What do you think?


সিক্রেট মিশনস: মোসাদ স্টোরিজ
বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গােয়েন্দা সংস্থা ইসরাইলের 'মোসাদ'। বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে আছে তাদের সিক্রেট এজেন্টরা। কিন্তু আপনি জানেন কি, মোসাদের হেডকোয়ার্টার কোথায়? কেউ জানে না। অন্তত কাগজে কলমে মোসাদের সাথে সংশ্লিষ্টরা বাদে কেউই বলতে পারে না নিশ্চিতভাবে যে, এটাই মােসাদের সদর দপ্তর।
কেন এ রহস্যের আবরণ? কেন এ নির্দয় মায়াজাল? মোসাদের জন্ম কেন? কীভাবে? কেমন তাদের হেডকোয়ার্টার? আর কীভাবেই বা তারা অপারেট করে থাকে? এসবের পাশাপাশি যুগে যুগে মােসাদের হাতে গােনা কিছু গােপন মিশন স্থান পেয়েছে এ বইটিতে৷ এক বসাতেই জেনে নিতে পারেন মােসাদের ভয়ংকর দুনিয়া ৷
তবে আর দেরি কেন!
- GenresNonfictionHistory
126 pages, Hardcover
First published March 1, 2021
About the author
Abdullah Ibn Mahmud
21 books207 followersBorn in Bangladesh, Abdullah Ibn Mahmud passed his childhood in Dubai, the UAE, the tourists' heaven. Returning to his home country, he passed his intermediate from Science department in 2011 from Notre Dame College, Dhaka. After that, he started his B.Sc. in the top-most engineering university of the country, BUET (Bangladesh University of Engineering & Technology) in Electrical & Electronic Engineering (EEE). After obtaining B.Sc., he went on to pursue MBA in 2017 and finished the degree from the highest academic institution in the business line, IBA of Dhaka University.
He started his writing career during his undergrad life and earned huge popularity through his historical writings published in the Bangla version of the popular analyst platform of South Asia, Roar Global. His writings on Roar Bangla have accumulated over 3.6 million readers in the last two years alone.
Abdullah loves to read and impart knowledge to those who like easy-reads. He is one of the pioneers of the country who popularized the reading of non-fiction or history-based contents. His favorite topics include- myths, theological history, tech, and he totally adores Dan Brown & J. K. Rowling, having grown up reading their fictions, but making a career of non-fiction, mostly. His published works now total up to 6, with quite a few in the pipeline, including approved translation works.
শৈশবের গোড়ার ছয়টি বছর কেটেছে আরব আমিরাতের দুবাইতে। ২০১১ সালে ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পাশ করে আন্ডারগ্র্যাড শুরু করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎকৌশল বিভাগে। ২০১৭ সালে বুয়েট থেকে বেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-তে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
ভার্চুয়াল জগতে লেখালেখির সূচনা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঢোকার পর থেকে। বুয়েটে শেষ বর্ষে থাকাকালীন লেখা শুরু করেন রোর বাংলা প্ল্যাটফর্মে, যেখানে জনপ্রিয়তা পায় তার শতাধিক ফিচার, তার লেখাগুলো পঠিত হয় সাম্প্রতিক সময়েই প্রায় ৩৬ লক্ষ বার। ভালোবাসেন নতুন কিছু জানতে এবং জানাতে; প্রযুক্তি আর ফিকশন ছাড়াও পছন্দের বিষয়- বৈশ্বিক ইতিহাস, মিথ এবং তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব।
প্রকাশিত নন্দিত বইগুলোর মাঝে আছে- ইহুদী জাতির ইতিহাস, অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে, এলিরিন, দ্য প্রফেট, সিক্রেট মিশনস, ইত্যাদি।
He started his writing career during his undergrad life and earned huge popularity through his historical writings published in the Bangla version of the popular analyst platform of South Asia, Roar Global. His writings on Roar Bangla have accumulated over 3.6 million readers in the last two years alone.
Abdullah loves to read and impart knowledge to those who like easy-reads. He is one of the pioneers of the country who popularized the reading of non-fiction or history-based contents. His favorite topics include- myths, theological history, tech, and he totally adores Dan Brown & J. K. Rowling, having grown up reading their fictions, but making a career of non-fiction, mostly. His published works now total up to 6, with quite a few in the pipeline, including approved translation works.
