Jump to ratings and reviews
Rate this book

প্রখর রুদ্র #2

হন্ডুরাসে হাহাকার

Rate this book
ক্রিস্টোফার কলম্বাস, ভাগ্যের ফেরে আবিষ্কার করে ফেললেন আমেরিকা। তারপর ১৫০২ সালে পৌঁছলেন এক নতুন দেশে---হন্ডুরাস। হন্ডুরাসের উপকথায় উল্লেখ রয়েছে এক হারানো শহরের। তা কি আদৌ সত্যি? বিজ্ঞানী আনন্দমোহন চক্রবর্তী কৃত্রিমভাবে আবিষ্কার করলেন ‘ওয়েল ইটিং ব্যাকটেরিয়া’---চিকিতসাবিজ্ঞানে নেমে এলো এক অদৃশ্য অন্ধকার। ৩১শে অক্টোবর, ১৯৮৪... এক গুপ্তহত্যা... খুন হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী... থ্রিলার ঘরানার সমস্ত ধ্যান-ধারণা বদলে দেওয়া উপন্যাস ‘হন্ডুরাসে হাহাকার’।

448 pages, Paperback

First published April 15, 2021

3 people are currently reading
93 people want to read

About the author

Kaushik Roy

12 books1 follower
কৌশিক রায়ের জন্ম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতার উপকণ্ঠ সোনারপুরে। কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়, নরেন্দ্রপুর থেকে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেছেন তামিলনাড়ুর ভেলোর ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোর প্রবাসী। ফরেনসিক বিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহ। ২০২২ সালে ফরেনসিক সায়েন্স অ্যান্ড ডি এন এ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং-এর উপর ইন্টারন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স থেকে করেছেন শর্ট টার্ম সার্টিফিকেট কোর্স। একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে লেখালেখির জগতে আবির্ভাব। ভালোবাসেন দেশ-বিদেশের নানাজাতীয় রহস্য ও থ্রিলারধর্মী বই পড়তে।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (27%)
4 stars
6 (27%)
3 stars
6 (27%)
2 stars
3 (13%)
1 star
1 (4%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,878 followers
July 12, 2021
প্রখর রুদ্র'র স্রষ্টা কে?
জটায়ু, ওরফে লালমোহন গাঙ্গুলী?
সত্যজিৎ রায়?
নাহ! নতুন যুগের পাঠকের কাছে এই সুপারহিরোইক চরিত্রটিকে নতুন চেহারায় পরিবেশনের কৃতিত্ব কৌশিক রায়ের (তাঁর নামটিও অবশ্য এক সুপারহিরোর সঙ্গেই মেলে— যাঁকে আমরা নারায়ণ দেবনাথের আঁকায়-লেখায় শুকতারা-তে দেখতাম)। মগজাস্ত্রের ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ এই মানুষটির সঙ্গে আমাদের আলাপ-পরিচয় হয় "চক্রব্যূহে প্রখর রুদ্র" বইয়ের মাধ্যমে। আলোচ্য বইটি তার প্রিকুয়েল।

কী নিয়ে গড়ে উঠেছে এই সুবিশাল বইটি?
নামে উপন্যাস হলেও আসলে এতে আছে তিনটি সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক অংশ। সেগুলো হল~
(ক) কলম্বাসের অভিযানের সূত্র ধরে মধ্য আমেরিকার গভীর জঙ্গলে এক হারানো শহরের আভাস পাওয়া যায়। সেটিকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টায় শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে চলে খুনখারাপি। বিভিন্ন স্বার্থ আর উদ্দেশ্য নিয়ে সেই শহরে পৌঁছোতে চায় একদল মানুষ। শেষ অবধি সেই শহরে অভিযান চালানো এবং তার ফলাফল— এটিই এই বইয়ের মুখ্য আকর্ষণ।
(খ) নিউ ইয়র্কে বিজ্ঞানী ডক্টর হাজরা এবং তাঁর তরুণ সহকর্মী প্রখর রুদ্র'র চেষ্টায় একঝাঁক মেডিকেল মিস্ট্রির সমাধান রয়েছে উপরোক্ত কাহিনির ফাঁকে-ফাঁকে। তাদের প্রতিটিই স্বয়ংসম্পূর্ণ ছোটোগল্প হিসেবে পাঠযোগ্য। সেই গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে আমরা তরুণ প্রখর রুদ্র, তার ভাবনা ও লক্ষ্য, সর্বোপরি তার মধ্যে তৈরি হওয়া দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের সঙ্গে পরিচিত হই।
(গ) 'চক্রব্যূহে প্রখর রুদ্র'-তে আমরা জেনেছিলাম, কেন্দ্রীয় চরিত্রের অতীতে একটা গভীর অন্ধকার আছে। সেই অন্ধকারের উৎস আমরা দেখতে পাই এই কাহিনিতে। আগামী দিনে কারা প্রখরের চরমতম শত্রু হয়ে উঠতে চলেছে তাও বুঝি ওই অংশটি থেকে।

