই। এই বইয়ের রহস্য ভেদ করতে গিয়ে রাশেদের সাথে সাথে তার কাছের মানুষজন এবং বিদেশের এক অধ্যাপকও জড়িয়ে পরেন আততায়ীর হাত থেকে নিজের জীবন বাঁচানোর খেলায়। শেষটা জানতে হলে বই পড়তে হবে এবং সেটা এক বসায় শেষ হয়ে যাবে এটুকু নিশ্চিত।
বইয়ের কভার সুন্দর।প্রথম থেকেই রহস্যের ঘেরাটোপে বাঁধা কাহিনি। ছোট ছোট অধ্যায় যা পড়ার সময় ক্লান্ত হবার সুযোগ দেয়না।একঘেয়েমি আনেনা টান টান বুননের কাহিনী। এক পাতা পরলে 'কি হবে কি হবে' ভেবে এক নিঃশ্বাসে আরও পাঁচ পাতা পড়তে ইচ্ছা করে। সেশের দিকে যদিও একই চরিত্রের মুখে একই ধরণের কথা বারবার বলতে দেখে খানিকটা খটকা লাগে তবে এডভেঞ্চার এর নেশায় সেগুলো অতো মনে ধরে না।বাংলা সাহিত্যে এর আগেও নানারকম এডভেঞ্চার কাহিনী লেখা হয়েছে এবং তার সিংহভাগই বিদেশি রচনার অনুকরণে।যারা যারা স্বকীয়তা বজায় রেখে লিখেছেন তারা সাহিত্য আকাশে অনন্য হয়ে উঠেছেন খুব সহজে।সাম্ভালা পড়ে মনে হয়েছে আরও একবার নতুন কিছু পেতে যাচ্ছে সাহিত্যজগত।এবং সেটা যদি এই বাংলাদেশ থেকে হয় তবে অহংকার ধরে রাখার জন্য পৃথিবী নামের জায়গাটা খুবই ছোট।
তিন খণ্ডের বইয়ের প্রথম এই খণ্ডে কাহিনী শুরু হয়েছেই রহস্য দিয়ে। একটি রহস্যময় বই এর অন্তর্ধান, একজন রহস্যময় বৃদ্ধ এবং শয়তান পূজারি দলের নৃশংসতা নিয়ে পাতায় পাতায় যে নিপুণতার সাথে লেখক কাহিনী এগিয়ে নিয়ে গেছেন তা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য।অধ্যায়ের পর অধ্যায় একবার অতীত একবার বর্তমান, একবার গ্রাম বাংলা একবার রাজধানির দৃশ্যপট বর্ণনা এবং গল্পের রহস্য এতো সুন্দর ভাবে মিলেমিশে একাকার হয়েছে যা পাঠককে মোটেও বিরক্ত বা রিডারস ব্লকে আক্রান্ত হতে দেয় না।সাম্ভালা নামক স্থানটার প্রতি পথিকের আদিম যাত্রা বা অমরতার প্রতি মানুষের তীক্ষ্ণ পিপাসা কে পুঁজি করে লেখকের এই অ্যাডভেঞ্চার ধর্মী উপন্যাস লেখার প্রয়াস মুগ্ধ করেছে।বইয়ের অনেক চরিত্র কাহিনীর ধারা বর্ণনার সাথে সাথে একজন আরেকজনের সাথে আস্তে আস্তে যেভাবে কানেক্টেড হয়েছে তা আরাম দেয়।এছাড়া টান টান উত্তেজনা তো আছেই। কোন এক সুদূর পাড়াগাঁয়ের এক পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাক্তি যে কিনা বিপদের কথা আগে থেকেই আঁচ করতে পারেন। যার বাড়িতে আছে নিজস্ব একটি তালাবদ্ধ ঘর- যেখানে কি আছে কেউ জানেনা আজ পর্যন্ত।সেখানে হটাত করেই শুরু হয় রহস্যময় খুন। একই পরিবারের ছেলে রাশেদ ঢাকায় হলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে।তার বন্ধু শামিম শয়তানপূজারি দলের হাতে নৃশংসভাবে খুন হবার আগে রাশেদের হাতে দিয়ে যায় প্রাচীন এক রহস্যময় বই। এই বইয়ের রহস্য ভেদ করতে গিয়ে রাশেদের সাথে সাথে তার কাছের মানুষজন এবং বিদেশের এক অধ্যাপকও জড়িয়ে পরেন আততায়ীর হাত থেকে নিজের জীবন বাঁচানোর খেলায়। শেষটা জানতে হলে বই পড়তে হবে এবং সেটা এক বসায় শেষ হয়ে যাবে এটুকু নিশ্চিত।
বইয়ের কভার সুন্দর।প্রথম থেকেই রহস্যের ঘেরাটোপে বাঁধা কাহিনি। ছোট ছোট অধ্যায় যা পড়ার সময় ক্লান্ত হবার সুযোগ দেয়না।একঘেয়েমি আনেনা টান টান বুননের কাহিনী। এক পাতা পরলে 'কি হবে কি হবে' ভেবে এক নিঃশ্বাসে আরও পাঁচ পাতা পড়তে ইচ্ছা করে। সেশের দিকে যদিও একই চরিত্রের মুখে একই ধরণের কথা বারবার বলতে দেখে খানিকটা খটকা লাগে তবে এডভেঞ্চার এর নেশায় সেগুলো অতো মনে ধরে না।বাংলা সাহিত্যে এর আগেও নানারকম এডভেঞ্চার কাহিনী লেখা হয়েছে এবং তার সিংহভাগই বিদেশি রচনার অনুকরণে।যারা যারা স্বকীয়তা বজায় রেখে লিখেছেন তারা সাহিত্য আকাশে অনন্য হয়ে উঠেছেন খুব সহজে।সাম্ভালা পড়ে মনে হয়েছে আরও একবার নতুন কিছু পেতে যাচ্ছে সাহিত্যজগত।এবং সেটা যদি এই বাংলাদেশ থেকে হয় তবে অহংকার ধরে রাখার জন্য পৃথিবী নামের জায়গাটা খুবই ছোট।
March 4, 2019
প্লট অভিনব। আমি অন্তত ড্যান ব্রাউন বা আর কারো সাথে মিল পাইনি। কিন্তু স্টোরিটেলিং আর লেখার ধরণ একেবারে যা-তা, নবিশদের মত। অহেতুক অনেক জায়গায় টানা হয়েছে। পরের ২টা পড়া উচিত কিনা বুঝতে পারছি না।
January 4, 2014
বইটা আমি কিনেছিলাম ২০১২ সালের বইমেলাতে। নাম আর প্রচ্ছদটা দেখে খুব আগ্রহ জেগেছিল তখন। কিন্তু তখন ভালমত পড়তে পারি নাই, পরীক্ষার কারণে তাড়াহুড়ো করে শেষ করেছিলাম। তাই আবার পড়লাম। এবং আবার ও মুগ্ধ হয়ে গেলাম। বইটা পড়ে মনেই হয় নি কোথাও যে এটা লেখকের প্রথম উপন্যাস।
বইটার কাহিনী শুরু হয় একটা খুন এর মধ্যে দিয়ে। একটা বই কে কেন্দ্র করেই ঘটে ঘটনাটা। কিন্তু কি আছে সেই বই এ যার কারনে এতটা নির্মম ভাবে খুন করা হল একটা নিরীহ ছেলে কে?? তার জবাব খুজতেই নেমে পড়ে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আর জড়িয়ে পড়ে অদ্ভুত এক রহস্যে। কিন্তু এটাই গল্পের মূল কাহিনী নয়, মূল কাহিনী একজন অদ্ভুত মানুষকে নিয়ে, অনেকের কাছে যিনি হাজার বছরের একটা রহস্য, যে রহস্যের কিনারা করতে একজন ব্রিটিশ প্রফেসর চলে এসেছেন এই দূর বাংলাদেশে। এই রহস্যের কিনারা করতে আর ঐ বইটাতে কই আছে তা জানতে হলে পড়তে হবে বইটা।
আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে যে বিষয়টা তা হল ইতিহাস এবং সময় এর পাশপাশি চলার বর্ণনাটা। কিছক্ষনের জন্যে হয়তো হারিয়ে গিয়েছি ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুই এর আমলে কিন্তু এর পরেই হঠাৎ আমাদের বগুড়া তে, আবআর কিছুক্ষনের জন্যে রাণী শেবার বহরে কিংবা মিশরের ফারাও আমেনহোটেপ এর প্রাসাদে, কিন্তু এর পড় মুহূর্তেই শান্তিনগর কিংবা টিএসসি তে দৌড়াদৌড়ি। আর বইটার সমাপ্তি ও হয়েছে সুন্দর। সব ঘটনা কে খুব সুন্দর ভাবে জোড়া লাগানো হয়েছে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে একটু অতি কাকতলীয় বলে মনে হয়েছে। তবে সেটা চমৎকার বর্ণনার কারণে খুব বেশী একটা দাগ কাটে নি। তবে শেষ করে মনে হয়েছে যে শেষ হয়েও হইলো না শেষ। কিন্তু চিন্তার কিছু নাই হাতে দ্বিতীয় পার্টটা আছে এখন। আর তৃতীয় পার্ট ও এই বই মেলায় বের হবে ।
আর একটা না বললেই না যে, থ্রিলার এর ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই একটু মাত্রাতিরক্ত swearing কিংবা গালাগালি করতে দেখি। কিন্তু বইটা তে খুবই সুন্দর ভাবে এই দিকটা পরিহার করা হয়েছে। সত্যি বলতে বাংলাদেশী প্রেক্ষাপট এ এই ধরণের থ্রিলার আমি আগে পড়ি নাই। যারা পড়েন নাই নিরদ্বিধায় পড়তে পারেন। ভালো লাগবে।
