মুরাদুল ইসলাম এর ‘কতো শতো মুখ’ ৯টা ছোট গল্পের বই। শুধু ছোট গল্প বললে একটা ইন্ট্রেস্টিং ব্যাপার বাদ পড়ে যায়, সব গল্পগুলাই সাইকোএনালাইসিস।
প্রতিটা গল্পের কাঠামো একইরকম। একজন রোগী, যার কোনো মানসিক সমস্যা আছে, সে একজন ব্যক্তিকে, সম্ভবত চিকিৎসক, তাকে সেই সমস্যার কথা কয়। অপরব্যক্তি শুধু কয়েকটা প্রশ্ন করে মাঝে মাঝে। এবং শেষে সে একটা ব্যাখ্যা দেয়। প্রতিটা গল্পের শেষও একইরকম।
তো, এই ৬৪ পৃষ্ঠার বইয়ের সব গল্পের কাঠামো একই হইলেও বইটা কেন রেকমেন্ডেড? কারণ প্রতিটা গল্পের যে উইয়ার্ড প্লট, অথচ তার সহজ সাইকোএনালাইসিস- এইটা হয়তো ভাবাবে। মানে, ভাবার জায়গাটা হইলো, আমাদের মানসে যতো উইয়ার্ড জিনিসপাতি আসে, তার একটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা নিজে নিজে খোঁজা যায় কি না ভাবতে পারেন। আর লেখকের লেখার যে ভাষা, সেটাও ইন্ট্রেস্টিং।