বইটি (আমি সচেতনভাবেই 'উপন্যাস' কথাটা লিখলাম না) আনপুটডাউনেবল বললে অত্যুক্তি হয় না। তার কারণ~
১) লেখায় কিছু ক্লিষ্টতা আছে। যেমন: পরপর তিনবার লেখা হয়েছে, "তিস্তা এগিয়ে এসে বলল..."— আরে ভাই, এত এগোলে তো সে আটলান্টিকে পড়ে যাবে! তবে ওগুলো উপেক্ষণীয়। বরং ছোটো-ছোটো বাক্য আর সংলাপের ব্যবহারের ফলে লেখাটা পড়তে গিয়ে থামাই যায় না।
২) মায়া ও আজটেক সভ্যতা নিয়ে আমাদের প্রচুর কৌতূহল আছে। কিন্তু বাংলায় তথ্যনিষ্ঠ অথচ সুপাঠ্য বই নেই বললেই চলে৷ সেই শূন্যতার মাঝে এই বইয়ে মায়া সভ্যতা তার রহস্যময় অতীত নিয়ে সসম্মানে স্থান পেল। সঙ্গে পাওয়া গেল মায়া চিত্রলিপি পাঠের ইঙ্গিত এবং আরও নানা 'শিক্ষা।' সৌভাগ্যের বিষয়, কাহিনির টানে সেগুলো 'টপকে' গেলেও ক্ষতি হয় না। বরং পড়ার পর আবার ফিরে এসে নিজের মতো করে শেখাও যায়।
৩) এই বইয়ের সম্পদ হল মাঝে গুঁজে দেওয়া হাজরা-রুদ্র ইনভেস্টিগেশনের গল্পগুলো। বাংলায় মেডিকেল তথা ফরেনসিক মিস্ট্রির ধারাটি অতি ক্ষীণ। এই গল্পগুলো পড়ে যদি আরও লেখক এতে আগ্রহী হন, তাহলে তা বড়োই আনন্দের বিষয় হবে। তবে হ্যাঁ, এও সত্যি যে হন্ডুরাসের বুকে সংঘটিত অ্যাডভেঞ্চারের সঙ্গে এদের কোনো প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল না।
৪) বইয়ের শেষে যে বিস্তৃত পাঠ-নির্দেশিকা দেওয়া আছে, তা যেকোনো আগ্রহী পাঠককে নিজের মতো করে পড়াশোনার পথ দেখাবে। ক্রিকটন, রলিন্স এবং অন্যান্য 'মায়েস্ত্রো'-দের বইয়ে আমরা এমনটিই পাই। আবার এমন একটি হেভি-ডিউটি বই তরলমতি থ্রিলার-পিপাসুদের আকর্ষণের বদলে বিকর্ষণ করতে পারে— এও সত্যি!

বইটি পড়েই প্রখর রুদ্র'র পরিণতি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ জাগল। আশা রাখি যে এই সিরিজের তৃতীয় বইয়ে লেখক সে-বিষয়ে আমাদের জানাবেন। ততদিন অবধি আগের বইটির পুনঃপাঠ ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছি না।
Profile Image for Farhan.
740 reviews12 followers
March 7, 2022
সিরিজের প্রথম বই 'চক্রব্যুহে প্রখর রুদ্র' পড়ে তেমন ভাল না লাগলেও মনে হয়েছিল পড়া যায়, তাই এটার প্রিক্যুয়েল হিসেবে বের হওয়া 'হন্ডুরাসে হাহাকার'-ও পড়লাম। শখ করে এমন সময় নষ্ট জীবনে কমই করেছি। নিশ্চিতভাবেই জটায়ুর প্রখর রুদ্র আজগুবি হলেও এতটাও অ্যামেচার ছিল না। ভাষাভঙ্গী একদম ক্লাস ফাইভ পড়ুয়া বাচ্চার মত, কাহিনি আর গল্পবলা হার মানাবে ঢাকাই আর কলকাত্তাই সস্তা সিনেমাকেও। জটায়ু এখানে থাকলে বলতেন--"রাবিশ মশাই, একদম রাবিশ'!
Profile Image for Md. Mozaddedul Haque.
19 reviews8 followers
August 3, 2021
চক্রব্যূহে প্রখর রুদ্র'তে ছোট ছোট গল্পের মাধ্যমে লেখক কৌশিক রায় বেশ বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রখর রুদ্রকে আমাদের মাঝে পরিচয় করে দিয়েছেন। তারই অতীত নিয়ে এই থ্রিলার। পাশাপাশি প্রাচীন মায়া সভ্যতাও নিয়েও বেশ ভালো কাহিনি রয়েছে এই বইয়ে। 


