Jump to ratings and reviews
Rate this book

সংস্কৃতি

Rate this book

64 pages, Paperback

Published December 1, 2014

8 people want to read

About the author

Badruddin Umar

92 books34 followers
Umar received his MA in Philosophy from Dhaka University and his BA Honors degree in PPE (Philosophy, Politics and Economics) from Oxford University. Umar began his academic career as a teacher at Dhaka University on a temporary basis. In 1963, he joined Rajshahi University as the founder-chair of the Political Science department. He also founded the department of Sociology at the same university, but he resigned from his university positions during the hostile times of the then East Pakistan governor Abdul Monem Khan to become increasingly more active and engaged as a full-time leftist political activist and public intellectual to fight for the cause of oppressed peasants and workers in Bangladesh.

As a follower of Marxist-Leninist principles, Umar began writing anti-colonial articles from the 1970s. In the 1960s he wrote three groundbreaking books––Sampradayikata (Communalism, 1966), Sanskritir Sankat (The Crisis of Culture, 1967), and Sanskritik Sampradayikata (Cultural Communalism, 1969)––that theorize the dialectics of the political culture of ‘communalism’ and the question of Bengali nationalism, thus making significant intellectual contributions to the growth of Bengali nationalism itself. In 1969, Umar joined the East Pakistan Communist Party (Marxist-Leninist), and from February 1970 to March 1971, Umar edited the mouthpiece of the East Pakistan Communist Party––Saptahik Ganashakti—which published essays and articles about the problems and prospects of the communist movement in Pakistan. He was president of both Bangladesh Krishak Federation (Bangladesh Peasant Federation) and Bangladesh Lekhak Shibir–the country’s oldest organisation of progressive writers, intellectuals, and cultural activists.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (100%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Ahmed Atif Abrar.
721 reviews12 followers
September 18, 2021
বাম-ডান মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমানার ভেতর যত বুদ্ধিজীবী আছেন, তাঁদের মধ্যে যে-কয়জন হাতেগোনা মানুষ ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য দেন—বদরুদ্দীন উমর তাঁদের মধ্যে একজন। এটা তাঁর সেই অধ্যুষ্ট পত্রিকা—এখনো চলমান, উমরের বয়স এখন ৮৯ বছর। সাময়িক হুজুগ তৈরির উসকানি দেন না, দিতে চেষ্টা করেন দূরগামী কোনো উসকানি। হিম্মৎ আছে তাঁর ও তাঁর সহযোগীদের। কেমন সেই ভারসাম্যপূর্ণ কথা? যেমন: মুসলমানরা নির্যাতিত হলে, ইতিহাসে উপেক্ষিত হলে তার কথা আছে; আবার ইসলামপন্থিরা অপরাধ করলে, ধর্মদ্রোহিতা বা ধর্মানুভূতির ফেনা তুললে সেটার কথাও আছে। এ জাতীয় পত্রিকা কোনো জমায়েতে নিয়ে গিয়ে অবিসংবাদিত হায়-আফসোস বা অবিসংবাদী উন্নাসিকতার আয়োজন করতে পারেন না, তাই জটিল চিন্তার বাইরের মানুষদের কাছে জনপ্রিয় হয় না।
পত্রিকাটা আমি নিয়েছি ঢাকাস্থ কাঁটাবনের জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ থেকে, ২০১৪ সালের সংখ্যা। এর পরে কেন যেন আসে নি, সংস্কৃতি-র কার্যালয় ৩৩ তোপখানা রোডে। এখানে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত নূর মোহাম্মদের বঙ্গীয় মুসলমান সমাজ: ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থা ও সাম্প্রদায়িকতা বইটি ছেপেছে জাতীয় সাহিত্য প্রকাশই। নূর মোহাম্মদ বক্ষ্যমাণ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রবন্ধ ‘বাঙালী মুসলমান—শ্রেণীসমস্যা ও সাম্প্রদায়িকতা’-এ প্রকৃতপক্ষে গৌতম ভদ্র, রোমিলা থাপার, সুনীতিকুমার ঘোষ, অমলেন্দু দে বা দীপেশ চক্রবর্তীদেরই উত্তরসূরিরূপে প্রতিভাত হয়েছেন; অবশ্যই যুক্ত হয়েছে তাঁর নিজের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ।আছে কীভাবে মুসলমান শাসকের আমলে সংস্কৃত বিদায় হয়ে বাংলার আগমন হলো, ১৮০২ সালে উইলিয়াম দুর্গ মহাবিদ্যালয় থেকে আবার প্রায় জোর করে সংস্কৃতকে ফিরিয়ে আনা হলো, তার ঘটনাক্রম। বিশপ রেজিনাল্ড হেবার (১৭৮৩-১৮২৬)
বারবার হিন্দুদের এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ব্রিটিশরা তো তাদের দখল করে নি, তারা আগে থেকেই মুসলমানদের অধীনে ছিল। তিনি মনে করিয়েছেন মুসলমান শাসকরা ব্রিটিশদের মতোই রক্ত সম্পর্ক বা ধর্মের দিক থেকে ভারতে বহিরাগত-আগন্তক। এবং তারা ব্রিটিশদের চেয়ে ঢের বেশি অত্যাচারী।

