What do you think?


রহমান আরশের উপর উঠেছেন
রহমান আরশের উপর উঠেছেন বই থেকে…..
ইমাম যাহাবী বলেন,
আমি আমার উস্তাদ কাযী আবু মুহাম্মাদ আল-মা’আররীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইমাম আবু মুহাম্মাদ ইবন কুদামাহ আল-মাকদেসী বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমার কাছে ইমাম আবু হানীফা রাহিমাহুল্লাহ থেকে এ সংবাদ পৌঁচেছে যে, তিনি বলেছেন,
যে কেউ আল্লাহ তা’আলার উপরে থাকাকে অস্বীকার করবে সে কাফের হয়ে যাবে।
তদ্রূপ মোল্লা আলী আল-কারী বর্ণনা করেন, ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ তার ওয়াসিয়্যাহ কিতাবে বর্ণনা করেন,
আমরা স্বীকৃতি দেই যে, আল্লাহ তা’আলা আরশের উপরে উঠেছেন, তবে সেটার প্রতি প্রয়োজনীয়তা কিংবা সুস্থিরতার জন্য, তিনি তো আরশ ও আরশ ব্যতীত সবকিছুর সংরক্ষক।
যদি তিনি মুখাপেক্ষী হতেন তাহলে জগত সৃষ্টি ও তা পরিচালনা করতে সক্ষম হতেন না, সৃষ্টির মতো। আর যদি তাঁর বসা কিংবা সুস্থির হওয়ার প্রয়োজন হতো তবে আরশের সৃষ্টির পূর্বে তিনি কোথায় ছিলেন? সুতরাং তিনি তা থেকে পবিত্র, ও অতি উঁচু।
ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ পৃষ্ঠা নাম্বার ( ১৬৬-১৬৭)
.
.
আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে যেসব বড় বড় নি‘আমত প্রদান করেছেন তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, তিনি আমাদের জন্য তাঁর দীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন, আকীদাহকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শরী‘আতকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দীনের মধ্যে যা কিছুর প্রয়োজন আমাদের হবে, সেসবই তিনি নিজে বর্ণনা করেছেন, রাসূলের যবানীতে ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন।
কোনো সন্দেহ নেই যে, সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ জ্ঞান হচ্ছে আকীদাহ বিষয়ক জ্ঞান। আর আকীদাহ বিষয়ক জ্ঞান বলতে সে জ্ঞানকে বুঝায়, যা আল্লাহ তা‘আলার সাথে সম্পৃক্ত। আল্লাহ তা‘আলা সংক্রান্ত জ্ঞানই হচ্ছে তাওহীদের জ্ঞান। তাওহীদ মানেই হচ্ছে, আল্লাহর সত্তা, নাম, গুণ, কর্ম ও অধিকার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ। তন্মধ্যে প্রথমেই আসে আল্লাহ তা‘আলার সত্তা, নাম ও গুণ সম্পর্কে জানা। ‘আল্লাহর ‘আরশের উপর উঠা’ এ আকীদাহটি এ তিনটি অংশের সাথেই ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। আল্লাহর সত্তা, নাম ও গুণ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলেই আকীদাহ’র বাকী বিষয়গুলো জানা সহজ হয়, নতুবা অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানোর মতো অবস্থা হয়।
উক্ত গ্রন্থে আল্লাহর আরশের উপর উঠা নিয়ে কুরআন সুন্নাহ এবং সালাফদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
ইমাম যাহাবী বলেন,
আমি আমার উস্তাদ কাযী আবু মুহাম্মাদ আল-মা’আররীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইমাম আবু মুহাম্মাদ ইবন কুদামাহ আল-মাকদেসী বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমার কাছে ইমাম আবু হানীফা রাহিমাহুল্লাহ থেকে এ সংবাদ পৌঁচেছে যে, তিনি বলেছেন,
যে কেউ আল্লাহ তা’আলার উপরে থাকাকে অস্বীকার করবে সে কাফের হয়ে যাবে।
তদ্রূপ মোল্লা আলী আল-কারী বর্ণনা করেন, ইমাম আবু হানিফা রাহিমাহুল্লাহ তার ওয়াসিয়্যাহ কিতাবে বর্ণনা করেন,
আমরা স্বীকৃতি দেই যে, আল্লাহ তা’আলা আরশের উপরে উঠেছেন, তবে সেটার প্রতি প্রয়োজনীয়তা কিংবা সুস্থিরতার জন্য, তিনি তো আরশ ও আরশ ব্যতীত সবকিছুর সংরক্ষক।
যদি তিনি মুখাপেক্ষী হতেন তাহলে জগত সৃষ্টি ও তা পরিচালনা করতে সক্ষম হতেন না, সৃষ্টির মতো। আর যদি তাঁর বসা কিংবা সুস্থির হওয়ার প্রয়োজন হতো তবে আরশের সৃষ্টির পূর্বে তিনি কোথায় ছিলেন? সুতরাং তিনি তা থেকে পবিত্র, ও অতি উঁচু।
ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ পৃষ্ঠা নাম্বার ( ১৬৬-১৬৭)
.
.
আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে যেসব বড় বড় নি‘আমত প্রদান করেছেন তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, তিনি আমাদের জন্য তাঁর দীনকে পূর্ণ করে দিয়েছেন, আকীদাহকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, শরী‘আতকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দীনের মধ্যে যা কিছুর প্রয়োজন আমাদের হবে, সেসবই তিনি নিজে বর্ণনা করেছেন, রাসূলের যবানীতে ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন।
কোনো সন্দেহ নেই যে, সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ জ্ঞান হচ্ছে আকীদাহ বিষয়ক জ্ঞান। আর আকীদাহ বিষয়ক জ্ঞান বলতে সে জ্ঞানকে বুঝায়, যা আল্লাহ তা‘আলার সাথে সম্পৃক্ত। আল্লাহ তা‘আলা সংক্রান্ত জ্ঞানই হচ্ছে তাওহীদের জ্ঞান। তাওহীদ মানেই হচ্ছে, আল্লাহর সত্তা, নাম, গুণ, কর্ম ও অধিকার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ। তন্মধ্যে প্রথমেই আসে আল্লাহ তা‘আলার সত্তা, নাম ও গুণ সম্পর্কে জানা। ‘আল্লাহর ‘আরশের উপর উঠা’ এ আকীদাহটি এ তিনটি অংশের সাথেই ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। আল্লাহর সত্তা, নাম ও গুণ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলেই আকীদাহ’র বাকী বিষয়গুলো জানা সহজ হয়, নতুবা অন্ধকারে হাতড়ে বেড়ানোর মতো অবস্থা হয়।
উক্ত গ্রন্থে আল্লাহর আরশের উপর উঠা নিয়ে কুরআন সুন্নাহ এবং সালাফদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
552 pages, Hardcover
Published January 1, 2020
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
No one has reviewed this book yet.

