Jump to ratings and reviews
Rate this book

ঝরা পালক

Rate this book
'ঝরা পালক' কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ) কলকাতার সিটি কলেজে টিউটরের চাকুরী করার সময় জীবনানন্দ দাশ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন।

'ঝরা পালক' কাব্যগ্রন্থের ভূমিকায় জীবনানন্দ লিখেছিলেন:
"ঝরা পালকের কতকগুলি কবিতা প্রবাসী, বঙ্গবাণী, কল্লোল, কালি-কলম, প্রগতি, বিজলি প্রভৃৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হইয়াছিলো। বাকিগুলি নূতন।"

96 pages, Hardcover

First published January 1, 1927

38 people are currently reading
806 people want to read

About the author

Jibanananda Das

84 books422 followers
Jibanananda Das (bn: জীবনানন্দ দাশ) is probably the most popular Bengali poet. He is considered one of the precursors who introduced modernist poetry to Bengali Literature, at a period when it was influenced by Rabindranath Tagore's Romantic poetry. During the later half of the twentieth century, Jibanananda Das emerged as the most popular poet of modern Bengali literature. Popularity apart, Jibanananda Das had distinguished himself as an extraordinary poet presenting a paradigm hitherto unknown. It is a fact that his unfamiliar poetic diction, choice of words and thematic preferences took time to reach the heart of the readers. Towards the later half of the twentieth century the poetry of Jibanananda has become the defining essence of modernism in twentieth century Bengali poetry.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
81 (45%)
4 stars
55 (31%)
3 stars
32 (18%)
2 stars
4 (2%)
1 star
5 (2%)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
August 31, 2021

যখন কোনো নতুন কবির জন্ম হয় তখন কবিতা খুব সহজে কবির ধারে কাছে আসতে চায় না। তখন সময় কবিতার। নানা ভাবে সে নবাগত কবির পরীক্ষা নেয়। তখন আর কি করার আছে!?যদি অপরূপা কবিতাকে পেতেই হয় পরিশ্রমতো একটু করতেই হবে! ফলে সেই তরুণ কবিকে আশেপাশে খোঁজ করতে হয়, ধার করতে হয় অলংকার, বুঝতে হয় কবিতার মন।
অবশেষে এই পরীক্ষায় পাশ করলেই কবিতা নিজের থেকে কবির কাছে যাতায়াত শুরু করে :)


আর এই 'ঝরা পালক'কে জীবনানন্দের কবি জীবনের সেই ১ম পরীক্ষার সাথে তুলনা করা যায়। কবিতার বিষয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন আশেপাশের বিভিন্ন বিষয়কে- নবাগত কবিদের আচরণ!
আবার সেই সাথে অধিকাংশ কবিতার শব্দ চয়নে কবি নজরুলের ছাপ পাওয়া যায়।
এই যে,
যৌবনের সুরাপাত্র গরল-মদির
ঢালো নি অধরে তব, ধরা-মোহিনীর
উর্ধ্বফণা মায়া-ভুজঙ্গিনী
আসে নি তোমার কাম্য উরসের পথটুকু চিনি
চুমিয়া চুমিয়া তব হৃদয়ের মধু
বিষবহ্নি ঢালে নিকো বাসনার বধূ
অন্তরের পানপাত্রে তব;
মাঝে মাঝে মনে হচ্ছিল নজরুলের কবিতা পড়ছি। নজরুল যদিও জীবনানন্দের সমসাময়িক কবি ছিলেন কিন্তু কবি নজরুলের পরিচিতি হয়েছিল জীবনানন্দেরও কয়েক বছর আগে। যার কারণে হয়তো জীবনানন্দ দাশ নজরুল দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনানন্দ দাশকেই চিনি কারণ তিনি কবিতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কবিতা যে খুব জলদিই কবির কাছে আসা শুরু করেছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় এই সংকলনের সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয় নামক শেষোক্ত কবিতায়-
চোখ দুটো ঘুমে ভরে
ঝরা ফসলের গান বুকে নিয়ে আজ ফিরে যাই ঘরে!
ফুরায়ে গিয়েছে যা ছিল গোপন,- স্বপন ক’দিন রয়!
এসেছে গোধূলি গোলাপিবরণ,-এ তবু গোধূলি নয়!
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয়,
আমাদের মুখ সারাটি রাত্রি মাটির বুকের’পরে!