শৈশবের গোড়ার ছয়টি বছর কেটেছে আরব আমিরাতের দুবাইতে। ২০১১ সালে ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পাশ করে আন্ডারগ্র্যাড শুরু করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎকৌশল বিভাগে। ২০১৭ সালে বুয়েট থেকে বেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ-তে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
ভার্চুয়াল জগতে লেখালেখির সূচনা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঢোকার পর থেকে। বুয়েটে শেষ বর্ষে থাকাকালীন লেখা শুরু করেন রোর বাংলা প্ল্যাটফর্মে, যেখানে জনপ্রিয়তা পায় তার শতাধিক ফিচার, তার লেখাগুলো পঠিত হয় সাম্প্রতিক সময়েই প্রায় ৩৬ লক্ষ বার। ভালোবাসেন নতুন কিছু জানতে এবং জানাতে; প্রযুক্তি আর ফিকশন ছাড়াও পছন্দের বিষয়- বৈশ্বিক ইতিহাস, মিথ এবং তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব।
প্রকাশিত নন্দিত বইগুলোর মাঝে আছে- ইহুদী জাতির ইতিহাস, অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে, এলিরিন, দ্য প্রফেট, সিক্রেট মিশনস, ইত্যাদি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 13 of 13 reviews
July 22, 2021
ভালো লেগেছে বইটা। এডিট করে ক্লান্তি আসেনি একটুও। ভূমিকাতেই বলেছি ভালো লাগার কথা। মোসাদ নিয়ে আগ্রহী হলে রেকমেন্ডেড।
May 7, 2022
আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদের আরেকটা সুখপাঠ্য রচনা। ছোট বই, কিন্তু, তথ্যে ঠাসা। মুদ্রণ, বিশেষ করে ছবিগুলোর গুণগত মান নজরে পড়ার মত। হাল আমলের বেশিরভাগ বইয়ের ছবির মুদ্রণ দেখে হতাশ হতে হয়, তাদের এই বই থেকে শেখার আছে। কিউ-আর কোড দিয়ে বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্য জানার ব্যাপারটায় অভিনবত্ব আছে। সব মিলিয়ে ভাল লেগেছে। এই ঘরানার আরও বই ভবিষ্যতে পড়তে চাই।
Read
August 27, 2024❛By Way of Deception Thou Shalt Do W a r.❜
বিশ্বের সবথেকে রহস্যময়, দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বললে প্রথমে কোন নামটা মাথায় আসে? নৃ শং স তা আর ভয়াবহতার কথা বললে কোন সংস্থার এজেন্টদের কথা মাথায় আসে?
হ্যাঁ, আপনি যেটা ভাবছেন বা আপনারা অধিকাংশ যেটা ভাবছেন সেটা না তারাই!
❛মো সা দ❜, এক রহস্যের নাম। এত গোপনীয়তা আর এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা মনে হয় না বিশ্বের আর কোনো সংস্থার আছে।
আপনি জানেন আজ পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত আছে তাদের মূল সদর দপ্তর তথা হেড কোয়ার্টার?! এত বছরেও নানা সন্দেহ, ধরনের উপরই রয়ে গেছে তাদের মূল স্থানের পরিচয়। এমনকি এমন সংস্থার উপস্থিতি আছে সেটাই জানা গেছে ১৯৪৯ সালে। এর আগে থেকে তাদের কার্যক্রম চললেও জানা গেছে খুব কম।
মো সা দ প্রধান তথা রামশাদ কে সেটাও জনসম্মুখে জানানো হয়েছে ষষ্ঠ ডিরেক্টরের পর থেকে।
কেন এই মো সা দে র আগমন?