বইটার কাহিনী শুরু হয় একটা খুন এর মধ্যে দিয়ে। একটা বই কে কেন্দ্র করেই ঘটে ঘটনাটা। কিন্তু কি আছে সেই বই এ যার কারনে এতটা নির্মম ভাবে খুন করা হল একটা নিরীহ ছেলে কে?? তার জবাব খুজতেই নেমে পড়ে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আর জড়িয়ে পড়ে অদ্ভুত এক রহস্যে। কিন্তু এটাই গল্পের মূল কাহিনী নয়, মূল কাহিনী একজন অদ্ভুত মানুষকে নিয়ে, অনেকের কাছে যিনি হাজার বছরের একটা রহস্য, যে রহস্যের কিনারা করতে একজন ব্রিটিশ প্রফেসর চলে এসেছেন এই দূর বাংলাদেশে। এই রহস্যের কিনারা করতে আর ঐ বইটাতে কই আছে তা জানতে হলে পড়তে হবে বইটা।
আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে যে বিষয়টা তা হল ইতিহাস এবং সময় এর পাশপাশি চলার বর্ণনাটা। কিছক্ষনের জন্যে হয়তো হারিয়ে গিয়েছি ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুই এর আমলে কিন্তু এর পরেই হঠাৎ আমাদের বগুড়া তে, আবআর কিছুক্ষনের জন্যে রাণী শেবার বহরে কিংবা মিশরের ফারাও আমেনহোটেপ এর প্রাসাদে, কিন্তু এর পড় মুহূর্তেই শান্তিনগর কিংবা টিএসসি তে দৌড়াদৌড়ি। আর বইটার সমাপ্তি ও হয়েছে সুন্দর। সব ঘটনা কে খুব সুন্দর ভাবে জোড়া লাগানো হয়েছে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে একটু অতি কাকতলীয় বলে মনে হয়েছে। তবে সেটা চমৎকার বর্ণনার কারণে খুব বেশী একটা দাগ কাটে নি। তবে শেষ করে মনে হয়েছে যে শেষ হয়েও হইলো না শেষ। কিন্তু চিন্তার কিছু নাই হাতে দ্বিতীয় পার্টটা আছে এখন। আর তৃতীয় পার্ট ও এই বই মেলায় বের হবে ।
আর একটা না বললেই না যে, থ্রিলার এর ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই একটু মাত্রাতিরক্ত swearing কিংবা গালাগালি করতে দেখি। কিন্তু বইটা তে খুবই সুন্দর ভাবে এই দিকটা পরিহার করা হয়েছে। সত্যি বলতে বাংলাদেশী প্রেক্ষাপট এ এই ধরণের থ্রিলার আমি আগে পড়ি নাই। যারা পড়েন নাই নিরদ্বিধায় পড়তে পারেন। ভালো লাগবে।
Read
February 22, 2017সাম্ভালা
শরীফুল হাসান
বাতিঘর প্রকাশনী
শামীম। একটু চুপচাপ মায়াময় মুখের অধিকারী সদ্য যুবক। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র। বাবা বিখ্যাত ব্যবসায়ী। চুপচাপ স্বভাবের জন্য রাশেদ আর লিলি ছাড়া আর কারোর সাথে সেভাবে আলাপ নেই তার। একদিন মাঝরাতে ঝড়ো কাকের মত রাশেদের রুমে ঢুকে আশ্রয় চায় সে। দিন দুয়েক পরে বরাবরের জন্য নিখোঁজ হয়ে যায়। রাশেদের কাছে পরে থাকে তার ট্র্যাভেল ব্যাগ। দিন কয়েক বাদে তার মুন্ডুহীন মৃতদেহ উদ্ধার হয় বুড়িগঙ্গা থেকে। সন্দেহের তীর পরে রাশেদের দিকে। কি হবে এবার রাশেদের? নিজেকে নিরপরাধী প্রমাণ করতে পারবে? নাকি আরো বড় কোনো জালে জড়াতে চলেছে সে? কিসের জাল? শামীমকে এমন নৃশংসভাবে খুন করলোই বা কারা? শামীমের খুনিদের কি নাগাল পাবে রাশেদ?
* * * * * * * * * * * * * *
হাজার হাজার বছর ধরে পথ হাঁটছেন তিনি। কতকিছুই দেখলেন নিজের চোখে। রাজা সলোমনের ঝাঁ চকচকে প্রাসাদ, নেফারতিতির অপরূপ রূপ, যীশুর জন্ম, কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার, ফরাসী বিপ্লব, দুটো বিশ্বযুদ্ধ, ভারতের স্বাধীনতা - কতকিছুই দেখলেন! কত অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে! কিন্তু আজ পর্যন্ত একটুও বয়স বাড়ে নি তাঁর। তাঁর সামনে পৃথিবীর বয়স বেড়েছে। মৃত্যুকে যে জয় করেছেন তিনি। তিনি কি সত্যিই আছেন, নাকি কোনো মিথ তিনি? যদি সত্যিই থাকেন তিনি তাহলে কিভাবে জয় করলেন বয়স? কি সম্পর্ক তার সাথে ঘটে চলা বর্তমান ঘটনার?
নাহ, আর কিছু বলব না এই থ্রিলার নিয়ে। পরিণতি জানতে হলে নিজেই পড়ে ফেলুন সাম্ভালা সিরিজের প্রথম থ্রিলার। সাম্ভালা হল এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ চিরসুখী, যা সব পেয়েছির দেশ। যেখানে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে মৃত্যু হয়না কারোর। এমন স্থান কি পৃথিবীর বুকে আছে নাকি সবটাই তিব্বতীদের কল্পনা? সেই সাম্ভালার খোঁজেই যাত্রা সহস্রাব্দ প্রাচীন অভিযাত্রীর। যার যাত্রাপথের কিছু সময়ে একাকার হয়ে যায় অতীত বর্তমান।
আগে ভাবতাম টান টান থ্রিলার পড়তে গেলেই ইংরাজী সাহিত্যের আশ্রয় নিতে হবে। ওপার বাংলার লেখকরা আমার এই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন। অসুস্থ শরীরেই কাল থেকে একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম থ্রিলারটি। এবার থেকে থ্রিলার পড়তে ওপার বাংলার লেখকদের শরণাপন্ন হব আগে। যত পড়ছি তত মুগ্ধ হচ্ছি ওঁদের মৌলিক থ্রিলারে।
শরীফুল হাসান
বাতিঘর প্রকাশনী
শামীম। একটু চুপচাপ মায়াময় মুখের অধিকারী সদ্য যুবক। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র। বাবা বিখ্যাত ব্যবসায়ী। চুপচাপ স্বভাবের জন্য রাশেদ আর লিলি ছাড়া আর কারোর সাথে সেভাবে আলাপ নেই তার। একদিন মাঝরাতে ঝড়ো কাকের মত রাশেদের রুমে ঢুকে আশ্রয় চায় সে। দিন দুয়েক পরে বরাবরের জন্য নিখোঁজ হয়ে যায়। রাশেদের কাছে পরে থাকে তার ট্র্যাভেল ব্যাগ। দিন কয়েক বাদে তার মুন্ডুহীন মৃতদেহ উদ্ধার হয় বুড়িগঙ্গা থেকে। সন্দেহের তীর পরে রাশেদের দিকে। কি হবে এবার রাশেদের? নিজেকে নিরপরাধী প্রমাণ করতে পারবে? নাকি আরো বড় কোনো জালে জড়াতে চলেছে সে? কিসের জাল? শামীমকে এমন নৃশংসভাবে খুন করলোই বা কারা? শামীমের খুনিদের কি নাগাল পাবে রাশেদ?
* * * * * * * * * * * * * *
হাজার হাজার বছর ধরে পথ হাঁটছেন তিনি। কতকিছুই দেখলেন নিজের চোখে। রাজা সলোমনের ঝাঁ চকচকে প্রাসাদ, নেফারতিতির অপরূপ রূপ, যীশুর জন্ম, কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কার, ফরাসী বিপ্লব, দুটো বিশ্বযুদ্ধ, ভারতের স্বাধীনতা - কতকিছুই দেখলেন! কত অভিজ্ঞতা তার ঝুলিতে! কিন্তু আজ পর্যন্ত একটুও বয়স বাড়ে নি তাঁর। তাঁর সামনে পৃথিবীর বয়স বেড়েছে। মৃত্যুকে যে জয় করেছেন তিনি। তিনি কি সত্যিই আছেন, নাকি কোনো মিথ তিনি? যদি সত্যিই থাকেন তিনি তাহলে কিভাবে জয় করলেন বয়স? কি সম্পর্ক তার সাথে ঘটে চলা বর্তমান ঘটনার?