ছন্দের মিলযুক্ত কবিতা! :)

**আর প্রচ্ছদের জায়গায় দেয়া কবির এই ছবিটাও এই সংকলনের মতোই একটু অন্যরকম। সব সময় দেখা সেই ছবির মতো নয়। এই ছবির চোখ ঝরা পালকের মতো ম্রিয়মান নয়, পেখম তোলা ময়ূরের মতো রঙিন! হাস্যোজ্জ্বল জীবনানন্দ

~৩ ডিসেম্বর, ২০২০
Profile Image for musarboijatra  .
287 reviews362 followers
January 16, 2023
গাহি মানবের জয়!
__কোটি কোটি বুকে কোটি ভগবান আঁখি মেলে জেগে রয়!
সবার প্রাণের অশ্রু-বেদনা মোদের বক্ষে লাগে,
কোটি বুকে কোটি দেউটি জ্বলিছে__কোটি কোটি শিখা জাগে,
প্রদীপ নিভায়ে মানবদেবের দেউল যাহারা ভাঙে,
আমরা তাদের শস্ত্র, শাসন, আসন করিব ক্ষয়!
__জয় মানবের জয়!

কি? নজরুল? না। জীবনানন্দ। পাক্কা।
প্রথমত, ঐতিহ্য প্রকাশিত 'জীবনানন্দ-রচনাবলি'র প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। প্রতিটি খন্ডে আছে আলাদা করে কাব্যগ্রন্থ, কিছু গল্প, একটা বা দুটো উপন্যাস, প্রবন্ধ, গ্রন্থের বাইরের কবিতা, আর সবশেষে সবচে দরকারি জিনিস- গ্রন্থপরিচয়, পরিশিষ্ট। শাহাদুজ্জামানের 'একজন কমলালেবু' পড়ছিলাম, যেটা উপন্যাসচ্ছলে জীবনানন্দের জীবনীই। লেখক যতখান থেকে তথ্য পেয়েছেন, গুছিয়ে উপস্থাপন করেছেন কাহিনী আকারে। এই যে 'ঝরা পালক', কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ, তার পেছনের গল্পটা কবির জীবনে যথেষ্টই গুরুত্ববহ। দুই বইয়ের তুলনা করে দেখলাম, 'রচনাবলি'তে পেছনের ঘটনা যতটা জানা সম্ভব, আলোচিত হয়েছে। বিশেষত জীবনানন্দের ক্ষেত্রে এইটুকু বেশ দরকারি ছিল। কেন? শুনুন তবে।

জীবনানন্দ দাশ, এই বিষন্ন বাজিকর মানুষটা যত ভেল্কি রেখে গেছেন, দেখিয়েছেন তার সামান্যই। মূলত কবি পরিচয়ের মানুষটার মৃত্যুর পর তার গুপ্তধনসম কয়েকটা ট্রাঙ্ক থেকে যা বের হয়েছিল, তার মর্মোদ্ধারে লেগে ছিলেন কবির বোন সুচরিতা, ভাই অশোকানন্দ, পরে এসে দেবেশ রায়, শঙ্খ ঘোষ, আফসার আহমেদ, আর সর্বাগ্রে ডাক্তার ভূমেন্দ্র গুহ যিনি শেষ বয়েসটা পুরো জীবনানন্দের পান্ডুলিপির ওপর আতশকাঁচ এঁটে বসে থেকে আমাদের এনে দিয়েছিলেন প্রায় আড়াই হাজার কবিতা, শতাধিক গল্প, গোটা বিশেক উপন্যাস, পঞ্চাশটির ওপর প্রবন্ধ। এজন্যই হয়তো, রচনাবলির প্রতি খন্ডে কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও সংযোজিত 'অন্যান্য কবিতা'র পরিধি সব মিলিয়ে সব কাব্যগ্রন্থের চেয়েও অনেক বেশিই। আবিষ্কারে আরও ছিল প্রায় চার হাজার পৃষ্ঠার ডায়েরী, যাকে তিনি বলেছেন 'Literary Notes' (কেবল এই বস্তুটাই রচনাবলিতে নাই! আফসোস!)। ১৯১৯ সালে প্রথম কবিতা ছাপা হলো তাঁর, মায়ের পছন্দের 'ব্রহ্মবাদী' পত্রিকায় তাঁরই অনুরোধে...সেই কবিতার পর গেল দীর্ঘ, দীর্ঘ নিরবতা। ওই নিরব সময়ের একান্ত কোমর-বাঁধা প্রস্তুতিরই অংশ 'লিটেরারি নোটস'। সাহিত্য ধারায় আলোড়ন ফেলে দেওয়া এই কবির প্রথম কবিতাটা প্রকাশিত হয় তাঁর বিএ পাসেরও পরে, আর তার পর ছয় বছরের নিরবতার পর সাহিত্যে আত্নপ্রকাশের দলিল, জীবনানন্দের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ঝরা পালক'।

