Jump to ratings and reviews
Rate this book

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
10 (66%)
4 stars
3 (20%)
3 stars
2 (13%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
45 reviews
January 24, 2022
Of course, this book is in my must-read list. Just go grab it, drink some water and free your mind, and then start reading it.
Profile Image for Maruful Apu.
20 reviews
February 12, 2022
জীবনের চলার পথে যতই বই পড়ছি ততই শিখছি নতুন কিছু। কখনো বা কল্পনাতীত বিষয় আমার সামনে চলে আসে। ঠিক তেমনি একটি বিষয় হল সুখের সময়ও যে ধৈর্য ধরতে হয় সেটি আমার জানা ছিল না। আমি শুধু জানতাম বিপদে বা কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করতে হয়। প্রাচুর্যের বসবাসের মাঝেও ধৈর্য পরীক্ষা দিতে হয়। যা অনেকে দিতে পারে না এবং অনেকেরই অজানা।

আমার জীবনের অনেক বিষয়ে অজানা রয়েছে। বলতে গেলে শব্দের পরিভাষা বা ব্যপ্তি অনেক কম। তার মধ্যে ধৈর্য এবং কৃতজ্ঞতা। এই দুই বিষয় একদমই জানতাম না । শুধু জানতাম ধৈর্য ধরো আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। কিন্তু কোনটা কীভাবে করতে হয় তা অজানা ছিল। আলহামদুলিল্লাহ কিছুটা জানলাম ১৭২ পৃষ্ঠার এই 'সবর' বইটি পড়ে। বইটি পৃষ্ঠার সংখ্যায় ছোট কিন্তু আলোচনার দিকে দিয়ে অনেক বিশাল।

ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যা র. এই ছোট বইটিতে এত সুন্দর করে তুলে ধরছেন বিষয়গুলাকে যা বুঝতে অসুবিধা হয়নি। বিষয়গুলো প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা উদাহরণ দিয়ে লিখে গেছেন। বইটিতে যথাক্রমে ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার প্রকারভেদ, কৃতজ্ঞ ধনী ও ধৈর্যশীল দরিদ্রের তুলনা, আল্লাহ, রাসূল ও সালাফের দৃষ্টিতে দুনিয়ার উদাহরণ, উদাহরণগুলোর সাথে বাস্তবতার সম্পর্ক, দুনিয়ার প্রশংসিত ও নিন্দিত বিষয়াবলি, দুনিয়ার যেসকল বিষয় মানুষকে আল্লাহর কাছে টেনে আনে অথবা দূরে সরিয়ে দেয় সেগুলোর পরিচয়, দুনিয়ায় সফল ও ব্যর্থদের অবস্থাসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

৫০০-৬০০ বছরের পূর্বে বিজ্ঞ আলেমদের লেখা অনেক বেশি গুরুত্ব দেই বর্তমান লেখকদের তুলনায়।

শেষে, বইয়ের ব্যাককভারের ছোট অনুচ্ছেদটি তুলে দেওয়া হল।

//
আমাদের জীবনটা বড্ড সমস্যা সংকুল৷ এই জীবন কখনো যদি আমাদের সামনে বিপদের ঢালি নিয়ে হাজির হয়, আমরা ভেঙে পড়ি৷ ভেতরে ভেতরে গুড়িয়ে যাই৷ আমরা বুঝতে চেষ্টা করিনা যে, বহতা নদীর স্রোতের মতো জীবনের গতিপথ সরল এবং সোজা নয়; বরং তা সৃষ্টিগতভাবেই দুর্গম, বন্ধুর এবং কণ্টকাকীর্ণ।