নাহ, আর কিছু বলব না এই থ্রিলার নিয়ে। পরিণতি জানতে হলে নিজেই পড়ে ফেলুন সাম্ভালা সিরিজের প্রথম থ্রিলার। সাম্ভালা হল এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ চিরসুখী, যা সব পেয়েছির দেশ। যেখানে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের বাইরে গিয়ে মৃত্যু হয়না কারোর। এমন স্থান কি পৃথিবীর বুকে আছে নাকি সবটাই তিব্বতীদের কল্পনা? সেই সাম্ভালার খোঁজেই যাত্রা সহস্রাব্দ প্রাচীন অভিযাত্রীর। যার যাত্রাপথের কিছু সময়ে একাকার হয়ে যায় অতীত বর্তমান।
আগে ভাবতাম টান টান থ্রিলার পড়তে গেলেই ইংরাজী সাহিত্যের আশ্রয় নিতে হবে। ওপার বাংলার লেখকরা আমার এই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন। অসুস্থ শরীরেই কাল থেকে একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম থ্রিলারটি। এবার থেকে থ্রিলার পড়তে ওপার বাংলার লেখকদের শরণাপন্ন হব আগে। যত পড়ছি তত মুগ্ধ হচ্ছি ওঁদের মৌলিক থ্রিলারে।
December 8, 2020
প্রকৃত রেটিং ৩.৭
প্লট টা কিন্তু দারুন। এলিক্সির অফ লাইফ, অমরত্ব, লুসিফার, শয়তান সংঘ, কিছুটা আলকেমির ছোঁয়া, কিছুটা ইতিহাস সব মিলিয়ে কষানো টা ভালই ছিল কিন্তু শেষে পানি বেশি হয়ে গিয়ে তরকারির স্বাদটা গেল নষ্ট হয়ে। ইয়ে মানে এত বেশি সিনেম্যাটিক হয়ে গেছে যে কনফিউজ হয়ে গিয়েছিলাম বই পড়ছি না সিনেমা দেখছি।
শুরুটা অবশ্য দূর্দান্ত ছিল। প্লট নিয়ে তো কথাই হবে না। শরীফুল হাসান এর লেখা এই প্রথম পড়লাম আমি। ওনার লেখনীতে আমি মুগ্ধ। টানটান লেখা, অপ্রয়োজনীয় বর্ননা দিয়ে বিরক্ত করেন না। এলোপাথাড়ি লাফালাফি করেন না। সামনের বইগুলোতে হলিউড দোষটাও কেটে যাবে আশা করি।
হ্যাপি রিডিং 😊
প্লট টা কিন্তু দারুন। এলিক্সির অফ লাইফ, অমরত্ব, লুসিফার, শয়তান সংঘ, কিছুটা আলকেমির ছোঁয়া, কিছুটা ইতিহাস সব মিলিয়ে কষানো টা ভালই ছিল কিন্তু শেষে পানি বেশি হয়ে গিয়ে তরকারির স্বাদটা গেল নষ্ট হয়ে। ইয়ে মানে এত বেশি সিনেম্যাটিক হয়ে গেছে যে কনফিউজ হয়ে গিয়েছিলাম বই পড়ছি না সিনেমা দেখছি।
শুরুটা অবশ্য দূর্দান্ত ছিল। প্লট নিয়ে তো কথাই হবে না। শরীফুল হাসান এর লেখা এই প্রথম পড়লাম আমি। ওনার লেখনীতে আমি মুগ্ধ। টানটান লেখা, অপ্রয়োজনীয় বর্ননা দিয়ে বিরক্ত করেন না। এলোপাথাড়ি লাফালাফি করেন না। সামনের বইগুলোতে হলিউড দোষটাও কেটে যাবে আশা করি।
হ্যাপি রিডিং 😊
April 23, 2017
"আমাদের দেশে হবে সেই বই কবে,
রোমান্সে, ইতিহাসে, 'ঢিসুম'-এ যা রবে?"
ড্যান ব্রাউন আর জেমস রলিন্স-এর ভক্ত, অথচ এই হাহাকার মনে জাগেনি, এমন পাঠক বাংলায় পাওয়া যাবেনা। সেইসব পাঠকের দীর্ঘদিনের চাহিদা মেটাতে অবশেষে এল এই দুর্ধর্ষ বই। ট্রিলজির এটাই প্রথম খণ্ড, তাই পরের বইগুলো কেমন হবে জানিনা। কিন্তু কিংবদন্তী, কেঠো তথ্য, সাসপেন্স আর সমকাল মিশিয়ে লেখা এই উপাদেয় থ্রিলারটির জন্য লেখককে জানাই অশেষ ধন্যবাদ।
এখনও যদি বইটা না পড়ে থাকেন, তাহলে আমার একটাই কথা: করেছেন কী?
শিগগিরি পড়ে ফেলুন।
রোমান্সে, ইতিহাসে, 'ঢিসুম'-এ যা রবে?"
ড্যান ব্রাউন আর জেমস রলিন্স-এর ভক্ত, অথচ এই হাহাকার মনে জাগেনি, এমন পাঠক বাংলায় পাওয়া যাবেনা। সেইসব পাঠকের দীর্ঘদিনের চাহিদা মেটাতে অবশেষে এল এই দুর্ধর্ষ বই। ট্রিলজির এটাই প্রথম খণ্ড, তাই পরের বইগুলো কেমন হবে জানিনা। কিন্তু কিংবদন্তী, কেঠো তথ্য, সাসপেন্স আর সমকাল মিশিয়ে লেখা এই উপাদেয় থ্রিলারটির জন্য লেখককে জানাই অশেষ ধন্যবাদ।
এখনও যদি বইটা না পড়ে থাকেন, তাহলে আমার একটাই কথা: করেছেন কী?
শিগগিরি পড়ে ফেলুন।
November 21, 2022
শুরুটা আরেকটু ভাল হলে অসাধারণ হত। তবে অসম্ভব ভাল লেগেছে। অনেকদিন পর এমন চমৎকার থ্রিলার পড়লাম। ৪০ পৃষ্ঠা পর থেকে চুম্বকের মত মনোযোগ ধরে রেখেছে। চোখের সামনে বাস্তব চিত্র ভেসে উঠছিল। মনে হচ্ছিল পরিব্রাজকের সাথে আমিও ঘুরে বেড়াচ্ছি ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুই এর আমলে, মিশরের ফারাও আমেনহোটেপ এর প্রাসাদে, টিসএসসি এর পাশে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।
প্রাচীন একটা বইয়ের জন্য এত মারামারি-খুনোখুনি; যে বইতে মানুষকে অমর করে দেয়ার গোপন রহস্য লুকানো। বইটি প্রাচীন ভাষায় লেখা। তাই সে বইয়ের পাঠোদ্ধারও করতে পারবে না কেউ সহজে; যদি না কেউ সে প্রাচীন ভাষা না জানে।
সাম্ভালা যার অস্তিত্বের সন্ধানে এক পরিব্রাজক খুঁজে বেড়াচ্ছে পুরো দুনিয়া; হাজার হাজার বছর ধরে নাম এবং জায়গা পরিবর্তন করছে বারবার। অবশেষে এক সবুজ শ্যামল দেশের গ্রামের মায়ায় পড়ে সেখানে এক সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে কয়ের দশক স্থায়ী হয়ে নিজের প্রথম বংশধর রেখে আবার বেরিয়ে পড়ে সাম্ভালার সন্ধানে। যে পরিব্রাজক বয়স্ক হওয়ার পর তার নিজের হাতে বানানো সুরা পান করে আবার তার যৌবন ফিরে পায়।
এভাবেই সে বেঁচে ছিল সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে এবং বেঁচে থাকবে অনন্তকাল। তার জন্মকাল সে জানে না তবে মৃত্যু অনিশ্চিত।
দ্বিতীয় এবং শেষ যাত্রা কিছুদিন পর পড়ে শেষ করব। তবে বাংলা ভাষায় এমন থ্রিলার উপন্যাস পড়ে খুব আনন্দ লাগছে। এককথায় অসাধারণ, দারুণ, দুর্দান্ত।
প্রাচীন একটা বইয়ের জন্য এত মারামারি-খুনোখুনি; যে বইতে মানুষকে অমর করে দেয়ার গোপন রহস্য লুকানো। বইটি প্রাচীন ভাষায় লেখা। তাই সে বইয়ের পাঠোদ্ধারও করতে পারবে না কেউ সহজে; যদি না কেউ সে প্রাচীন ভাষা না জানে।
সাম্ভালা যার অস্তিত্বের সন্ধানে এক পরিব্রাজক খুঁজে বেড়াচ্ছে পুরো দুনিয়া; হাজার হাজার বছর ধরে নাম এবং জায়গা পরিবর্তন করছে বারবার। অবশেষে এক সবুজ শ্যামল দেশের গ্রামের মায়ায় পড়ে সেখানে এক সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করে কয়ের দশক স্থায়ী হয়ে নিজের প্রথম বংশধর রেখে আবার বেরিয়ে পড়ে সাম্ভালার সন্ধানে। যে পরিব্রাজক বয়স্ক হওয়ার পর তার নিজের হাতে বানানো সুরা পান করে আবার তার যৌবন ফিরে পায়।
এভাবেই সে বেঁচে ছিল সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে এবং বেঁচে থাকবে অনন্তকাল। তার জন্মকাল সে জানে না তবে মৃত্যু অনিশ্চিত।
দ্বিতীয় এবং শেষ যাত্রা কিছুদিন পর পড়ে শেষ করব। তবে বাংলা ভাষায় এমন থ্রিলার উপন্যাস পড়ে খুব আনন্দ লাগছে। এককথায় অসাধারণ, দারুণ, দুর্দান্ত।
This entire review has been hidden because of spoilers.