তখন ১৯২৭ সাল, নব্য অখ্যাত লেখক জীবনানন্দ পত্রিকায় ছড়িয়ে থাকা তার কবিতাগুলো নিয়ে বই বের করতে চাইছিলেন। কোনো প্রকাশক না পেয়ে শেষে নিজ খরচেই বই বের করলেন, নাম 'ঝরা পালক'। প্রথম কবিতায়ই লিখেছেন:

"আমি কবি, __সেই কবি__
আকাশের পানে আঁখি তুলি হেরি ঝরা পালকের ছবি!"

তো, প্রথম আত্নপ্রকাশে 'সভা-কবিদে'র রোষেই পড়তে হয়েছিল তাকে। সাময়িক কবি সমালোচকরা বটেই, এক কপি ঝরা পালক আর কবির চিঠি পেয়ে বরাবর সবার প্রশংসা করা শান্ত রবীন্দ্রনাথও জবাব পাঠিয়েছিলেন,
"কল্যাণীয়েষু,
তোমার কবিত্বশক্তি আছে তাতে সন্দেহমাত্র নাই। কিন্তু ভাষা প্রভৃতি নিয়ে এত জবরদস্তি কর কেন বুঝতে পারি নে। কাব্যের মুদ্রাদোষটা ওস্তাদীকে পরিহাসিত করে।
বড়ো জাতের রচনার মধ্যে একটা শান্তি আছে, যেখানে তার ব্যাঘাত দেখি সেখানে স্থায়িত্ব সম্বন্ধে সন্দেহ জন্মে। জোর দেখানো যে জোরের প্রমাণ তা নয় বরঞ্চ উলটো।
ইতি
শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।"

জীবনানন্দ বরিশালের মানুষ। বরিশালের ভাষায় একটা কথা আছে, "ক্যান, ঠেকলাম কিসে, আমি কারো মাহা(মাখা) তামাক খাই?" জীবনানন্দ ঠিক তেমনি 'ঠেকলাম কিসে' ভঙ্গিতে শ্রদ্ধাসহ চিঠিতে ভেঙে দিয়েছেন গুরুদেবের যুক্তি।

সে অনেক কথা। না কবির প্রথম বই ছিল আর সব কবিতার মতো, না মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল অনুকূল। চাকরি হারালেন, তীব্র সাহিত্য-সমালোচনা সইলেন। বেরসিক সমালোচকেরা 'জীবানন্দ' নামেও ডাকলো কয়দিন। এগিয়ে এসেছিলেন কেবল বুদ্ধদেব বসু। সে কাহিনী কবিতা-পাঠকদেরও অল্পবিস্তর পড়া চাই, তবে আজকে কেবল ঝরা পালকের কথাই বলে যাব।

একে একে বনলতা সেন, সাতটি তারার তিমির, মহাপৃথিবী পড়ার পর ঝরা পালক ধরে মনে হলো- এ নেহায়েত আলাদা। না, সাতটি তারার তিমিরের মতো আলাদা না, বরং প্রথম কবিজীবনের অপরিণতাবস্থার জন্য আলাদা। মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উপস্থিতি ছাড়াও নজরুলের প্রভাব লক্ষণীয় ছিল।

