What do you think?


দরজাটা খোলো
80 pages, Unknown Binding
About the author
Serajul Islam Choudhury
136 books62 followersSerajul Islam Choudhury (In Bengali সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী) is an eminent Littérateur, professor emeritus of University of Dhaka.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
February 12, 2024
একুশে ফেব্রুয়ারির মূল কথাটা কী? "মূল কথাটা হচ্ছে মানুষের মত বাঁচা। সেটাই দাবি। আমরা বাঁচতে চাই। মানুষের মতো বাঁচতে চাই। কিন্তু মানুষের মতো বাঁচার অর্থটা কী?
মানুষের মতো বাঁচা অর্থ হল, আমরা পশুর মতো থাকবো না। আমরা যখন খেতে পাই না,কাপড় পাই না,থাকবার জায়গা পাই না,তখন আমরা মানুষ থাকি না,পশু হয়ে যাই। অমানুষ হয়ে পড়ি। (গল্প- দরজাটা খোলো)
" দরজাটা খোলো " সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর "কিশোর গল্পগ্রন্থ"। আমি জানতাম,ভদ্রলোক শুধু কলাম,প্রবন্ধ এই ধরনের লেখা বা বই লিখেন। তাই উনার কিশোর গল্প সংকলন দেখে বেশ অবাক হয়েছি।
সবচে বেশি চমৎকৃত হয়েছি গল্পগুলো পড়তে গিয়ে,কারণ চিরায়ত বিষয়-আশয় যা ছোটদের লেখায় থাকে,সেগুলো অনুপস্থিত। বেশ অন্য ভাবে লেখা। লেখক শুধু গল্প লিখতে চান নি,তিনি চেয়েছেন ছোটদের মনে একটা ভাবনার বীজ বপন করে দিতে। যাতে তারা ভাবতে শিখে।
বইয়ের প্রথম গল্প " দরজাটা খোলো"। গল্পটা কিশোর রিঙ্কু'র। সে চার পাশে অমানুষগুলো কে দেখে,তাদের কাজকর্ম দেখে,এসব তার ছোট্ট মনে দাগ কেটে যায়। রিঙ্কু এসব মানুষ বেশে অমানুষ হতে চায় না,সে চায় মানুষের মত মানুষ হতে পাশাপাশি মানুষরা যে বিবেক বুদ্ধি থাকার পরেও কেন হিংস্র পশু হয়ে যায় তার উত্তরও খুঁজতে থাকে...
আরেকট গল্প আছে "নীলুর সমুদ্র দেখা"। এই গল্পের মূল চরিত্র দুইজন নীলু আর ছোটী। ছোটী হচ্ছে বিহারী। দুই প্রান্তের দুইটা কিশোরী। ওদের বন্ধুত্ব হয়। তারা বেড়ে উঠে। এর মধ্যে আসে যুদ্ধের মত বড় ঝঞ্ঝা। তখন বিহারী আর বাঙালির হয়ে যায় সাপেনেউলে সম্পর্ক। অথচ বন্ধুত্ব কত সুন্দর জিনিস,হাজার বৈরীতা ও দুই বন্ধু'র সম্পর্কে ঘুণ ধরাতে পারে নি। সব কিছু ভুলে ওরা বন্ধু, এটাই বড় হয়ে ছিল।
এরকম চমৎকার আটটা গল্প আছে। সব গুলো গল্প নিয়ে আলাদা ভাবে কথা বলা যাবে। ছোটদের জন্য এভাবেই লেখা উচিত,যাতে ওরা গতানুগতিক জিনিস না করে, ভাবতে শিখে। যদিও " দরজাটা খোলো " কে কিশোরদের বই বলব না,এটা সব বয়সী পাঠকের খোরাক হতে বাধ্য। এত ভালো বই,অথচ বইটার কোন প্রচারণা নেই,কাউকে পড়তে দেখি না। আমি ও পড়তে পারতাম না,যদি আমার বড় ভাই না দিতেন। ভালো বই গুলো এভাবে পাঠকের অন্তরালে থেকে যায় আর দুনিয়ার বস্তাপঁচা জিনিস নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে।
মানুষের মতো বাঁচা অর্থ হল, আমরা পশুর মতো থাকবো না। আমরা যখন খেতে পাই না,কাপড় পাই না,থাকবার জায়গা পাই না,তখন আমরা মানুষ থাকি না,পশু হয়ে যাই। অমানুষ হয়ে পড়ি। (গল্প- দরজাটা খোলো)
" দরজাটা খোলো " সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর "কিশোর গল্পগ্রন্থ"। আমি জানতাম,ভদ্রলোক শুধু কলাম,প্রবন্ধ এই ধরনের লেখা বা বই লিখেন। তাই উনার কিশোর গল্প সংকলন দেখে বেশ অবাক হয়েছি।
সবচে বেশি চমৎকৃত হয়েছি গল্পগুলো পড়তে গিয়ে,কারণ চিরায়ত বিষয়-আশয় যা ছোটদের লেখায় থাকে,সেগুলো অনুপস্থিত। বেশ অন্য ভাবে লেখা। লেখক শুধু গল্প লিখতে চান নি,তিনি চেয়েছেন ছোটদের মনে একটা ভাবনার বীজ বপন করে দিতে। যাতে তারা ভাবতে শিখে।
বইয়ের প্রথম গল্প " দরজাটা খোলো"। গল্পটা কিশোর রিঙ্কু'র। সে চার পাশে অমানুষগুলো কে দেখে,তাদের কাজকর্ম দেখে,এসব তার ছোট্ট মনে দাগ কেটে যায়। রিঙ্কু এসব মানুষ বেশে অমানুষ হতে চায় না,সে চায় মানুষের মত মানুষ হতে পাশাপাশি মানুষরা যে বিবেক বুদ্ধি থাকার পরেও কেন হিংস্র পশু হয়ে যায় তার উত্তরও খুঁজতে থাকে...
আরেকট গল্প আছে "নীলুর সমুদ্র দেখা"। এই গল্পের মূল চরিত্র দুইজন নীলু আর ছোটী। ছোটী হচ্ছে বিহারী। দুই প্রান্তের দুইটা কিশোরী। ওদের বন্ধুত্ব হয়। তারা বেড়ে উঠে। এর মধ্যে আসে যুদ্ধের মত বড় ঝঞ্ঝা। তখন বিহারী আর বাঙালির হয়ে যায় সাপেনেউলে সম্পর্ক। অথচ বন্ধুত্ব কত সুন্দর জিনিস,হাজার বৈরীতা ও দুই বন্ধু'র সম্পর্কে ঘুণ ধরাতে পারে নি। সব কিছু ভুলে ওরা বন্ধু, এটাই বড় হয়ে ছিল।
এরকম চমৎকার আটটা গল্প আছে। সব গুলো গল্প নিয়ে আলাদা ভাবে কথা বলা যাবে। ছোটদের জন্য এভাবেই লেখা উচিত,যাতে ওরা গতানুগতিক জিনিস না করে, ভাবতে শিখে। যদিও " দরজাটা খোলো " কে কিশোরদের বই বলব না,এটা সব বয়সী পাঠকের খোরাক হতে বাধ্য। এত ভালো বই,অথচ বইটার কোন প্রচারণা নেই,কাউকে পড়তে দেখি না। আমি ও পড়তে পারতাম না,যদি আমার বড় ভাই না দিতেন। ভালো বই গুলো এভাবে পাঠকের অন্তরালে থেকে যায় আর দুনিয়ার বস্তাপঁচা জিনিস নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে।
Displaying 1 - 1 of 1 review