মেডিকেল ক্রাইমের রহস্য উদঘাটনের ব্যাপারটা বড় কাহিনিটাকে কখনো ঝুলতে দেয়নি। তবে দু-এক জায়গায় টিভি সিরিয়াল সিআইডি এর মত চড় খেয়ে গড়গড় করে সব বলে দেয়ার ব্যাপারটি কাহিনির দুর্বল দিক মনে হয়েছে । এছাড়া অন্যান্য দিকগুলো ভালোই ছিল।


বইয়ের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে বেশ কয়েকটা প্লট থাকায় একঘেয়ে লাগেনি কখনো। আর তথ্যবহুল জায়গাগুলো চাইলে কেউ উপেক্ষা করেও কাহিনি অনায়াসে পড়ে যেতে পারবেন। তাতে তথ্যের ভার-ভারান্তে কেউ কাহিনির প্রতি আগ্রহ হারাবেন না।


গতানুগতিক তন্ত্র-মন্ত্র বিষয়ক থ্রিলারের বাইরে এসে বেশ বৃহৎ জমজমাট থ্রিলার উপন্যাস উপহার দেয়ায় লেখক সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। আশা করি এর পরেও এমন থ্রিলার কাহিনি লেখকের কাছ থেকে পাব।
Profile Image for   Shrabani Paul.
397 reviews23 followers
June 30, 2022
বইয়ের নাম - হন্ডুরাসে হাহাকার
লেখক - কৌশিক রায়
প্রকাশক - বিভা পাবলিকেশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ৪৪৮
( প্রখর রুদ্র সিরিজ )


ক্রিস্টোফার কলম্বাস ইউরোপ থেকে পশ্চিমে যাত্রা করে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন এশিয়ার মূল ভূভাগে । ভাগ্যের ফেরে আবিষ্কার করে ফেললেন আমেরিকা । সংক্রামক ব্যাধি , কারাবাস , লাঞ্ছনা অতিক্রম করে পরবর্তীতে ১৫০২ সালে পৌঁছোলেন এক নতুন দেশে — ‘ হন্ডুরাস ’ অর্থাৎ অনাব্য খাঁড়ি বিজ্ঞানী আনন্দমোহন চক্রবর্তী ১৯৭১ সালে পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে আবিষ্কার করলেন ‘ ওয়েল ইটিং ব্যাকটেরিয়া । দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে ১৯৮০ সালে পেটেন্ট করানো হল তাঁর আবিষ্কার । এটিই ছিল পৃথিবীর জীবিত কোনও জীব বা জীবাংশের উপর করা পেটেন্ট । এর সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসাবিজ্ঞানে নেমে এসেছিল এক অদৃশ্য অন্ধকার । স্পেনের অভিযাত্রী হ্যারন্যান কর্তেজ হন্ডুরাস আবিষ্কারের কয়েক বছর পরেই সেস্থানে গিয়ে উপনিবেশ স্থাপন করেন । সেখানকার প্রাচীন উপজাতিদের থেকে জানা যায় এক হারানো শহরের কথা । সে শহরের কথা অনেক বছর ধরেই হন্ডুরাসের উপকথায় ছড়িয়ে ছিল কিন্তু তা কি আদৌ সত্যি ? কালাজ্বরের প্যারাসাইটটিকে প্রথম চিহ্নিত করেন দমদমে কর্মরত ব্রিটিশ আর্মি ডাক্তার William Boog Leishman , রোনাল্ড রস তাঁর গবেষণাপত্রে এই প্যারাসাইটটির বিজ্ঞানসম্মত নাম রাখলেন Leishmania donovani সারা বিশ্বের ত্রাস কালাজ্বরের প্রতিষেধক আবিষ্কার করে নোবেল পুরস্কারের জন্য দুইবার মনোনীত হন বাঙালী বিজ্ঞানী উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী । জার্মান প্রত্নতত্ত্ববিদ জোসেফ রইডার জীবনের একটা বিরাট সময় বিশ্বময় বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্���িক ইমারতগুলির সংরক্ষণ করে কাটিয়েছেন । তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ এই চার বছর অন্যতম বিখ্যাত মায়া শহর কোপান সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণের কাজ করেছেন । ৩ রা জুন ২০১৭ সালে তিনি দেহত্যাগ করেন । .... থ্রিলার ঘরানার সমস্ত ধ্যান - ধারণা বদলে দেওয়া উপন্যাস ' হন্ডুরাসে হাহাকার ।