এর পিছে আছে বিস্তর ইতিহাস। প্রথম বিশ্ব যু দ্ধে র পর ফিলিস্তিন কার অধীনে যাবে আর ই স রা য়ে লে র কী ভবিষ্যত, তাদের সীমানা, স্থান কোনটা হবে এই নিয়ে হয় চুক্তি। চাপা আর ধোঁয়াশা চুক্তির ফলে অনেক ব্যাপার রয়ে যায় অজানা। এর মাঝেই ই স রা য়ে লে র প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন ডেভিড বেনগুরিয়ন। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার আর নিরাপত্তার জন্য নানা গোয়েন্দা সংস্থার মাঝেই মো সা দে র আগমন। যাদের ক্ষমতা সম্পর্কে ধারনা করা যায় না। বলা হয় মো সা দ প্রধান সরাসরি রিপোর্ট করেন প্রধানমন্ত্রীকে। অন্য কারো কাছে জবাবদিহি করেন না।
সারাবিশ্বে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্যে সফলভাবে চলছে তাদের মিশন।
ইরাক, ইরান, সি রি য়া, লি বি য়া, জ র্ডা ন সহ নানা দেশে তাদের গুপ্তচর আর গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য কেউ আজও জানে না। ভাসা ভাসা যেটুক আসে তাই নিয়েই আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে যায়।
ইরানের পারমাণবিক প্রজেক্ট থেকে শুরু করে সি রি য়া, জর্ডানের নানা গুপ্ত প্রজেক্টের শতাধিক বিজ্ঞানী, কর্মী, হা মা স নেতাদের প্রাণনাশের হোতা এই গোয়েন্দা সংস্থা।
তাই বলে কি তাদের ব্যর্থতা নেই?
আছে। সফলতা আর ব্যর্থতার মিশেলেই চলছে এই গোপন সংস্থা।
সফলতার কোনো ধারাবাহিকতা বললে আসে মো সা দে র সেরা এজেন্ট এবং ডিরেক্টর দাগানের নাম। নিজের কর্মকালের শুরুতে ই স রা য়ে লে র হয়ে সফল সব মিশন করে মোসাদের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। কাজ করেন ২০০২-২০১১ পর্যন্ত। তার আমলে মো সা দের অভ্যুত্থান ছিল চোখে পড়ার মতো।
এছাড়াও তেহরানে করা তান্ডব থেকে শুরু করে বিভিন্ন মিশনে তাদের দক্ষতার পরিচয় বিশ্ববাসী জেনেছে।
এলি কোহেন, ই সরা য়ে ল এবং মো সা দে র ইতিহাসে একজন হিরো। নিজের পরিবার নিয়ে আর ছোটো চাকরি নিয়ে ভালো কাটছিল। এরপরই তার সাথে যোগযোগ করলো একজন এবং তাকে গুপ্তচরবৃত্তি করার একটা অফার দিলো। সেসময় রাজি না হলেও একসময় রাজি হয়। শুরু হয় সি রি য়া র গুপ্তচর হওয়ার জন্য তার কঠিন প্রশিক্ষণ। এরপর?
সব বাঁধা পেরিয়ে পৌঁছে যায় সফলতার দিকে। কিন্তু কতদিন এভাবে দুনিয়ার সামনে কামেল আমিন সাবেত নামে থাকতে পারবেন?
ধরা পড়লেন। শ ত্রু সি রিয়া র বুকে ইস রা য়েলে র গুপ্তচর! চরম ব্যবস্থা নেয়া হলো। যার ফলস্বরূপ পৈতৃক প্রাণ হারাতে হলো। সি রি য়া আজও ফেরত দেয়নি বিশ্বা স ঘাত ক গুপ্তচর এলি কোহেনের মৃ ত দে হ। কয়েকবার কবর বদলে ফেলেছে তারা। শ ত্রু দেশ এবং কোহেনের পরিবারের হাজারো অনুরোধ ক্ষমা প্রার্থনা সত্ত্বেও ফেরত দেয়নি।
মো সা দে র ইতিহাসে এলি কোহেন একইসাথে সফলতা আর ব্যর্থতার নাম কি?
সেরা এই সংস্থা নানা ভাবে নিজেদের মিশন চালাচ্ছে। তাদের শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষকও আছে। তারা কারা?