December 30, 2023
বছরের শেষ সময়ে আরাম করে প্রিয় লেখকের সেরা বইটি পড়ার মধ্যে যে তৃপ্তি তা বলে বোঝানো কখনো সম্ভব না।
September 10, 2022
পড়তে এক মাসেরও বেশি সময় লাগল। দোষ খানিকটা বইয়ের, বাকিটুকু আমার।
যাইহোক। ভালোই লাগল। তবে আহামরি ভালো না। বেশ কমন কিছু এলিমেন্ট নিয়ে ফাঁদা ভালো একটা প্লট। সব মিলিয়ে আরও ভালো হওয়া সম্ভব ছিল বলেই আমার বিশ্বাস।
পরের বই পড়ার জন্য তেমন টান অনুভব করছি না। তবে পড়ব।
যাইহোক। ভালোই লাগল। তবে আহামরি ভালো না। বেশ কমন কিছু এলিমেন্ট নিয়ে ফাঁদা ভালো একটা প্লট। সব মিলিয়ে আরও ভালো হওয়া সম্ভব ছিল বলেই আমার বিশ্বাস।
পরের বই পড়ার জন্য তেমন টান অনুভব করছি না। তবে পড়ব।
February 26, 2018
আমার রেটিং ৪.৫!
ভালো লেগেছে, বেশ থ্রিলিং থ্রিলিং একটা ভাব। কিন্তু একে শুধুই থ্রীলার জন্রায় ফেলা যায় না, ফিকশন, ফ্যান্টাসি এবং মিস্ট্রিরও দাবীদার এই বইটি! তবে মূল ঘটনায় সাম্ভালার নামটাই শুধু এসেছে! বইএর কনসেপ্টটা বেশ পছন্দ হয়েছে, একজন মানুষ "এলিক্সির অফ লাইফ" এর মাধ্যমে বেঁচে আছে সহস্রাব্দেরও উপরে, ঘুরে বেড়াচ্ছে এক দেশ থেকে আরেক দেশে, ক্রমাগত হয়ে চলেছে ইতিহাসের স্বাক্ষী! হোরাস, নেবুলাস, মার্কাস ডাসিডিয়াস, সেইন্ট দ্য জারমেইন, মুগওয়া, জারমোনি! সত্যি বলতে কি ইতিহাসের যে বর্ননাগুলো লেখক এঁকেছেন সেগুলোই পড়তে বেশি ভালো লেগেছে! আশ্চর্য দু'বছর আগেও মাশুদুল হকের "মিনিমালিস্ট" পড়ে বর্ননার বাড়াবাড়িতে একটু বিরক্ত হয়েছিলাম, আর এখন ভালোই লাগে। আসলেই বয়স মানুষকে অনেক কিছুই শিখিয়ে দেয়!
ভালো লেগেছে, বেশ থ্রিলিং থ্রিলিং একটা ভাব। কিন্তু একে শুধুই থ্রীলার জন্রায় ফেলা যায় না, ফিকশন, ফ্যান্টাসি এবং মিস্ট্রিরও দাবীদার এই বইটি! তবে মূল ঘটনায় সাম্ভালার নামটাই শুধু এসেছে! বইএর কনসেপ্টটা বেশ পছন্দ হয়েছে, একজন মানুষ "এলিক্সির অফ লাইফ" এর মাধ্যমে বেঁচে আছে সহস্রাব্দেরও উপরে, ঘুরে বেড়াচ্ছে এক দেশ থেকে আরেক দেশে, ক্রমাগত হয়ে চলেছে ইতিহাসের স্বাক্ষী! হোরাস, নেবুলাস, মার্কাস ডাসিডিয়াস, সেইন্ট দ্য জারমেইন, মুগওয়া, জারমোনি! সত্যি বলতে কি ইতিহাসের যে বর্ননাগুলো লেখক এঁকেছেন সেগুলোই পড়তে বেশি ভালো লেগেছে! আশ্চর্য দু'বছর আগেও মাশুদুল হকের "মিনিমালিস্ট" পড়ে বর্ননার বাড়াবাড়িতে একটু বিরক্ত হয়েছিলাম, আর এখন ভালোই লাগে। আসলেই বয়স মানুষকে অনেক কিছুই শিখিয়ে দেয়!
May 24, 2024
"এলিক্সির অব লাইফ!"
সব মানুষেরই চির আকাঙ্ক্ষিত একটা বিষয় বোধহয় অমরত্ব; যদিও একটু ভেবে দেখলেই বোঝা যায়, সে জীবন হতো চরম হতাশার, উত্তেজনাহীন! তবু যুগ যুগ ধরে মানুষ এর পেছনে ছুটে চলছে, সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য সব জায়গায় এর খোঁজ করেই যাচ্ছে...
▪️▪️▪️
মিথলজিক্যাল ফিকশন হিসেবে বইটা ভালোই। বিশেষ করে অতীত এবং বর্তমান সময়ের ঘটনাপ্রবাহ পাশাপাশি চলাটা আমাকে 'দ্য এইট'-এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। এছাড়া এক নিঃশ্বাসে শেষ করার মতো হওয়ায় আরো ভালো লেগেছে।
সব মানুষেরই চির আকাঙ্ক্ষিত একটা বিষয় বোধহয় অমরত্ব; যদিও একটু ভেবে দেখলেই বোঝা যায়, সে জীবন হতো চরম হতাশার, উত্তেজনাহীন! তবু যুগ যুগ ধরে মানুষ এর পেছনে ছুটে চলছে, সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য সব জায়গায় এর খোঁজ করেই যাচ্ছে...
▪️▪️▪️
মিথলজিক্যাল ফিকশন হিসেবে বইটা ভালোই। বিশেষ করে অতীত এবং বর্তমান সময়ের ঘটনাপ্রবাহ পাশাপাশি চলাটা আমাকে 'দ্য এইট'-এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। এছাড়া এক নিঃশ্বাসে শেষ করার মতো হওয়ায় আরো ভালো লেগেছে।
March 19, 2016
বাতিঘরের মৌলিক পড়া শুরু এই বই দিয়েই।
খুবই চমৎকৃত হয়েছিলাম, দেশের কারো লেখা এইধরনের লেখা একদমই পড়া হয়নাই। যেদিন কিনলাম সেদিনই টানা পড়ে শেষ করলাম, সিরিজের প্রথম বই হিসেবে চমৎকার, পরের কাহিনী জানার ইচ্ছাটা মনে খচখচ করতে থাকে। থাকতে না পেরে পরদিনই বইমেলায় গিয়ে দ্বিতীয় যাত্রা কিনে আনলাম। আর তার কিছুদিন পর শেষ যাত্রা কিনে ট্রিলজি কিছুদিনেই কমপ্লিট।
দেশি আর সম্পূর্ণ মৌলিক এই দারুণ ফ্যান্টাসি-অ্যাডভেঞ্চার ট্রিলজির জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ । :)
খুবই চমৎকৃত হয়েছিলাম, দেশের কারো লেখা এইধরনের লেখা একদমই পড়া হয়নাই। যেদিন কিনলাম সেদিনই টানা পড়ে শেষ করলাম, সিরিজের প্রথম বই হিসেবে চমৎকার, পরের কাহিনী জানার ইচ্ছাটা মনে খচখচ করতে থাকে। থাকতে না পেরে পরদিনই বইমেলায় গিয়ে দ্বিতীয় যাত্রা কিনে আনলাম। আর তার কিছুদিন পর শেষ যাত্রা কিনে ট্রিলজি কিছুদিনেই কমপ্লিট।
দেশি আর সম্পূর্ণ মৌলিক এই দারুণ ফ্যান্টাসি-অ্যাডভেঞ্চার ট্রিলজির জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ । :)
May 23, 2020
আমার পড়া প্রথম বাংলা ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছিল এটা।
দারুণ লেগেছে!!
দারুণ লেগেছে!!
August 13, 2023
কেমন যেন খুব তিব্বতে যাবার জন্যে মন ছটফট করছে। অনেক আগে "শাংগ্রিলা" নিয়ে পড়েছিলাম। এই অজানা জগৎ কেমন যেন ডাকে।
September 15, 2021
সাম্ভালা প্রথম যাত্রা...