এই যে, কাজী নজরুল ইসলাম আর জীবনানন্দ দাশের তুলনাটা মজারই দেখাবে। দুজনে একই সময়ের কবি, জন্ম ১৮৯৯ সালেই। একই সমাজের পরিবর্তনে দুজনের প্রতিক্রিয়া হলো বিপরীত। নজরুল হয়ে উঠলেন উদ্দাম, বিপ্লবী, উচ্চকণ্ঠ আর জীবনানন্দ হয়ে গেলেন নির্জন, নিভৃতচারী, নিম্নকন্ঠ। নজরুল যেখানে ময়দান কাঁপাচ্ছেন, নিরবে জীবনানন্দ স্নায়ুতাড়িত হয়ে নিজের ভান্ডার সাজাচ্ছেন। পূর্ব বঙ্গে বেড়ে ওঠা জীবনানন্দ মৃত্যুর আগে স্থানান্তরিত হন পশ্চিমবঙ্গে, আর পশ্চিমের নজরুলের শেষ ঠাঁই এই বাংলাদেশ। এই যে, নজরুল হয়ে গেলেন আমাদের জাতীয় কবি, এই সবই রাজনীতির খাতিরে, তাতে দুই কবির ওপর দুই বাংলার দাবি কমে না। সম বয়সী কবিদ্বয়ের কখনো দেখা হয় নি, বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের নজরুলের সাথে জীবনানন্দ ���েঁষতেও চান নি, কিন্তু ঝরা পালকের জীবনানন্দকে ভালোমতোই নজরুল-প্রভাবিত মনে হয়েছিল আমার।

একাকী রয়েছি বসি,
নিরালা গগনে কখন নিভেছে শশী
পাইনি যে তাহা টের!
দূর দিগন্তে চলে গেছে কোথা খুশরোজী মুসাফের!
কোন সুদূরের তুরানী প্রিয়ার তরে
বুকের ডাকাত আজিও আমার জিঞ্জিরে কেঁদে মরে!
দীর্ঘ দিবস বয়ে গেছে যারা হাসি-অশ্রুর বোঝা
চাঁদের আলোকে ভেঙেছে তাদের 'রোজা',
আমার গগনে ঈদরাত কভু দেয়নি যে হায় দেখা,
পরানে কখনো জাগেনি 'রোজা'র ঠেকা

নজরুল বলে ভুলটা যে কেউ করবেই।
সমবয়সী দুই কবির যোগাযোগটা কেবল এখানেই না, আরো ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা প্রাপ্তির আগে, পুজোর আগে 'দৈনিক স্বরাজ' পত্রিকা নজরুল-সংখ্যা প্রকাশ করেছিল, যার রবিবারের পাতার সম্পাদক ছিলেন জীবনানন্দ। নজরুল তখন স্মৃতিশক্তিরহিত, আর জীবনানন্দ খ্যাতিতে তাঁর কাছে না পৌঁছালেও কবি, তাই তাকে সম্পাদক হিসেবে নজরুলকে নিয়ে লিখতেই হতো। 'নজরুল ইসলাম' শীর্ষক সে রচনাটি প্রকাশিত আর হয়নি, প্রুফই রয়ে গিয়েছিল; এবং এই প্রবন্ধটিই শেষ বিচারে অন্যান্য কারণের সাথে যুক্ত হয়ে 'স্বরাজ'এর চাকরি থেকে জীবনানন্দের বরখাস্ত হওয়ার উপলক্ষ্য হয়ে ওঠে।

আর নজরুল?
কবি আবুল হোসেন একবার কথায় কথায় নজরুলকে বলেছিলেন, "জীবনানন্দ দাশ তো বলেন উপমাই কবিতা। আপনার কি মত?" নজরুল হাসতে হাসতে উত্তর দিয়েছিলেন, "তোমাদের এখন আর 'মা'তে হচ্ছে না, 'উপ'মা দরকার?"
কখনো দেখা না পাওয়া জীবনানন্দকে নজরুল কখনোই গুরুত্বের সাথে নেন নি।

রিভিউ লেখার সময় : ১৩/০৬/২০১৮
Profile Image for Rubell.
189 reviews23 followers
August 7, 2021
জীবনাননন্দ দাশের প্রথম কবিতার বই 'ঝরা পালক'। নিজ কবিপ্রতিভার আলোয় তিনি তখনও উদ্ভাসিত হননি। রবীন্দ্রনাথের প্রভাববলয় ছিন্ন করা তরুণ কবি নজরুলের প্রভাব বলয়ে আটকে গিয়েছিলেন উদীয়মান কবি জীবনানন্দ দাশ। ঝরা পালকের শব্দচয়নে নজরুলের প্রভাব প্রকট; আর নজরুলের কবিতাগুলির মতই ছন্দিত এই কবিতাগুলি।
আশা করছি খুব শীঘ্রই জীবনানন্দ নিজেকে খুঁজে পাবেন, তাঁর চোখ দিয়ে আমরা দেখবো বাংলার রূপ।