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝সিক্রেট মিশনস- মো সা দ স্টোরিজ❞ আবদুল্লাহ ইবনে মাহমুদের নন-ফিকশন ধাঁচের বই। গোয়েন্দা সংস্থার গোপন কাজ নিয়ে বইটি তিনি সাজিয়েছেন। যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে মো সা দ।
মো সা দ নিয়ে তথ্য অপ্রতুল। এই সীমাবদ্ধতার মাঝেই লেখক যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন পাঠকদের কাছে তথ্য তুলে ধরার।
মোট ছয়টি অধ্যায়ে মো সা দ সম্পর্কে নানা তথ্য, ঘটনা তুলে ধরেছেন। ব্যবহার করেছেন প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও দেখতে কিউয়ার কোডও দিয়েছেন।
মো সা দে র দ্বারা সংঘটিত একটা হ ত্যা কাণ্ডে র ভিডিও ফুটেজের টাইম টু টাইম বর্ণনাও দিয়েছেন।
এলি কোহেনের কাহিনি জানা ছিল। আরো জেনেছিলাম ❛The Spy (2019)❜ সিরিজটা দেখে। বইতে লেখক তার ঘটনাটা এনেছেন। এইটুক কাহিনি জানা ছিল। লেখক বেশ ভালোভাবেই এই অধ্যায় তুলে ধরেছেন।
সাধ্যের মধ্যে যেটুক তথ্য সম্ভব তাই দিয়েই ১২৬ পৃষ্ঠার বইয়ের অবতারণা করেছেন। মো সা দ সম্পর্কে তথ্য ধারনা পেতে এই বইটি সুখপাঠ্য হবে আশা করি।
প্রোডাকশন:
সম্পাদনার ঘাটতি চোখে পড়ার মতো পর্যায়ে ছিল।
বিশ্বের সবথেকে রহস্যময়, দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা বললে প্রথমে কোন নামটা মাথায় আসে? নৃ শং স তা আর ভয়াবহতার কথা বললে কোন সংস্থার এজেন্টদের কথা মাথায় আসে?
হ্যাঁ, আপনি যেটা ভাবছেন বা আপনারা অধিকাংশ যেটা ভাবছেন সেটা না তারাই!
❛মো সা দ❜, এক রহস্যের নাম। এত গোপনীয়তা আর এত নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা মনে হয় না বিশ্বের আর কোনো সংস্থার আছে।
আপনি জানেন আজ পর্যন্ত অনাবিষ্কৃত আছে তাদের মূল সদর দপ্তর তথা হেড কোয়ার্টার?! এত বছরেও নানা সন্দেহ, ধরনের উপরই রয়ে গেছে তাদের মূল স্থানের পরিচয়। এমনকি এমন সংস্থার উপস্থিতি আছে সেটাই জানা গেছে ১৯৪৯ সালে। এর আগে থেকে তাদের কার্যক্রম চললেও জানা গেছে খুব কম।
মো সা দ প্রধান তথা রামশাদ কে সেটাও জনসম্মুখে জানানো হয়েছে ষষ্ঠ ডিরেক্টরের পর থেকে।
কেন এই মো সা দে র আগমন?
এর পিছে আছে বিস্তর ইতিহাস। প্রথম বিশ্ব যু দ্ধে র পর ফিলিস্তিন কার অধীনে যাবে আর ই স রা য়ে লে র কী ভবিষ্যত, তাদের সীমানা, স্থান কোনটা হবে এই নিয়ে হয় চুক্তি। চাপা আর ধোঁয়াশা চুক্তির ফলে অনেক ব্যাপার রয়ে যায় অজানা। এর মাঝেই ই স রা য়ে লে র প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন ডেভিড বেনগুরিয়ন। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার আর নিরাপত্তার জন্য নানা গোয়েন্দা সংস্থার মাঝেই মো সা দে র আগমন। যাদের ক্ষমতা সম্পর্কে ধারনা করা যায় না। বলা হয় মো সা দ প্রধান সরাসরি রিপোর্ট করেন প্রধানমন্ত্রীকে। অন্য কারো কাছে জবাবদিহি করেন না।
সারাবিশ্বে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্যে সফলভাবে চলছে তাদের মিশন।
ইরাক, ইরান, সি রি য়া, লি বি য়া, জ র্ডা ন সহ নানা দেশে তাদের গুপ্তচর আর গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য কেউ আজও জানে না। ভাসা ভাসা যেটুক আসে তাই নিয়েই আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে যায়।
ইরানের পারমাণবিক প্রজেক্ট থেকে শুরু করে সি রি য়া, জর্ডানের নানা গুপ্ত প্রজেক্টের শতাধিক বিজ্ঞানী, কর্মী, হা মা স নেতাদের প্রাণনাশের হোতা এই গোয়েন্দা সংস্থা।
তাই বলে কি তাদের ব্যর্থতা নেই?