সাম্ভালা একটি রহস্য- এর খোঁজে হন্যে হয়ে উঠেছে কিছু মানুষ।সত্যি কি এর অস্তিত্ব আছে? কেউ কি এর খোঁজ পেয়েছে শেষ পর্যন্ত?
ছোট্ট একটি গ্রামে কাহিনির সূত্রপাত। ইতিহাস ও বর্তমান হাত ধরাধরি করে এগিয়ে গেছে সহস্রাব্দ প্রাচীন এক রহস্যময় পরিব্রাজকের সঙ্গী হয়ে।ইউরোপ, মিশর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশ হয়ে সুদূর তিব্বতে বিস্তৃত এর প্লট।অবশেষে রহস্যময় অভিযাত্রীর সাথে যোগ হয় বর্তমানকালের এক যুবকের ছুটে চলা,যার পেছনে ধাওয়া করছে তার বন্ধুর হত্যাকারী শয়তান উপাসকের দল।প্রাচীন সেই পথিক কি দেখা পেয়েছে সাম্ভালার? জানতে হলে পড়ুন শরীফুল হাসানের এক অনবদ্য থ্রিলার উপন্যাস সাম্ভালা।
সাম্ভালা একটি রহস্য- এর খোঁজে হন্যে হয়ে উঠেছে কিছু মানুষ।সত্যি কি এর অস্তিত্ব আছে? কেউ কি এর খোঁজ পেয়েছে শেষ পর্যন্ত?
ছোট্ট একটি গ্রামে কাহিনির সূত্রপাত। ইতিহাস ও বর্তমান হাত ধরাধরি করে এগিয়ে গেছে সহস্রাব্দ প্রাচীন এক রহস্যময় পরিব্রাজকের সঙ্গী হয়ে।ইউরোপ, মিশর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশ হয়ে সুদূর তিব্বতে বিস্তৃত এর প্লট।অবশেষে রহস্যময় অভিযাত্রীর সাথে যোগ হয় বর্তমানকালের এক যুবকের ছুটে চলা,যার পেছনে ধাওয়া করছে তার বন্ধুর হত্যাকারী শয়তান উপাসকের দল।প্রাচীন সেই পথিক কি দেখা পেয়েছে সাম্ভালার? জানতে হলে পড়ুন শরীফুল হাসানের এক অনবদ্য থ্রিলার উপন্যাস সাম্ভালা।
January 6, 2023
অ্যাকচুয়ালি রেটিং : 4.5/5
অনেক ভালো লেগেছে। আজকেই দ্বিতীয়
পার্ট পড়তে হবে।
অনেক ভালো লেগেছে। আজকেই দ্বিতীয়
পার্ট পড়তে হবে।
October 16, 2018
খুবই দূর্বল রচনা। লোকজনের প্রশংসা শুনে বইটি কিনে পড়েছি, খুবই হতাশ হলাম।
বেশ কিছু সমস্যার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখ করি:
১) পুরো বইটিই ভুল বানানে ভর্তি, পড়তে পড়তে বিরক্তি আসবে।
২) প্রধান চরিত্রের যে ফ্ল্যাশব্যাকগুলো বইয়ের পৃষ্ঠাসংখ্যা বৃদ্ধি করেছে সেগুলোর কয়েকটি বাদে বেশিরভাগের সাথেই বইয়ের মূল গল্পের কোনো সংযোগ নেই; সেই অংশগুলো বই থেকে বাদ দিলেও মূল গল্পের কিছু আসবে যাবে না।
৩) বিভিন্ন চরিত্রের পয়েন্ট অব ভিউ থেকে লেখা অংশগুলো চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বর্ণিত হয়নি, যা মনোযোগী পাঠকের পাঠে বিরক্তি যোগাবে।
৪) গল্পের মূল রহস্যটি প্রচণ্ড ক্লিশে; হাজার গল্পে বর্ণিত-চর্বিত 'অনন্ত জীবনের খোঁজে এবং তদসম্পর্কিত টানাহ্যাঁচড়া'র ওপর ভিত্তি করে লেখা।
৫) গল্পের বিভিন্ন অংশ অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে।
৬) প্রধান চরিত্রগুলো নির্মাণ করা হয়েছে খুবই দূর্বলভাবে; বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এইসব চরিত্রের প্রতিক্রিয়াও আরোপিত মনে হয়েছে।
বেশ কিছু সমস্যার মধ্যে কয়েকটি উল্লেখ করি:
১) পুরো বইটিই ভুল বানানে ভর্তি, পড়তে পড়তে বিরক্তি আসবে।
২) প্রধান চরিত্রের যে ফ্ল্যাশব্যাকগুলো বইয়ের পৃষ্ঠাসংখ্যা বৃদ্ধি করেছে সেগুলোর কয়েকটি বাদে বেশিরভাগের সাথেই বইয়ের মূল গল্পের কোনো সংযোগ নেই; সেই অংশগুলো বই থেকে বাদ দিলেও মূল গল্পের কিছু আসবে যাবে না।
৩) বিভিন্ন চরিত্রের পয়েন্ট অব ভিউ থেকে লেখা অংশগুলো চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বর্ণিত হয়নি, যা মনোযোগী পাঠকের পাঠে বিরক্তি যোগাবে।
৪) গল্পের মূল রহস্যটি প্রচণ্ড ক্লিশে; হাজার গল্পে বর্ণিত-চর্বিত 'অনন্ত জীবনের খোঁজে এবং তদসম্পর্কিত টানাহ্যাঁচড়া'র ওপর ভিত্তি করে লেখা।
৫) গল্পের বিভিন্ন অংশ অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে।
৬) প্রধান চরিত্রগুলো নির্মাণ করা হয়েছে খুবই দূর্বলভাবে; বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এইসব চরিত্রের প্রতিক্রিয়াও আরোপিত মনে হয়েছে।
January 10, 2023
অদ্ভূত লেগেছে খানিকটা! অনেক কিছু জানতে পারসি, অনেক ইন্টারেস্টিং বইটা: এক্সিলির অফ লাইফ! অমরত্ব,আসলেই কি অমরত্ব বলতেও কিছু আছে? একটা মানুষ কি হাজার বছরকাল বাঁচতে পারে? এই পৃথিবীতে কতো রহস্য,কতোটুকুই বা আমরা জানি! কালো জাদু বা শয়তানের উপাসকরা কি উপায়ে কাজ করে? ইতিহাস,ঐতিহ্য, জ্ঞান প্রভৃতির মিশ্রণে এই যাত্রায় সামিল হতে পড়ে ফেলুন "সাম্ভালা পার্ট-১"
July 29, 2019
অনেক দিন পর সম্পূর্ন মৌলিক একটি অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলার পড়লাম।অ্যাডভেঞ্চার সবসময়ই আমার খুবই পছন্দের জনরা।
July 13, 2014
বই সম্পর্কিত বিভিন্ন গ্রুপে আর গুডরিডসে গত কয়েকবছর ‘সাম্ভালা’ নামটা এতোবার চোখের সামনে এসেছে যে বইটা পড়া আমার জন্য একরকম আবশ্যকীয় হয়ে উঠেছিলো। অবশেষে সাম্ভালা’র প্রথম যাত্রাটা শেষ করে কিছুটা দায়িত্ব শেষ এর বোধ হচ্ছে। সম্পূর্ণ সিরিজটা শেষ করার পর আশা করি পরিপূর্ণ ভাবে দায়মুক্ত হতে পারবো! যাই হোক, এই বই এর প্রতি আগ্রহটা বরাবরই বেশি ছিল কারণ শুনতে পাচ্ছিলাম বইটা মৌলিক, তার ওপর পরে শুনলাম পাশের দেশ ভারতে আবার বইটার ইংরেজি রূপান্তর ও ঘটেছে। সিরিজের প্রথম বই পড়া শেষে সিরিজটার প্রতি আমার যেরকম আগ্রহ ছিলো তার কোন পরিবর্তন হয়নি। বইটার কিছু কন্সেপ্ট হয়তো পুরোনো, যেমন, সাম্ভালা’র বিষয়টা মানুষ এর অনেক দিনের পুরোনো কল্পনা এবং এ ধরণের বিষয় নিয়ে হেনরী রাইডার হ্যাগার্ড এর বই পড়েছি, এলিক্সির অব লাইফ, আলকেমি বিষয় গুলো সত্যজিতের ছোট গল্পে অনেকবার এসেছে এবং আরো অনেক লেখকই হয়তো এ বিষয় গুলো নিয়ে লিখেছেন। কিন্তু সাম্ভালার লেখক শরীফুল হাসান এই সব উপাদান গুলোকে যেভাবে এক মলাটে আবদ্ধ করেছেন তা আমার কাছে অনন্য মনে হয়েছে।