#হন্ডুরাসে_হাহাকার #কৌশিক_রায় #বিভা_পাবলিকেশন
Profile Image for Dev D..
171 reviews29 followers
April 6, 2022
এই সিরিজের প্রথম বই চক্রবুহ্যে প্রখর রুদ্র পড়ে বেশ ভালোই লেগেছিল। কেন ভালো লেগেছিল বলতে গেলে বলতে হয়, ফেলুদার বইগুলোতে পাওয়া লালমোহন গাঙ্গুলীর সেই রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজের অদ্ভুত সাহসী আর শক্তিশালী প্রখর রুদ্রকে নিয়ে আসলেই উপন্যাস লেখার ব্যাপারটা দারুণ আকর্ষণীয় ছিল, সেই সাথে কখনো না পড়া মেডিকেল ক্রাইম বা মেডিকেল থ্রিলার পড়ার ব্যাপারটা তো ছিলই তার ওপর লেখার মানও বেশ ভালোই ছিল।

এবারে কিন্তু পুরোপুরি হতাশ হতে হলো। কলম্বাস, মায়া সভ্যতা, আলকেমি, মেডিকেল ক্রাইম, এডভেঞ্চার, গোয়েন্দা সংস্থা আর অশোকের সৃষ্টি বলে কথিত নয় জন মানুষের গুপ্ত বাহিনী সবমিলিয়ে লেখক তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। মেডিকেল ক্রাইমগুলোও যদিও পড়তে খারাপ লাগেনি তবুও সেগুলো এত অল্প সময়ে এত কাছাকাছি ঘটলো আর বারবারই ডক্টর হাজরা আর প্রখর রুদ্র তার খোঁজ পেয়ে গেলেন সেটা একটু কষ্টকল্পনা তো লেগেছেই। কলম্বাসের অভিযান বা প্যাথেজিন সংক্রমণের ব্যাপারে তথ্য জানানাটোও ভালো লেগেছে এর বাইরে বলতে গেলে এডভেঞ্চার অংশটুকু পুরোটাই বড় বেশি শিশুতোষ এবং অসম্ভাব্য লেগেছে। এর সাথে আলকেমির যোগাযোগটাও অযথাই ছিল যেন। তাছাড়া এত বেশি টাইমলাইনে গল্প বলা যে দিশেহারা হতে হয়। গত উপন্যাসে বলা মৃণাল রুদ্রের হত্যা রহস্য এবার উদঘাটন হয়েছে, জানা গেছে ডক্টর হাজরার অতীত ইতিহাস আর তার সাথে প্রখর রুদ্রের শত্রুতার কারণও। শেষ দিকে এসে মৃণাল রুদ্র আর কথোপকথনে যখন বলা হচ্ছে ইউএসএ একমাত্র সুপার পাওয়ার আর রাশিয়াকে সুপার পাওয়ার বানানোর চেষ্টা হচ্ছে,তখন লেখক বোধহয় ভুলে গিয়েছিলেন তিনি ১৯৮৪ এর টাইমলাইনে আছেন, রাশিয়া বলতে কোন দেশই যখন অস্তিত্ব রাখে না বরং তার পূর্বসূরী সোভিয়েত ইউনিয়ন রীতিমতো পরাশক্তি। প্রখর রুদ্রের কার্যকলাপেরও কোন যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না যেন। এত বুদ্ধিমান এক ব্যক্তি কখন কি করছেন তা যেন তিনি নিজেই জানেন না। তোর্সার চরিত্রও খামাখাই যেন সৃষ্টি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নামটা ছাড়া এই বইয়ে পাঠককে আকর্ষণ করার মতো বিশেষ কিছু নেই। হতাশই হতে হয়েছে বলতেই হবে।
Profile Image for Pratik Kumar Dutta.
85 reviews1 follower
July 24, 2025