এই হেবারতত্ত্ব কিছু অন্ধ মানুষের মনে এখনো গেঁথে আছে জিন থেকে জিনে; পলাশি পরাজয়ের ২৬৪ বছর পরও শুনতে হয় তাই ‘ইনভেডার’, ‘আরবি ভাইবোন’ ইত্যাদি। তবে তার সমান্তরালেই আলোকপ্রাপ্ত মানুষ আছেন বলেই বেঁচে থাকা যায়। নূর মোহাম্মদ বাংলা বিভাগে অধ্যয়ন করা সত্ত্বেও তাঁর অভিগম বা এগোনোর সঞ্চারপথটা ভালো লেগেছে। তিনি পৃচ্ছা তুলেছেন, হিন্দুধর্মীয় আদর্শপুষ্ট আন্দোলন—অনেকক্ষেত্রে তা রাসবিহারী বসু-বারীন ঘোষদের বিপ্লবী কর্মকাণ্ডেও—স্বাধীনতা আন্দোলনের মর্যাদা পেলেও ফরায়েজি আন্দোলন বা তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা কেন কেবল মুসলিমদের কেবল স্বকীয় স্বার্থরক্ষার আন্দোলন হবে। বাংলাদেশের ইসলামি ছাত্রশিবির গুরু মানে বলেই তো আর তিতুমীর তাদের কাতারে চলে আসেন না! বিশেষ করে নূর জানাচ্ছেন, বাঁশেরকেল্লা বা ফরায়েজি আন্দোলনে কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাতের উপাত্ত পাওয়া যায় না। নূর মোহাম্মদ ধর্মভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র বা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ ভাষাভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র—দুইয়েরই বিপরীতে।
আলতাফ পারভেজ লিখেছেন চট্টগ্রামের জেনারেল উবানের নেতৃত্বে ফিফথ আর্মি নিয়ে—ফ্যান্টমস অফ চিটাগং। এবং সেই সূত্রে সিআইএ-র-চীন এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে তিব্বতি গেরিলা যোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল তা নিয়ে তথ্যসূত্র-সমন্বিত স্বাদু লেখা; যা সম্ভবত তাঁর তৎকালীন-আসন্ন মুজিব বাহিনী থেকে গণবাহিনী বইয়েরই প্রস্তুতিপর্ব।
আলতাফ পারভেজ ও নূর মোহাম্মদ—দুইয়ের গোটা বই নিয়েই হয়ত আবার লিখব।
উমর লিখেছেন ২০১৪ সালে (এবং এখনো) ধর্মদ্রোহিতা আইনের অদৃশ্যভাবে বলবৎ থাকা নিয়ে। স্বভাবসিদ্ধ রীতিতে সে আইনের শিকার আ. লীগ নেতাকেও সমালোচনা করতে ছাড়েন নি:
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক এক বিশাল বহর নিয়ে সাধারণ ট্যাক্সদাতাদের অর্থের বিপুল অপচয় করে নিউইয়র্ক যাওয়া এবং নিজে সেই বহরের একজন হয়ে যে অর্থ অপচয় করেছেন সে বিষয়ে কিছু না বললেও হজে গিয়ে অর্থ অপচয়ের কথা লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন। এটা ঠিক যে, বাঙলাদেশে এখন কোরবানি দেয়া, হজে যাওয়া ইত্যাদি ধর্মীয় ব্যাপার হিসেবে নয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে সামাজিক মর্যাদার বিষয় হিসেবেই হচ্ছে এবং এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এখন শুধু বৃদ্ধ ও বয়স্করা নন, অল্প বয়স্করা পর্যন্ত হজে যাচ্ছে এবং যারা যাচ্ছে তারা যে ধর্মের প্রতি নিষ্ঠাবান এমন কথা বলা যাবে না। তবে কেউ যদি এর সমালোচনা করেন, তাহলে তাকে ধর্মবিরুদ্ধ বলার মধ্যে কোনো যৌক্তিকতা নেই। একথা বলার অধিকার সবারই আছে। তাছাড়া  হজ কোনো ফরজ ব্যাপারও না। কাজেই লতিফ সিদ্দিকী একথা বললে এতে দোষের কিছু ছিল না।


একটা বিতথ্য আছে। সামর্থ্যবানদের ওপর হজ পালন ফরজ তা ক়ুরআন মাজিদেই আছে, এবং ইসলামের পাঁচটা স্তম্ভের একটা। বাংলাদেশে হজব্রতের সমাজতত্ত্ব নিয়ে তিনি যা বলেছেন, তা সাধারণীকরণ (অন্তত তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপনের আগ পর্যন্ত তা-ই বলা যায়)। তবে ধর্মদ্রোহিতার আইনের বিষয়ে তাঁর সাথে আমি একমত।
Displaying 1 of 1 review

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.