যাহোক, আজকের দিনে যদি এই কবিতার বই প্রকাশ পেতো, জীবনানন্দকে লোকে 'গরিবের নজরুল' বলে ফোড়ন কাটতো।
Profile Image for Afra Anan Anan Saba.
117 reviews27 followers
April 2, 2020
কবিতাগুলো ঠিক জীবনানন্দের চিরাচরিত লেখার মতো নয়, বরং একটু নজরুল প্রভাবিত ছন্দের মিলযুক্ত।
Profile Image for Md Ishtiaque Yunus.
49 reviews
April 17, 2020
আমার পড়া দ্বিতীয় কবিতার বই। প্রায় কিছুই বুঝিনি, তবু পড়তে ভালো লেগেছে
Profile Image for Sutapa Bhattacharya.
62 reviews29 followers
January 18, 2017
Jhara Palak (Fallen Feathers) is the first published collection of poems by Jibanananda Das, one of my all-time favourite poets.
In this book Jibanananda is more of an explorer, an adventurer, a young romantic rebel than he is a pensive, mystic and surrealist poet in his later works. However, recurring themes in his later works like his boundless love for nature, his fascination with forgotten chapters of history, his obsessive interest in death, his wanderlust and yet the craving for returning home (in a broad sense homeland) at the end of the day (or life), are delightfully present in this book as well. The imagery is poignant, full og lyrical quality. He has worshipped the lives of common people and the rebellious youth. Two heartfelt eulogies dedicated to Swami Vivekananda and Deshbandhu Chittaranjan Das are included in the volume.
In terms of writing style the influence of Rabindranath Tagore and Satyendranath Dutta and in terms of theme and usage of words the influence of Das's contemporary poet Nazrul Islam are quite apparent. Jhara Palak is the work of a great poet in making, a poet who has not yet found his signature style but has created a beautiful body of work while on the quest for it.
I thoroughly enjoyed the book. However, I missed the poet whose later works melted my heart as if with a magic wand.
Profile Image for Pathok Bolchi.
97 reviews5 followers
February 7, 2023
জীবনানন্দের জগৎ চির অন্বিষ্টের জগৎ, চিরচলার জগৎ, পথিকচিত্ততা আর নাবিক চিত্ততার জগৎ।
'ঝরা পাল' থেকে 'বেলা-অবেলা-কালবেলা' পর্যন্ত কবি অনিঃশেষভাবে খুঁজে চলেছেন তাঁর জগৎ-যা তাঁর বিশ্বাস, বোধ ও বোধির জগৎ। 'ঝরাপালক' কাব্যগ্রন্থে শিল্পগত পরিশুদ্ধির অভাব হয়তো আছে; কিন্তু এ পরিশুদ্ধিহীনতার জগৎ থেকে কবির অন্বেষণ শুরু হয়ে যায় পরবর্তীকালের জন্য। জীবনানন্দের বোধের জগতে ‘বনলতা সেন' যদি চূড়ান্ত সিদ্ধি করায় ও করে, তবে ‘ঝরাপালকে’ তার সূচনা; আর ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘মহাপৃথিবী’, সাতটি তারার তিমির; ‘রূপসী বাংলা’ ও ‘বেলা-অবেলা-কালবেলা'তে তার ক্রম-বিস্তার্যমানতা।

'ঝরাপালক' কাব্যগ্রন্থের অনেক কবিতায় যতীন্দ্রনাথ, মোহিতলাল ও নজরুলের প্রভাব থাকলেও জীবনানন্দ যেন এখান থেকেই তাঁর মৌলিক যাত্রাপথ খুঁজতে প্রয়াসী। আলোচ্য কাব্যেই কবির পথিকবৃত্তির প্রতীক করধৃত হয়, তাঁর জগৎ গড়ে উঠতে থাকে রূপকথার জগৎকে অবলম্বন করে এমনকি কবিতার রূপকল্প ও বাণীভঙ্গিমাও তাঁকে চিনে নিতে সাহায্য করে।