মুমিন ব্যক্তি মাত্রই বিশ্বাস করে যে, যত সংকটই আসুক না কেন, তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে৷ ফলে সে বিপদে পড়েও ক্ষোভ, হতাশা ও অস্থিরতা প্রকাশ করে না। বরং নিজের ভাষা ও আচরণ সংযত রাখে। কারণ, সে আল্লাহর প্রতি গভীরভাবে বিশ্বাসী। সে বিশ্বাস করে যে, মুমিনের জন্য বিপদ-আপদ নিয়ামতস্বরূপ৷ কারণ, এর দ্বারা গুনাহ মাফ হয়৷ বিপদে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট থেকে যথাযথ প্রতিদান পাওয়া যায়৷ তাই মুমিন বিপদে পড়লে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি কান্নাকাটি করে৷ আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে৷ সৃষ্ট জীব থেকে বিমুখ হয়ে এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসে৷
//
Profile Image for Tamim wn.
112 reviews
March 20, 2024
নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে
আছেন।
(সূরা আনফাল, ৪৬)
ধৈর্যশীলতা একজন মুমিন ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেসকল গুণ নিজের মাঝে ধারণ করলে কোনো ব্যক্তি পরকালে জান্নাত লাভের আশা করতে পারে সেগুলোর মধ্যে ধৈর্য অন্যতম । আল-কুরআনে বেশ কয়েকবার ধৈর্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যশীল বান্দাকে পুরস্কৃত করবেন বলে বহু জায়গায় ঘোষণা দিয়েছেন। মোটকথা, ধৈর্য নামক মহান এই গুণ আমাদের সবার মাঝেই থাকা উচিৎ।
বই প্রসঙ্গে:
সবর' বইটিতে উপরোক্ত 'ধৈর্যশীলতা' নিয়েই পর্যালোচনা করা হয়েছে। বর্তমানের ব্যস্ততাময়-কৃত্রিম পৃথিবীতে প্রায় সবার জীবনই হতাশা আর অপূর্ণতায় পূর্ণ। নিজ নিজ অসীম লক্ষ্যে পৌঁছাতে সবাই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। সবাই এই দুনিয়াতে সফলতা চায়। এই সফলতা অর্জনে অনেকে মহাসমুদ্র পাড়ি দিতেও প্রস্তুত । তবে বাস্তবতা হলো পার্থিব সফলতা সকলের জন্য নয় । চেষ্টা তো সবাই করে কম-বেশী । আমাদের দৌড় এই 'চেষ্টা' পর্যন্তই। এরচেয়ে বেশিকিছু আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। কেননা ফলাফল তো আল্লাহর হাতে। তিনি যাকে খুশি দান করেন।
তাই ব্যর্থতার দিনগুলোতে আমাদের হতাশ হওয়া যাবে না।অস্থির হলেও চলবে না।বরং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। । বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে হবে আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর। (সূরা বাকারা, আয়াত ১৫৫-১৫৭ দ্রষ্টব্য)
'সবর' ব্যাপক অনুপ্রেরণামূলক একটি বই। ধৈর্যের মতো মহৎ গুণটি আমাদের জীবনে পরিপূর্ণভাবে ধারণ করতে বইটি বেশ সহায়ক।
ধৈর্যের সংজ্ঞা, প্রকারভেদ থেকে শুরু করে ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার মাঝে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইসহ সবর সম্পর্কিত প্রায় সবই স্থান পেয়েছে এই বইয়ে। সকলের জন্যই এই বই অবশ্যপাঠ্য।
লেখক প্রসঙ্গে:
ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যা রাহিমাহুল্লাহ ইসলামী দুনিয়ার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কয়েকশত বছর আগেই তিনি এই ধরণী ছেড়ে চলে গেছেন। তবে তাঁর কর্মগুলো তাঁকে আজো অমর করে রেখেছে। বিশ্ব- বিখ্যাত এই জ্ঞানী লেখক সম্পর্কে এইখানে আলাদাভাবে আর বলার কিছু নেই। আমরা দোয়া করি যেন আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।
অনুবাদ নিয়ে :
অনুবাদক 'আব্দুল্লাহ মজুমদার' অত্যন্ত চমৎকারভাবে সহজ ও সাবলীল ভাষায় অনুবাদ করেছেন । অনুবাদ নিঃসন্দেহে ভালো হয়েছে।
ব্লার্ব থেকে:
আমাদের জীবনটা বড্ড সমস্যা সংকুল। এই জীবন কখনো যদি আমাদের সামনে বিপদের ঢালি নিয়ে হাজির হয়, আমরা ভেঙে পড়ি। ভেতরে ভেতরে গুড়িয়ে যাই৷ আমরা বুঝতে চেষ্টা করিনা যে, বহতা নদীর স্রোতের মতো জীবনের গতিপথ সরল এবং সোজা নয়; বরং তা সৃষ্টিগতভাবেই দুর্গম, বন্ধুর এবং কণ্টকাকীর্ণা
মুমিন ব্যক্তি মাত্রই বিশ্বাস করে যে, যত সংকটই আসুক না কেন, তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। ফলে সে বিপদে পড়েও ক্ষোভ, হতাশা ও অস্থিরতা প্রকাশ করে না। বরং নিজের ভাষা ও আচরণ সংযত রাখে। কারণ, সে আল্লাহর প্রতি গভীরভাবে বিশ্বাসী। সে বিশ্বাস করে যে, মুমিনের জন্য বিপদ-আপদ নিয়ামতস্বরূপ। কারণ, এর দ্বারা গুনাহ মাফ হয়। বিপদে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট থেকে যথাযথ প্রতিদান পাওয়া যায়৷ তাই মুমিন বিপদে পড়লে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি কান্নাকাটি করে। আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে। সৃষ্ট জীব থেকে বিমুখ হয়ে এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.