বইটার লেখনী সহজ ও সাবলীল। বর্তমানের সাথে সাথে ইতিহাস মিশিয়ে যেভাবে মজিদ ব্যাপারী’র চরিত্রটা দাঁড় করানো হয়েছে তা আমার কাছে ভালো লেগেছে। তবে শেষের অংশে যখন কাহিনী একটা সমাধানের দিকে যাচ্ছে তখন ওই ইতিহাস বর্ণনা একটু আউট অব প্লেস মনে হয়েছে। মোটামুটি চারটা টাইমলাইনের গল্প একটার পর একটা বলা হচ্ছিল তাই প্রথমদিকে মনযোগ ধরে রাখাটা একটু কষ্টকর-ই ছিল কিন্তু পরবর্তীতে কাহিনী তার নিজের গতিতে এগিয়ে গেছে। তবে যে দিক গুলো একটু বেশি-ই চোখে পড়েছে তা হল বইটির বানান বিভ্রাট আর বাক্যগঠন জনিত অসম্পূর্নতা গুলো। আশা করবো পরবর্তী সংস্করণে এই সমস্যা গুলো ঠিক করা হবে। কিছু কিছু জায়গায় ড। কারসনের চরিত্রটিকে রোবোটিক মনে হয়েছে। বলা হয়েছে, ড. আরেফিন সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। কিন্তু, ড. কারসন এবং ড. আরেফিনের মত উচ্চশিক্ষিত চরিত্র গুলো যখন কোন ব্যাকগ্রাউন্ড হিস্টরি ছাড়াই এলিক্সির অব লাইফ বা আলকেমির মত বাতিল বিষয় গুলোর অস্তিত্বে বিশ্বাস করা শুরু করেন , তখন তা একটু দৃষ্টিকটূ-ই ঠেকে বৈকি।
যাই হোক, সব মিলিয়ে প্রথম পর্বটা বেশ ভালোই লেগেছে। পরবর্তী বইটা হাতে নিয়ে বসলাম এইবার। তবে শেষ করার আগে লেখককে ধন্যবাদ আরেকবার এই জনরাটা নিয়ে লেখার জন্য। কাজী আনোয়ার হোসেন এর একটা সাক্ষাৎকারে পড়েছিলাম মাসুদ রানা’র প্রথম বইটা মৌলিক হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি পরবর্তীতে খালি এ্যাডাপশন-ই করে গেছেন, কারণ বিদেশে এই থ্রিলার ঘরানার একটা বই লেখার জন্য একজন লেখক যে পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যে পরিমাণ অর্থ সহায়তা পান- তা আমাদের দেশে এক ধরনের অলীক কল্পনা মাত্র। এতসব সীমাবদ্ধতা স্বত্ত্বেও শরীফুল হাসান এরকম একটা বই লিখেছেন এবং বাতিঘর প্রকাশনীও বইগুলো নিয়মিত প্রকাশ করছে, তার জন্য পাঠক হিসেবে আমার কৃতজ্ঞতাটা জানিয়ে রাখলাম।
বইটার লেখনী সহজ ও সাবলীল। বর্তমানের সাথে সাথে ইতিহাস মিশিয়ে যেভাবে মজিদ ব্যাপারী’র চরিত্রটা দাঁড় করানো হয়েছে তা আমার কাছে ভালো লেগেছে। তবে শেষের অংশে যখন কাহিনী একটা সমাধানের দিকে যাচ্ছে তখন ওই ইতিহাস বর্ণনা একটু আউট অব প্লেস মনে হয়েছে। মোটামুটি চারটা টাইমলাইনের গল্প একটার পর একটা বলা হচ্ছিল তাই প্রথমদিকে মনযোগ ধরে রাখাটা একটু কষ্টকর-ই ছিল কিন্তু পরবর্তীতে কাহিনী তার নিজের গতিতে এগিয়ে গেছে। তবে যে দিক গুলো একটু বেশি-ই চোখে পড়েছে তা হল বইটির বানান বিভ্রাট আর বাক্যগঠন জনিত অসম্পূর্নতা গুলো। আশা করবো পরবর্তী সংস্করণে এই সমস্যা গুলো ঠিক করা হবে। কিছু কিছু জায়গায় ড। কারসনের চরিত্রটিকে রোবোটিক মনে হয়েছে। বলা হয়েছে, ড. আরেফিন সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। কিন্তু, ড. কারসন এবং ড. আরেফিনের মত উচ্চশিক্ষিত চরিত্র গুলো যখন কোন ব্যাকগ্রাউন্ড হিস্টরি ছাড়াই এলিক্সির অব লাইফ বা আলকেমির মত বাতিল বিষয় গুলোর অস্তিত্বে বিশ্বাস করা শুরু করেন , তখন তা একটু দৃষ্টিকটূ-ই ঠেকে বৈকি।
যাই হোক, সব মিলিয়ে প্রথম পর্বটা বেশ ভালোই লেগেছে। পরবর্তী বইটা হাতে নিয়ে বসলাম এইবার। তবে শেষ করার আগে লেখককে ধন্যবাদ আরেকবার এই জনরাটা নিয়ে লেখার জন্য। কাজী আনোয়ার হোসেন এর একটা সাক্ষাৎকারে পড়েছিলাম মাসুদ রানা’র প্রথম বইটা মৌলিক হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি পরবর্তীতে খালি এ্যাডাপশন-ই করে গেছেন, কারণ বিদেশে এই থ্রিলার ঘরানার একটা বই লেখার জন্য একজন লেখক যে পরিমাণ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যে পরিমাণ অর্থ সহায়তা পান- তা আমাদের দেশে এক ধরনের অলীক কল্পনা মাত্র। এতসব সীমাবদ্ধতা স্বত্ত্বেও শরীফুল হাসান এরকম একটা বই লিখেছেন এবং বাতিঘর প্রকাশনীও বইগুলো নিয়মিত প্রকাশ করছে, তার জন্য পাঠক হিসেবে আমার কৃতজ্ঞতাটা জানিয়ে রাখলাম।
August 26, 2021
বইয়ের কাহিনী বেশ ইন্টারেস্টিং। রহস্য, থ্রিল সবই পাচ্ছিলাম। সাথে অনেক কিছু জানলাম ও। কাল দ্বিতীয় বইটা শুরু করবো৷ দেখা যাক কি আছে পরের গল্পে।
February 24, 2021
অ সা ধা র ন....এত দিন পরে কেনো পড়লাম তাই আফসোস হচ্ছে।দারুন প্লট ,এক টানা পড়ে গেছি কোথাও বিরক্ত লাগেনি।দারুন একটি পেজ টার্নার ।
ভালো অনেক কিছুই বলা বইটার সমন্ধে..সবাই বলেছেনও..কিন্তু এর মাঝেও কিছু কিছু জিনিস ভালো লাগে নি..
যেমন বইটিতে কাকতালীয়তার প্রভাব একটু বেশি দেখা গেছে..সব গুলো প্রধান চরিত্রই কাকতলীয় ভাবে নিজেদের মাঝে সম্পর্কযুক্ত...এই জিনিসটা এই একটু বেশিই মনে হয়েছে ..যার জন্য কিছুটা হলেও গল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে ..এছাড়াও শেষ দৃশ্যে বাংলা সিনেমার মত পুলিশ এর উপস্থিতি টাও ভালো লাগেনি..আরো কিছু বিষয় ওভার সিনেম্যটিক লেগেছে স্পয়লার এর ভয় লিখলাম না..
এ সকল ছোট ছোট কারণে ১ ⭐ কেটে ৪ ⭐ 😌
আরো ২ টা পার্ট বাকি আছে হয়তো কিছু দিনের মধ্যেই পড়ে ফেলবো..দেখি সামনে কি অপেক্ষা করছে
ভালো অনেক কিছুই বলা বইটার সমন্ধে..সবাই বলেছেনও..কিন্তু এর মাঝেও কিছু কিছু জিনিস ভালো লাগে নি..
যেমন বইটিতে কাকতালীয়তার প্রভাব একটু বেশি দেখা গেছে..সব গুলো প্রধান চরিত্রই কাকতলীয় ভাবে নিজেদের মাঝে সম্পর্কযুক্ত...এই জিনিসটা এই একটু বেশিই মনে হয়েছে ..যার জন্য কিছুটা হলেও গল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে ..এছাড়াও শেষ দৃশ্যে বাংলা সিনেমার মত পুলিশ এর উপস্থিতি টাও ভালো লাগেনি..আরো কিছু বিষয় ওভার সিনেম্যটিক লেগেছে স্পয়লার এর ভয় লিখলাম না..
এ সকল ছোট ছোট কারণে ১ ⭐ কেটে ৪ ⭐ 😌
আরো ২ টা পার্ট বাকি আছে হয়তো কিছু দিনের মধ্যেই পড়ে ফেলবো..দেখি সামনে কি অপেক্ষা করছে
July 29, 2025
এমনকিছু এই প্রথম পড়লাম। এর চেয়ে ভালো কিছু আর হয় না। যখন গেম অব থ্রোনস দেখে শেষ করছি তখন ইউটিউবে রিভিউইয়ার দের বলতে শুনছি সিরিজের বইগুলা নাকি আরো ডিটেইলসে আছে সবকিছু। আর আমিও তাই বিশ্বাস করি হয়ত বইয়ের অর্ধেকও সিরিজে দেখাইতে পারে নাই। তখন থেকে অবাক হই এটা ভেবে যে লেখকরা এত গ্র্যান্ড লার্জার দ্যান লাইফ টাইপের কিছু কেমনে চিন্তা করতে পারে। মানে এত এত চরিত্র, তথ্য, সম্পর্ক, পরিণতি.........এত বিস্তৃত কিছু মাথা থেকে বের করে কেমনে। কেমনে সম্ভব এইগুলা!!! আর.আর.মার্টিনের সাথে শরীফুল হাসানের লেখার তুলনা করা উদ্দেশ্য না, উদ্দেশ্য হলো তাদের এই বিস্তৃত চিন্তা করার ক্ষমতার প্রশংসা করা। আল্লাহ দিছেও তাদের মাথা মাশাল্লাহ, অসাধারণ!!