আছে। সফলতা আর ব্যর্থতার মিশেলেই চলছে এই গোপন সংস্থা।
সফলতার কোনো ধারাবাহিকতা বললে আসে মো সা দে র সেরা এজেন্ট এবং ডিরেক্টর দাগানের নাম। নিজের কর্মকালের শুরুতে ই স রা য়ে লে র হয়ে সফল সব মিশন করে মোসাদের প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। কাজ করেন ২০০২-২০১১ পর্যন্ত। তার আমলে মো সা দের অভ্যুত্থান ছিল চোখে পড়ার মতো।
এছাড়াও তেহরানে করা তান্ডব থেকে শুরু করে বিভিন্ন মিশনে তাদের দক্ষতার পরিচয় বিশ্ববাসী জেনেছে।
এলি কোহেন, ই সরা য়ে ল এবং মো সা দে র ইতিহাসে একজন হিরো। নিজের পরিবার নিয়ে আর ছোটো চাকরি নিয়ে ভালো কাটছিল। এরপরই তার সাথে যোগযোগ করলো একজন এবং তাকে গুপ্তচরবৃত্তি করার একটা অফার দিলো। সেসময় রাজি না হলেও একসময় রাজি হয়। শুরু হয় সি রি য়া র গুপ্তচর হওয়ার জন্য তার কঠিন প্রশিক্ষণ। এরপর?
সব বাঁধা পেরিয়ে পৌঁছে যায় সফলতার দিকে। কিন্তু কতদিন এভাবে দুনিয়ার সামনে কামেল আমিন সাবেত নামে থাকতে পারবেন?
ধরা পড়লেন। শ ত্রু সি রিয়া র বুকে ইস রা য়েলে র গুপ্তচর! চরম ব্যবস্থা নেয়া হলো। যার ফলস্বরূপ পৈতৃক প্রাণ হারাতে হলো। সি রি য়া আজও ফেরত দেয়নি বিশ্বা স ঘাত ক গুপ্তচর এলি কোহেনের মৃ ত দে হ। কয়েকবার কবর বদলে ফেলেছে তারা। শ ত্রু দেশ এবং কোহেনের পরিবারের হাজারো অনুরোধ ক্ষমা প্রার্থনা সত্ত্বেও ফেরত দেয়নি।
মো সা দে র ইতিহাসে এলি কোহেন একইসাথে সফলতা আর ব্যর্থতার নাম কি?
সেরা এই সংস্থা নানা ভাবে নিজেদের মিশন চালাচ্ছে। তাদের শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষকও আছে। তারা কারা?
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝সিক্রেট মিশনস- মো সা দ স্টোরিজ❞ আবদুল্লাহ ইবনে মাহমুদের নন-ফিকশন ধাঁচের বই। গোয়েন্দা সংস্থার গোপন কাজ নিয়ে বইটি তিনি সাজিয়েছেন। যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে মো সা দ।
মো সা দ নিয়ে তথ্য অপ্রতুল। এই সীমাবদ্ধতার মাঝেই লেখক যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন পাঠকদের কাছে তথ্য তুলে ধরার।
মোট ছয়টি অধ্যায়ে মো সা দ সম্পর্কে নানা তথ্য, ঘটনা তুলে ধরেছেন। ব্যবহার করেছেন প্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও দেখতে কিউয়ার কোডও দিয়েছেন।
মো সা দে র দ্বারা সংঘটিত একটা হ ত্যা কাণ্ডে র ভিডিও ফুটেজের টাইম টু টাইম বর্ণনাও দিয়েছেন।
এলি কোহেনের কাহিনি জানা ছিল। আরো জেনেছিলাম ❛The Spy (2019)❜ সিরিজটা দেখে। বইতে লেখক তার ঘটনাটা এনেছেন। এইটুক কাহিনি জানা ছিল। লেখক বেশ ভালোভাবেই এই অধ্যায় তুলে ধরেছেন।
সাধ্যের মধ্যে যেটুক তথ্য সম্ভব তাই দিয়েই ১২৬ পৃষ্ঠার বইয়ের অবতারণা করেছেন। মো সা দ সম্পর্কে তথ্য ধারনা পেতে এই বইটি সুখপাঠ্য হবে আশা করি।
প্রোডাকশন:
সম্পাদনার ঘাটতি চোখে পড়ার মতো পর্যায়ে ছিল।
December 25, 2024
যে ব্যাপার নিয়ে অস্পষ্টতা যত বেশি সে বিষয়ে আগ্রহও তত বেশি এমনটিই তো স্বাভাবিক তাই না? মোসাদ নিয়ে একই কারণে আগ্রহ বেশি থাকবে এমনটাই হওয়ার কথা।
