সম্পর্ক ও যাপনে ফেসবুক-টেকনোলজির গভীর অভিঘাত নিয়ে রচিত প্রথম উপন্যাস—‘ফেস বাই ফেস' চমকে দিয়েছিল পাঠককে। 'তোমারে চিনি না আমি' একটি প্রজন্মের তরুণদের দাঁড় করিয়ে দিয়েছে ব্যক্তিগত ও গোপন আয়নার সামনে। প্রথম গল্পের বই ‘ব্যক্তিগত বসন্তদিন' প্রকাশিত হওয়ার আগেই মাহবুব মোর্শেদের গল্প সমঝদার ও সহৃদয় পাঠকের নজর কেড়েছিল। তার গল্পগুলোতে পাঠক খুঁজে পেয়েছেন অতিপরিচিত পরিপার্শ্বের অচেনা বিবরণ। এবার এলো তার নতুন গল্পের বই ‘সন্দেহ’।
পরিচিত ঘটনাবলি মাহবুব মোর্শেদের গল্পে আসে নতুন আবিষ্কার, চমক আর বুননে সজ্জিত হয়ে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা বুনে দেয় রহস্যময় আরেক জগৎ। তার স্টোরিটেলিং সবসময়ই আকর্ষক, স্বাগত জানাবার জন্য প্রস্তুত। গদ্য সরল, কিন্তু দ্ব্যর্থকতায় ভরপুর–ইশারা আর পরিহাসে ঠাসা। তার কবিতা লিপ্সা, আকাঙ্ক্ষা, তাড়না ও প্রেমের গোপন সংকেত দিয়ে যায়।
মাহবুব মোর্শেদের জন্ম ১৯৭৭ সালে ২৯ জানুয়ারী রংপুরে। গল্পকার, ঔপন্যাসিক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। পেশা সাংবাদিকতা। শৈশব-কৈশর কেটেছে উত্তরের রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা ও দক্ষিণ-পশ্চিমের কুষ্টিয়ায়। ২০০৬ সালে তার গল্পগ্রন্থ ‘ব্যক্তিগত বসন্তদিন’ প্রকাশিত হয়েছে কাগজ প্রকাশনী থেকে। ২০১০ সালে ভাষাচিত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে উপন্যাস ‘ফেস বাই ফেস’।
পরিচিত ঘটনাবলী মাহবুব মোর্শেদের গল্পে আসে নতুন আবিষ্কার, চমক আর বুননে সজ্জিত হয়ে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা বুনে দেয় রহস্যময় সংযোগ। তার স্টোরিটেলিং সব সময়ই আকর্ষক, স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত। গদ্য সরল, কিন্তু দ্ব্যর্থকতায় ভরপুর—ইশারা আর পরিহাসে ঠাসা। তার কবিতা লিপ্সা, আকাঙ্ক্ষা, তাড়না ও প্রেমের আরেক উন্মীলন। গল্প-উপন্যাস রচনা ছাড়াও তিনি এক সময় বিচিত্র বিষয়ে লিখতেন ব্লগে। এখন ফেসবুকে লেখেন নানা বিষয়ে ছোট ছোট কথা।
৩.৫/৫ গল্পগ্রন্থের নামই বলে দিচ্ছে বইয়ের মূল বিষয় - পারস্পরিক সন্দেহ, অবিশ্বাস, অনিশ্চয়তা ইত্যাদি।বিষয়বস্তু গুরুগম্ভীর হলেও লেখকের গদ্যশৈলী এর সম্পূর্ণ বিপরীত। জীবনকে গভীর মমত্বপূর্ণ এবং গভীর কৌতুকপূর্ণ দৃষ্টিতে দেখার এক দুর্লভ ক্ষমতা আছে লেখকের। যে কারণে সাধারণ বিষয় নিয়ে লেখা গল্পও অভিনব, স্বাদু ও কখনো কখনো স্মরণীয় হয়ে ওঠে।
মাহবুব মোর্শেদের হিউমার চমৎকার। লেখার গতি দারুণ। খুবই এনগেজিং। তবে গল্পের ফিনিশিং সবগুলির ভালো লাগে নি। "আমার জীবনে দোলন চাঁপা" আর 'দ্বিধা; গল্প দুইটি চমৎকার।