বইটা পড়তেও অনেক সময় লাগছে, শেষের দিকে এসে তাড়াতাড়ি পড়া শেষ হইছে।
বইটা পড়তেও অনেক সময় লাগছে, শেষের দিকে এসে তাড়াতাড়ি পড়া শেষ হইছে।
January 10, 2023
Why do people rate this book so highly? Or maybe just this one wasn't for me
May 4, 2023
A promising plot ruined by a bad writing style.
FYI: You don't need to repeat the facts you stated 2 chapters ago; have some faith in your readers man!
FYI 2: No one wants to know if your "heroine" is feeling awkward wearing ""men clothes"" while a major action scene is going on.
FYI: You don't need to repeat the facts you stated 2 chapters ago; have some faith in your readers man!
FYI 2: No one wants to know if your "heroine" is feeling awkward wearing ""men clothes"" while a major action scene is going on.
November 4, 2014
A nice riveting narrative with an immortal, his grandson saddled with a book that is not really his and a few Devil worshippers who need the book and will go to any lengths to obtain it.
Rashed, a college student, was living his reasonably uncomplicated life with his girlfriend Lily and friend Shamim when the latter suddenly dies leaving behind a mysterious bag in Rashed's safekeeping. This starts off a chain of events which leads to more than a few people getting killed and Rashed being chased all over Dacca by a desperate group of Devil worshippers who want the book.
A breezy light read where the author clearly starts off what promises to be a riveting trilogy of books.
Rashed, a college student, was living his reasonably uncomplicated life with his girlfriend Lily and friend Shamim when the latter suddenly dies leaving behind a mysterious bag in Rashed's safekeeping. This starts off a chain of events which leads to more than a few people getting killed and Rashed being chased all over Dacca by a desperate group of Devil worshippers who want the book.
A breezy light read where the author clearly starts off what promises to be a riveting trilogy of books.
October 26, 2021
প্রাচীন মিশর, ফরাসি বিপ্লব, কলম্বাসের আমেরিকা বহিরাক্রমণ, জুলিয়াস সিজারের পতন আবার সুদূর তিব্বতের গহন রহস্য, এই সবকে যদি একসূত্রে গাঁথতে পারে এক ঘটনা। না ঘটনা নয় বরং একজন মানুষ? কেমন হয় তাহলে?
গোটা গল্পটাই ভেস্তে দিতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু এটুকুই বললাম।
🔸এই বই আপনাকে নিয়ে যাবে সুদূর ইতিহাসের বিভিন্ন period এ, মনে হবে সেই সময়ে আপনিই দাঁড়িয়ে আছেন, চারপাশে সবকিছু পাল্টে সেই ইতিহাসের রূপ ধারণ করছে।
🔸আবার এরকম অদ্ভুত ইতিহাস রোমন্থনের পাশে পাশে বর্তমান সময়ের একটা থ্রিলারও চলছে। টানটান ইঁদুর - বেড়াল এর দৌড়। নায়ক দৌড়াচ্ছে, পিছনে খলনায়কের সমস্ত শক্তি। কে শেষ অব্দি কিস্তিমাত করতে পারে! এই নিয়ে গোটা বই।
গল্পের বাঁধন খুব শক্ত। কোথাও bore হয়ে যাবেন না। টানটান উত্তেজনা তার সাথেই মাঝে মাঝে ইতিহাসে চিন্ময় হয়ে হারিয়ে যাওয়া। সব মিলিয়ে এক historical, mythological adventure তার সাথে পরিমাণ মতো থ্রিলার। একখানা সেরেছি, এবার গোটা ট্রিলজি নিয়ে লাগতে হবে। আপনিও লেগে পড়ুন। 🥰
গোটা গল্পটাই ভেস্তে দিতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু এটুকুই বললাম।
🔸এই বই আপনাকে নিয়ে যাবে সুদূর ইতিহাসের বিভিন্ন period এ, মনে হবে সেই সময়ে আপনিই দাঁড়িয়ে আছেন, চারপাশে সবকিছু পাল্টে সেই ইতিহাসের রূপ ধারণ করছে।
🔸আবার এরকম অদ্ভুত ইতিহাস রোমন্থনের পাশে পাশে বর্তমান সময়ের একটা থ্রিলারও চলছে। টানটান ইঁদুর - বেড়াল এর দৌড়। নায়ক দৌড়াচ্ছে, পিছনে খলনায়কের সমস্ত শক্তি। কে শেষ অব্দি কিস্তিমাত করতে পারে! এই নিয়ে গোটা বই।
গল্পের বাঁধন খুব শক্ত। কোথাও bore হয়ে যাবেন না। টানটান উত্তেজনা তার সাথেই মাঝে মাঝে ইতিহাসে চিন্ময় হয়ে হারিয়ে যাওয়া। সব মিলিয়ে এক historical, mythological adventure তার সাথে পরিমাণ মতো থ্রিলার। একখানা সেরেছি, এবার গোটা ট্রিলজি নিয়ে লাগতে হবে। আপনিও লেগে পড়ুন। 🥰
August 2, 2024
মোটের উপর ভালো তবে হাইপ অনুযায়ী ভালো লাগেনি। বেশ কিছু জায়গা খাপছাড়া লেগেছে।
স্পয়লার দিবো না, একটা প্রশ্ন...
বুড়ো যে গল্পের শুরুতে তার প্রেডিকটিভ পাওয়ার দিয়ে সাবধান করে দিলেন ছেলকে আসন্ন বিপদ সম্পর্কে, পরে কোথাও আর সেটার প্রয়োগ করলেন না কেন? করলেই তো কতো কতো বিপদ এড়ানো যেত!🙂
বানান ক্যাচাল—
ভুল বানানের অত্যাচারে প্রাণ জর্জরিত!😫
টাইপো না, সত্যিকারের বানান ভুল। ভুল বানানই তো সব জায়গায় ভুল করে রেখেছে "ভূল" লিখে! স্থাণুকে লিখা "স্থানু"!! আরো অনেক ভুল আছে যা খুব চোখে লেগেছে।
এমনিই ইদানিং ই, য় ইত্যাদি বর্ণের ভুল ব্যবহার দেখতে দেখতে বিরক্ত। তার উপর এমন সাধারণ বানানগুলোও যদি ভুল করে রাখে তাহলে তো মুশকিল। কেননা, বানানের রীতি মুখস্ত করে তো আর বানান শিখে না মানুষ। পড়তে পড়তে, দেখতে দেখতে ই আয়ত্তে আসে। আর এই জনরার বই পড়ে মূলত যারা আরেকটু ছোট বয়সের পড়ুয়া, এভাবে ভুল বানান দেখতে থাকলে তো তাদের কাছে ভুলটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। প্রকাশের আগে "ভালোভাবে" প্রুফ রিডিং করা খুব উচিৎ ছিলো!
স্পয়লার দিবো না, একটা প্রশ্ন...
বুড়ো যে গল্পের শুরুতে তার প্রেডিকটিভ পাওয়ার দিয়ে সাবধান করে দিলেন ছেলকে আসন্ন বিপদ সম্পর্কে, পরে কোথাও আর সেটার প্রয়োগ করলেন না কেন? করলেই তো কতো কতো বিপদ এড়ানো যেত!🙂
বানান ক্যাচাল—
ভুল বানানের অত্যাচারে প্রাণ জর্জরিত!😫
টাইপো না, সত্যিকারের বানান ভুল। ভুল বানানই তো সব জায়গায় ভুল করে রেখেছে "ভূল" লিখে! স্থাণুকে লিখা "স্থানু"!! আরো অনেক ভুল আছে যা খুব চোখে লেগেছে।
এমনিই ইদানিং ই, য় ইত্যাদি বর্ণের ভুল ব্যবহার দেখতে দেখতে বিরক্ত। তার উপর এমন সাধারণ বানানগুলোও যদি ভুল করে রাখে তাহলে তো মুশকিল। কেননা, বানানের রীতি মুখস্ত করে তো আর বানান শিখে না মানুষ। পড়তে পড়তে, দেখতে দেখতে ই আয়ত্তে আসে। আর এই জনরার বই পড়ে মূলত যারা আরেকটু ছোট বয়সের পড়ুয়া, এভাবে ভুল বানান দেখতে থাকলে তো তাদের কাছে ভুলটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে। প্রকাশের আগে "ভালোভাবে" প্রুফ রিডিং করা খুব উচিৎ ছিলো!