"মোসাদ স্টোরিজ" দিয়েই শুরু করেছিলাম এই যাত্রা।
পরিতৃপ্ত হই নি সত্য বলতে। হতে পারে অতিমাত্রায় আগ্রহই কিছুটা আশাহত করেছে।
বইয়ের তথ্যাদি খুব একটা গোছানো মনে হয় নি।
লেখক নিজেই জানিয়েছেন মোসাদ নিয়ে খুব একটা তথ্য পাওয়া যায় না , তা সত্ত্বেও যতটাই পেরেছেন তথ্য সংযোজনের চেষ্টা করেছেন সেজন্য বাহবা পেতেই পারেন। মোসাদের কয়েকটা অপারেশন সম্পর্কে জানতে পড়তে পারেন বইটি।
"মোসাদ স্টোরিজ" দিয়েই শুরু করেছিলাম এই যাত্রা।
পরিতৃপ্ত হই নি সত্য বলতে। হতে পারে অতিমাত্রায় আগ্রহই কিছুটা আশাহত করেছে।
বইয়ের তথ্যাদি খুব একটা গোছানো মনে হয় নি।
লেখক নিজেই জানিয়েছেন মোসাদ নিয়ে খুব একটা তথ্য পাওয়া যায় না , তা সত্ত্বেও যতটাই পেরেছেন তথ্য সংযোজনের চেষ্টা করেছেন সেজন্য বাহবা পেতেই পারেন। মোসাদের কয়েকটা অপারেশন সম্পর্কে জানতে পড়তে পারেন বইটি।
August 13, 2021
যারা মোসাদ নিয়ে একেবারেই কিছু জানেন না, তাদের জন্য এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মত একটা বই। আর যারা বিভিন্ন সিনেমার বদৌলতে মোসাদ নিয়ে টুকটাক জানেন, তারাও কিছু এক্সট্রা তথ্য জানতে পারবেন।
কিন্তু যারা ইতিমধ্যে মোসাদ রিলেটেড সিনেমা, সিরিজ দেখে ফেলেছেন এবং টুকটাক ব্লগ পড়ে ফেলেছেন, তাদের কাছে খুব আহামরি কোনো বই লাগবে না।
কিন্তু যারা ইতিমধ্যে মোসাদ রিলেটেড সিনেমা, সিরিজ দেখে ফেলেছেন এবং টুকটাক ব্লগ পড়ে ফেলেছেন, তাদের কাছে খুব আহামরি কোনো বই লাগবে না।
January 31, 2025
সারফেস ইনফরমেশন, তবুও ভালো কাজ। বিশেষ করে বাংলাদেশি হিসাবে মাঝেমধ্যে শরমই পাই যে জানাশোনা এত কম আমার বা আমাদের। বহির্বিশ্বে কত কী হয়, হচ্ছে, হবে; এ নিয়ে জানাশোনা তো জরুরি বিষয়। যাইহোক, রেফারেন্স বই হয়ত না, কিন্তু পড়ে দেখার মত।
May 15, 2025
এর আগে Mossad: The Greatest Missions of the Israeli Secret Service পড়ার কারণে এই বইটা টাইম পাস টাইপের লাগছিলো। তবে লেখকের লিখার ভাষা, শব্দ চয়ন বেশ দারুণ লেগেছে। আশাকরি ভবিষ্যতে উনার লিখা আরো কিছু বই পড়ার সৌভাগ্য হবে।
October 26, 2022
great book with lots of information about Mossad.
March 11, 2024
তথ্যবহুল বই! ভালো লেখনি। ১২৬ পৃষ্ঠার বইতে একটা শব্দও প্রয়োজনের বাইরে লিখেননি লেখক। আর গল্পের বিন্যাস ভালো ছিল। বোর হবার কোনো সুযোগ নেই।
March 28, 2024
বেশ প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা বইটায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সৃষ্টি আর তাদের কিছু মিশনের কথা বর্ণিত হয়েছে। তবে বইটার কলেবর আরেকটু বাড়তে পারতো বলে আমার ধারণা।
April 15, 2024
I loved his detailed description about Mosad and Israel ❤️ recommended.
May 30, 2024
সুন্দর একটা বই মোসাদ সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম এই বই থেকে।
March 8, 2025
First time anyone wrote a book on such a topic in Bangla
Displaying 1 - 13 of 13 reviews