জীবনানন্দ পরবর্তীকালে ‘ঝরাপালকে’র গুরুত্ব স্বীকার করেননি। তবে তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠ কবিতায় ‘নীলিমা’, ‘পিরামিড এবং ‘সেদিন এ ধরণীর’ কবিতা তিনটিকে স্থান দিয়েছিলেন। এ তিনটি কবিতাকে কেন শ্রেষ্ঠ কবিতার অন্তর্ভুক্ত করা হলো তার আলোচনা প্রসঙ্গে সঞ্জয় ভট্টাচার্য মন্তব্য করেছেন-“সমাজ জীবনের তাৎপর্যময় দিকে যেমনি তাঁর মন জাগ্রত, তেমনি সমসামরিক কবিদের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা বোধেও কিন্তু তাঁর কবি-স্বভাবের ভিত্তি এখানে নয়। তা সম্ভবত পাওয়া যাবে ‘ঝরাপালক' থেকে পরবর্তীকালে তাঁর শ্রেষ্ঠ কবিতা সংকলনে, তিনি নিজে যে কবিতাগুলো নির্বাচিত করেছেন; ‘নীলিমা’, পিরামিড' এবং 'সেদিন এ ধরণীর'। তাঁর স্বাবলম্বনের সঙ্গে পরিচিত হওয়া সম্ভবপর ঐ কবিতাগুলো পড়ে এবং রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে জীবনানন্দের মানসিকতার পার্থক্যও ঐ কবিতাগুলো থেকেই উপলব্দি করা সহজ। আলোচ্য 'ঝরাপালকের' ‘নীলিমা" কবিতাটি সম্পর্কে কবি-সমালোচক বুদ্ধদেব বসু বলেছেন-“কিছুকাল পূর্বে জীবনানন্দ দাশগুপ্ত স্বাক্ষরিত 'নীলিমা' নামে একটি কবিতা 'কল্লোলে' আমরা লক্ষ্য করেছিলাম। কবিতাটিতে এমন একটি সুর ছিল যার জন্য লেখকের নাম ভুলতে পারিনি।...এ চরিত্রবান নতুন কবিকে অভিনন্দন জানিয়ে ধন্য হলাম আমরা।'

‘ঝরাপালক' জীবনানন্দের পরিণত কবি-প্রতিভার স্বাক্ষর না হলেও কবিতার রাজ্যে অনুল্লেখ্য নয়। ‘ঝরাপালক’ জীবনানন্দীয় কাব্যদিগন্তে না হলেও বাংলা কবিতার ক্ষেত্রে প্রতিভার ক্রমোন্মোচনের স্বাভাবিক অধ্যায়-যেখানে কবি সমকালীনতার সঙ্গে কাব্যপ্রতিমার অবয়বে নতুন মধুরিমা রচনার প্রয়াসে ব্রতী! এ কাব্যে কবির কণ্ঠে মানবতার বন্দনা গান ধ্বনিত, ‘পতিতা’ কবিতায় নারীত্বের জয়গান উচ্চারিত। জীবনানন্দ সকলের সঙ্গে সহমর্মিতা স্থাপন করতে চান- ‘সবার প্রাণের অশ্রু বেদনা মোদের বক্ষে লাগে।” এমনকি ‘কবি’ কবিতাটির অনেক ছত্র ‘রূপালী বাংলার’ কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-
ঘুম কুমারীর মুখে চুমো খায় যখন আকাশ;
যখন ঘুমায়ে থাকে টুনটুনি, মধু, মাছি, ঘাস,
হাওয়ার কাতর শ্বাস থেমে যাবে আমলকী সাড়ে,
বাঁকা চাঁদ ডুবে যায় বাদলের মেঘের আঁধারে,
তেঁতুলের শাখে শাখে বাদুড়ের কালো ডানা ভালে।

‘ঝরা পালক’-এর কাল থেকেই সময় চেতনা জীবনানন্দের কাব্য-ভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করছে। নগর-জীবনের প্রাথমিক সাক্ষাৎকারজনিত প্রতিক্রিয়া, সমসাময়িক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রগাঢ় অনিশ্চয়তা, প্রথম মহাযুদ্ধোত্তর বিপর্যয় কবির চিত্তদেশে যে আবহমণ্ডল রচনা করেছে, তার প্রকাশ আছে আলোচ্য কাব্যে। জীবনানন্দ তাঁর কালে স্বদেশীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতীয় অভিজ্ঞতা থেকে যে চেতনা লাভ করেছিলেন, তা-ই আলোচ্য কাব্যে ��ূপায়িত হতে শুরু করেছে। 'ঝরাপালক' একার্থে কবির চিত্তনির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।

আবারও বেশ বকলাম তাই না? কী করব বলুন। জীবনানন্দ কে নিয়ে তো আর দুটো কথায় শেষ করা যায় না।যায় নাকি?