October 27, 2019
বাংলা ভাষায় মৌলিক ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার!
ট্রেনে প্রায় পুরোটা পড়েছি, শেষ ৪৫ পৃষ্ঠা এখন পড়লাম। আটঘাট বেঁধে রিভিউ লেখার ইচ্ছা থাকলেও এখন সেটা সম্ভব না, অন্যকোনোদিন। অল্পকথায়, সাম্ভালার জন্য ছুটে চলেছে এক পথিক, যার জন্ম জানা নেই, মৃত্যু অনিশ্চিত। কে সে? হোরাস? নেবুলাস? মার্কাস ডাসিডিসিয়াস? সেইন্ট দ্য জারমেইন? মুগওয়া? জারমোনি? মানুষ হিসেবে তাকে সংজ্ঞায়িত করাটা বোকামী, মানুষের মতোই কিন্তু মানুষ না! না-মানুষ হয়ে সে বেঁচে থাকবে পৃথিবীর আলো বাতাসে, যেভাবে সে বেঁচে এসেছে ইতিহাসে, সেভাবেই খুঁজে যাবে সাম্ভালা- এক রহস্য।
সে দেখে এসেছে কুইন অব শেবা থেকে শুরু করে জুলিয়াস সিজারের মৃত্যু-নেপোলিয়ানের উত্থান হয়ে সিপাহি বিপ্লব পর্যন্ত, সাক্ষাৎ করেছে তিব্বতের শেরবানদের সাথে। সাক্ষী হয়েছে মানবজাতির ইতিহাসের, যেটা আসলে শুধুই বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। মায়ায় না জড়ানো না-মানুষও একদিন থিতু হয়ে গিয়েছে, সংসার করেছে। কিন্তু সংসারে কি যাযাবরের মন বসে?!
অতীত এসে মিশেছে বর্তমানে। খুন হয়ে গেছে অনেকগুলো, দৃশ্যপটে এসেছে পাগলাটে মানুষজন, যারা লুসিফার কিংবা শয়তানের উপাসনা করে হয়ে গেছে অমানুষ। এলিক্সার অফ লাইফ কিংবা অমৃতের সাথে এসে মিশেছে বর্তমানের স্রোত, ইতিহাস এর সাথে বর্তমান এক হয়ে গিয়েছে, ঢাকার জ্যাম ঠেলে পৌছে গিয়েছে মিশর, স্পেন, গ্রীস, তিব্বত, ভারত সবখানে। সবখানে তার ছাপ উপস্থিত, পাঠক হিসেবে আপনিও ছাপ রেখে আসতে পারেন, জড়িয়ে যেতে পারেন ভাবালুতায়।
পড়তে পড়তে এই সহস্রাব্দ প্রাচীন পথিকের সাথে হারিয়ে যেতে পারেন, ইচ্ছে হতে পারে সাম্ভালা কি জানার!
আসলেই, সাম্ভালা কি? এই শব্দের অর্থ জানতে হলে পড়ে ফেলুন বইটার অর্ধেক, আর অর্ধেক পড়ে ফেললে আপনি আর বইটা হাত থেকে নাও রাখতে পারেন! কারণ ততোক্ষণে কাহিনী জমে গেছে!
জেনে ফেলুন তাহলে, আমি ততোক্ষণে দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করার তোড়জোড় করি!
আর হ্যাঁ, এটা একটা ট্রিলজি। ট্রিলজি শেষ না করা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না আর কি! ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার জন্রা যদি আপনার পছন্দ হয়, তবে তিনটে একসাথে নিয়েই বসিয়েন। নইলে যাত্রার মাঝপথে থেমে যেতে হবে, ভাতটা ঠিক হজম হবে না!
প্লট দুর্দান্ত। রেসিপি ফলো করে কোনো ড্যান ব্রাউনের মতো গুপ্তসংঘ কে টানেননি লেখক, যাদের লক্ষ্য পৃথিবীকে সত্য জানানো। বরঙ, এটা একজন পরিব্রাজকের অ্যাডভেঞ্চার, যে জানতে চায় সাম্ভালা কি, জানতে চায় সাম্ভালার খোঁজ। বাতিঘরের প্রুফ রিডিং বাদ দিলে, বইটাতে প্রায় কোনো খুঁত নেই। থৃলার হিসেবে কোনো গালাগালি নেই। শরীফুল হাসান গড়গড় করে বলে গেছেন কাহিনী। পুরোটাই টানটান এক ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার!
সব মিলিয়ে পার্সোনাল রেটিং ৪.৫।
শুভ যাত্রা! 😃
ট্রেনে প্রায় পুরোটা পড়েছি, শেষ ৪৫ পৃষ্ঠা এখন পড়লাম। আটঘাট বেঁধে রিভিউ লেখার ইচ্ছা থাকলেও এখন সেটা সম্ভব না, অন্যকোনোদিন। অল্পকথায়, সাম্ভালার জন্য ছুটে চলেছে এক পথিক, যার জন্ম জানা নেই, মৃত্যু অনিশ্চিত। কে সে? হোরাস? নেবুলাস? মার্কাস ডাসিডিসিয়াস? সেইন্ট দ্য জারমেইন? মুগওয়া? জারমোনি? মানুষ হিসেবে তাকে সংজ্ঞায়িত করাটা বোকামী, মানুষের মতোই কিন্তু মানুষ না! না-মানুষ হয়ে সে বেঁচে থাকবে পৃথিবীর আলো বাতাসে, যেভাবে সে বেঁচে এসেছে ইতিহাসে, সেভাবেই খুঁজে যাবে সাম্ভালা- এক রহস্য।
সে দেখে এসেছে কুইন অব শেবা থেকে শুরু করে জুলিয়াস সিজারের মৃত্যু-নেপোলিয়ানের উত্থান হয়ে সিপাহি বিপ্লব পর্যন্ত, সাক্ষাৎ করেছে তিব্বতের শেরবানদের সাথে। সাক্ষী হয়েছে মানবজাতির ইতিহাসের, যেটা আসলে শুধুই বিশ্বাসঘাতকতার ইতিহাস। মায়ায় না জড়ানো না-মানুষও একদিন থিতু হয়ে গিয়েছে, সংসার করেছে। কিন্তু সংসারে কি যাযাবরের মন বসে?!
অতীত এসে মিশেছে বর্তমানে। খুন হয়ে গেছে অনেকগুলো, দৃশ্যপটে এসেছে পাগলাটে মানুষজন, যারা লুসিফার কিংবা শয়তানের উপাসনা করে হয়ে গেছে অমানুষ। এলিক্সার অফ লাইফ কিংবা অমৃতের সাথে এসে মিশেছে বর্তমানের স্রোত, ইতিহাস এর সাথে বর্তমান এক হয়ে গিয়েছে, ঢাকার জ্যাম ঠেলে পৌছে গিয়েছে মিশর, স্পেন, গ্রীস, তিব্বত, ভারত সবখানে। সবখানে তার ছাপ উপস্থিত, পাঠক হিসেবে আপনিও ছাপ রেখে আসতে পারেন, জড়িয়ে যেতে পারেন ভাবালুতায়।
পড়তে পড়তে এই সহস্রাব্দ প্রাচীন পথিকের সাথে হারিয়ে যেতে পারেন, ইচ্ছে হতে পারে সাম্ভালা কি জানার!
আসলেই, সাম্ভালা কি? এই শব্দের অর্থ জানতে হলে পড়ে ফেলুন বইটার অর্ধেক, আর অর্ধেক পড়ে ফেললে আপনি আর বইটা হাত থেকে নাও রাখতে পারেন! কারণ ততোক্ষণে কাহিনী জমে গেছে!
জেনে ফেলুন তাহলে, আমি ততোক্ষণে দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করার তোড়জোড় করি!
আর হ্যাঁ, এটা একটা ট্রিলজি। ট্রিলজি শেষ না করা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না আর কি! ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার জন্রা যদি আপনার পছন্দ হয়, তবে তিনটে একসাথে নিয়েই বসিয়েন। নইলে যাত্রার মাঝপথে থেমে যেতে হবে, ভাতটা ঠিক হজম হবে না!
প্লট দুর্দান্ত। রেসিপি ফলো করে কোনো ড্যান ব্রাউনের মতো গুপ্তসংঘ কে টানেননি লেখক, যাদের লক্ষ্য পৃথিবীকে সত্য জানানো। বরঙ, এটা একজন পরিব্রাজকের অ্যাডভেঞ্চার, যে জানতে চায় সাম্ভালা কি, জানতে চায় সাম্ভালার খোঁজ। বাতিঘরের প্রুফ রিডিং বাদ দিলে, বইটাতে প্রায় কোনো খুঁত নেই। থৃলার হিসেবে কোনো গালাগালি নেই। শরীফুল হাসান গড়গড় করে বলে গেছেন কাহিনী। পুরোটাই টানটান এক ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার!
সব মিলিয়ে পার্সোনাল রেটিং ৪.৫।
শুভ যাত্রা! 😃
Displaying 1 - 30 of 197 reviews