বাংলা সাহিত্যে জনপ্রিয়তার নিরিখে পরস্পরের সাথে হাত ধরাধরি করে চলে রোমাঞ্চকর অভিযান ও রহস্য উপন্যাস। অজানা জায়গার সন্ধানে অভিযানও যেমন পাঠককে আটকে রাখে বইয়ের পাতার সাথে, তেমনই প্যাঁচালো খুনের মামলাও একইভাবে আকর্ষণ করে পাঠককে। ভক্তসংখ্যা দুটিরই নেহাত মন্দ নয়। কিন্তু একটা উপন্যাসেই যদি পাঠককুল পেয়ে যায় দুটোরই স্বাদ, তাহলে তো আর কোনো কথাই নেই। জটায়ুর ভাষায় " সেলিং লাইক হট কচুরিজ "। লেখক কৌশিক রায়ের এই হন্ডুরাসে হাহাকার উপন্যাসটিতেও তার অন্যথা হয়নি। দুটি আলাদা সময়কাল ও তিনটি পাশাপাশি চলা ঘটনাকে নিয়ে এগিয়ে গেছে এই উপন্যাসের তরী। কলম্বাস আর পিটার ব্যারোজের সমুদ্র অভিযানের পাশাপাশি রয়েছে হন্ডুরাসে সাদা পাথরের শহর আবিষ্কার ও নিউ ইয়র্কে ঘটে চলা একাধিক মেডিক্যাল ক্রাইমের সমাধান। একদিকে তোর্সা, পামেলা আর ডঃ এরকিসনের হন্ডুরাস অভিযান আর অন্যদিকে মিসনার, ডঃ হাজরা আর মিচেলের মেডিক্যাল ক্রাইমের সাথে জড়িয়ে পড়া - দুই রহস্য পাশাপাশি চলতে থাকে একই সাথে। আর এই দুই রহস্য সমাধানের অন্যতম কান্ডারী হল প্রখর রুদ্র, যার উপস্থিতি এক বড় চমক নিয়ে আসে দুটি ক্ষেত্রেই। লেখক কৌশিক রায়ের লেখনীতে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়ে রয়েছে বইয়ের প্রতিটি পাতায়। মেডিক্যাল ক্রাইমের পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে এত সুন্দর চর্চা করেছেন লেখক এই উপন্যাসে, যে এটাকে গবেষণা বলে ভাবলে খুব ভুল হবে না। শেষ করার আগে একটাই কথা বলার, এই উপন্যাস খুব যত্ন নিয়ে লেখা, পরিশ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে লেখা, অনেক তথ্যসমৃদ্ধ একটি লেখা। পাঠক যদি মন দিয়ে পড়েন, এই উপন্যাস ভালো লাগবেই।
Profile Image for Sakkhar  Banerjee.
113 reviews6 followers
February 8, 2023
লেখকের গবেষণাকে সাধুবাদ, এবং একই সাথে তিনটি গল্পকে (একটি গুপ্তহত্যা, একটি লুপ্ত সভ্যতার আবিষ্কারের অভিযান, এবং অন্য মহাদেশে হয়ে চলা একাধিক মেডিক্যাল ক্রাইম ও তার রহস্য উন্মোচন) এগিয়ে নিয়ে যাওয়াও প্রশংসাযোগ্য ।
তবে আমেরিকার নাগরিকের মুখে 'তুই ডাক্তার না মোক্তার' এজাতীয় কথা ঠিক মানালো না। আর আমার মতে ওইটি আরও একশো পাতা ছোট হলেও হতে পারতো , কিছু ক্ষেত্রে মনে হচ্ছিলো অযথা টেনে বড় করা হচ্ছে ।
এই দুটি বাদে আর বিশেষ অভিযোগ নেই, মুদ্রণ এবং বাঁধাইও বেশ ভালো।
নাইন মেন অফ এম্পারার নিয়ে পরবর্তীকালে লেখকের পক্ষ থেকে কিছু পাওয়ার আশায় রইলাম।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.