কাছের যাদেরকে ভাবেন তাদেরকে সময় দেন। খালি বই পড়িয়েন না। জীবনানন্দ কিন্তু ভালোবাসি বলতে পারেন নি কিন্তু আপনি পারবেন।
তাদের সাথে কথা বলুন।জীবনানন্দ যেমন কবিতায় বলেছেন,ভালো থেকো, ভালোবাসা।আপনিও বলুন।
যারা এই বকবক পড়লেন তারা আমার ভালোবাসা জানুন। এই কাব্য সম্ভাব্য সবথেকে বেশি কঠিন কঠিন শব্দ। পড়তে গিয়ে নিজের জানা শোনার প্রতি যে বিশ্বাস ছিল তা ভেঙে যেতে বসেছিল যদি না অভিধানেও সেই শব্দের মানে খুঁজে না পেতাম।হাহাহা।

ভালো থাকুন। তবে একটা সাজেশন দেই, জীবনানন্দের কবিতার বই পড়লে আগে এই 'ঝরা পালক' বইটি কখনো পড়বেন না তাহলে কবিতার প্রতি বিতৃষ্ণা জন্মাতেও পারে।
Profile Image for Kumkum Ghosh.
19 reviews5 followers
August 21, 2023
নির্জনতায় অবগাহন করতে যিনি আজীবন একক পরিভ্রমণে বেড়িয়েছিলেন -- প্রকৃতির মাঝে রূপের অন্বেষণে যিনি বাংলার গাছ পাখি ফুল নদীর সাথে দু- দন্ড কাটাতে চেয়েছিলেন --তুমুল হৃদয়ের প্রগাঢ় সমাচার যিনি অন্তর্লীন গভীর বেদনায় অনুভব করেছেন ---এইখানেই তিনি আছেন --শিশিরভেজা ঘাসের সবুজে, কলকাতার মায়াবী ট্রামলাইন,তন্বী বনলতা শ্রাবস্তী মুখে নীলাভ তারার আলো --তিনি আজ ও পথ হাঁটছেন হিরন্ময় সকালের রোদ্দুর খুঁটে যাত্রা করেছেন ধানসিড়ি সায়াহ্ন তীরে -------তিনি জীবনানন্দ দাশ
Profile Image for Kamol Uddin.
51 reviews2 followers
Read
January 11, 2024
আমি কবিতা বুঝি না বললেই চলে। তবুও কিছু কবিতার বই পড়ার ইচ্ছে করেছি এ বছর। তার অংশ হিসেবে জীবনানন্দ দাশের ‘ঝরা পালক’ কাব্যগ্রন্থটি পড়লাম।

এ বইটাও তেমন বুঝিনি। পড়ে শেষ করলাম এতেই আনন্দ পাচ্ছি। কবিতা বুঝার আকাঙ্ক্ষা বাড়ছে।

কমল উদ্দিন
১০ জানুয়ারি, ২০২৪
1 review
April 21, 2019
Too Good
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for HR Habibur Rahman.
284 reviews55 followers
January 18, 2023
প্রথমের বেশ কয়েকটি কবিতার মর্মার্থ বুঝতে তিনচারটা ডিকশিনারির প্রোয়োজন (যদিও সেই কষ্ট করা হয়নি, তাই বুঝাও হয়নি) হলেও পরের কবিতা গুলো খুবই সাবলীল আর চমৎকার।
Profile Image for Huzaifa Aman.
151 reviews5 followers
September 30, 2025
বেশি কিছু না , শুধু বলতে চাই ,,,উপমার নিদারুণ ব্যবহার হয়েছে ঝরা পালকে।
Profile Image for Mithun Samarder.
156 reviews2 followers
August 12, 2020
বার বার পড়তে চাই পড়েই যেতে চাই
Displaying 1 - 15 of 15 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.